📄 ১৪শ সংশয়: জিবরাইলের কাছে ফরিয়াদ করা শির্ক হলে জিবরাইল নিজে নবী ইবরাহিমের কাছে ফরিয়াদ করার এখতিয়ার পেশ করতেন না
এদের আরেকটি সংশয় আছে। সংশয়টি হচ্ছে ইবরাহিম আলাইহিস সালামের সেই ঘটনা, যখন তাঁকে অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তখন জিবরাইল আলাইহিস সালাম হাওয়ায় ভেসে তাঁর সামনে এসে বলেন, 'আপনার কি কোনো প্রয়োজন আছে?' ইবরাহিম প্রত্যুত্তরে বলেন, 'আপনার কাছে আমার কোনো প্রয়োজন নেই।' এ ঘটনা দিয়ে তারা বলে, 'জিবরাইলের কাছে ফরিয়াদ করা যদি শির্ক হতো, তবে তিনি নবী ইবরাহিমের কাছে ফরিয়াদ করার এখতিয়ার পেশ করতেন না।'
এ সংশয়ের জবাব: এই কথা মূলত আগের সংশয়টির শ্রেণিভুক্ত। কেননা জিবরাইল আলাইহিস সালাম তাঁর কাছে পেশ করেছিলেন যে, তিনি নিজের সক্ষমতা অনুযায়ী তাঁর উপকার সাধন করবেন। কারণ জিবরাইল তো এমন ছিলেন, যাঁর ব্যাপারে আল্লাহ বলেছেন, “তাকে শিক্ষা দিয়েছে প্রবল শক্তিশালী।”
আল্লাহ যদি তাঁকে আদেশ করতেন, ইবরাহিমের আগুন ও তার পার্শ্ববর্তী জমিন ও পাহাড়কে ধরে পূর্বে কিংবা পশ্চিমে নিক্ষেপ করতে, তবে তিনি তাই করতেন। আল্লাহ যদি ইবরাহিমকে শত্রুদের থেকে সুদূর কোনো স্থানে রেখে আসার নির্দেশ দিতেন তাঁকে, তবে তিনি তাই করতেন। আল্লাহ যদি ইবরাহিমকে আকাশে উঠিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিতেন তাঁকে, তবে তিনি তাই করতেন। বিষয়টি যেন এক ধনাঢ্য ব্যক্তির অনুরূপ, যার অনেক সম্পদ রয়েছে। সে দেখতে পায় একজন অভাবী মানুষকে। এরপর তার কাছে আরজ করে, সে তাকে ঋণ দেবে কিংবা একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ দান করবে, যা দিয়ে সে নিজের প্রয়োজন মেটাতে পারবে। কিন্তু অভাবী মানুষটি নিতে অস্বীকার করে ধৈর্য ধরতে থাকে, যতক্ষণ না আল্লাহ তাঁকে এমন রিজিক দিচ্ছেন, যাতে অন্য কারও অনুগ্রহ নেই। এ বিষয়টি তাদের ইবাদতমূলক ও শির্কি ফরিয়াদ থেকে কতইনা সুদূরে রয়েছে; যদি তারা বুঝত?
টিকাঃ
৯২. অনুবাদকের টীকা: এ ঘটনা ইমাম ইবনু জারির আত-তাবারি তদীয় তাফসির গ্রন্থে (১৮/৪৬৭) বর্ণনা করেছেন। যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস ইমাম আলবানি বলেছেন, “এ হাদিসের কোনো ভিত্তি নেই। কতিপয় হাদিসবেত্তা ঘটনাটি ইবরাহিম আলাইহিস সালামের বক্তব্য হিসেবে বর্ণনা করেছে। তবে এটা ইসরায়েলি বর্ণনাগুলোর অন্তর্গত।"
৯৩. সুরা নাজম-৫৩:৫।
📄 উপসংহার : অবশ্যই তাওহিদ বাস্তবায়ন করতে হবে অন্তর, জবান ও আমলের মাধ্যমে
পূর্বোক্ত আলোচনা থেকে বোধগম্য হয়, এমন মহান ও গুরুত্ববহ বিষয়ের আলোচনা করে আমরা বক্তব্যের ইতি টানব ইনশাআল্লাহ। স্বতন্ত্রভাবে এ বিষয়ের আলোচনা করছি আমরা; যেহেতু এ বিষয়ের মর্যাদা অনেক বেশি এবং এ বিষয়ে ভুলের সংখ্যাও প্রচুর। তাই আমরা বলছি, এতে কোনো মতভেদের অবকাশ নেই যে, তাওহিদ বাস্তবায়ন করতে হবে অন্তর, জবান ও আমলের মাধ্যমে; এসবের কোনো একটিও বাদ পড়ে গেলে ব্যক্তি আর মুসলিম থাকবে না।
সুতরাং তাওহিদ জেনে যে ব্যক্তি তাওহিদকে আমলে বাস্তবায়ন করেনি, সে ফেরাউন, ইবলিস ও তাদের সমমনা লোকদের ন্যায় হঠকারী কাফির। এ বিষয়ে অনেক মানুষ ভুল করে। তারা বলে, তাওহিদ সত্য। আমরা এটা বুঝি এবং সাক্ষ্যও দিই, এটা সত্য। কিন্তু এ কাজ করতে পারব না আমরা। আমাদের নগরবাসীদের সাথে যাদের মতাদর্শ মিলে যায়, কেবল তাদের কাজই নগরবাসীদের কাছে বৈধ হিসেবে বিবেচিত হয়। ইত্যাকার নানা ধরনের অজুহাত তারা পেশ করে থাকে।
কিন্তু এই হতভাগার জানা নেই, অধিকাংশ কাফির নেতা হক জানে। কোনো না কোনো অজুহাতেই তারা হক পরিত্যাগ করে থাকে। যেমন- মহান আল্লাহ বলেছেন, “তারা আল্লাহর আয়াতগুলোকে নগণ্য মূল্যে বিক্রি করেছে।” (সুরা তাওবা- ৯:৯) এ জাতীয় আরও আয়াত বর্ণিত হয়েছে। যেমন আল্লাহ বলেছেন, “তারা তাকে এমনভাবে চেনে, যেমন চেনে তারা আপন সন্তানদেরকে।” পক্ষান্তরে তাওহিদ না বুঝে, অন্তরে তাওহিদের প্রতি বিশ্বাস না রেখে কেউ বাহ্যিক আমলে তাওহিদ বাস্তবায়ন করলে সে মুনাফিক হিসেবে বিবেচিত। যে কিনা নির্ভেজাল কাফিরের চেয়েও নিকৃষ্ট। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “নিশ্চয় মুনাফেকরা জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে অবস্থান করবে।”
আলোচ্য বিষয়টি অনেক বড়ো ও সুদীর্ঘ বিষয়। মানুষদের কথাবার্তায় এ বিষয়টির উপস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করলে বুঝতে পারবেন। এজন্য আপনি এমন অনেককে দেখতে পাবেন, যারা হক জেনেও হকের আমল বর্জন করে; পার্থিব দৌলত বা সম্মানের হানি হওয়ার ভয়ে, কিংবা তোষামোদ করার কারণে। আপনি যখন সুনিশ্চিত জানবেন, রসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে মিলিত হয়ে যেসব সাহাবি রোমকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন, তাঁদের কতিপয় একটিমাত্র কথার দরুন কাফির হয়ে গিয়েছিল, যা তারা বলেছিল ঠাট্টা ও খেলাচ্ছলে; তখন আপনার কাছে স্পষ্ট হয়ে যাবে, ধনদৌলত বা সম্মান হানি হওয়ার ভয়ে কিংবা কারও তোষামোদ করে যে ব্যক্তি কোনো কুফুরি কথা বলে বা কুফুরি আমল করে, সে ওই ব্যক্তির চেয়েও বড়ো অপরাধী, যে ঠাট্টাচ্ছলে কুফুরি কথা ব্যক্ত করেছে।
মহান আল্লাহ বলেছেন, “কেউ ইমান আনার পর আল্লাহকে অস্বীকার করলে এবং কুফুরির জন্য হৃদয় উন্মুক্ত রাখলে তার ওপর আপতিত হবে আল্লাহর ক্রোধ এবং তার জন্য আছে মহাশাস্তি; তবে সে নয়, যাকে কুফুরির জন্য বাধ্য করা হয়েছে, যদিও তার অন্তর থাকে ইমানে পরিতৃপ্ত। (তাদের শাস্তির) কারণ তারা দুনিয়ার জীবনকে আখেরাতের ওপর প্রাধান্য দিয়েছে।” আল্লাহ এসব লোকের অজুহাত গ্রহণ করেননি। তবে তার কথা আলাদা, যাকে কুফুরির জন্য বাধ্য করা হয়, কিন্তু তার অন্তর থাকে ইমানে পরিতৃপ্ত। এ ব্যক্তি ছাড়া বাকি সবাই ইমান আনার পরে কাফির হয়ে যায়। চাই সে তা কারও ভয়ে করুক, কিংবা তোষামোদ করে করুক, অথবা নিজের দেশ, পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বা সম্পদের প্রীতিতেই করুক, বাধ্য ব্যক্তি ছাড়া এদের সবার বিধান একই।
টিকাঃ
৯৪. সুরা বাকারা-২:১৪৬।
৯৫. সুরা নিসা-৪:১৪৫।
৯৬. অনুবাদকের টীকা: এর মানে, বিষয়টির অনুসন্ধান অনেক সুদীর্ঘ বিষয়। কারণ অনেক মানুষ হক অস্বীকার করে নিন্দুকের ভয়ে, কিংবা পার্থিব সম্মান, বা দৌলতের আশায়।
৯৭. সুরা তাওবা-৯:৬৬।
৯৮. সুরা নাহল-১৬: ১০৬-১০৭।
📄 লেখকের পৌত্র ইমাম সুলাইমান আলুশ শাইখ বিরচিত পরিশিষ্ট
ইমাম সুলাইমান বিন আব্দুল্লাহ আলুশ শাইখ (রহঃ) 'কিতাবুত তাওহিদের' জগৎশ্রেষ্ঠ ভাষ্যগ্রন্থ 'তাইসিরুল আযিযিল হামিদে' আলোচনা করেছেন। এ বিষয়ে কবরপূজারিদের অনেক সংশয় রয়েছে। তার মধ্যে অনেকগুলো সংশয় লেখক তাঁর 'কাশফুশ শুবুহাত (কুবুরীদের সংশয় নিরসন)' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। তিনি সেখানে যেসব সংশয়ের আলোচনা করেননি, সেসবের আলোচনা আমরা এখানে সংযোজন করছি।
টিকাঃ
৯৯. অনুবাদকের টীকা: বক্ষ্যমাণ গ্রন্থের মাননীয় লেখক শাইখুল ইসলাম ইমাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব আন-নাজদি (রহঃ) এর সুযোগ্য পৌত্র ইমাম সুলাইমান বিন আব্দুল্লাহ আলুশ শাইখ (রহঃ) এই বইয়ের পরিশিষ্ট সংযোজন করেছেন। দাদাজানের লেখা অনবদ্য গ্রন্থ কিতাবুত তাওহিদের ব্যাখ্যা লিখেছেন তিনি। খুবই প্রাসঙ্গিক বিবেচনায় আমরা তাঁর সংযোজিত পরিশিষ্ট অনুবাদ করে বইয়ের সাথে যুক্ত করে দিলাম।
📄 ১৫শ সংশয়: স্বয়ং নবীজি গাইরুল্লাহকে ডাকার করার শিক্ষা দিয়েছেন জনৈক অন্ধ সাহাবিকে
তাদের একটি অন্যতম সংশয়: তারা ইমাম তিরমিজি কর্তৃক তদীয় 'জামি তিরমিজি' গ্রন্থে বর্ণিত একটি হাদিসকে দলিল হিসেবে পেশ করে। তিরমিজি বলেছেন, ... জনৈক অন্ধ ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে বললেন, হে আল্লাহর নবী, আমার জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া করুন, যেন তিনি আমাকে আরোগ্য দান করেন। তিনি বললেন, তুমি চাইলে আমি দোয়া করব, তবে তুমি ইচ্ছে করলে ধৈর্যধারণ করতে পার, সেটা হবে তোমার জন্য উত্তম। সে বলল, তার নিকট দোয়া করুন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাকে উত্তমরূপে ওজু করার নির্দেশ দিলেন এবং এই দোয়া করতে বললেন, “হে আল্লাহ, আপনার নিকট আমি প্রার্থনা করছি এবং আপনার প্রতিই মনোনিবেশ করছি আপনার নবী, দয়ার নবী মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর মাধ্যমে (অসিলায়)। আমি তাঁর অসিলায় আমার প্রয়োজনের জন্য আমার প্রভুর দিকে ধাবিত হলাম, যাতে আমার এ প্রয়োজন পূর্ণ করে দেওয়া হয়। হে আল্লাহ, আমার ব্যাপারে তাঁর কৃত সুপারিশ আপনি কবুল করে নিন।”
মুশরিকরা এই শব্দগুচ্ছের সাথেই লেগে রয়েছে, যদিও উক্ত শব্দগুচ্ছ ওই ইমামদের বর্ণনায় আসেনি। মুশরিকরা বলে, আল্লাহর পরিবর্তে অন্যকে ডাকা যদি শির্কই হতো, তাহলে নবী (ﷺ) অন্ধ সাহাবিকে এই দোয়া শিখিয়ে দিতেন না, যার মধ্যেই রয়েছে গাইরুল্লাহকে ডাকার বিষয়বস্তু। কয়েকটি দিক থেকে তাদের এ কথার জবাব দেওয়া যায়:
প্রথমত, হাদিসটিকে যদিও তিরমিজি সহিহ বলে আখ্যায়িত করেছেন, তথাপি হাদিসটি প্রমাণিত কিনা সে বিষয়ে বিতর্ক রয়েছে। কারণ তিরমিজি সহিহ বলার ক্ষেত্রে হাকিমের মতো শিথিলতার পথ অবলম্বন করেন। দ্বিতীয়ত, হাদিসটির সাথে এ বিষয়ক বিতর্কের প্রাসঙ্গিকতা নেই। নবী (ﷺ)- এর কাছে অন্ধ সাহাবির দোয়া চাওয়া এবং তাঁর উপস্থিতিতে তাঁর দোয়ার অসিলায় আল্লাহর অভিমুখী হওয়া কতইনা দূরে রয়েছে- মরা মানুষদের কাছে প্রার্থনা, তাদের উদ্দেশ্যে ও তাদের কবরে সিজদা দেওয়া, দুঃখ-দুর্দশায় তাদের ওপর ভরসা করা, তাদের কাছে আশ্রয় চাওয়া, তাদের উদ্দেশ্যে জবাই ও মানত করা, দূরবর্তী জায়গা থেকে তাদের ‘হে আমার পির, হে আমার বাবা, আমার জন্য এটা করে দিন’ বলে ডাকাডাকি করার মতো বিষয়গুলো থেকে!
অন্ধ সাহাবির হাদিস এক জিনিস, আর গাইরুল্লাহকে ডাকা ও ফরিয়াদ করা আরেক জিনিস। অন্ধ সাহাবির হাদিসে কেবল এ বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে যে, তিনি নবী (ﷺ)-এর কাছে চেয়েছেন, নবীজি যেন তাঁর জন্য দোয়া ও সুপারিশ করে দেন। বিষয়টি ছিল মূলত নবীজির দোয়া ও সুপারিশ দিয়ে অসিলা গ্রহণ করা। এজন্য তিনি প্রার্থনার শেষাংশে বলেছেন, “হে আল্লাহ, আমার ব্যাপারে তাঁর সুপারিশ আপনি কবুল করে নিন।” এ থেকে জানা যায়, নবীজি তাঁর জন্য সুপারিশ করেছিলেন।
চাইতে নবীর অসিলায় চেয়েছেন স্বয়ং আল্লাহর কাছ থেকে। তবে নবীজির সত্তার অসিলায় প্রার্থনার বিষয়টি দুর্বল অভিমতের বক্তব্য। সৃষ্টি কুলের সত্তার অসিলায় প্রার্থনা করা কিংবা তাদের সত্তার মাধ্যমে আল্লাহর শানে কসম করা নিকৃষ্ট বিদাত। এটা নবী (ﷺ)-এর নিকট থেকে প্রমাণিত হয়নি। আবু হানিফা বলেছেন, “কেবল আল্লাহর অসিলা ব্যতিরেকে অন্য কারও অসিলায় আল্লাহকে ডাকা কারও জন্য সমীচীন নয়।” আবু ইউসুফ (ইমাম আবু হানিফার প্রধান ছাত্র এবং হানাফিদের শ্রেষ্ঠ বিদ্বান) বলেছেন, “অমুকের হকের অসিলায়, আপনার নবী-রসুলের হকের অসিলায়, কাবাঘরের হকের অসিলায়, হজের পবিত্র স্থানের অসিলায় প্রার্থনা করা আমি খারাপ মনে করি।”
টিকাঃ
১০০. অনুবাদকের টীকা: তাইসিরুল আযিযিল হামিদের মুহাক্কিক শাইখ উসামা আল-উতাইবি হাফিযাহুল্লাহ উদ্ধৃত করেছেন, শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ তাঁর 'কায়িদা জালিলা' গ্রন্থে বলেছেন, “তিরমিজিতে কথাটি এভাবেই উল্লিখিত হয়েছে। কিন্তু সকল উলামা বলেছেন, তিনি হলেন আবু জাফর আল-খাতমি; আর এটাই সঠিক।”
১০১. সাখাউয়ি কৃত ফাতহুল মুগিস, খণ্ড: ২; পৃষ্ঠা ৪২।
১০২. আদ-দুরুল মুখতার, খণ্ড: ৬; পৃ.৩৯৬।
১০৩. মাজমুউল ফাতাওয়া, খণ্ড: ১; পৃ.২০৩৩; শারহুল আকিদাতিত তাহাবিয়্যাহ, পৃ.২৬২।
১০৪. শারহু মুখতাসারিল কারখি, 'মাকরুহ' অধ্যায়।
১০৫. তাবারানি কৃত মুজামুল আওসাত, হা/৬৫০২; মুজামুস সাগির, হা/৯৯২; আব্দুর রহমান বিন যাইদ বিন আসলামের কারণে হাদিসটি বানোয়াট।
১০৬. সুরা আরাফ-৭:২৩।
১০৭. বর্ণনাকারী আব্দুর রহমানের ব্যাপারে দেখুন: মিযযি প্রণীত তাহযিবুল কামাল, খণ্ড: ১৭; পৃ.১১৪-১১৯।