📘 কুবুরীদের সংশয় নিরসন 📄 বনু ইসরাইল ও জাতু-আনওয়াতের ঘটনায় বিদ্যমান জ্ঞাতব্য বিষয়াবলি

📄 বনু ইসরাইল ও জাতু-আনওয়াতের ঘটনায় বিদ্যমান জ্ঞাতব্য বিষয়াবলি


সর্বোপরি এই ঘটনা থেকে জানা যায়, একজন সাধারণ মুসলিম, বরং একজন আলিম পর্যন্ত কখনো কখনো অজ্ঞতাবশত শির্কের নানাবিধ প্রকারে নিপাতিত হতে পারে। এ থেকে বোঝা যায়, তাওহিদ বিষয়ক জ্ঞান চর্চা করা এবং এ বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। এও জানা যায় যে, অজ্ঞ ব্যক্তির ব্যক্তীকৃত-'আমাদের তাওহিদ বোঝা হয়ে গেছে'- কথাটি সবচেয়ে বড়ো অজ্ঞতা এবং শয়তানি চক্রান্তগুলোর অন্যতম।

ঘটনা থেকে প্রতিভাত হয়, ইবাদত ও ইসলাম সচেষ্ট মুসলিম যদি না জেনে কুফুরি কথা বলে ফেলে, এরপর তাকে সতর্ক করা হলে তৎক্ষণাৎ তা থেকে ফিরে আসে, তাহলে সে কাফির হবে না। যেমনটি করেছিল বনু ইসরাইল সম্প্রদায়ের লোকেরা এবং রসুলুল্লাহ (ﷺ)-কে প্রশ্নকারী সাহাবিবর্গ।

ঘটনা থেকে আরও জানা যায়, ব্যক্তি যদি (কুফুরি কথা বলার পরে) কাফির নাও হয়, তবুও তার বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর কথা বলতে হবে। যেমনটি করেছেন রসুলুল্লাহ (ﷺ)।

📘 কুবুরীদের সংশয় নিরসন 📄 ১২শ সংশয়: যে বান্দা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলেছে, সে যা-ই করুক না কেন, তাকে কোনোভাবেই কাফির বলা কিংবা হত্যা করা চলবে না

📄 ১২শ সংশয়: যে বান্দা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলেছে, সে যা-ই করুক না কেন, তাকে কোনোভাবেই কাফির বলা কিংবা হত্যা করা চলবে না


মুশরিকদের আরেকটি সংশয় আছে। তারা বলে, উসামা রাদিয়াল্লাহু আনহু 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলা ব্যক্তিকে হত্যা করলে তাঁকে ভর্ৎসনা করে নবী (ﷺ) বলেছিলেন, “সে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলার পরেও তুমি তাকে হত্যা করলে?!” অনুরূপভাবে নবী (ﷺ) বলেছেন, “মানুষরা যে পর্যন্ত 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' না বলছে, সে পর্যন্ত আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি।” এতদ্ব্যতীত যে কালিমা বলেছে তার ওপর চড়াও হওয়া থেকে বিরত থাকার ব্যাপারে আরও হাদিস বর্ণিত হয়েছে।

এই মূর্খ লোকগুলোর কথার উদ্দেশ্য— যে ব্যক্তি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলেছে, সে যা-ই করুক না কেন, তাকে কাফির বলা যাবে না এবং হত্যা করাও চলবে না। তো এই মূর্খ মুশরিকদের বলতে হবে, রসুল (ﷺ) যে ইহুদিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন এবং তাদেরকে বন্দি করেছিলেন, তা সুবিদিত বিষয়। যদিও ইহুদিরা 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' আওড়াত। এটাও সবার জানা রয়েছে যে, রসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবিগণ বনু হানিফার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। অথচ তারা 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই, আর মুহাম্মাদ আল্লাহর রসুল'- কথাটির সাক্ষ্য দিত, সালাত পড়ত এবং নিজেদের মুসলিম বলে দাবি করত। একই অবস্থা ছিল তাদেরও, যাদেরকে আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছিলেন।

কীভাবে এমন হতে পারে, কেউ শাখাগত বিষয় অস্বীকার করলে কালিমা তার কোনো কাজে আসবে না; কিন্তু রসুলদের দ্বীনের মূলভিত্তি ও প্রধান বিষয়— তাওহিদ অস্বীকার করার পরেও তা তার কাজে আসবে?!

প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর দুশমনরা হাদিসগুলোর মর্মার্থ বুঝতে পারেনি। উসামা রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদিসটি হচ্ছে, তিনি মুসলিম দাবিদার এক ব্যক্তিকে হত্যা করে ফেলেছিলেন। কারণ তিনি মনে করেছিলেন, সে কেবল জানমালের ভয়েই নিজেকে মুসলিম দাবি করেছে। কিন্তু কোনো ব্যক্তি ইসলাম জাহির করলে, তার থেকে নিবৃত্ত হওয়া ওয়াজিব; যতক্ষণ না তার থেকে ইসলামবিরোধী কোনো বিষয় পরিস্ফুটিত হচ্ছে। মহান আল্লাহ এ ব্যাপারে অবতীর্ণ করেছেন, “ওহে যারা ইমান এনেছ, যখন তোমরা আল্লাহর পথে বের হও, তখন প্রত্যেক বিষয় যাচাই করে নাও, এবং কেউ তোমাদেরকে 'সালাম' দিলে তাকে বল না যে, 'তুমি মুমিন নও'।” অর্থাৎ তোমরা (প্রতিটি বিষয় যাচাই করে) সুনিশ্চিত হও।

এ আয়াত থেকে প্রতীয়মান হয়, মুসলিম দাবিদার ব্যক্তির ওপর চড়াও হওয়া থেকে নিবৃত্ত হওয়া এবং তার ব্যাপারে সুনিশ্চিত হওয়া ওয়াজিব। পরবর্তীতে তার থেকে যদি ইসলামবিরোধী কোনো বিষয় প্রকাশিত হয়, তাহলে তাকে হত্যা করা হবে। কারণ আল্লাহ বলেছেন, 'তোমরা যাচাই করে নাও।' কেউ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বললে তাকে যদি বিলকুল হত্যা করা নাই যায়, তাহলে এই যাচাইয়ের কোনো অর্থ থাকে না।

তদ্রুপ অপর হাদিস ও তার অনুরূপ হাদিসগুলোর অর্থও তাই, যা আমরা উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ যে ব্যক্তি ইসলাম ও তাওহিদ জাহির করবে, তার থেকে নিবৃত্ত হওয়া ওয়াজিব। তবে ইসলাম-বিনাশী কোনো বিষয় তার থেকে প্রকাশিত হলে সে কথা ভিন্ন (তখন আর নিবৃত্ত হওয়া ওয়াজিব নয়)। আমাদের এ কথার পক্ষে দলিল- যেই আল্লাহর রসুল (ﷺ) বলেছেন, “সে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলার পরেও তুমি তাকে হত্যা করলে?!” এবং বলেছেন, “মানুষরা যে পর্যন্ত 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' না বলছে, সে পর্যন্ত আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি।” সেই রসুল (ﷺ)-ই খারেজিদের ব্যাপারে বলেছেন, “তোমরা এদেরকে যেখানেই পাবে, হত্যা করে ফেলবে।” তিনি আরও বলেছেন, “আমি যদি এদেরকে পাই, তাহলে আদ জাতিকে হত্যা করার মতো এদেরকে হত্যা করব।” অথচ খারেজিরা মানুষদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইবাদত করত এবং লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ জপত।

টিকাঃ
৮২. সহিহ মুসলিম, হা/৯৬; ইমান অধ্যায় (১); পরিচ্ছদ: ৪১।
৮৩. সহিহ বুখারি, হা/২৫ ও ৩৯২; সহিহ মুসলিম, হা/২২।
৮৪. সুরা নিসা-৪:৯৪।
৮৫. সহিহ মুসলিম, হা/৯৬; ইমান অধ্যায় (১); পরিচ্ছদ: ৪১।
৮৬. সহিহ বুখারি, হা/২৫ ও ৩৯২; সহিহ মুসলিম, হা/২২।
৮৭. সহিহ বুখারি, হা/৩৬১১; সহিহ মুসলিম, হা/১০৬৬।
৮৮. সহিহ বুখারি, হা/৭৪৩২; সহিহ মুসলিম, হা/১০৬৪।
৮৯. সুরা হুজুরাত-৪৯:৬।

📘 কুবুরীদের সংশয় নিরসন 📄 ১৩শ সংশয়: আল্লাহর পরিবর্তে অন্যের কাছে ফরিয়াদ করা শির্ক নয়; কারণ পরকালে নবিদের কাছে ফরিয়াদ করার বৈধতা বর্ণিত হয়েছে

📄 ১৩শ সংশয়: আল্লাহর পরিবর্তে অন্যের কাছে ফরিয়াদ করা শির্ক নয়; কারণ পরকালে নবিদের কাছে ফরিয়াদ করার বৈধতা বর্ণিত হয়েছে


এদের আরেকটি সংশয় আছে। সংশয়টি হলো- নবী (ﷺ) জানিয়েছেন, কেয়ামতের দিন মানুষেরা বিপদ থেকে উদ্ধার কামনা করবে আদম আলাইহিস সালামের কাছে, এরপর ফরিয়াদ করবে নুহ আলাইহিস সালামের কাছে, তারপর ইবরাহিম আলাইহিস সালামের কাছে, তারপর মুসা এবং তারপরে ঈসা আলাইহিমাস সালামের কাছে। কিন্তু তাঁরা সবাই ওজর পেশ করে দায়িত্বমুক্ত থাকবেন। পরিশেষে তারা রসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে পৌঁছবে। এ হাদিস দিয়ে এরা বলে, এ থেকে প্রতীয়মান হয়, আল্লাহর পরিবর্তে অন্যের কাছে ফরিয়াদ করা শির্ক নয়।

এর জবাবে আপনি বলবেন, সেই সত্তা মহাপবিত্র, যিনি তাঁর শত্রুদের অন্তরে মোহর মেরে দিয়েছেন। কারণ মাখলুক যে কাজ করতে সক্ষম, সেক্ষেত্রে তার কাছে ফরিয়াদ করা বা ত্রাণ চাওয়ার বিরোধিতা আমরা করি না। যেমন মহান আল্লাহ মুসা আলাইহিস সালামের ঘটনায় বলেছেন, “সার সম্প্রদায়ভুক্ত লোকটি তার শত্রুর বিরুদ্ধে মুসার কাছে ফরিয়াদ করল (সাহায্য চাইল)।” এমনিভাবে মানুষ যুদ্ধ বা অন্য কোনো পরিস্থিতিতে স্বীয় সাথীবর্গের কাছে সাহায্য চায়— এমনকিছু বিষয়ে, যেসব বিষয়ে মাখলুকরা তাকে সাহায্য করার ক্ষমতা রাখে।

আমরা কেবল ইবাদতমূলক ফরিয়াদের বিরোধিতা করেছি, যে ফরিয়াদ তারা অলিদের কবরের নিকট করে থাকে। কিংবা অলিদের অবর্তমানে এমন বিষয়ে ফরিয়াদ করে বা সাহায্য চায়, যে বিষয়ে আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ সাহায্য করার ক্ষমতা রাখে না। এ বিষয়টি যখন সুসাব্যস্ত হয়ে গেল, তখন কেয়ামতের দিন নবিদের কাছে ফরিয়াদ করা প্রসঙ্গে বলতে হয়। সেদিন মানুষ তাঁদের কাছে চাইবেন, তাঁরা যেন আল্লাহর কাছে মানুষের হিসাব আরম্ভ করার প্রার্থনা করেন। যাতে জান্নাতবাসীরা কেয়ামত-প্রান্তরের দুর্বিষহ দুর্দশা থেকে স্বস্তি লাভ করতে পারে। এ কাজ ইহলৌকিক ও পারলৌকিক উভয় জগতেই বৈধ রয়েছে যে, তোমার সাথে ওঠাবসা করেন এবং তোমার কথা শোনেন, এমন একজন জীবিত সৎ ব্যক্তির কাছে গিয়ে তুমি বলবে, 'আপনি আমার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন।' যেমন রসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবিগণ তাঁর জীবদ্দশায় তাঁর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পরে কখনোই তাঁরা তাঁর কবরের কাছে গিয়ে দোয়া চাননি। বরং তাঁর কবরের নিকট গিয়ে যে ব্যক্তি এক আল্লাহর কাছে দোয়া করে, সালাফগণ তারই বিরোধিতা করেছেন। তাহলে তার ব্যাপারটি কেমন হতে পারে, যে সরাসরি নবিজির কাছেই প্রার্থনা করে?

টিকাঃ
৯০. সুরা কাসাস-২৮:১৫।
৯১. অনুবাদকের টীকা: ইমাম শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভির সুযোগ্য পৌত্র ইমাম শাহ ইসমাইল দেহলভি তাঁর 'তাকবিয়াতুল ইমান' (উর্দু) গ্রন্থে কবরপূজারিদের খণ্ডন করেছেন। গ্রন্থটি 'রিসালাতুত তাওহিদ' নামে আরবিতে অনুবাদ করেছেন জনাব সাইয়্যিদ আবুল হাসান আলি নদভি আন-নাকশাবান্দি।

📘 কুবুরীদের সংশয় নিরসন 📄 ১৪শ সংশয়: জিবরাইলের কাছে ফরিয়াদ করা শির্ক হলে জিবরাইল নিজে নবী ইবরাহিমের কাছে ফরিয়াদ করার এখতিয়ার পেশ করতেন না

📄 ১৪শ সংশয়: জিবরাইলের কাছে ফরিয়াদ করা শির্ক হলে জিবরাইল নিজে নবী ইবরাহিমের কাছে ফরিয়াদ করার এখতিয়ার পেশ করতেন না


এদের আরেকটি সংশয় আছে। সংশয়টি হচ্ছে ইবরাহিম আলাইহিস সালামের সেই ঘটনা, যখন তাঁকে অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তখন জিবরাইল আলাইহিস সালাম হাওয়ায় ভেসে তাঁর সামনে এসে বলেন, 'আপনার কি কোনো প্রয়োজন আছে?' ইবরাহিম প্রত্যুত্তরে বলেন, 'আপনার কাছে আমার কোনো প্রয়োজন নেই।' এ ঘটনা দিয়ে তারা বলে, 'জিবরাইলের কাছে ফরিয়াদ করা যদি শির্ক হতো, তবে তিনি নবী ইবরাহিমের কাছে ফরিয়াদ করার এখতিয়ার পেশ করতেন না।'

এ সংশয়ের জবাব: এই কথা মূলত আগের সংশয়টির শ্রেণিভুক্ত। কেননা জিবরাইল আলাইহিস সালাম তাঁর কাছে পেশ করেছিলেন যে, তিনি নিজের সক্ষমতা অনুযায়ী তাঁর উপকার সাধন করবেন। কারণ জিবরাইল তো এমন ছিলেন, যাঁর ব্যাপারে আল্লাহ বলেছেন, “তাকে শিক্ষা দিয়েছে প্রবল শক্তিশালী।”

আল্লাহ যদি তাঁকে আদেশ করতেন, ইবরাহিমের আগুন ও তার পার্শ্ববর্তী জমিন ও পাহাড়কে ধরে পূর্বে কিংবা পশ্চিমে নিক্ষেপ করতে, তবে তিনি তাই করতেন। আল্লাহ যদি ইবরাহিমকে শত্রুদের থেকে সুদূর কোনো স্থানে রেখে আসার নির্দেশ দিতেন তাঁকে, তবে তিনি তাই করতেন। আল্লাহ যদি ইবরাহিমকে আকাশে উঠিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিতেন তাঁকে, তবে তিনি তাই করতেন। বিষয়টি যেন এক ধনাঢ্য ব্যক্তির অনুরূপ, যার অনেক সম্পদ রয়েছে। সে দেখতে পায় একজন অভাবী মানুষকে। এরপর তার কাছে আরজ করে, সে তাকে ঋণ দেবে কিংবা একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ দান করবে, যা দিয়ে সে নিজের প্রয়োজন মেটাতে পারবে। কিন্তু অভাবী মানুষটি নিতে অস্বীকার করে ধৈর্য ধরতে থাকে, যতক্ষণ না আল্লাহ তাঁকে এমন রিজিক দিচ্ছেন, যাতে অন্য কারও অনুগ্রহ নেই। এ বিষয়টি তাদের ইবাদতমূলক ও শির্কি ফরিয়াদ থেকে কতইনা সুদূরে রয়েছে; যদি তারা বুঝত?

টিকাঃ
৯২. অনুবাদকের টীকা: এ ঘটনা ইমাম ইবনু জারির আত-তাবারি তদীয় তাফসির গ্রন্থে (১৮/৪৬৭) বর্ণনা করেছেন। যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস ইমাম আলবানি বলেছেন, “এ হাদিসের কোনো ভিত্তি নেই। কতিপয় হাদিসবেত্তা ঘটনাটি ইবরাহিম আলাইহিস সালামের বক্তব্য হিসেবে বর্ণনা করেছে। তবে এটা ইসরায়েলি বর্ণনাগুলোর অন্তর্গত।"
৯৩. সুরা নাজম-৫৩:৫।

ফন্ট সাইজ
15px
17px