📄 ১০ম সংশয়: আল্লাহর কাছে অলিদের মর্যাদা রয়েছে; বিধায় তাঁদের কাছে ফরিয়াদ করা বৈধ
সে যদি যুক্তি দেয়, আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “জেনে রেখ, আল্লাহর অলিদের (সাহায্যপ্রাপ্ত নেক বান্দাদের) না কোনো ভয় আছে, আর না তারা চিন্তিত হবে।”
তাহলে আপনি বলবেন, আল্লাহর এ কথা তো সত্য। কিন্তু অলিদের ইবাদত করা যাবে না। আমরা কেবল এ বিষয়েরই বিরোধিতা করি যে, আল্লাহর সাথে তাঁদের ইবাদত করা হবে এবং আল্লাহর সাথে তাঁদেরকে শরিক করা হবে। নচেৎ তাঁদেরকে ভালোবাসা, (আল্লাহর আনুগত্যের ক্ষেত্রে) তাঁদের অনুসরণ করা এবং তাঁদের কারামতের স্বীকৃতি দেওয়া তো তোমার জন্য ওয়াজিব। বিদাতি ও পথভ্রষ্ট লোকজন ছাড়া কেউ অলিদের কারামত অস্বীকার করে না। প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর দ্বীন দু প্রান্তের মধ্যবর্তী মধ্যপন্থা, দু ভ্রষ্টতার মধ্যবর্তী হেদায়েত এবং দু বাতিলের মধ্যবর্তী হক (বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ির মধ্যবর্তী স্তর)।
টিকাঃ
৬১. সুরা ইউনুস-১০:৬২।
৬২. অনুবাদকের টীকা: হানাফি বিদ্বান, ইমাম শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভি বলেছেন, “শির্কি অজিফাগুলো কবরপূজারিদের আলামত। তারা নিজেদের পিরদের ব্যাপারে বিশ্বাস রাখে, তারা তাদের গুপ্ত বিষয় জানে! আর বিপদের সময় তারা তাদেরকে ডাকে।”
📄 বর্তমান মুশরিকদের শির্কের চেয়ে পূর্ববর্তী মুশরিকদের শির্ক ছিল অধিকতর হালকা
আপনি যখন জানলেন, হাল আমলের মুশরিকরা যেটাকে 'আকিদা' বলে অভিহিত করে, সেটাই শির্ক, যে ব্যাপারে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে এবং যে কারণে রসুলুল্লাহ (ﷺ) মুশরিক জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। তখন এ বিষয়টিও মনে রাখবেন, দুটো কারণে আমাদের যুগের মুশরিকদের শির্কের চেয়ে পূর্ববর্তী মুশরিকদের শির্ক অধিকতর হালকা। যথা-
প্রথম কারণ: পূর্ববর্তী মুশরিকরা কেবল স্বাচ্ছন্দ্য ও স্বচ্ছলতার অবস্থাতেই শির্ক করত এবং আল্লাহর সাথে ফেরেশতাবর্গ, অলি-আউলিয়া ও উপাস্যদের ডাকত। আর দুঃখ-দৈন্যের সময় তারা সমুদয় ইবাদত কেবল আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠ করত। যেমন মহান আল্লাহ বলেছেন, “তারা যখন নৌযানে আরোহণ করে তখন বিশুদ্ধচিত্তে আল্লাহর জন্য সমগ্র দ্বীনকে (ইবাদতকে) একনিষ্ঠ করে আল্লাহকে ডাকে। এরপর তিনি যখন স্থলে ভিড়িয়ে তাদেরকে উদ্ধার করেন, তখনই তারা শির্কে লিপ্ত হয়।” আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “সমুদ্রে যখন তোমাদেরকে বিপদ স্পর্শ করে তখন শুধু তিনি ছাড়া অপর যাদেরকে তোমরা আহ্বান করো তারা (তোমাদের মন থেকে) হারিয়ে যায়। এরপর তিনি যখন স্থলে ভিড়িয়ে তোমাদেরকে উদ্ধার করেন তখন তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও; বস্তুত মানুষ বড়োই অকৃতজ্ঞ।”
তিনি আরও বলেছেন, “তুমি তাদেরকে বল, তোমরা যদি নিজেদের আদর্শে সত্যবাদী হও তাহলে চিন্তা করে দেখ, যদি তোমাদের প্রতি আল্লাহর শাস্তি এসে পড়ে অথবা তোমাদের নিকট কিয়ামাত দিবস এসে উপস্থিত হয়, তখনও কি তোমরা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে ডাকবে? বরং তাঁকেই তোমরা ডাকতে থাকবে।” তিনি অন্যত্র বলেছেন, “মানুষকে যখন দুঃখ-দুর্দশা স্পর্শ করে তখন সে একাগ্রচিত্তে তার রবকে ডাকে। কিন্তু পরে যখন তিনি তার প্রতি অনুগ্রহ করেন, তখন সে বিস্মৃত হয়ে যায় পূর্বে যাকে সে ডেকেছিল তাঁকে এবং সে আল্লাহর সমকক্ষ নির্ধারণ করে।” তিনি আরও বলেছেন, “যখন তরঙ্গ তাদেরকে আচ্ছন্ন করে মেঘচ্ছায়ার মতো তখন তারা বিশুদ্ধচিত্তে আল্লাহকে ডাকতে থাকে।”
যে ব্যক্তি এই বিষয় উপলব্ধি করতে পেরেছে, যে বিষয়টি মহান আল্লাহ তদীয় কিতাবে ব্যাখ্যা করেছেন। আর তা হলো- রসূলুল্লাহ (ﷺ) যেই মুশরিকদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন, তারা স্বাচ্ছন্দ্যের সময় আল্লাহকে ডাকত এবং আল্লাহ ব্যতীত অন্যদেরও ডাকত। পক্ষান্তরে দুঃখ-দৈন্যের সময় তারা শরিকবিহীন এক আল্লাহকেই ডাকত।
দ্বিতীয় কারণ: পূর্ববর্তীরা আল্লাহর সাথে এমন লোকদের ডাকত, যারা ছিল আল্লাহর সান্নিধ্যপ্রাপ্ত বান্দা- হয় ফেরেশতাবর্গ, নাহয় নবি-আম্বিয়া, আর নাহয় অলি-আউলিয়া। পক্ষান্তরে আমাদের যুগের মুশরিকরা আল্লাহর সাথে এমন লোকদের ডাকে, যারা সবচেয়ে পাপিষ্ঠ মানুষদের অন্তর্গত। এরা যাদেরকে ডাকে, তাদের থেকে এরা নিজেরাই বর্ণনা করেছে পাপাচারিতা, ব্যভিচার, চুরি, সালাত পরিত্যাগ প্রভৃতির মতো গুনাহয় তাদের লিপ্ত হওয়ার কথা।
টিকাঃ
৬৩. সুরা আনকাবুত-২৯:৬৫।
৬৪. অনুবাদকের টীকা: এ আয়াতটি অনেক নুসখায় নেই। কিন্তু কিছু নুসখায় এটি বিদ্যমান থাকায় আমরা তা যুক্ত করে দিলাম।
৬৫. সুরা ইসরা-১৭:৬৭।
৬৬. সুরা আনআম-৬:৪০-৪১।
৬৭. সুরা যুমার-৩৯:৮।
৬৮. সুরা লুকমান-৩১:৩২।
📄 ১১শ সংশয়: আমরা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’র সাক্ষ্য দেওয়া সত্ত্বেও তোমরা কীভাবে আমাদেরকে পূর্ববর্তী মুশরিকদের অনুরূপ গণ্য করছ?
আপনি যখন নিশ্চিত হলেন, রসুলুল্লাহ (ﷺ) যেই মুশরিকদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন, তারা এদের তুলনায় অধিকতর স্বচ্ছ বিবেকবুদ্ধি এবং অধিকতর হালকা শির্কের অধিকারী ছিল। তখন আরেকটি বিষয় মনে রাখবেন। এদের আরেকটি সংশয় আছে। সংশয়টি হচ্ছে— তারা বলে, যাদের ব্যাপারে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে, তারা 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' তথা 'আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই'- এ কথার সাক্ষ্য দিত না। বরং তারা আল্লাহর রসুল (ﷺ)-কে মিথ্যা প্রতিপন্ন করত, পুনরুত্থান অস্বীকার করত এবং মিথ্যা অভিহিত করত ও জাদু সাব্যস্ত করত কুরআনকে। অথচ আমরা সাক্ষ্য দিই, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রসুল। আমরা কুরআনকে সত্যায়ন করি, পুনরুত্থান বিশ্বাস করি, সালাত পড়ি, রোজা রাখি। তাহলে তোমরা কীভাবে আমাদেরকে ওদের অনুরূপ গণ্য করছ?
[এই সংশয়ের প্রথম জবাব]
এর জবাব হলো— উলামাদের মধ্যে এ বিষয়ে কোনো মতভেদ নেই যে, কোনো ব্যক্তি যদি আল্লাহর রসুল (ﷺ)-কে কোনো ক্ষেত্রে বিশ্বাস করে এবং কোনো ক্ষেত্রে অস্বীকার করে, তাহলে সে কাফির; যে এখনো ইসলামে প্রবেশ করতে পারেনি। অনুরূপ অবস্থা তাদেরও, যারা কুরআনের কিয়দংশের প্রতি ইমান আনে আর কিয়দংশকে করে অস্বীকার। যখন আল্লাহই স্বীয় কিতাবে সুস্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন, যে কিছু বিধান বিশ্বাস করে, আর কিছু বিধান অস্বীকার করে, সে প্রকৃত কাফির; তখন এ সংশয়ের নিরসন হয়ে গেছে।
[এই সংশয়ের দ্বিতীয় জবাব]
তাকে আরও বলতে হবে, তুমি যদি এ কথা মান, কোনো ব্যক্তি রসুলকে সত্যায়ন করার পরও সালাতের আবশ্যকতা অস্বীকার করলে সর্বসম্মতিক্রমে কাফির হয়ে যায়, যার জানমাল হালাল। তুমি যদি উক্ত বিষয়গুলো মান, তাহলে এটা তো সুবিদিত বিষয় যে, নবী (ﷺ) যত ফরজ বিধান এনেছেন, সবগুলোর বড়ো ফরজ তাওহিদ। এটা সালাত, জাকাত, রোজা ও হজের চেয়েও বড়ো ফরজ। তাহলে এটা কীভাবে হতে পারে, রসুল (ﷺ) আনীত সকল বিধানের আমল করা সত্ত্বেও এসব কাজের কোনোটি অস্বীকার করলে ব্যক্তি কাফির হয়ে যায়; অথচ সকল রসুলের অভিন্ন দ্বীন— তাওহিদ অস্বীকার করলে ব্যক্তি কাফির হবে না?! সুবহানাল্লাহ! এ অজ্ঞতা তো বড়োই আশ্চর্যজনক!
[এই সংশয়ের তৃতীয় জবাব]
তাকে আরও বলতে হবে, রসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবিবর্গ বনু হানিফার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন, অথচ তারা নবী (ﷺ)-এর সাথে ইসলাম মান্য করেছিল। তারা সাক্ষ্য দিত, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রসুল। সে যদি বলে, তারা বলত, 'মুসাইলামা একজন নবি।' তাহলে আমরা বলব, এটাই তো কাঙ্ক্ষিত কথা। কেউ যদি কোনো ব্যক্তিকে নবী (ﷺ)-এর মর্যাদায় উন্নীত করে কাফির হয়, তার জানমাল হালাল হয়ে যায়; তাহলে ওই ব্যক্তির ব্যাপারটি কীরূপ হতে পারে, যে শামসান, বা ইউসুফ, কিংবা কোনো সাহাবি, বা নবিকে আকাশমণ্ডলী ও জমিনের প্রতাপশালী সম্রাটের মর্যাদায় আসীন করে?!
[এই সংশয়ের চতুর্থ জবাব]
তাকে আরও বলা হবে, আলি বিন আবু তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু যাদেরকে আগুনে পুড়িয়ে মেরেছিলেন, তারা সবাই নিজেদেরকে মুসলিম দাবি করত। সাহাবিদের কাছ থেকে তারা ইলম শিখেছিল। কিন্তু তারা আলির ব্যাপারে ঠিক সেরকম বিশ্বাস পোষণ করত, যেরকম বিশ্বাস রাখা হয় ইউসুফ, শামসান ও তাদের অনুরূপ লোকদের ব্যাপারে। তো সকল সাহাবি তাদের কাফির হওয়ার বিষয়ে এবং তাদেরকে হত্যা করার ব্যাপারে কীভাবে একমত হয়েছিলেন?!
[এই সংশয়ের পঞ্চম জবাব]
তাকে আরও বলতে হবে, বনু আব্বাসের শাসনামলে মরক্কো ও মিশরে আধিপত্য কায়েমকারী বানু উবাইদ আল-কাদ্দাহ জনগোষ্ঠীর প্রত্যেকেই সাক্ষ্য দিত, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রসুল। তারা নিজেদের মুসলিম দাবি করত এবং জুম্মা ও জামাতবদ্ধ সালাতও আদায় করত। তারা যখন কিছুক্ষেত্রে শরিয়তবিরোধিতা জাহির করল, তখন উলামাগণ তাদের কাফির হওয়ার বিষয়ে এবং তাদেরকে হত্যা করার ব্যাপারে ঐক্যমত পোষণ করেছিলেন।
[এই সংশয়ের ষষ্ঠ জবাব]
তাকে আরও বলা হবে, পূর্ববর্তী মুশরিকরা যদি শির্ক, রসুল ও কুরআনকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করা প্রভৃতি সমুদয় কুফর সংঘটিত করার পরই কেবল কাফির হয়; তাহলে 'মুরতাদ তথা ইসলামগ্রহণের পর কাফির হয়ে যাওয়া মুসলিমের বিধান' শীর্ষক অধ্যায়ের মানে কী, যে অধ্যায়টি প্রত্যেক মাযহাবের উলামাগণ উল্লেখ করেছেন? ছাড়াও তাঁরা অনেকগুলো প্রকার উল্লেখ করেছেন। প্রত্যেকটি প্রকার (স্বতন্ত্রভাবে) ব্যক্তিকে কাফির করে দেয়।
টিকাঃ
৬৯. অনুবাদকের টীকা: বর্তমান মুশরিকদের শির্কের চেয়ে পূর্ববর্তী মুশরিকদের শির্ক যে তুলনামূলক হালকা ছিল তা প্রমাণ করতে হানাফি বিদ্বান আল্লামা মাহমুদ শুকরি আল-আলুসি তাঁর 'গায়াতুল আমানি' গ্রন্থে হুবহু 'কাশফুশ শুবুহাতের' এই পরিচ্ছেদ উল্লেখ করেছেন।
৭০. সূরা আলে ইমরান-৩:৯৭।
৭১. অনুবাদকের টীকা: জানমাল হালাল মানে এ ধরনের ব্যক্তি মুরতাদ তথা ধর্মত্যাগী। এদের জান ও মাল হরণ করা বৈধ। কিন্তু এই বিধান সব কাফিরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৭২. সুরা নিসা-৪:১৫০-১৫১।
৭৩. তারিখুত তাবারি, খণ্ড: ২; পৃ.২৭৫; আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, খণ্ড: ৬; পৃ.৩২৩।
৭৪. অনুবাদকের টীকা: শামসান ও ইউসুফ দুজন মানুষের নাম। এরা ইমাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাবের নিকটবর্তী সময়ের মানুষ ছিল।
৭৫. সুরা রুম-৩০:৫৯।
৭৬. অনুবাদকের টীকা: সহিহ বুখারির বর্ণনায় এসেছে, ইকরিমাহ বর্ণনা করেছেন, আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু একটি সম্প্রদায়কে পুড়িয়েছেন।
📄 বনু ইসরাইল ও জাতু-আনওয়াতের ঘটনায় বিদ্যমান জ্ঞাতব্য বিষয়াবলি
সর্বোপরি এই ঘটনা থেকে জানা যায়, একজন সাধারণ মুসলিম, বরং একজন আলিম পর্যন্ত কখনো কখনো অজ্ঞতাবশত শির্কের নানাবিধ প্রকারে নিপাতিত হতে পারে। এ থেকে বোঝা যায়, তাওহিদ বিষয়ক জ্ঞান চর্চা করা এবং এ বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। এও জানা যায় যে, অজ্ঞ ব্যক্তির ব্যক্তীকৃত-'আমাদের তাওহিদ বোঝা হয়ে গেছে'- কথাটি সবচেয়ে বড়ো অজ্ঞতা এবং শয়তানি চক্রান্তগুলোর অন্যতম।
ঘটনা থেকে প্রতিভাত হয়, ইবাদত ও ইসলাম সচেষ্ট মুসলিম যদি না জেনে কুফুরি কথা বলে ফেলে, এরপর তাকে সতর্ক করা হলে তৎক্ষণাৎ তা থেকে ফিরে আসে, তাহলে সে কাফির হবে না। যেমনটি করেছিল বনু ইসরাইল সম্প্রদায়ের লোকেরা এবং রসুলুল্লাহ (ﷺ)-কে প্রশ্নকারী সাহাবিবর্গ।
ঘটনা থেকে আরও জানা যায়, ব্যক্তি যদি (কুফুরি কথা বলার পরে) কাফির নাও হয়, তবুও তার বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর কথা বলতে হবে। যেমনটি করেছেন রসুলুল্লাহ (ﷺ)।