📘 কবিরা গুনাহ ইমাম যাহাবী > 📄 জেনে শুনে অন্যায়ের পক্ষে তর্ক, ঝগড়া ও দ্বন্দ্ব

📄 জেনে শুনে অন্যায়ের পক্ষে তর্ক, ঝগড়া ও দ্বন্দ্ব


আল্লাহ তায়ালা বলেন: মানুষের মধ্যে অনেকে এমন আছে, পার্থিব জীবন সম্পর্কে যার কথাবার্তা তোমাকে চমৎকৃত করে, এবং তাঁর অন্তরে যা আছে, সে সম্বন্ধে সে আল্লাহকে সাক্ষী রাখে। অথচ সে কট্টর দুশমন।"

ইমাম গাযযালী (রহ) বলেছেন: ইসলামী শরীয়তে তর্ক তিন প্রকারের এবং তিনটিই নিন্দনীয়। একটি হচ্ছে "মিরা"। এর অর্থ হলো, কারো কথায় নিছক ভাষাগত খুঁত ধরে আপত্তি জানানো। এর উদ্দেশ্য বক্তাকে হেয় প্রতিপন্ন করা ও নিজেকে তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করা ছাড়া আর কিছু হয়না। দ্বিজীয়টি হচ্ছে "জিদাল"। এর অর্থ হলো, মতের বিভিন্নতা প্রকাশ করা এবং নিজের মতকে অগ্রগণ্য সাব্যস্ত করার চেষ্টা করা। আর তৃতীয়টি হলো "খুশুমাত”। এর উদ্দেশ্য হয়ে থাকে অর্থ বা অন্য কোন ধরনের স্বার্থ উদ্ধার। এটি কখনো গায়ে পড়ে বাঁধানো হয়। আবার কখনো অপরের কথার সূত্র ধরে বলা হয়। প্রথমটি অর্থাৎ "মিরা" কখনো প্রথমে গায়ে পড়ে করা হয় না, অন্য কোন বক্তব্যের ছুঁতো ধরেই করা হয়। আর শেষের দুটি প্রথমেও করা হয়। পরেও করা হয়। তবে তিনটিরই উদ্দেশ্য হয়ে থাকে অসৎ ও অন্যায়।

ইমাম নবাবী বলেন: তর্ক দু'রকমই হতে পারে: অন্যায়ের পক্ষে অথবা ন্যায়ের পক্ষে। আল্লাহ বলেছেন: "তোমরা আহলে কিতাবের সাথে সুন্দরতম উপায় ব্যতীত তর্ক করোনা।" "আল্লাহর আয়াতগুলো নিয়ে তর্ক করা কাফিরদের ছাড়া আর কারো কাজ নয় তর্কের উদ্দেশ্যে যদি হয় সত্যুতে জানা ও প্রতিষ্ঠিত করা তবে তা প্রশংসনীয়; আর সত্যকে প্রতিহত করার জন্য তর্ক করা এবং অজীনা বিষয়ে তর্ক করা নিন্দনীয়। এই ব্যাখ্যার আলোকেই কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত তর্ক' সংক্রান্ত উক্তিগুলোকে বুঝতে হবে। ন্যায়সংগত দাবীর পক্ষেও যদি তর্ক করা হয়, তবে তা যদি মিথ্যাচার, কষ্টদায়ক কথাবার্ত ও অশালীন কথাবার্তায় রূপ ধারণ করে, তাহলে তা নিন্দনীয়।

রাসূল (সা) বলেছেন: এক নাগাড়ে তর্ক চালিয়ে যাওয়া গুনাহে লিপ্ত হওয়ার জন্য যথেষ্ট। (তিরমিযী) রাসূল (সা) আরো বলেছেন: "যে ব্যক্তি অজানা বিষয়ে তর্ক করে, সে ঐ তর্ক পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত তার ওপর আল্লাহ অসন্তুষ্ট থাকবেন।” (তিরমিযী) রাসূল (সা) আরো বলেছেন : কোন ব্যক্তি যখনই বিপথগামী হয়, তখন সে ঝগড়াটে স্বভাবের হয়ে যায়। (তিরমিয়ী), রাসুল (সা) আরো বলেছেন: "তোমাদের সম্পর্কে আমি তিনটে জিনিসের সবচেয়ে বেশী ভয় করি: যাদের মধ্যে কুরআন ও হাদীসের পর্যাপ্ত জ্ঞান রয়েছে তাদের পদস্খলন। মুসলিম নামধারী মুনাফিক কর্তৃক কুরআন নিয়ে তর্কে লিপ্ত হওয়া। এবং দুনিয়ার লোভ-যা তোমাদের মধ্যে খুনোখুনীর প্ররোচনা দেবে।” (তাবরানী)

রাসূল (সা) বলেছেনঃ "কুরআন নিয়ে তর্ক করা কুফরী।" (আবু দাউদ) রাসূল (সা) বলেছেন: "যে ব্যক্তি নিজের মতের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সত্ত্বেও তর্ক থেকে বিরত হয়, তার বাসস্থান জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে হবে। আর যে নিজের মতের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়েই তর্ক পরিহার করে, তাকে জান্নাতের সাধারণ জায়গায় বাসস্থান দেয়া হবে।

📘 কবিরা গুনাহ ইমাম যাহাবী > 📄 উদ্বৃত্ত পানি অন্যকে না দেয়া

📄 উদ্বৃত্ত পানি অন্যকে না দেয়া


"আল্লাহতায়ালা বলেন: 'তোমরা কি ভেবে দেখেছ, তোমাদের পানি যদি ভূগর্ভে শুকিয়ে যায়, তাইলে কে তৌমাদেরকে প্রবহমান পানি দেবে?" (সূরা আল মুল্ক) সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত আছে যে, রাসূল (সা) বলেছেনঃ "তোমরা উদ্বৃত্ত পানি দানে কুণ্ঠিত হয়োনা, যাতে অল্লিাহ তোমাদেরকে ফসল দানে কুষ্ঠিত না হন। মুসনাদে বর্ণিত্যাহয়েছে যে, রাসূল। ইয়া) বলেছেন যে ব্যক্তি তার উদ্বৃত্ত পানি ও উদ্বৃত্ত য়াস দিতে অস্বীকার করে, আল্লাহ্, তাকে কিয়ামতের দিন আপন অনুগ্রহ দিতে, অস্বীকার করবেন।

সহীহ মুসলিম ও সহীহ আল বুখারীতে বর্ণিত আছে যে, রাসূল (সা) বলেছেন: তিন ব্যক্তির সাথে আল্লাহ কিয়ামতের দিন কথা বলবেন না, তাদের দিকে *তাকাবেন না, তাদেরকে পবিত্র করবেন না এবং তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি নির্দিষ্ট রয়েছে: যে ব্যক্তির উদ্বৃক্ত পানি আছে, কিন্তু পথিককে তা দেয়না, যে ব্যক্তি নিছক দুনিয়ার স্বার্থের জন্য কোন নেতার আনুগত্যের অংগীকার করে, নেতা যদি তাকে তার স্বার্থ দেয় তবে সে অংগীকার বজায় রাখে, নচেত ভংগ করে, আর যে ব্যক্তি কোন জিনিসকে চড়া দামে বিক্রি করার জন্য কসম খেয়ে বলে যে, এটা আমি এত দামে কিনেছি, অথচ আসলে সে সেই দামে কেনেনি, আর ক্রেতা তাকে বিশ্বাস করে।" সহীহ আল বুখারী প্রথম ব্যক্তির বর্ণনা দিয়েছে এইভাবে: "যে ব্যক্তি তার উদ্বৃত্ত পানি অন্য কাউকে দেয় না, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে বলবেন, তুমি যে জিনিস নিজের হাতে তৈরী করোনি, তার উদ্বৃত্ত অংশ যেমন কাউকে দাওনি, তেমনি আমি আজ আমার অনুগ্রহ তোমাকে দেবনা।”

📘 কবিরা গুনাহ ইমাম যাহাবী > 📄 মাপে ও ওজনে কম দেয়া

📄 মাপে ও ওজনে কম দেয়া


আল্লাহ বলেন: “যারা ওজনে ও মাপে কম দেয়, তাদের জন্য সর্বনাশ। যারা মানুষের কাছ থেকে মেপে আনার সময় ঠিকমত আনে, আর মেপে দেয়ার সময় কম দেয়।" ইমাম সুদী বলেন: রাসূল (সা) যখন হিযরত করেন তখন সেখানে আবু জুহায়না নামক একজন ব্যবসায়ী ছিল। তার দুটো পাল্লা ছিল। একটা দিয়ে নিজের জিনিস মেপে নিত, অপরটি দিয়ে অন্যের জিনিস মেপে দিত। তার প্রসংগে এ আয়াত নাযিল হয়।

রাসূল (সা) বলেছেন: "পাঁচটি জিনিসের ফলে পাঁচটি জিনিস অনিবার্য: কোন জাতি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করলে আল্লাহ তার ওপর তার শত্রুকে চাপিয়ে দেবেন। কোন জাতি আল্লাহর বিধান ছাড়া মনগড়া বিধান দ্বারা দেশ শাসন করলে তাদর মধ্যে দারিদ্র ছড়িয়ে পড়বে, কোন জাতিতে অশ্লীলতা ও ব্যভিচারের ব্যাপকতা বৃদ্ধি পেলে তাদের মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি মাবে, মাপে ও ওজনে কম দিলে ফসল কম হবে ও দুর্ভিক্ষ হবে, আর যাকাত দেয়া বন্ধ করলে বৃষ্টি বন্ধ হয়ে যাবে।" লক্ষণীয় যে, মাপে কম দেয়া ব্যক্তি প্রকৃত পক্ষে তিল তিল করে অলক্ষ্যে চুরি করে এবং হারাম উপার্জন করে।

📘 কবিরা গুনাহ ইমাম যাহাবী > 📄 আল্লাহর আযাব ও গযব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া

📄 আল্লাহর আযাব ও গযব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া


আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ "তাদেরকে যে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছিল, তা যখন তারা ভুলে গেল, তখন আমি তাদের জন্য সবকিছুর দ্বার উন্মুক্ত করে দিলাম (অর্থাৎ প্রাচুর্য ও সমৃদ্ধির দুয়ার খুলে দিলাম) অতপর তারা যখন তাদেরকে দেয়া সম্পদের জন্য আনন্দে আত্মহারা হয়ে গেল, তখন আমি আকস্মিকভাবে তাদেরকে পাকড়াও করলাম। তখন তারা চরম হতাশায় নিমজ্জিত হলো। অতঃপর যালিমদের মূলোৎপাটন করা হলো।" এখানে আকস্মিকভাবে পাকড়াও করার অর্থ হলো, তারা টের পায়না এমনভাবে পাকড়াও করা। Imam হাসান বসরী বলেন:
আল্লাহ কাউকে অঢেল সম্পদ দেয়ায় সে যদি মনে করে যে, তাকে পরীক্ষা করা হবে না, তাহলে সেটা তার বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক নয়। আবার কাউকে চরম দৈন্যদশায় নিক্ষেপ করা হলে সে যদি মনে করে যে, তাকে পরিত্যাগ করা হয়েছে এবং তার দিকে কোন দৃষ্টি দেয়া হচ্ছেনা, তবে সেও ভ্রান্ত ধারণায় লিপ্ত।

রাসূল (সা) বলেছেনঃ "যখন দেখতে পাও যে, আল্লাহ কোন বান্দাকে সে যা পছন্দ করে তা দিয়ে যাচ্ছেন, অথচ সে আল্লাহর নাফরমানী অব্যাহত রেখেছে, তখন বুঝতে হবে যে, তাকে সময় দেয়া হচ্ছে এবং তার ওপর আযাব নাযিল হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।" অতঃপর তিনি এই আয়াত তিলাওয়াত করেন।

বর্ণিত আছে যে, ফিরিশতাদের দলভুক্ত হওয়া সত্বেও যখন ইবলীস আল্লাহর কোপানলের শিকার হলো, তখন জিবরীল ও মিকাইল কাঁদতে লাগলেন। আল্লাহ জিজ্ঞাসা করলেন: তোমাদের কি হয়েছে যে কাঁদছো? তারা বললেনঃ হে প্রভু, আমরা তোমার পরীক্ষার ভয়ে ভীত। আল্লাহ বললেন: "এভাবেই থাক। আমার পরীক্ষা সম্পর্কে নিশ্চিন্ত হয়োনা।" জামে তিরমিযীতে বর্ণিত আছে যে, রাসূল (সা) এই দোয়াটি খুব ঘন ঘন পড়তেনঃ "হে হৃদয় পরিবর্তনকারী! আমাদের হৃদয়কে তোমার দীনের ওপর স্থির রাখো।" তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো: হে রাসূল, আমাদের ঈমান নিয়ে কি আপনি শংকা বোধ করেন? রাসূল (সা) বললেনঃ "হৃদয়গুলো আল্লাহর দুই আংগুলের ভেতরে রয়েছে, তিনি যখন যেভাবে চান ওগুলোকে ঘোরান।"

সহীহ আল বুখারীতে আছে যে, রাসূল (সা) বলেছেন: কোন ব্যক্তি জান্নাতবাসীর মত কাজ করতে করতে এমন অবস্থায় পৌছে যায় যে, তার মধ্যে ও জান্নাতের মধ্যে মাত্র এক হাত দূরত্ব অবশিষ্ট থাকে। ঠিক এই মুহূর্তে তার ওপর ভাগ্যের লিখন কার্যকর হয় এবং সে জাহান্নামীর মত কাজ করে জাহান্নামে চলে যায়। অনুরূপ সে জাহান্নামবাসীদের মত কাজ করতে করতে জাহান্নামের কাছাকাছি পৌছে যায়। ঠিক এই সময় তার ওপর তার ভাগ্যের লিখন কার্যকর হয় এবং সে জান্নাতের কাজ করে জান্নাতবাসী হয়। মানুষের শেষ কাজগুলো দ্বারাই তার পরিণাম নির্ধারিত হয়।

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র আল কুরআনে বালয়াম বাউরার ঘটনা বর্ণনা করেছেন। আল্লাহ ও শরীয়তের পূর্ণ জ্ঞান অর্জন করার পরও তার ঈমান নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। অনুরূপভাবে রবসীসা নামক দরবেশ কাফির হয়ে মরেছেন। সুতরাং প্রত্যেকের নিজ ঈমান সম্পর্কে সাবধান হওয়া উচিত এবং এই দোয়া বেশী করে পড়া উচিতঃ "রাব্বানা লা তুযিগ কুলুবানা বা'দা ইয হাদাইতানা ওয়া হাবলানা মিন লাদুনকা রহমাতান ইন্নাকা আনতাল ওয়াহহাব।" "হে আমাদের রব! একবার যখন আমাদেরকে হিদায়াত দান করেছেন, তখন আমাদের মনকে আর বক্র করে দেবেননা, আর আমাদেরকে আপনার পক্ষ থেকে রহমত দান করুন। নিশ্চয় আপনি মস্ত বড় দাতা।"

হযরত আয়িশা (রা) বর্ণনা করেন যে, রাসুল (সা) প্রায়ই এই দোয়া করতেনঃ "হে হৃদয় পরিবর্তনকারী, আপনি আমার হৃদয়কে আনুগত্যের ওপর অবিচল রাখুন।"

আমি জিজ্ঞাসা করলামঃ হে রাসূল! আপনি তো এই দোয়াটা খুব ঘন ঘন করেন। আপনি কি ভয় পান? তিনি বললেনঃ "হে আয়িশা, বান্দাদের মন যখন আল্লাহর দুই আঙ্গুলের মধ্যে এবং তিনি যেভাবে চান, ঘুরান, তখন আমি নিশ্চিত থাকি কিভাবে। সুতরাং হিদায়াত কখন আল্লাহর কাছ থেকেই আসে, তাঁর ইচ্ছার ওপরই। যখন সৎ পথে অবিচল থাকা নির্ভরশীল, মানুষের শেষ ফল যখন আজানা এবং ইচ্ছার দৃঢ়তা, যখন অনিশ্চিত, তখন নিজের ঈমান, সৎকর্ম ও নামায রোযা নিয়ে গর্বিত হওয়া অনুচিত। মনে রাখতে হবে, ঈমান ও নেক আমল বান্দার উপার্জিত, হলেও তার ক্ষমতা, প্রেরণা ও সুযোগ আল্লাহই দিয়ে থাকেন। এ প্রসংগে নিম্নের কথাগুলো সব সময় মনে রাখতে হবেঃ

(১) দুনিয়ার কোন সম্পদে সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে অহংকারী হওয়া নিজের চেয়ে ক্ষুদ্র ও বঞ্চিতদেরকে হেয় ও তুচ্ছ জ্ঞান করার কারণে যেমন আল্লাহ উক্ত সম্পদ ছিনিয়ে নিতে পারেন এবং কারূন প্রমুখের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছেনও তেমনি ঈমান, নেক আমল তথা আখিরাতের সম্পদের জন্যও অহংকারী হওয়া ও অপেক্ষাকৃত নিম্নস্তরের লোকদেরকে ঘৃণা করা, হেয় করা ও হিংসা করার কারণে উক্ত নেক আমল বাতিল হয়ে যেতে পারে এবং ঈমানও ছিনতাই হয়ে যেতে পারে। যেমন, ইবলীসের এবং বরসীমা ও বালয়াম বাউরার তাই হয়েছিল। সুতরাং নিজের ঈমান খোদাতীতি ও সততার জন্য প্রতি মুহুর্তে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানানো ও তার স্থায়িত্বের জন্য দোয়া করা কর্তব্য।

(২) হিংসা বিদ্বেষ, রিয়া ও নিয়তের গোলমালের কারণে ঈমান ও নেক আমল বাতিল হয়ে যায়। রাসূল (সা) বলেছেনঃ হিংসা নেক আমলকে এমনভাবে গ্রাস করে, যেভাবে আগুন শুকনো কাঠকে গ্রাস করে। সুতরাং এই সব জিনিস এসে নিজের বহু কষ্টের অর্জিত অমূল্য সম্পদ ঈমান ও আমল যেন নষ্ট করে না দেয়, সে জন্য মনকে সব সময় পাহারা দেয়া উচিত এবং আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া উচিত।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00