📘 কবিরা গুনাহ ইমাম যাহাবী > 📄 খিয়ানত বা বিশ্বাসঘাতকতা

📄 খিয়ানত বা বিশ্বাসঘাতকতা


আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেছেন: "হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও তোমাদের ওপর ন্যস্ত আমানতের খেয়ানত করোনা। অথচ তোমরা (এর গুরুত্ব) জান।" (আল আনফাল)

ইমাম ওয়াহেদী (রহ) বলেন যে, এ আয়াত সাহাবী আবু লুবাবা সম্পর্কে নাযিল হয়েছিল। বনু কুরাইযা গোত্রের পল্লীতে তাঁর স্ত্রীও সন্তানেরা বসবাস করছিল। রাসূল (সা) বনু কুরাইযাকে অবরোধ করে রেখেছিলেন। তিনি আবু লুবাবাকে কোন প্রয়োজনে বনু কুরাইযার কাছে পাঠিয়েছিলেন। বনু কুরাইযার লোকেরা জিজ্ঞাসা করলোঃ "হে আবু লুবাবা! আমাদের ব্যাপারে সা'দের রায় অনুসারে আমরা যদি নেমে আসি, তা হলে আমাদের কি হবে বলে তোমার মনে হয়? আবু লুবাবা নিজের গলার দিকে ইংগিত দিয়ে বুঝালেন যে, তোমাদেরকে যবাই করা হবে। কাজেই নেমনা। তাঁর এ কাজটি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের খিয়ানত বা বিশ্বাস ঘাতকতা ছিল। আবু লুবাবা নিজেও স্বীকার করেন যে, আমি কাজটি করার সংগে সংগেই বুঝতে পারলাম যে, আমি খিয়ানত করে ফেলেছি। এরপর আবু লুবাবা মসজিদে নববীর একটি খুঁটির সাথে নিজেকে ছয়দিন যাবত বেঁধে রাখেন এবং তাঁর তওবা কবুল হবার ঘোষণা আসার পরই নিজেকে মুক্ত করেন। হযরত ইবনে আব্বাস বলেন: আল্লাহ তার বান্দাদের ওপর যা কিছুই ফরয করেন তাই আমানত। আর আল্লাহর আদেশ বা নিষেধ অমান্য করাই আমানতের খেয়ানত।

রাসূল (সা) বলেছেনঃ 'মুনাফিকের আলামত তিনটিঃ যখন কথা বলে মিথ্যা বলে, যখন প্রতিশ্রুতি দেয়, তখন ভংগ করে এবং যখন তার কাছে কিছু আমানত রাখা হয় তখন তার খেয়ানত করে। (সহীহ আল বুখারী ও সহীহ মুসলিম) সহীহ মুসলিমে যে কথাটি সংযোজন করা হয়েছে তা হলোঃ "যদিও সে নামায রোযা করে এবং নিজেকে মুসলমান বলে মনে করে।" রাসূল (সা) আরো বলেনঃ যে আমানতদার নয় তার ঈমান নেই এবং যে ওয়াদা পালন করেনা তার দীন নেই। (আহমাদ, বাযায, তাবরানী) খিয়ানত তথা বিশ্বাসঘাতকতা সব কিছুতেই খারাপ। তবে একটা অপরটার চেয়ে খারাপ হতে পারে। যে ব্যক্তি সামান্য জিনিসে আমানতের খেয়ানত করে, সে কারো ধন সম্পদ ও পরিবার পরিজনের ব্যাপারে যে বিশ্বাসঘাতকতা করে এবং বড় বড় অন্যায় করে, তার মত নয়।

রাসূল (সা) বলেছেনঃ যে তোমাকে বিশ্বাস করে তার বিশ্বাস রক্ষা কর আর যে তোমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করোনা। আবার হাদীসে রাসূল (সা) বলেছেনঃ মুমিনের মধ্যে আর যত দোষই থাক, খিয়ানত তথা বিশ্বাসঘাতকতা ও মিথ্যাচার থাকতে পারেনা। (আহমদ) রাসূল (সা) বলেনঃ আল্লাহ বলেছেন, দুই ব্যক্তি যখন একত্রে কোন কাজ করে, তখন আমি তাদের তৃতীয় জন হই। যতক্ষণ তারা একে অপরের সাথে খিয়ানত অর্থাৎ বিশ্বাসঘাতকতা না করে। (অর্থাৎ খিয়ানত না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যেক শরীকী কাজে আল্লাহর রহমত থাকে।) (আবু দাউদ) রাসূল (সা) আরো বলেনঃ মানুষের মধ্য থেকে সর্বপ্রথম যে সদগুণটি তিরোহিত হবে তা হচ্ছে আমানতদারী বা বিশ্বস্ততা, আর সর্বশেষ যা অবশিষ্ট থাকবে, তা হচ্ছে নামায এবং অনেক নামাযী এমন রয়েছে যে কল্যাণ লাভ করেনা।

হযরত ইবনে মাসউদ (রা) বলেন, "আমানতে খেয়ানতকারীকে কেয়ামতের দিন হাজীর করা হবে এবং বলা হবে "তোমার আমানত ফেরত দাও।" সে বলবে, হে আমার প্রতিপালক! কেমন করে ফেরত দেব? দুনিয়া তো ধ্বংস হয়ে গেছে। তখন তার কাছে যে জিনিসটি আমানত রাখা হয়েছিল, তাকে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্থলে হুবহু যে আকারে রাখা হয়েছিল সেই আকারে দেখানো হবে। অতপর বলা হবে যে, তুমি ওখানে নেমে যাও এবং ওটা বের করে নিয়ে এস। অতঃপর সে নেমে যাবে এবং জিনিসটি ঘাড়ে করে নিয়ে আসবে। জিনিসটি তার কাছে দুনিয়ার সকল পাহাড়ের চেয়ে ভারী মনে হবে। সে মনে করবে যে, জিনিসটি নিয়ে আসলে সে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি পাবে। কিন্তু জাহান্নামের মুখের কাছে আসা মাত্র আবার আমানতের জিনিসসহ জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে পড়ে যাবে এবং সেখানে চিরকাল থাকবে। অতঃপর ইবনে মাসউদ বলেনঃ নামায, ওযু, গোছল, ক্রয়বিক্রয়ের ব্যবহৃত দাড়িপাল্লা সবই আমানত। আর গচ্ছিত সম্পদ সবচেয়ে বড় আমানত।"

📘 কবিরা গুনাহ ইমাম যাহাবী > 📄 নিজের কৃত দানসদকাহের বা অনুগ্রহের খোঁটা দেয়া

📄 নিজের কৃত দানসদকাহের বা অনুগ্রহের খোঁটা দেয়া


আল্লাহ তায়ালা বলেছেনঃ হে মুমিনগণ! তোমরা তোমাদের দানখয়রাতের দোহাই দিয়ে ও কষ্ট দিয়ে দানখয়রাতকে নষ্ট করে দিওনা।" (সূরা আল বাকারাহ) সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হাদীসে রাসূল (সা) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন তিন ব্যক্তির সাথে আল্লাহ কথা বলবেন না, তাদের দিকে তাকাবেন না, তাদেরকে পাপ থেকে পবিত্র করবেন না এবং তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি নির্দিষ্ট রয়েছেঃ পায়ের গোড়ালীর নীচ পর্যন্ত কাপড় পরিধানকারী, নিজের কৃত দান সদকা ও অনুগ্রহের দোহাই দাতা ও প্রচারকারী এবং মিথ্যা কসম খেয়ে পণ্যদ্রব্য বিক্রয়কারী।” সুনানে নাসায়ীতে বর্ণিত হাদীসে রাসূল (সা) বলেনঃ তিন ব্যক্তি জান্নাতে যেতে পারবে নাঃ পিতামাতাকে অসন্তুষ্টকারী, মদ্যপায়ী ও নিজের কৃত অনুগ্রহ ও দানখয়রাতের প্রচারকারী ও দোহাই দানকারী।" অর্থাৎ যে কাউকে কিছু দান করে ও তারপর সেই দানের দোহাই দেয় ও প্রচার করে। রাসূল (সা) বলেছেনঃ তোমরা নিজেদের কৃত দানের প্রচার করোনা এতে দানের সওয়াব নষ্ট হয়ে যায় ও কৃতজ্ঞতা পাওয়ার অধিকার বাতিল হয়ে যায়। ইমাম ইবনে সিরিন শুনতে পেলেন এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে বলছেঃ আমি তোমাকে অমুক জিনিস দিয়েছি, অমুক উপকার করেছি। ইবনে সিরীন তাকে বলেনঃ চুপ কর, উপকার করে তার হিসাব করলে কোন সওয়াব হয়না।

📘 কবিরা গুনাহ ইমাম যাহাবী > 📄 অদৃষ্টকে অস্বীকার করা

📄 অদৃষ্টকে অস্বীকার করা


আল্লাহ তায়ালা সূরা আল কামারে বলেনঃ "আমি প্রতিটি জিনিস পরিচ্ছন্নভাবে সৃষ্টি করেছি।” ইমাম ইবনুল জাওসী বলেন যে, এ আয়াতের নাযিল হওয়ার কারণ সম্পর্কে দু'টো মত রয়েছে। প্রথম মত এইযে, মক্কার মুনাফিকরা রাসূল (সা) এর কাছে এসে অদৃষ্ট নিয়ে তর্ক জুড়ে দিয়েছিল। তখন এ আয়াত নাযিল হয়। আর আবু উমামা (রা) এর বর্ণনা অনুসারে এ আয়াত নাযিল হয় অদৃষ্টে অবিশ্বাসী গোষ্ঠী সম্পর্কে। দ্বিতীয় মত এই যে, নাজরানের খৃস্টান পাদ্রী রাসূল (সা) এর কাছে এসে বলেছিল যে, হে মুহাম্মাদ! তুমি কি মনে কর পাপ কাজ অদৃষ্ট মোতাবিক হয়ে থাকে? আসলে তা নয়। তখন রাসূল (সা) বললেনঃ "তোমরা খোদাদ্রোহী।" এই সময় আয়াত নাযিল হয়। সূরা আল হাদীদে আল্লাহ বলেনঃ "পৃথিবীতে এবং তোমাদের জীবনে যে বিপদ মুসিবত আসুক, তা তোমাদের সৃষ্টির আগে থেকেই একটি পুস্তকে লিপিবদ্ধ রয়েছে। এটা আল্লাহর কাছে খুবই সহজ কাজ। কাজেই তোমরা যা হারাও তার জন্য আফসোস করোনা এবং আল্লাহ 'যা কিছু তোমাদেরকে দিয়েছেন তার জন্য গর্বিত ও উল্লাসিত হয়োনা। আল্লাহ অহংকারী ও গর্বিত মানুষকে ভালবাসেন না।"

হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল (সা) বলেনঃ আল্লাহ যখন কিয়ামতের দিন পূর্ববর্তীদেরকে ও পরবর্তীদেরকে একত্রিত করবেন, তখন তাঁর আদেশক্রমে জনৈক ফেরেশতা পূর্ববর্তীরা ও পরবর্তীরা শুনতে পারে এত জোরে ঘোষণা করবেন যে, আল্লাহর অবাধ্যরা কোথায়? তখন কাদরিয়াগণ (অর্থাৎ অদৃষ্টের অবিশ্বাসীগণ) উঠে দঁড়াবে। তাদেরকে তৎক্ষণাত জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। কাদরিয়া গোষ্ঠীর মতবাদ এই যে, আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে গুনাহর কাজের ক্ষমতা দেবেন, আবার তাকে শাস্তিও দেবেন, এটা সম্ভব নয়। অথচ প্রকৃত ব্যাপার এইযে, আল্লাহ মানুষকে ভালমন্দ সব রকম কাজের ক্ষমতা ও স্বাধীনতা দিয়ে তাকে পরীক্ষা করেন। ভালো কাজ করলে সে পরীক্ষায় কৃতকার্য হয় ও পুরস্কৃত হয়। আর মন্দ কাজ করলে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয় ও শাস্তি পায়। আল্লাহ তায়ালা এই বিষয়টিই নিম্নের আয়াতে বর্ণনা করেছেন। "আল্লাহ তোমাদেরকে ও তোমাদের কাজকে সৃষ্টি করেছেন।" অর্থাৎ মানুষের ভালোমন্দ সব কাজ আল্লাহই সৃষ্টি করেছেন। অন্য আয়াতে বলেছেনঃ “তিনি মানুষের বিবেককে পাপ ও পুণ্য জানিয়ে দিয়েছেন।” অর্থাৎ তাকে পাপ ও পুণ্য উভয়ের জন্য তাকে ক্ষমতা ও সুযোগ দিয়েছেন। রাসূল (সা) বলেছেনঃ আল্লাহ তায়ালা এক শ্রেণীর মানুষকে অনুগ্রহপূর্বক সৎ কাজের প্রেরণা দেন এবং তাদেরকে তার রহমতের অন্তর্ভুক্ত করেন, আর অপর এক শ্রেণীর মানুষকে পরীক্ষার সম্মুখীন করেন, ফলে তাদেরকে অপমানিত করেন। তাদের অপকর্মের জন্য তাদেরকে ধিকৃত করেন এবং যে কাজ দ্বারা তিনি তাদেরকে পরীক্ষা করেন, তা ছাড়া অন্য কোন কাজে তারা সমর্থ হয়না। অতপর তাদেরকে শাস্তি দেন। অথচ এ সব সত্ত্বেও আল্লাহ ন্যায় বিচারক।"

রাসূল (সা) বলেছেনঃ জেনে রাখ, সমগ্র মানব জাতি যদি তোমার কোন উপকার করার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়, তবুও তারা আল্লাহ যতটুকু তোমার জন্য লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন তার চেয়ে বেশী উপকার করতে পারবেনা। আর যদি তোমার ক্ষতি করার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়, তবুও আল্লাহ যেটুকু নির্দিষ্ট করে রেখেছেন তা ছাড়া আর কোন ক্ষতি করতে পারবেনা। "কলমগুলো প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং কাগজগুলো শুকিয়ে গেছে।” অর্থাৎ অদৃষ্টে যা কিছু লেখা হয়েছে তা চূড়ান্ত। নতুন করে আর কিছু লেখা হবেনা এবং নতুন কিছু সংঘটিতও হবেনা। [উল্লেখ্য যে, তাকদীর বা অদৃষ্টে বিশ্বাস করা রিসালাত, আখেরাত ও কিতাবে বিশ্বাস করার ন্যায় ঈমানের অত্যাবশ্যকীয় শর্ত। তাই তাকদীরে অবিশ্বাস করা শুধু কবীরা গুনাহ নয়, কুফরীও বটে। এ বিষয়টি নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি ও মতভেদ রয়েছে তবে সকল মতভেদের উর্দ্ধে উঠে এই মর্মে সিদ্ধান্তে আসা যায় যে, বান্দাকে আল্লাহ তায়ালা ভালো ও মন্দ কাজের নিয়ত বা ইচ্ছা করাতে এবং সে জন্য চেষ্টা করার ক্ষমতা ও স্বাধীনতা দিয়েছেন। আর এই স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে সে যে ইচ্ছা ও চেষ্টা করবে, তার জন্যই তাকে পুরস্কৃত করা বা শাস্তি দেয়া হবে। কিন্তু কাজটি সমাধা করার ক্ষমতা তাকে দেয়া হয়নি এবং তার জন্য সে দায়ীও হবেনা। উদাহরণ স্বরূপ, এক ব্যক্তি কাউকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিল এবং সে জন্য সে তাকে উপযুক্ত অস্ত্র দ্বারা আঘাত করলো। এতে আহত ব্যক্তি যদি নিহত না হয়, তবুও আক্রমণকারী আল্লাহর কাছে খুনের দায়ে দোষী হবে এবং শাস্তি পাবে। কেননা আয়ু না ফুরালে ও মৃত্যুর নির্দ্ধারিত সময় সমাগত না হলে কারো মৃত্যু ঘটানো যায়না। কিন্তু ইচ্ছা ও সক্রিয় চেষ্টার জন্য হত্যার গুনাহ সে এড়াতে পারবেনা। কারণ তার ক্ষমতায় যা ছিল তা সে পুরোপুরি করেছে। এ বক্তব্যের সপক্ষে একটি হাদীস উল্লেখ কর যাচ্ছে। রাসূল (সা) বলেছেনঃ যখন দুই ব্যক্তি পরস্পরকে হত্যা করার জন্য সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তখন হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি উভয়ে জাহান্নামী হবে। জিজ্ঞাসা করা হলো যে, যে হত্যা করেছে সে জাহান্নামী হবে এতে আপত্তির কিছু নেই। কিন্তু নিহত ব্যক্তি কেন দোজখে যাবে? রাসূল (সা) বললেনঃ সেও তার প্রতিপক্ষকে হত্যা করতে চেয়েছিল।"- অনুবা:ক]

📘 কবিরা গুনাহ ইমাম যাহাবী > 📄 মানুষের গোপনীয় দোষ জানার চেষ্টা করা

📄 মানুষের গোপনীয় দোষ জানার চেষ্টা করা


আল্লাহ তায়ালা বলেছেনঃ তোমরা গোপনীয় জিনিসের তল্লাশী করোনা। তাফসীরকারগণ বলেনঃ এর অর্থ মানুষের গুপ্ত দোষ-ত্রুটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করোনা। অর্থাৎ গোয়েন্দাগিরী করতে নিষেধ করা হয়েছে। একবার হযরত ইবনে মাসউদকে বলা হলো যে, ওয়ালীদ ইবনে উকবার দাড়ি থেকে ফোঁটা ফোঁটা মদ গড়িয়ে পড়ে। তিনি বললেনঃ গোয়েন্দাগিরী করতে আমাদেরকে নিষেধ করা হয়েছে। তবে কোন কিছু প্রকাশিত হয়ে গেলে সেটি আমরা বিবেচনা করবো।

রাসূল (সা) বলেনঃ "যে ব্যক্তি কারো কথাবার্তা তার সম্মতি না থাকা সত্ত্বেও আড়ি পেতে শোনে কিয়ামতের দিন তার কানে গলিত শীসা ঢালা হবে।” একটি হাদীসে বিনা অনুমতিতে কারো চিঠি পড়তেও কঠোরভাবে নিষেধ করা করা হয়েছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00