📄 তিনটি ভূমিধ্বস
কিয়ামতের পূর্বে তিনটি ভয়াবহ ভূমিধস দেখা দিবে। 'হুযাইফাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল () ইরশাদ করেনঃ
إِنَّ السَّاعَةَ لَا تَكُوْنُ حَتَّى تَكُونَ عَشْرُ آيَاتٍ خَسْفُ بِالْمَشْرِقِ وَخَسْفُ بِالْمَغْرِبِ، وَخَسْفُ فِي جَزِيرَةِ الْعَرَبِ، وَالدُّخَانُ وَالدَّجَّالُ، وَدَابَّةُ الْأَرْضِ، وَيَأْجُوجُ وَمَأْجُوجُ ، وَطُلُوعُ الشَّمْسِ مِنْ مَغْرِبِهَا، وَنَارُ تَخْرُجُ مِنْ قُعْرَةِ عَدَنٍ تَرْحَلُ النَّاسَ، وَفِي رِوَايَةٍ : وَالْعَاشِرَةُ : نُزُولُ عِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ (আ.)
অর্থাৎ কিয়ামত আসবে না যতক্ষণ না দশটি আলামত পরিলক্ষিত হয় ; পূর্ব দিকে ভূমি ধস, পশ্চিম দিকে ভূমি ধস, আরব উপদ্বীপে ভূমি ধস, ধোঁয়া, দাজ্জাল, পৃথিবীর একটি বিশেষ পশু, ইয়াজুজ-মা'জুজ, পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উঠা, 'আদানের গভীর অঞ্চল থেকে এমন এক আগুন বের হবে যা সকল মানুষকে (হাশরের মাঠের দিকে) পরিচালিত করবে। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, দশম নিদর্শন হচ্ছে ঈসা (আ.) এর অবতরণ। (মুসলিম ২৯০১)
উম্মু সালামাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল () ইরশাদ করেনঃ
سَيَكُونُ بَعْدِي خَسْفُ بِالْمَشْرِقِ، وَخَسْفُ بِالْمَغْرِبِ، وَخَسْفُ فِي جَزِيرَةِ الْعَرَبِ، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ! أَيُخْسَفُ بِالْأَرْضِ وَفِيهَا الصَّالِحُونَ؟ قَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ : إِذَا أَكْثَرَ أَهْلُهَا الْخَبَثَ.
অর্থাৎ আমার মৃত্যুর পর অচিরেই তিনটি ভূমিধস দেখা দিবে। পূর্ব দিকে ভূমি ধস, পশ্চিম দিকে ভূমি ধস, আরব উপদ্বীপে ভূমি ধস। হযরত উম্মু সালামাহ্ বললেনঃ হে আল্লাহ্'র রাসূল! বিশ্ব কি ধসে যাবে; অথচ তাতে থাকবে অনেকগুলো নেককার লোক? রাসূল() বললেনঃ অবশ্যই, যখন বিশ্ববাসী অশ্লীলতা বাড়িয়ে দিবে। (মাজমা'উয-যাওয়ায়িদ ৮/১১)
উক্ত তিনটি ভূমিধস এখনো ঘটেনি।
আল্লামাহ্ ইবনু 'হাজার (রাহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ ভূমিধস বিশ্বের অনেক জায়গায়ই সংঘটিত হয়েছে। তবে উক্ত তিনটি ভূমিধস সেগুলোর চাইতেও অনেক ভয়াবহ এবং সুবিস্তৃত। (ফাত্হুল-বারী ১৩/৮৪)
📄 হাশরের মাঠ
শেষ যুগে একদা শামের দিকে মানুষগুলোকে একত্রিত করা হবে। যা হবে তখনকার হাশরের মাঠ এবং যা অনেকগুলো বিশুদ্ধ হাদীস কর্তৃক প্রমাণিত। যা নিম্নরূপঃ
১. আব্দুল্লাহ্ বিন্ 'উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল () ইরশাদ করেনঃ
سَتَخْرُجُ نَارُ مِنْ حَضْرَ مَوْتَ أَوْ مِنْ بَحْرٍ حَضْرَ مَوْتَ قَبْلَ يَوْمِ الْقِيَامَةِ تَحْشُرُ النَّاسَ ، قَالُوا : يَا رَسُولَ اللهِ! فَمَا تَأْمُرُنَا؟ قَالَ: عَلَيْكُمْ بِالشَّامِ.
অর্থাৎ অচিরেই হাফ্রামাউত অথবা হাফ্রামাউত সাগর থেকে কিয়ামতের পূর্বে এক ধরনের আগুন বের হবে যা মানুষকে (হাশরের মাঠে) একত্রিত করবে। সাহাবাগণ বললেনঃ হে আল্লাহ্'র রাসূল! আপনি তখন আমাদেরকে কি করতে আদেশ করেন? তিনি বললেনঃ তোমরা তখন শামে চলে যাবে। (আহমাদ্ ৭/১৩৩ তিরমিযী/তুহফাহ্ ৬/৪৬৩-৪৬৪)
২. 'হাকীম বিন্ মু'আবিয়া তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেনঃ তিনি বলেনঃ রাসূল (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ এখানেই তোমাদেরকে একত্রিত করা হবে। এখানেই তোমাদেরকে একত্রিত করা হবে। এখানেই তোমাদেরকে একত্রিত করা হবে। আরোহণ করে, হেঁটে এবং চেহারার উপর টেনে-হেঁচড়ে। বর্ণনাকারী ইবনু আবী বুকাইর বলেনঃ রাসূল (ﷺ) শামের দিকে ইশারা করেই এ কথা বলেন। (আহমাদ্ ৪/৪৪৬-৪৪৭)
৩. বাহ্য বিন্ 'হাকীম তাঁর পিতা থেকে তাঁর পিতা তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেনঃ তিনি বলেনঃ আমি বললামঃ হে আল্লাহ্'র রাসূল! আপনি তখন আমাকে কোথায় যেতে আদেশ করছেন? তিনি বললেনঃ এ দিকে এবং নিজের হাত দিয়ে শামের দিকে ইশারা করলেন। (তিরমিযী/তুহফাহ্ ৬/৪৩৪-৪৩৫)
৪. আব্দুল্লাহ্ বিন্ 'আমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ আমি রাসূল (ﷺ) কে বলতে শুনেছি তিনি বলেনঃ অচিরেই হিজরতের পর হিজরত সংঘটিত হবে। মানুষ যেতে থাকবে ইব্রাহীম (আঃ) এর হিজরতের জায়গায়। তখন দুনিয়ার বুকে শুধু নিকৃষ্ট মানুষই বেঁচে থাকবে। জমিন তাদেরকে দূরে নিক্ষেপ করবে। আগুন তাদেরকে হাঁকিয়ে নিবে শূকর ও বানরের সাথে। উক্ত আগুন তাদের সাথেই রাত্রি যাপন করবে এবং দুপুর বেলায় বিশ্রাম করবে। পেছনে পড়া সকলকে গিলে ফেলবে। (আহমাদ্ ১১/৯৯ আবূ দাউদ/'আউন ৭/১৫৮)
ইবনু 'হাজার (রাহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ ইব্দু 'উয়াইনাহ্ থেকে আব্দুল্লাহ্ বিন্ 'আব্বাসের তাফসীরে রয়েছে, যে ব্যক্তি শাম দেশে হাশর হবে বলে সন্দেহ করে সে যেন সূরা হাশরের প্রথমাংশ পড়ে নেয়। সেই দিন রাসূল () সাহাবাদেরকে বললেনঃ তোমরা বের হয়ে যাও। সাহাবাগণ বললেনঃ কোথায় বের হয়ে যাবো? রাসূল () বললেনঃ হাশরের মাঠের দিকে। (ফাত্হুল-বারী ১১/৩৮০ ইবনু কাসীর ৮/৮৪-৮৫)
শাম দেশ 'হাশরের মাঠ এ জন্যই হবে যে, কারণ শেষ যুগে যখন পুরো বিশ্বে ফিতনা ছড়িয়ে পড়বে তখন শাম দেশে ঈমান ও নিরাপত্তা টিকে থাকবে। এ ছাড়াও শাম দেশের ফযীলত সম্পর্কে অনেকগুলো শুদ্ধ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। যা নিম্নরূপঃ
১. আবু দ্দারদা' থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল ( ইরশাদ করেনঃ একদা আমি ঘুমন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়েছি যে, কিতাবের খুঁটিটি আমার মাথার নিচ থেকে উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। আমি ভাবলাম, তা একেবারেই উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। এরপরও আমি উহার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখলাম। দেখলাম, তা শাম দেশে গাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সুতরাং তোমরা জেনে রাখো, ফিতনা যখন সর্বদা ছড়িয়ে পড়বে তখন ঈমান থাকবে শাম দেশে। (আহমাদ্ ৫/১৯৮-১৯৯ ফাত্হুল-বারী ১২/৪০২-৪০৩)
২. আব্দুল্লাহ্ বিন্ 'হাওয়ালাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল () ইরশাদ করেনঃ আমি ইস্রা'র (মক্কা থেকে বাইতুল-মাকুদিস অভিমুখী রাত্রি কালীন ভ্রমণ) রাত্রিতে একটি সাদা খুঁটি দেখতে পেলাম। যেন তা একটি ঝাণ্ডা যা ফিরিস্তাগণ বহন করে আছেন। আমি বললামঃ আপনারা কি বহন করছেন? তাঁরা বললেনঃ আমরা কিতাবের খুঁটি বহন করছি। আমাদেরকে আদেশ করা হয়েছে তা শাম দেশে রাখার জন্য। (ফাত্হুল-বারী ১২/৪০৩)
৩. আব্দুল্লাহ্ বিন্ 'হাওয়ালাহ্ থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল () ইরশাদ করেনঃ অচিরেই তোমরা শৃঙ্খলাবদ্ধ কয়েকটি সেনা দলে বিভক্ত হবে। একটি দল শামে। আরেকটি দল ইয়েমেনে। আরেকটি দল ইরাকে। হযরত ইবনু 'হাওয়ালাহ্ বলেনঃ হে রাসূল! আপনি আমার জন্য এদের মধ্য থেকে একটি দল চয়ন করুন যাতে আমি তাদের সঙ্গী হতে পারি। তিনি বললেনঃ তুমি শামের দলে যোগ দিবে। কারণ, তা আল্লাহ্ তা'আলার নিকট তখনকার সর্বশ্রেষ্ঠ ভূমি। তিনি তখন তাঁর সকল প্রিয় বান্দাহদেরকে সেখানে একত্রিত করবেন। তোমরা যদি সেখানে না যেতে চাও তা হলে ইয়েমেনে যাবে। সেখানের পুকুরগুলো থেকে পানি পান করবে। কারণ, আল্লাহ্ তা'আলা আমার জন্য শাম ও তার অধিবাসীদের দায়িত্ব নিয়েছেন। (আবূ দাউদ/'আউন ৭/১৬০-১৬১)
কারো কারোর মতে উক্ত হাদীসটি দুর্বল। তবে আল্লামাহ্ আল্ল্বানী (রাহিমাহুল্লাহ) হাদীসটিকে বিশুদ্ধ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
এ ছাড়াও রাসূল (স) শামের জন্য বরকতের দো'আ করেছেন।
আব্দুল্লাহ্ বিন্ 'উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল () ইরশাদ করেনঃ হে আল্লাহ্! আপনি শাম দেশে বরকত দিন। হে আল্লাহ্! আপনি ইয়েমেনে বরকত দিন। (বুখারী ৭০৯৪)
এমনকি 'ঈসা (আঃ) ও কিয়ামতের পূর্বে শাম দেশেই অবতীর্ণ হবেন এবং তাঁকে নিয়েই সকল মু'মিন দাজ্জালের সাথে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিবে।
📄 উক্ত ‘হাশর দুনিয়াতেই হবে
উক্ত 'হাশর দুনিয়াতেই সংঘটিত হবে। আখিরাতে নয়। কারণ, 'হাশর মানে একত্রিত করা। উক্ত অর্থে 'হাশর চার প্রকার। দু' প্রকার দুনিয়াতে। আর দু' প্রকার আখিরাতে। দুনিয়ার দু' প্রকার 'হাশর নিম্নে উল্লিখিত হলোঃ
১. ইহুদি গোত্র বনুন-নযীরকে মদীনা থেকে তাড়িয়ে শাম দেশে একত্রিত করা।
২. কিয়ামতের পূর্বে সকল মানুষকে শাম দেশে একত্রিত করা। যা ইতঃপূর্বে উল্লিখিত হয়েছে।
উক্ত 'হাশর যে দুনিয়াতে হবে এ ব্যাপারে আলিমদের ঐকমত্য রয়েছে। যা 'আল্লামাহ্ ইমাম কুরতুবী, ইবনু কাসীর ও ইবনু 'হাজার (রাহিমাহুমুল্লাহ) নিজ নিজ কিতাবে উল্লেখ করেছেন।
আবার কোন কোন আলিম যেমনঃ গাযালী ও 'হুলাইমী তাঁরা বলেনঃ উক্ত 'হাশর দুনিয়াতে হবে না। বরং তা হবে আখিরাতেই। তাঁরা আরো বলেনঃ বিশুদ্ধ হাদীসে বর্ণিত নেই। সুতরাং দুনিয়াতেই গুনাহগারদেরকে আগুন দিয়ে শাস্তি দেয়ার ব্যাপারটি কোন ভাবেই মেনে নেয়া যাচ্ছে না।
৪. একটি হাদীস আরেকটি হাদীসের ব্যাখ্যার কাজ করে। অতএব আবূ হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত একটি বর্ণনায় রয়েছে, মানুষ তিনভাগে বিভক্ত হবে। কেউ আরোহণ করবে। কেউ পায়ে হেঁটে যাবে। আবার কাউকে টেনে-হেঁচড়ে উপস্থিত করা হবে। আর উক্ত বর্ণনার সাথে সূরা ওয়াক্বি'আর সাত নম্বর আয়াতের সাথে খুব একটা মিল রয়েছে। যা পরকালের 'হাশর সংক্রান্ত। সুতরাং উক্ত হাদীসকেও পরকালের 'হাশর সংক্রান্ত বলে ধরে নিতে হবে। আল্লাহ্ তা'আলা বলেনঃ
وَ كُنْتُمْ أَزْوَاجًا ثَلَاثَةً.
অর্থাৎ তখন তোমরা তিনটি শ্রেণীতে বিভক্ত হয়ে পড়বে। (ওয়াক্বি'আহ্: ৭)
📄 তাঁদের প্রমাণগুলোর উত্তর
১. বিশুদ্ধ হাদীসগুলো তো এটাই প্রমাণ করে যে, উক্ত 'হাশর দুনিয়াতেই হবে। আখিরাতে নয়।
২. সূরা ওয়াক্বি'আয় বর্ণিত প্রকারগুলো এবং হাদীসে বর্ণিত প্রকারগুলো এক হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। কারণ, হাদীসে বর্ণিত প্রকারগুলো ফিতনা থেকে বাঁচার জন্যই বলা হয়েছে। সুতরাং যে ব্যক্তি খাদ্য ও আরোহণ পর্যাপ্ত থাকা অবস্থায় সফর করবে সেই হচ্ছে প্রথম শ্রেণীর। আর যে ব্যক্তি অলসতা করে প্রথমেই সফর করেনি বরং যখন আরোহণের সঙ্কট দেখা দিয়েছে তখন সে সফর করেছে সেই হচ্ছে দ্বিতীয় শ্রেণীর। আর যে ব্যক্তি তাও করেনি তাকেই আগুন হাঁকিয়ে নিবে এবং ফিরিস্তাগণ তাকে টেনে-হেঁচড়ে উপস্থিত করবে।
৩. হাদীস কর্তৃক এ কথা সুস্পষ্ট যে, উক্ত আগুন আখিরাতের আগুন নয়। বরং তা দুনিয়ার আগুন। রাসূল (ﷺ) এ ব্যাপারে নিজ উম্মতকে সতর্ক করে দিয়েছেন এবং এর কর্মকাণ্ড সম্পর্কেও অভিহিত করেছেন।
৪. হযরত 'আলী বিন যায়েদ থেকে বর্ণিত হাদীসটি দুনিয়ার 'হাশর সংক্রান্ত হাদীসগুলোর সাথে সাংঘর্ষিক নয়। কারণ, হযরত 'আলী বিন যায়েদের হাদীসে বর্ণিত রয়েছে, টেনে-হেঁচড়ে নেয়ার সময় মানুষ তার চেহারা দিয়ে টিলা ও কাঁটা থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করবে। আর কিয়ামতের মাঠ হবে সমতল মসৃণ। তাতে কোন উঁচু-নিচু, টিলা-টঙ্কর বা কাঁটা নেই।
'আল্লামাহ্ ইবনু কাসীর (রাহিমাহুল্লাহ) দুনিয়ার 'হাশর' সংক্রান্ত হাদীসগুলোর ব্যাখ্যায় বলেনঃ উক্ত হাদীসগুলোর বর্ণনশৈলী এটাই প্রমাণ করে যে, বর্ণিত 'হাশরটি দুনিয়ার 'হাশর'। দুনিয়ার শেষ যুগের মানুষগুলোকেই শাম দেশে একত্রিত করা হবে। যখন খাদ্য-পানীয় সবই থাকবে। থাকবে নিজের কেনা আরোহণ। এমনকি পিছে পড়া লোকদেরকে আগুন খেয়ে ফেলবে। অথচ মূল কিয়ামতের সময় খাদ্য-পানীয়, পোশাক, আরোহণ, মৃত্যু কিছুই থাকবে না। (নিহায়াহ/আল-ফিতানু ওয়াল-মালাহিম ১/৩২০-৩২১)
ইবনু 'হাজার (রাহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ যাদেরকে কিয়ামতের দিন জুতোহীন বিবস্ত্র উঠানো হবে তারা আবার বাগান পাবে কোথায় যা দিয়ে তারা উট কিনবে। (ফাত'হল-বারী ১১/৩৮২)