📄 ইবনু ছাইয়্যাদ সম্পর্কে আলেমদের ভক্তিসমূহ
ইমাম কুরত্ববী বলেনঃ সত্য কথা এই যে, ইব্দু স্বাইয়াদই হলো দাজ্জال। এটা কখনো অসম্ভব নয় যে, সে কখনো দ্বীপে অবস্থান করবে। আর কখনো সাহাবাদের মাঝে। (আত-তাযকিরাহ্ ৭০২)
ইমাম নববী বলেনঃ বিশিষ্ট আলিম সম্প্রদায় ধারণা করেন যে, ইব্দু স্বাইয়াদের ব্যাপারটি খুবই জটিল। সে কি প্রশিদ্ধ দাজ্জাল না কি অন্য কেউ। তবে সে নিঃসন্দেহে দাজ্জালসমূহের একজন।
আলিম সম্প্রদায় আরো বলেনঃ হাদীসগুলোর বর্ণনা দেখলে মনে হয়, রাসূল () এর নিকট ইনু স্বাইয়াদের ব্যাপারে এমন কোন ওহী আসে নাই যে, সে কি দাজ্জাল না কি নয়। তবে তাঁকে ওহীর মাধ্যমে দাজ্জালের কিছু বৈশিষ্ট্য অবশ্যই জানিয়ে দেয়া হয়েছে। আর ইব্দু স্বাইয়াদের মাঝে এ জাতীয় কিছু বৈশিষ্ট্য সম্ভাবনাময়ভাবে বিদ্যমান ছিলো। তাই রাসূল () তার ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারেননি যে, সে দাজ্জال না কি নয়।
তাই তো রাসূল () একদা হযরত 'উমার কে বললেনঃ সে যদি দাজ্জাল হয়ে থাকে তা হলে তুমি তাকে কখনোই হত্যা করতে পারবে না।
আর ইব্নু স্বাইয়াদ যে বললোঃ সে মুসলমান। আর দাজ্জال তো কাফির। তার সন্তান আছে; অথচ দাজ্জال হবে নিঃসন্তান। সে মদীনায় বসবাসরত এবং মক্কার দিকে রওয়ানা দিয়েছে। এতে কোন অসুবিধে নেই। কারণ, রাসূল () দাজ্জালের যে বেশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেছেন তা সে যখন দাজ্জال রূপে বের হবে তখনকার এবং যখন তার ফিতনা শুরু হবে।
তার ব্যাপারটি যে জটিল এবং সে যে একজন দাজ্জাল তা এ জন্য যে, সে একদা রাসূল () কে উদ্দেশ্য করে বলেঃ আপনি কি সাক্ষ্য দেন যে, আমি নিশ্চয়ই আল্লাহ্'র রাসূল। সে দাবি করেছে যে, তার নিকট সত্য ও মিথ্যাবাদী আসে। সে পানির উপর আর্শ দেখতে পায়। সে দাজ্জাল হওয়া অপছন্দ করছে না। সে দাজ্জাল ও দাজ্জালের জন্মস্থান চিনে এবং দাজ্জال এখন কোথায় তাও সে বলতে পারে। সে রাগে ফুলে-ফেঁপে যেন পুরো গলি ভরে দেয়।
তার ইসলাম, হজ্জ ও জিহাদ এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট নয় যে, সে দাজ্জال নয়। (শর্'হুন-নববী লি মুসলিম ১৮/৪৬-৪৭)
ইমাম শওকানী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ ইব্নু স্বাইয়াদকে নিয়ে আলিমদের খুব মতানৈক্য রয়েছে এবং তার ব্যাপারটি খুবই জটিল। তার ব্যাপারে সব ধরনের কথাই বলা হয়েছে। তার ব্যাপারে হাদীসগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, রাসূল () তার ব্যাপারে কোন নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। সে কি দাজ্জال না কি নয়। তবে রাসূল (স) এর সন্দেহের দু'টি উত্তর দেয়া যেতে পারে। তার একটি হচ্ছে, রাসূল () ইবনু স্বাইয়াদের ব্যাপারে ততক্ষণ পর্যন্ত সন্দেহ পোষণ করেছিলেন যতক্ষণ না আল্লাহ্ তা'আলা তাঁকে ওহীর মাধ্যমে জানিয়ে দেন যে, সে নিশ্চয়ই দাজ্জাল। তবে তিনি যখন ওহীর মাধ্যমে জেনেছেন যে, সে দাজ্জال তখন তিনি ইব্নু স্বাইয়াদ দাজ্জাল হওয়ার ব্যাপারে হযরত 'উমরের কসমকে অস্বীকার করেননি। আরেক উত্তর এভাবে দেয়া যায় যে, আরবরা কখনো কখনো সন্দেহজনকভাবে কথা বলে; অথচ উক্ত কথায় কোন সন্দেহ নেই। (নাইলুল-আওতার ৭/২৩০-২৩১),
ইমাম বায়হাক্বী তামীম দারীর হাদীসটি আলোচনা করতে গিয়ে বলেনঃ উক্ত হাদীস থেকে এ কথা বুঝা যায় যে, শেষ যুগের বড় দাজ্জাল কিন্তু ইব্নু স্বাইয়াদ নয়। বরং সে অনেকগুলো মিথ্যুক দাজ্জালের একজন যাদের ব্যাপারে রাসূল () ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন।
মনে হয়, যাঁরা ইব্নু স্বাইয়াদকে দাজ্জال বলে নিশ্চিত হয়েছেন তাঁরা তামীম দারীর হাদীসটি শুনেননি। কারণ, এতদুভয়ের মাঝে সমন্বয় সাধন খুবই কঠিন। এমন তো হওয়া সত্যিই অসম্ভব যে, রাসূল (স) এর যুগে যে লোকটি ছেলে বয়সী ছিলো যার সাথে রাসূল () স্বয়ং কথা বলেছেন সে লোকটিই রাসূল () এর শেষ যুগে বুড়ো হয়ে সাগরের কোন এক উপদ্বীপে লোহার শিকল দিয়ে বন্দী অবস্থায় বসবাস করবে এবং রাসূল() আবির্ভূত হয়েছেন কি না সে ব্যাপারে কাউকে জিজ্ঞাসা করবে।
'উমর( এর কসম খাওয়ার ব্যাপরটিও এমন। তিনিও প্রথমে তামীম দারীর হাদীসটি শুনেননি। যখন শুনেছেন তখন আর কসম খাননি।
তবে জাবির এ ব্যাপারে কঠিন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, ইব্নু স্বাইয়াদই দাজ্জال। যদিও সে মুসলমান এবং যদিও সে মদীনায় প্রবেশ করেছে। এমনকি যদিও সে মৃত্যু বরণ করেছে। আর তিনি তামীম দারীর হাদীসটিরও অন্যতম বর্ণনাকারী। তা হলে তিনি হাদীসটি শুনেননি বলাও অসম্ভব। তিনি এও বলতেনঃ আমরা ইব্নু স্বাইয়াদকে হারার দিন খুঁজে পাইনি।
হাসান বিন্ আব্দুর রহমান তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেনঃ যখন ইস্পাহান শহর বিজয় হয় তখন আমাদের সেনা ঘাঁটি ও ইয়াহুদিয়্যাহ্ এলাকার মাঝে বেশি দূরত্ব ছিলো না। তখন আমরা মাঝে মাঝে সে এলাকায় যেতাম এবং আমাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র চয়ন করে আনতাম। একদা আমি অত্র এলাকায় গেলে দেখি ইহুদিরা ঢোল-ঢক্কর বাজাচ্ছে এবং খুব নাচানাচি করছে। আমি তাদের মধ্যকার আমার এক বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করলে সে বললোঃ আজ আমাদের সেই রাষ্ট্রপতির আগমন। যাঁকে নিয়ে আমরা আরবদের উপর বিজয়ী হবো। অতঃপর আমি তারই বাড়ির ছাদে রাত্রি যাপন করি। সেখানেই আমি ফজরের নামায আদায় করলাম। যখন সূর্য উঠলো তখন আমি তাদের সৈন্যদের মাঝে খুব শোরগোল এবং সেদিক থেকে প্রচুর ধূলিকনা উড়তে দেখলাম। তাকিয়ে দেখি জনৈক ব্যক্তি রায়হানের তৈরি একটি গম্বুজের নিচে বসা। আর ইহুদিরা তার আশে-পাশে ঢোল-ঢক্কর বাজাচ্ছে এবং খুব নাচানাচি করছে। ভালো করে দেখি সেই লোকটিই তো ইব্নু স্বাইয়াদ। অতঃপর ইব্নু স্বাইয়াদ উক্ত শহরে ঢুকে পড়লো। আর কখনো সে সেখান থেকে বের হলো না। (ফাতহুল-বারী ৩/৩২৭-৩২৮)
শাইখুল-ইসলাম 'আল্লামাহ্ ইবনু তাইমিয়্যাহ্ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ ইবনু স্বাইয়াদের ব্যাপারটি জটিল হওয়ার দরুন কোন কোন সাহাবী তাকে দাজ্জال বলে ধারণা করেছেন। রাসূল (ﷺ) সর্ব প্রথম তার ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করলেও পরবর্তীতে তিনি জেনেছেন যে, সে দাজ্জال নয়। বরং সে শয়তান প্রকৃতির জ্যোতিষী। এ কারণে রাসূল (ﷺ) তাকে মাঝে মাঝে পরীক্ষা করতে যেতেন। (আল-ফুরক্বান ৭৭)
ইমাম ইবনু কাসীর (রাহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ মূল কথা হচ্ছে, ইবনু স্বাইয়াদ সেই দাজ্জাল নয় যে শেষ যুগে বের হবে। যা ফাতিমা বিন্তে ক্বাইস্ তথা তামীম দারীর হাদীস থেকে বুঝা যায়। (আন-নিহায়াহ/আল-ফিতানু ওয়াল-মালাহিম ১/৭০)
'আল্লামাহ্ ইব্নু 'হাজার (রাহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ দাজ্জাল তো সেই ব্যক্তি যাকে তামীম দারী বন্দী অবস্থায় দেখেছেন। আর ইবনু স্বাইয়াদ তো একজন শয়তান যে দাজ্জাল রূপে সে যুগে আবির্ভূত হয়েছে। পরিশেষে সে ইস্পাহান গিয়ে মূল দাজ্জালের সাথে গায়েব হয়ে যায়। (ফাত্হুল-বারী ১৩/৩২৮)
ইব্নু স্বাইয়াদ নবুওয়াতের দাবি করার পরও রাসূল (ﷺ) তখন তাকে শাস্তি দেননি এ কারণে যে, তখন মদীনার ইহুদি ও রাসূল (ﷺ) এর মাঝে একটি শান্তি চুক্তি বিদ্যমান ছিলো। আর ইব্নু স্বাইয়াদ তাদেরই একজন অথবা এ কারণে যে, তখনো ইব্নু স্বাইয়াদ সাবালক হয়নি অথবা এ জন্য যে, সে সরাসরি নবুওয়াতের দাবি করেনি। বরং সে রিসালাতের দাবির প্রতি ইঙ্গিত করেছে মাত্র যা নবুওয়াতের দাবি করা প্রমাণ করে না। কারণ, আল্লাহ্ তা'আলা যেমন দুনিয়াতে মানব জাতির হিদায়াতের জন্য নবী-রাসূল পাঠান তেমনিভাবে কাফিরদের নিকট শয়তানও পাঠান। (আল-ফাত্হুর-রাব্বানি ২৪/৬৪-৬৫ ফাত্হুল-বারী ৬/১৭২)
📄 দাজ্জালের আবির্ভাব কোথায়
দাজ্জাল পূর্ব দিক থেকে বের হবে। খুরাসান তথা ইস্পাহানের ইয়াহুদিয়্যাহ্ নামক এলাকা থেকে। অতঃপর সে পুরো বিশ্বে ভ্রমণ করবে। এমন কোন এলাকা বাকি থাকবে না যেখানে সে প্রবেশ করবে না। তবে মক্কা-মদীনায় সে ঢুকতে পারবে না। কারণ, ফিরিস্তাগণ উক্ত এলাকাদ্বয় পাহারা দিবেন।
ফাতিমা বিন্তে ক্বাইস্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ সে (দাজ্জال) সিরিয়া বা ইয়েমেন সাগরে অবস্থানরত। না, বরং সে পূর্ব দিক থেকেই আবির্ভূত হবে। (মুসলিম ২৯৪২)
আবূ বকর সিদ্দীকু থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল () ইরশাদ করেনঃ
দাজ্জال পূর্ব এলাকা তথা খুরাসান শহর থেকে বের হবে। (তিরমিযী/তুহ্ফ্ফাহ্ ৬/৪৯৫)
আনাস্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল () ইরশাদ করেনঃ
দাজ্জال ইস্পাহান শহরের ইয়াহুদিয়্যাহ্ নামক এলাকা থেকে বের হবে। তার সাথে থাকবে সত্তর হাজার ইহুদি। (আল-ফাত্হুর-রাব্বানি ২৪/৭৩ ফাত্হুল-বারী ১৩/৩২৮)
📄 দাজ্জাল মক্কা ও মদীনায় প্রবেশ করতে পারবে না
ফাতিমা বিন্তে ক্বাইস্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল () ইরশাদ করেনঃ
দাজ্জال বললোঃ আমি হলাম মাসী'হুদ-দাজ্জাল। আমাকে অচিরেই বের হওয়ার অনুমতি দেয়া হবে। তখন আমি বের হবো এবং বিশ্বের সর্ব জায়গায় ঘুরে বেড়াবো। এমন কোন এলাকা বাকি থাকবে না যেখানে আমি চল্লিশ দিনের মধ্যেই অবতরণ করবো না। তবে মক্কা- মদীনায় প্রবেশ করা আমার জন্য হারাম। যখনই আমি এর কোনটিতে ঢুকতে যাবো তখনই জনৈক ফিরিস্তা খোলা তলোয়ার নিয়ে আমাকে প্রতিরোধ করবে। সেখানকার প্রত্যেক গিরি পথে থাকবে অনেকগুলো ফিরিস্তা যারা আমার প্রবেশ থেকে শহরটিকে রক্ষা করবে।
মূলতঃ দাজ্জাল চারটি মসজিদে প্রবেশ করতে পারবে না। সেগুলো হচ্ছে, মক্কা মসজিদ, মদীনা মসজিদ, তুর মসজিদ ও আক্বস্বা মসজিদ।
জুনাদাহ্ বিন্ আবূ উমাইয়াহ্ আব্দী (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ আমি ও জনৈক আন্সারী সাহাবী জনৈক সাহাবীর নিকট গিয়ে বললামঃ আপনি দাজ্জال সম্পর্কে রাসূল () থেকে যা শুনেছেন আমাদেরকে বলুন। তখন তিনি বললেনঃ... দাজ্জাল চল্লিশ দিন দুনিয়াতে অবস্থান করবে। সে এরই মধ্যে সকল জায়গায় পৌঁছবে। তবে সে চারটি মসজিদের নিকটবর্তী হতে পারবে নাঃ মসজিদে হারাম, মসজিদে নববী, তুর মসজিদ ও আকুস্বা মসজিদ। (আল-ফাত্হর-রাব্বানি ২৪/৭৬ ফাত্হুল-বারী ১৩/১০৫)
📄 দাজ্জালের অনুসারী
দাজ্জালের অনুসারী হবে ইহুদি, অনারব ও তুর্কিরা। তাতে সব শ্রেণীর লোকই থাকবে। বিশেষ করে মহিলা ও গ্রাম্য লোক।
আনাস্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল () ইরশাদ করেনঃ
يَتْبَعُ الدَّجَّالَ مِنْ يَهُودِ أَصْبَهَانَ سَبْعُونَ أَلْفًا، عَلَيْهِمُ الطَّيَالِسَةُ.
অর্থাৎ ইস্পাহানের সত্তর হাজার ইহুদি দাজ্জালের অনুসরণ করবে। তাদের গায়ে থাকবে চাদর। (মুসলিম ২৯৪৪)
অন্য বর্ণনায় রয়েছে, তাদের মাথায় থাকবে তাজ। (আল-ফাত্হুর-রাব্বানি ২৪/৭৩ ফাত্হুল-বারী ১৩/২৩৮)
অন্য বর্ণনায় রয়েছে, তার (দাজ্জال) অনুসারী হবে এমন লোক যাদের চেহারা চামড়া মোড়ানো ঢালের ন্যায় তথা চওড়া ও ঝুলে পড়া গণ্ডদেশ বিশিষ্ট।
ইমাম ইবনু কাসীর (রাহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ মনে হয় এরা তুর্কি। (আন-নিহায়াহ/আল-ফিতানু ওয়াল-মালাহিম ১/১১৭)
কিছু কিছু অনারবও উক্ত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী যা পূর্বে বর্ণিত হয়েছে।
দাজ্জালের অনুসারী অধিকাংশ গ্রাম্য লোক এ জন্যই হবে যে, কারণ মূর্খতা তাদের মধ্যেই অনেক বেশি।
আবূ উমামাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল () ইরশাদ করেনঃ
দাজ্জালের ফিতনা এটাও যে, সে জনৈক গ্রাম্য লোককে বলবেঃ আমি যদি তোমার মাতা-পিতাকে জীবিত করে দেখাতে পারি তা হলে কি তুমি এ কথার সাক্ষ্য দিবে যে, আমি তোমার প্রভু। সে বলবেঃ হ্যাঁ। তখন দু'টি শয়তান তার মাতা-পিতার ছবি ধারণ করে বলবেঃ হে আমার ছেলে! এর অনুসরণ করো। এ হচ্ছে তোমার প্রভু। (ইবনু মাজাহ্ ২/১৩৫ ৯-১৩৬৩ স'হীহুল-জামি', হাদীস ৭৭৫২)
আর মেয়েলোকের ব্যাপারটি তো আরো করুণ। কারণ, তারা সহজেই অভিভূত হয় এবং তাদের মধ্যে মূর্খতাও অনেক বেশি।
আব্দুল্লাহ্ বিন্ 'উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল () ইরশাদ করেনঃ
একদা দাজ্জال মদীনার "মারক্বানাহ্” নামক ঢালু উপত্যকায় অবতরণ করবে। তখন মদীনার অধিকাংশ মহিলাই তার নিকট পাড়ি জমাবে। তখন পুরুষরা দাজ্জালের নিকট যাওয়ার ভয়ে তাদের স্ত্রী, মাতা, কন্যা, বোন ও ফুফুকে রশি দিয়ে ভালো করে বেঁধে রাখবে। (আহমাদ, হাদীস ৫৩৫৩)