📄 অন্বেষিত হইলে ইশারায় নামায পড়
হাদীস নং ২৬৫ - আতা হইতে বর্ণিত, তিনি বলিয়াছেন, তুমিই যদি অন্বেষণকারী হও তাহা হইলে অবতরণ কর এবং নামায পড় আর যদি তুমি অন্বেষিত হও তাহা হইলে ইশারায় পড়িয়া লও।
📄 ইঙ্গিত করিয়া নামায পড়া
হাদীস নং ২৬৬ - মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সায়ীদ বিন জুবায়ের এবং আতাকে দেখিয়াছি তাহারা ইমামের খুৎবাদানরত অবস্থায় সেই দিকে ইঙ্গিত করিয়া নামায পড়িতেছেন।
হাদীস নং ২৬৭ - আবু ওয়ায়েল হইতে বর্ণিত, হাজ্জাজ খুৎবারত অবস্থায় তিনি ইঙ্গিত করিয়া নামায পড়িতেন।
টিকাঃ
১. বনী উমাইয়্যার শাসনকর্তাদের অনেকেই খুৎবা প্রলম্বিত করিয়া জুমুআর নামাযের সময় পার করিয়া দিত। তখন অনেকে ইঙ্গিতে নামায পড়িয়া লইতেন। বর্ণনাদ্বয়ে তাহাই বিধৃত হইয়াছে। অনুবাদক।
📄 তোমরা নামাযের মধ্যেই রহিয়াছো
হাদীস নং ২৬৮ - ইবনে জুরাইজ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ওয়ালীদ 'খাইফে' নামায বিলম্বিত করিয়াছিল। আমি জিজ্ঞাসা করিলাম, তখন আপনি কিরূপ করিয়াছিলেন? তিনি বলিলেন, ইশারায় নামায পড়িয়াছি। ইবনে জুরাইজ হইতে বর্ণনাকারী দাউদ বলিয়াছেন, কুরবানীর দিনের একদিন পর সে খুৎবা দিয়াছিল। এমনকি এক ব্যক্তি পাহাড়ের উপরে কাপড় নাড়িয়া ইঙ্গিত করিতে লাগিল, আপনি কি সূর্য দেখিতেছেন না? সে বলিল, তোমরা নামাযের মধ্যেই রহিয়াছ।
📄 আমাদের মধ্যে কোন বিশ্বাসঘাতক ছিল না
হাদীস নং ২৬৯ - আবু বকর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হুয়াইতিব হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মালেকের নিকটে বসা ছিলাম ইতিমধ্যে শামের একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি দুইজন যুবকের উপর ভর দিয়া প্রবেশ করিলেন, তাহার নাম ছিল আবু বাহরিয়্যাহ। আব্দুল্লাহ তাহাকে দেখিবা মাত্র মারহাবা বলিলেন এবং আমার ও তাহার মধ্যে জায়গা খালি করিলেন, অতঃপর বলিলেন, আপনি কি উদ্দেশ্যে আসিয়াছেন হে আবু বাহরিয়াহ! আপনি কি চান আমি আপনার নাম বাহিনী হইতে বাদ দিয়া দেই? তিনি বলিলেন, আমি ইহা চাইনা যে আপনি আমাকে বাহিনী হইতে বাদ দিন তবে আমার পরিবর্তে এই দুইজনের-তাহার পুত্রদ্বয়-কোন একজনকে গ্রহণ করুন। অতঃপর জিজ্ঞাসা করিলেন, আপনার নিকটে এ কে? তিনি বলিলেন, সে নিজেই নিজের পরিচয় দিক। তখন তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করিলেন, তুমি কে? অমি বলিলাম, আমি আবু বকর বিন আব্দুল্লাহ বিন হুয়াইত্বিব। তিনি বলিলেন, ওহে ভাতিজা! তোমাকে মারহাবা। আমি উমর বিন খাত্তাব (রাযিঃ) এর যুগে রোমের ভূখন্ডে প্রবেশকারী সর্বপ্রথম বাহিনীতে ছিলাম। আমাদের আমীর ছিলেন তোমার চাচার পুত্র আব্দুল্লাহ বিন আসসা'দী। আমাদের নেযার মধ্যে তীক্ষ্ণতাটুকুই ছিল। আমাদের আমীরের জ্ঞান-পরিধিতে সূরায়ে ফালাক, নাস এবং কিছু ছোট ছোট সূরা ছাড়া আর প্রায় কিছুই ছিল না। আমরা এমন কোন ব্যক্তির সাক্ষাত পাই নাই যাহার ধারণা হইত যে, তিনি আমাদের তত্ত্বাবধায়ক। তবে হে ভাতিজা আমাদের মধ্যে কোন বিশ্বাসঘাতকতা ছিল না, কোন মিথ্যাচার ছিল না, কোন খিয়ানত ছিল না, গনীমতের সম্পদে কোনরূপ অন্যায় হস্তক্ষেপ ছিল না।