📄 ইশারায় দুই রাকাআত পড়িবে
হাদীস নং ২৬২ - যুহরী হইতে বর্ণিত, তিনি আল্লাহতায়ালার বাণী প্রসঙ্গে বলিয়াছেন, যখন শত্রু বাহিনী পশ্চাদ্ধাবন করিবে তখন তাহাদের জন্য যেই দিকে ফিরিয়া আছে সেই দিকেই নামায পড়া হালাল হইবে, পদাতিক হোক বা সওয়ার, ইশারায় দুই রাকাআত পড়িবে। ক্বাতাদাহ বলিয়াছেন, এবং এক রাকাআত যথেষ্ট হইবে।
📄 তোমরা সাওয়ারীর উপরই নামায পড়
হাদীস নং ২৬৩ - মাকহুল হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, শুরাহবীল ইবনে হাসানাহ 'শাম্মাছার' উপর আক্রমণ করিলেন, তখন ছিল প্রত্যুষকাল। তিনি আদেশ করিলেন, তোমরা তোমাদের সওয়ারীর উপরই নামায পড়িয়া নাও। অতঃপর এক ব্যক্তির নিকট দিয়া অতিক্রম করিলেন যে ভূমিতে দাঁড়াইয়া নামায পড়িতেছিল, তিনি বলিলেন, এ কি বিপরীত করিতেছে! আল্লাহ ও ইহার সহিত বিপরীত আচরণ করুন। দেখা গেল সে আশতার।
📄 অবতরণ করিবে এবং নামায পড়িবে
হাদীস নং ২৬৪ – ছাবেক বরবরী হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মাকহুল হাসান বসরীর নিকট পত্র লিখিলেন। তাঁহার পত্র আসিল তিনি লিখিয়াছেন, বরং অবতরণ করিবে এবং কিবলামূখী হইবে। আর যদি দুশমন তাহাদের পশ্চাদ্ধাবন করে তাহা হইলে সে তাহার ঘোড়ার পিঠেই ইশারায় নামায পড়িয়া নিবে।
📄 অন্বেষিত হইলে ইশারায় নামায পড়
হাদীস নং ২৬৫ - আতা হইতে বর্ণিত, তিনি বলিয়াছেন, তুমিই যদি অন্বেষণকারী হও তাহা হইলে অবতরণ কর এবং নামায পড় আর যদি তুমি অন্বেষিত হও তাহা হইলে ইশারায় পড়িয়া লও।