📄 সালাতুল খওফ আদায়ের নিয়ম
হাদীস নং ২৫২ - সুফিয়ান ইবরাহীম হইতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, একটি সারি দুশমনদের মুকাবেলায় দন্ডায়মান হইবে এবং তাহারা নামাযে থাকিবে না। অপর একটি সারি ইমামের পিছনে থাকিবে। তিনি ইহাদিগকে নিয়া এক রাকাআত পড়িবেন অতঃপর ইহারা উহাদের স্থানে চলিয়া যাইবেন এবং উহারা আসিবেন। তিনি ইহাদিগকে নিয়া দ্বিতীয় রাকাআত পড়িবেন এবং সালাম ফিরাইবেন। অতঃপর ইহারা উহাদের স্থানে চলিয়া যাইবে এবং উহারা আসিয়া তাহাদের বাকী এক রাকাআত আদায় করিবে অতঃপর ইহারা উহাদের স্থানে চলিয়া যাইবে এবং উহারা আসিয়া তাহাদের বাকী এক রাকাআত আদায় করিবে।
📄 ভীতিকালে ফরয নামায আদায় করিবে
হাদীস নং ২৫৩ - আব্দুল মালেক ইবনে আবী সুলাইমান আল্লাহতায়ালার বাণী (ফাইন খিফতুম ফারিজালান আও রুকবানান) প্রসঙ্গে বলেন, তুমি ইশারা করিয়া ফরয নামায পড়িবে যেই দিকেই ধাবিত হও না কেন এবং তোমার সওয়ারী যেই দিকেই ধাবিত হোক না কেন, পদাতিক হও বা সওয়ার হও।
📄 সকলেই সাওয়ার হইয়া নামায পড়িলেন
হাদীস নং ২৫৪ - রাজা ইবনে হাইওয়াহ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তাহারা একটি সেনা বাহিনীতে ছিলেন, তাহাদের সেনাপতি ছিলেন সামত বিন সাবেত বা সাবেত বিন সামত। ইত্যবসরে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হইলে তাহারা সকলে সওয়ার হইয়াই নামায পড়িলেন। অতঃপর তিনি তাহাদের প্রতি তাকাইয়া দেখিলেন, আশতার অবতরণ করিয়া নামায পড়িতেছে। তিনি বলিলেন, সে কেন অবতরণ করিল? বলা হইল, তিনি নামায পড়িবার জন্য অবতরণ করিয়াছেন। তিনি বলিলেন, তাহার কি হইয়াছে যে সে সকলের বিপরীত করিল! তাহার সহিতও বিপরীত আচরণ করা হইয়াছে।
📄 সাওয়ারীর উপরই নামায পড়িলেন
হাদীস নং ২৫৫- হাবীবের দুই পুত্র দ্বমরা ও মুহাছির হইতে বর্ণিত, তাহারা বলিয়াছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি সারিয়্যাহতে অভিযানে বাহির হইলেন। সাওয়ার অবস্থাতেই নামাযের সময় হইল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওয়ারীর উপরই নামায পড়িলেন এবং ইবনে রাওয়াহা অবতরণ করিয়া ভূমিতে নামায পড়িলেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে আসিলে তিনি বলিলেন, হে ইবনে রাওয়াহা! তুমি কি আমার নামায হইতে মুখ ফিরাইলে? ইবনে রাওয়াহা বলিলেন, আমার অবস্থা আপনার মত ছিল না, আপনি দ্রুত চলিতেছিলেন আমরা ধীরে ধীরে চলিতেছিলাম। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহার কর্মের জন্য তাহাকে কিছু বলিলেন না।
বর্ণনাকারী বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অপর এক সারিয়্যায় বাহির হইলেন। তাঁহার সঙ্গীগণ সওয়ারীর পিঠেই নামায পড়িলেন। এক ব্যক্তি নিজেকে কষ্টে ফেলিল এবং ভূমিতে অবতরণ করিয়া নামায পড়িল। তিনি তখন বলিলেন, সে বিপরীত করিল! আল্লাহও তাহার সহিত বিপরীত করুন। অবশেষে সেই ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্বে ইসলাম হইতে বাহির হইয়া গেল।