📄 সামুদ্রিক অভিযানের ভয়াবহতা
হাদীস নং ২০৫ – ইবনে হুবাইরা হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুয়াবিয়া (রাযিঃ) উমর (রাযিঃ)-এর নিকটে নৌ অভিযানের অনুমতি চাহিয়া পত্র লিখিলেন এবং জানাইলেন যে, তাহার এবং কুবরুস দ্বীপের মধ্যখানে সমুদ্র পথে মাত্র দুই দিনের দূরত্ব রহিয়াছে। আমীরুল মুমিনীন যদি সমীচীন মনে করেন যে, আমি সেখানে অভিযান পরিচালনা করি এবং আল্লাহ আমার হাতে উহাকে বিজিত করেন? উমর (রাযিঃ) পত্র পাইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, সমুদ্র ভ্রমণে সর্বাধিক অভিজ্ঞ কে? বলা হইল, আমর বিন আস। তিনি সমুদ্রপথে হাবাশায় আসা-যাওয়া করিতেন। উমর (রাযিঃ) তাহাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করিলেন। তিনি বলিলেন, ইয়া আমীরুল মুমিনীন! সমুদ্রে মানুষের উদাহরণ কাষ্ঠখণ্ডে ভাসমান পোকার ন্যায়। স্থিরচিত্তে বসিয়া থাকিলেও ডুবিতে হইবে, অস্থির হইয়া গেলেও ডুবিতে হইবে। ইহা শুনিয়া উমর (রাযিঃ) বলিলেন, খোদার কসম! আমি যতদিন জীবিত থাকিব ততদিন পর্যন্ত একজন মুসলমানকেও ইহাতে উদ্বুদ্ধ করিব না।
📄 ছয়টি জিনিষের পুরস্কার আটজন হুর
হাদীস নং ২০৬ - মুসা বিন আইয়্যুব গাফেক্বী হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আমাকে বর্ণনা করিয়াছেন যে, আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আস (রাযিঃ)-এর একজন আযাদকৃত গোলাম তাহার নিকটে আসিলেন এবং বলিলেন, আমি নৌপথে যুদ্ধাভিযানে যাইবার ইচ্ছা করিয়াছি, আমাকে কিছু অসীয়ত করুন। আব্দুল্লাহ বলিলেন, তুমি স্থলপথেই থাক। তুমি অন্যকে কষ্ট দিবে না নিজেও কষ্টে পতিত হইবে না। সে বলিল, আমি সমুদ্র অভিযানের সংকল্প করিয়াছি। আব্দুল্লাহ বলিলেন, যদি ছয়টি বিষয় স্মরণ রাখ তাহা হইলে আটজন 'হুরে ঈন' অবধারিত হইয়া যাইবে। ১. গনীমতের সম্পদ হইতে আত্মসাৎ করিবে না, ২. কেহ আত্মসাৎ করিলে উহা গোপন করিবে না, ৩. কোন প্রতিবেশীকে কষ্ট দিবে না, ৪. কোন যিম্মীকে কষ্ট দিবে না, ৫. কোন ইমামকে গালমন্দ করিবেনা, ৬. পলায়ন করিবে না এবং ভয় করিতে থাকিবে।
📄 অধিক পছন্দনীয়
হাদীস নং ২০৭ - ইবনে উমর (রাযিঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলিতেন, আমি একটি অবলা বাধ্যগত উটে চড়িয়া যুদ্ধাভিযানে বাহির হইব ইহা আমার নিকটে সমুদ্র ভ্রমণ হইতে অধিক পছন্দনীয়।
📄 রহমতের দু'আ
হাদীস নং ২০৮ - মুসা বিন আলী বিন রাবাহ তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেই ব্যক্তিকে তাহার সঙ্গীদের খেদমত করিতে দেখিতেন তাহার জন্য রহমতের দু'আ করিতেন।