📄 শহীদকে মুবারকবাদ
হাদীস নং ১২৯ - মাসরুক হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা উমর ইবনুল খাত্তাবের নিকটে বলিলাম, যাহাকে আল্লাহতায়ালা শাহাদাত নসীব করিয়াছেন তাহাকে মুবারকবাদ! উমর বলিলেনঃ তোমরা শাহাদাত বলিতে কি বুঝ? তাহারা বলিলেন: আল্লাহর পথে অভিযানে বাহির হওয়া। তিনি বলিলেনঃ ইহাতো অনেক! তাহারা বলিলেনঃ তাহা হইলে শহীদ কে? তিনি বলিলেনঃ যে আপন আত্মোৎসর্গের বিনিময়ে পুণ্যের আশা রাখে।
📄 যদি উভয়ে একত্রে জান্নাতে প্রবেশ করিতাম
হাদীস নং ১৩০ - আবু যুহাইফা হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা মিহরান নদীর দিকে এক অভিযানে যাইতেছিলাম। আমাদের সহিত আবু আসাবা নামীয় আযদ গোত্রের এক ব্যক্তি ছিল। সে কাঁদিতে লাগিল। আমরা বলিলাম লোকটি কি অস্থির হইয়া পড়িয়াছে? সে বলিল, না, ব্যাপার হইল আমি আসাবাকে (অর্থাৎ তাহার পুত্র) হাওদায় রাখিয়া আসিয়াছি। এখন আমার ইচ্ছা জাগিয়াছে যদি সে আমার সহিত থাকিত এবং উভয়ে একত্রে জান্নাতে প্রবেশ করিতাম!
📄 আমি আল্লাহর পথে আরেকটু অগ্রসর হইবো
হাদীস নং ১৩১ - হযরত আওন ইবনে আব্দুল্লাহ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কাদেসিয়্যাহর যুদ্ধের দিন তিনি এক ব্যক্তির নিকট দিয়া গমন করিলেন, তাহার নাড়িভুঁড়ি বাহির হইয়া পড়িয়াছিল: তিনি তাহার নিকট দিয়া অতিক্রমকারী এক ব্যক্তিকে বলিলেন, আমার ইহা একটু সামলাইয়া দাও আমি হয়ত আল্লাহর পথে এক বর্শা বা দুই বর্শা পরিমাণ আরো অগ্রসর হইব। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাহার নিকট দিয়া অতিক্রম করিলেন, তিনি তখন এক বর্শা বা দুই বর্শা পরিমাণ অগ্রসর হইয়াছেন।
📄 হে আল্লাহ! আমাকে হুরে ঈনের সাথে বিবাহ দিন
হাদীস নং ১৩২ - নুয়াইম বিন আবী হিন্দ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কাদেসিয়্যাহর যুদ্ধের দিন এক ব্যক্তি দু'আ করিল ইয়া আল্লাহ! হুদবাহ একজন কৃষ্ণকায় কটুভাষী রমণী অর্থাৎ তাহার স্ত্রী- আজ তাহার পরিবর্তে আমাকে হুরে ঈনের সহিত বিবাহ করাইয়া দাও! (যুদ্ধের মধ্যে) কিছু লোক তাহার নিকট দিয়া অতিক্রমকালে দেখিল সে একজন বিশালকায় পারসীক যোদ্ধার সহিত কুস্তি করিতেছে এবং এই আয়াত তিলাওয়াত করিতেছে—
مِنَ الْمُؤْمِنِينَ رِجَالٌ صَدَقُوا مَا عَاهَدُوا اللَّهَ عَلَيْهِ
[মুমিনদের মধ্যে কতক আল্লাহতায়ালার সহিত কৃত অঙ্গীকার কে পূর্ণ করিয়াছে (আহযাব, আয়াতঃ ২৩)]
সে আয়াতটি শেষ করিল। অতঃপর উভয়েই মারা গেল।