📘 কিতাবুল জিহাদ 📄 আল্লাহর পথে জিহাদকারীর একদিন

📄 আল্লাহর পথে জিহাদকারীর একদিন


হাদীস নং ৭০ - ছফওয়ান বিন সুলাইম হইতে বর্ণিত, আবু হুরাইরা (রাযিঃ) বলিয়াছেন, তোমাদের কাহারও কি এই সামর্থ আছে যে যতদিন সে জীবিত থাকে ততদিন নিরলসভাবে নামায পড়িবে (কখনও শ্রান্ত হইবে না) এবং অবিরাম রোযা রাখিবে (কখনও রোযা বিহীন থাকিবে না)? বলা হইল হে আবু হুরাইরা! কে ইহার সামর্থ রাখে? তখন তিনি বলিলেন, ঐ সত্ত্বার কসম যাহার হাতে আমার প্রাণ! নিঃসন্দেহে আল্লাহর পথে জিহাদকারীর এক দিন ইহা হইতেও উত্তম।

📘 কিতাবুল জিহাদ 📄 আল্লাহর পথের একদিন হাজার দিনের সমান

📄 আল্লাহর পথের একদিন হাজার দিনের সমান


হাদীস নং ৭১ আব্দুল আ'লা ইবনে হেলাল আসসুলামী হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন : হযরত উসমান ইবনে আফফান তাহার স্বগোত্রীয় লোকদিগকে সম্বোধন করিয়া বলিলেন, হাঁ, খোদার কসম! সুস্পষ্ট হইয়া গিয়াছে, নিঃসন্দেহে আমি তোমাদিগকে জিহাদ হইতে বিরত রাখিয়াছি ফলে আমার ও তোমাদের উপর অবধারিত হইয়া গিয়াছে অতএব যে শামে যাইতে চায় সে যেন তাই করে, যে ইরাকে যাইতে চায় সে যেন তাই করে এবং যে মিসরে যাইতে চায় সে যেন তাই করে; কেননা আল্লাহর পথে মুজাহিদের একদিন ঐব্যক্তির এক হাজার দিনের সমান যে বিরামহীন রোযা রাখে ও অবিরত নামায পড়ে।

📘 কিতাবুল জিহাদ 📄 হাজার দিনের চেয়ে উত্তম

📄 হাজার দিনের চেয়ে উত্তম


হাদীস নং ৭২ - হযরত উসমান (রাযিঃ) এর আযাদকৃত দাস আবু ছালেহ বলেন, উসমান ইবনে আফফান (রাযিঃ) মিনার মসজিদে খাইফে বলিয়াছেনঃ হে লোক সকল! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হইতে একটি হাদীস শুনিয়াছিলাম, যাহা তোমাদের ব্যাপারে কৃপণ হইবার দরুন তোমাদের নিকট হইতে গোপন রাখিয়াছি, এখন আমি স্থির করিয়াছি যে, আল্লাহর দ্বীন ও তোমাদের কল্যাণার্থে আমি উহা তোমাদের সামনে প্রকাশ করিয়া দিব। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলিতে শুনিয়াছি যে, আল্লাহর পথে একদিন উহার বাইরের এক হাজার দিন হইতে উত্তম। অতএব তোমাদের মধ্যকার প্রত্যেক ব্যক্তি যেন তাহার কর্তব্য স্থির করিয়া লয়।

📘 কিতাবুল জিহাদ 📄 তোমাদের জন্য যুদ্ধের বিধান দেওয়া হইল

📄 তোমাদের জন্য যুদ্ধের বিধান দেওয়া হইল


হাদীস নং ৭৩ - যাহ্হাক (রাহঃ) আল্লাহতায়ালার বাণী- (কুতিব আ’লাইকুমুল ক্বিতালু ওয়া হুয়া কুরুহুল লাকুম) [(তোমাদের জন্য যুদ্ধের বিধান দেওয়া হইল যদিও তোমাদের জন্য ইহা অপ্রিয়)। (বাকারা, আয়াত: ২১৬)]

আয়াত প্রসঙ্গে বলেন: ক্বিতালের আয়াত অবতীর্ণ হইলে তাহাদের নিকটে তাহা কষ্টের ব্যাপার মনে হইল। অতঃপর যখন আল্লাহতায়ালা ক্বিতালকারীদের (সশস্ত্র যোদ্ধা) বিনিময়, মর্যাদা এবং তাহাদের জন্য আল্লাহতায়ালা যে জীবন ও রিযিক নির্ধারিত রাখিয়াছেন তাহার বিবরণ দিলেন, তখন তাহাতে বিশ্বাস স্থাপনকারী ব্যক্তিবর্গ অন্য কিছুকেই জিহাদের উপর প্রাধান্য দিলেন না এবং তাহারা ইহাকে পছন্দ করিলেন ও ইহার প্রতি আগ্রহী হইলেন এমনকি তাহারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বাহন প্রার্থনা করিতে লাগিলেন, কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে দিবার মত বাহন না থাকায় তাহারা দুঃখভারাক্রান্ত মনে ফিরিয়া গেলেন। আল্লাহর রাহে ব্যয় করিবার সামর্থ্য না থাকার দুঃখে তাহাদের চক্ষু হইতে অশ্রু প্রবাহিত হইতেছিল। জিহাদ আল্লাহতায়ালার ফরয বিধানসমূহের মধ্যে একটি ফরয বিধান।

ফন্ট সাইজ
15px
17px