📄 যে সমূদ্রে নিমজ্জিত হয়
হাদীস নং ৫০- হায্যায ইবনে মালেক হইতে বর্ণিত তিনি বলেন, আমাকে কা'ব বলিলেন, হে মালেকের পুত্র হায্যায! আমি কি কিয়ামতের দিনে সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী শহীদের কথা তোমাকে বলিবনা? আমি বলিলাম অবশ্যই বলুন। তিনি বলিলেন, যে সমূদ্রে নিমজ্জিত হয়। অতঃপর তিনি বলিলেন হে মালেক পুত্র হায্যায! আমি কি তোমাকে জুমুআয় আগত ব্যক্তিবর্গের মধ্যে সর্ব নিম্ন বিনিময়ের অধিকারী ব্যক্তির কথা বলিবনা? আমি বলিলাম: অবশ্যই বলুন, তিনি বলিলেন: যে ব্যক্তি শুধু মাত্র শেষ রাকাত বা শেষ সেজদাটি পাইল। অতঃপর তিনি বলিলেন খোদার কসম! কিয়ামতের দিন লোকেরা শহীদগণের প্রতি এভাবে দৃষ্টিপাত করিবে, অতঃপর তিনি আকাশের দিকে দৃষ্টিপাত করিলেন।
📄 সর্বোত্তম জিহাদ
হাদীস নং ৫১ - আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইদ বিন উমায়ের হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হইল, কোন জিহাদ সর্বোত্তম? তিনি বলিলেন: যাহার রক্ত প্রবাহিত করা হইয়াছে এবং ঘোড়ার হস্তপদ কাটিয়া দেওয়া হইয়াছে।
📄 আল্লাহর বিশ্বস্ত ব্যক্তি
হাদীস নং ৫২ - খালিদ বিন মা'দান (রাযিঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, শহীদগণ আল্লাহর বিশ্বস্ত ব্যক্তি তাহারা নিহত হোন বা বিছানায় মৃত্যুবরণ করুন।
📄 হযরত খালেদ ইবনে ওয়ালিদের মৃত্যু
হাদীস নং ৫৩ - আবু ওয়াইল হইতে বর্ণিত: তিনি বলেন, যখন খালেদ বিন ওয়ালিদের মৃত্যু সমাসন্ন হইল তখন তিনি বলিলেন: আমি মৃত্যুকে উহার সম্ভাব্য স্থানসমূহে সন্ধান করিয়াছি কিন্তু আমার জন্য ইহাই নির্ধারিত ছিল যে, আমি বিছানায় মরিব। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহর (বিশ্বাসের) পর ঐ রাত্রের আমলের চাইতে অধিক আশাপ্রদ আর কোন আমল আমার নাই যেই রাত্রে আকাশ আমার উপর অঝোর ধারায় বর্ষিত হচ্ছিল এবং আমি আমার ঘোড়ার সাহায্যে (বৃষ্টি হইতে) আত্মরক্ষার চেষ্টা করিতেছিলাম এবং দুশমনের উপর আক্রমণ করিবার ইচ্ছায় ভোর হইবার অপেক্ষায় ছিলাম। অতঃপর তিনি বলিলেন, যখন আমি মৃত্যুবরণ করিব তখন আমার ঘোড়া ও অস্ত্রশস্ত্র আল্লাহর রাহে জিহাদের নিমিত্তে দান করিয়া দিবে।
অতঃপর তিনি যখন ইন্তেকাল করিলেন উমর তাঁহার জানাযায় বাহির হইলেন। এস্থানে বর্ণনাকারী উমরের এই বাক্যটি উদ্ধৃত করেনঃ আবুল ওয়ালিদের রমনীগণ খালেদের জন্য কিছু অশ্রু বিসর্জন দিতে পারে তবে মস্তকে ধূলা নিক্ষেপ ও চিৎকার করিতে পারিবে না।