📄 দুঃসাহসী ও ভীতু
হাদীস নং ৪১ - সাঈদ মাকবুরী (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবু হুরাইরা (রাযিঃ) বলিয়াছেন, প্রচণ্ড দুঃসাহসী ঐ ব্যক্তি যে দুশমনের মুখোমুখি হইবার পর পলায়ন করে এবং অতিশয় ভীতু ঐ ব্যক্তি যে দুশমনের মুখোমুখি হইবার পর তাহাদের উপর আক্রমণ করে, অবশেষে তাহার পরিণাম তাহাই হয় যাহা আল্লাহতায়ালার ইচ্ছা। জিজ্ঞাসা করা হইল হে আবু হুরাইরা! ইহা কেমন কথা? তিনি বলিলেন, যে ব্যক্তি পলায়ন করিল সে আল্লাহর ব্যাপারে দুঃসাহসী হইয়াছে, তাই পলায়ন করিতে পারিয়াছে এবং ভীতু ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করিয়াছে।
📄 সম্মান কাহার জন্য?
হাদীস নং ৪২ - শাহর ইবনে হাওশাব বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) কে বলিতে শুনিয়াছি যে, আল্লাহতায়ালা ও ফেরেশতাগণ একটি মেঘের মধ্যে আসিবেন অতঃপর একজন ঘোষক ঘোষণা করিবে যে, সম্মিলিত জনতা আজ জানিতে পারিবে সম্মান কাহার জন্য। তখন (আল্লাহতায়ালা) বলিবেন, আমার বন্ধুদিগকে নিয়া আস যাহারা আমার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে আপন শোণিত প্রবাহিত করিয়াছে। তখন তাঁহারা উঠিবেন এবং নিকটবর্তী হইবেন।
📄 আল্লাহর পথে মুসীবতগ্রস্ত ব্যক্তির সম্মান
হাদীস নং ৪৩ - মালেক ইবনে যুখামির হইতে বর্ণিত, মুয়ায ইবনে জাবাল (রাযিঃ) বলিয়াছেন, একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা দিবে, আল্লাহর পথে মুসীবতগ্রস্ত ব্যক্তিরা কোথায়? তখন শুধু মাত্র মুজাহিদগণই দণ্ডায়মান হইবেন।
📄 অধিক সওয়াবের অধিকারী
হাদীস নং ৪৪ - আবু ইমরান আল জাওনী হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, যখন সাহসী ও ভীতু উভয়ে লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করে তখন ভীতু ব্যক্তি অধিক সওয়াবের অধিকারী হয় এবং যখন দানশীল ও কৃপণ উভয়ে দান করে তখন কৃপণ ব্যক্তি অধিক সওয়াবের অধিকারী হয়।
টিকাঃ
১. কারণ ভীতু ব্যক্তির লড়াইয়ে কষ্ট অধিক হয়। তদ্রূপ বখীল ব্যক্তির দান করিতে কষ্ট বেশী হয়। সম্পাদক