📘 কিতাবুল জিহাদ 📄 আল্লাহর পথে জিহাদরত ব্যক্তির ফযীলত

📄 আল্লাহর পথে জিহাদরত ব্যক্তির ফযীলত


হাদীস নং ২৯ - নুমান ইবনে বাশীর (রাযিঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর পথে জিহাদে রত ব্যক্তি যাবৎ না সে জিহাদ হইতে প্রত্যাবর্তন করে ঐ লোকের ন্যায় যে দিন ভর রোযা রাখে ও রাত ভর নামায পড়ে।

📘 কিতাবুল জিহাদ 📄 আল্লাহর পথের ধুলা ও জাহান্নামের আগুন একত্রিত হইবে না

📄 আল্লাহর পথের ধুলা ও জাহান্নামের আগুন একত্রিত হইবে না


হাদীস নং ৩০ - আবু হুরাইরা (রাযিঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, কোন মুসলিম বান্দার নাসারন্দ্রে আল্লাহর পথের ধূলা ও জাহান্নামের আগুন কখনো একত্রিত হইবে না।

📘 কিতাবুল জিহাদ 📄 মুজাহিদের ঘোড়ার ফযীলত

📄 মুজাহিদের ঘোড়ার ফযীলত


হাদীস নং ৩১ - মুয়ায ইবনে জাবাল (রাযিঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, ফরয নামাযের পরে জিহাদ ফি সাবীলিল্লাহর মত এমন কোন আমলে কোন চেহারা বিবর্ণ হয় নাই ও কোন পা ধূলি ধূসরিত হয় নাই যাহার মাধ্যমে জান্নাতের মর্যাদাসমূহ লাভের প্রত্যাশা করা যায় এবং বান্দার মিযানের পাল্লাকে কোন কিছুই এমন ভারী করেনা যেমন তাহার ঘোড়া, যাহা আল্লাহর পথে মরিয়াছে বা যাহাতে সে আল্লাহর পথে কাহাকেও আরোহন করাইয়াছে।

📘 কিতাবুল জিহাদ 📄 যাহার পা আল্লাহর পথে ধুলায় ধৃসরিত হয়

📄 যাহার পা আল্লাহর পথে ধুলায় ধৃসরিত হয়


হাদীস নং ৩২- আবু মুছাব্বাহ আল হিমসী বলেন, আমরা গ্রীষ্মকালিন যুদ্ধাভিযানে রোমের ভূখন্ডে চলিতেছিলাম। বাহিনীর সেনাপতি ছিলেন মালেক বিন আব্দুল্লাহ আল খাছআমী। তিনি জাবের বিন আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) এর পাশ দিয়া যাইবার সময় দেখিলেন, তিনি তাহার খচ্চরটি টানিয়া নিয়া চলিয়াছেন। ইহা দেখিয়া তিনি বলিলেন, হে আবু আব্দুল্লাহ! আরোহন করুন, আল্লাহ আপনাকে আরোহন করিবার সামর্থ দিয়াছেন। জাবের (রাযিঃ) উত্তরে বলিলেন, আমি আমার বাহনটিকে বিশ্রাম দিতেছি যাহাতে আমার সহযাত্রীদের মুখাপেক্ষী না হইয়া পড়ি এবং আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলিতে শুনিয়াছি যে, যাহার পদযুগল আল্লাহর পথে ধূলি ধূসরিত হয় আল্লাহতায়ালা তাহাকে আগুনের জন্য হারাম করিয়া দেন। তাহার এই কথা মালেক (রাযিঃ) এর খুব পছন্দ হইল। তিনি গলার আওয়াজ শোনা যায় এত দূর অগ্রগামী হইলেন অতঃপর জাবের (রাযিঃ) কে লক্ষ করিয়া জোরে চিৎকার করিয়া বলিলেন, হে আবু আব্দুল্লাহ! আপনি আরোহন করুন, আল্লাহ আপনাকে বাহন দিয়াছেন। জাবের (রাযিঃ) তাহার উদ্দেশ্য বুঝিতে পারিলেন তখন তিনিও চিৎকার করিয়া বলিলেন, আমি আমার বাহনকে বিশ্রাম দিতেছি যাহাতে আমি সহ যাত্রীদের মুখাপেক্ষী না হইয়া পড়ি এবং আমি রাসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলিতে শুনিয়াছি যে, যাহার পদযুগল আল্লাহর পথে ধূলায় ধূসরিত হয় আল্লাহতায়ালা তাহাকে আগুনের জন্য হারাম করিয়া দেন। তাহার এই কথা শুনিয়া যোদ্ধাগণ স্ব স্ব বাহন হইতে লাফাইয়া লাফাইয়া নামিতে লাগিলেন (বর্ণনাকারী বলেন) আমি সেই দিন অপেক্ষা অধিক পদাতিক আর কখনও দিন দেখি নাই।

ফন্ট সাইজ
15px
17px