📄 মুজাহিদের ফযীলত
হাদীস নং ১৩ - আবু হুরাইরা (রাযিঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, আল্লাহর পথে জিহাদকারী ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে রোযা রাখে এবং দিন রাতের মুহূর্তগুলিতে আল্লাহ তায়ালার আয়াতসমূহ নিয়া এই খুঁটির মত দণ্ডায়মান থাকে।
📄 ভোরে যাত্রার ফযীলত
হাদীস নং ১৪- হাসান (রাযিঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি বাহিনী প্রেরণ করিলেন যাহাতে আব্দুল্লাহ বিন রাওয়াহাও ছিলেন। বাহিনী ভোরে রওয়ানা হইয়া গেল। কিন্তু আব্দুল্লাহ বিন রাওয়াহা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে নামাযে উপস্থিত হইবার জন্য থাকিয়া গেলেন। (তখন রাসূলুল্লাহ) বলিলেন, ঐ সত্ত্বার কসম যাহার হাতে আমার প্রাণ যদি তুমি জমিনের সকল কিছু আল্লাহর পথে ব্যয় করিয়া ফেল তবুও তাহাদের ভোরের যাত্রার মর্যাদা লাভ করিতে পারিবে না।
📄 জিহাদ এই উম্মতের বৈরাগ্য
হাদীস নং ১৫- মুয়াবিয়া ইবনে কুররাহ হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন: বলা হইত যে, প্রত্যেক জাতির মধ্যে বৈরাগ্য রহিয়াছে এবং এই উম্মতের বৈরাগ্য হইল আল্লাহর পথে জিহাদ করা।
হাদীস নং ১৬- আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) হইতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, প্রত্যেক জাতির জন্য বৈরাগ্য রহিয়াছে। এই উম্মতের বৈরাগ্য হইল আল্লাহর পথে জিহাদ করা।
📄 উঁচু জায়গায় উঠিতে আল্লাহু আকবার বলা
হাদীস নং ১৭- উমারা ইবনে গাযিয়্যাহ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে দুনিয়া ছাড়িয়া বনে জঙ্গলে বিচরণের কথা আলোচিত হইল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, 'আল্লাহ তায়ালা ইহার পরিবর্তে আমাদেরকে আল্লাহর পথে জিহাদ এবং প্রত্যেক উঁচু স্থানে তাকবীরের বিধান দান করিয়াছেন।'