📄 রাসূলগণের উপর ঈমান আনার প্রকার
৪। পবিত্র যমীনকে আমার জন্য পবিত্রকারী ও মাসজিদ করা হয়েছে।
৫। সকল সৃষ্টজীবের নিকটে আমাকে রসূল হিসেবে প্রেরণ করা হয়েছে।
৬। আমার মাধ্যমে নবুয়ত সমাপ্ত করা হয়েছে। ২২
জ। রসূলগণের উপর ঈমান আনার প্রভাব: রসূলদের প্রতি ঈমান আনার বড় প্রভাব রয়েছে। তন্মধ্যে কিছু নিচে উল্লেখ করা হলো:
১। বান্দার প্রতি আল্লাহর বিশেষ দয়া ও গুরুত্ব সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন। কেননা তিনি মানুষদের প্রতি রসূল প্রেরণ করেছেন, যাতে তাঁরা তাদেরকে সঠিক পথের দিশা দেন এবং তাদের নিকটে ইবাদতের পদ্ধতি বর্ণনা করেন। কারণ মানুষের জ্ঞান এসব জানার জন্য যথেষ্ট নয়।
আমাদের নাবী মুহাম্মাদ জ্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলা বলেন, ﴿وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِلْعَالَمِينَ﴾ [الأنبياء : ۱۰۷]
আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি (সূরা আল্ আম্বিয়া ২১:১০৭)।
২। এই বড় নিয়ামতের দরুন মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা।
৩। রসূলগণকে (আলাইহিমুস্ সলাতু ওয়াস্ সালাম) ভালোবাসা, তাঁদেরকে সম্মান করা এবং তাঁদের উপযুক্ত প্রশংসা করা। কেননা, তাঁরা আল্লাহর ইবাদত করেছেন, রিসালাত পৌঁছানো এবং বান্দাদেরকে নসিহতের খিদমত আঞ্জাম দিয়েছেন।
৪। রসূলগণ আলাইহিমুস্ সালাম আল্লাহর পক্ষ থেকে যে রিসালাত নিয়ে এসেছেন তার অনুসরণ করত সে অনুযায়ী আমল করা। এর মাধ্যমে মুমিনগণ তাদের জীবনে কল্যাণ ও হিদায়াত লাভ করবেন এবং উভয় জগতে সৌভাগ্যবান হবেন।
আল্লাহ তা'আলা বলেন,
۞ فَمَنِ اتَّبَعَ هُدَايَ فَلَا يَضِلُّ وَلَا يَشْقَى * وَمَنْ أَعْرَضَ عَنْ ذِكْرِي فَإِنَّ لَهُ مَعِيشَةً ضَنْكًا وَنَحْشُرُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْمَى [ طه : ١٢٣-١٢٤]
(এরপর যদি আমার পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে হেদায়েত আসে), তখন যে আমার বর্ণিত পথ অনুসরণ করবে, সে পথভ্রষ্ট হবে না এবং কষ্টে পতিত হবে না। যে আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার জীবিকা সংকীর্ণ হবে এবং আমি তাকে কিয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় উত্থিত করব (সূরা ত্বহা ২০:১২৩-১২৪)।
টিকাঃ
২২. জ্বহীহ মুসলিম হা/১৫৩।