📄 কন্যার মীরাছ
কন্যার মীরাছের তিনটি অবস্থা:
১. কন্যাকে আছাবাকারী তার ভাই না থাকার শর্তে ও সম্পত্তিতে তার কোনো যৌথ অংশীদার বোন না থাকার শর্তে কন্যা মোট সম্পত্তির অর্ধাংশ পাবে।
২. দুই বা ততোধিক কন্যা একত্রে ওয়ারিছ হলে তারা যৌথভাবে দুই তৃতীয়াংশ পাবে, তবে শর্ত হলো- তাদেরকে আছাবাকারী তাদের ভাই থাকা চলবে না।
৩. এক বা একাধিক কন্যা আছাবার ভিত্তিতে ওয়ারিছ হবে, যদি তার সাথে অথবা তাদের সাথে তাদের ভাই থাকে। আছাবার ভিত্তিতে "পুরুষ নারীর দ্বিগুণ পাবে"- এই নীতির আলোকে সম্পত্তি ভাগ হবে।
আল্লাহ তা'আলা বলেন:
{يُوصِيكُمُ اللهُ فِي أَوْلَادِكُمْ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ فَإِنْ كُنَّ نِسَاءً فَوْقَ اثْنَتَيْنِ فَلَهُنَّ ثُلُثَا مَا تَرَكَ وَإِنْ كَانَتْ وَاحِدَةً فَلَهَا النِّصْفُ }
"আল্লাহ তোমাদের (পরিত্যক্ত সম্পত্তি বণ্টনে) সন্তানদের ব্যাপারে তোমাদের অসিয়ত করছেন যে, পুরুষ নারীর দ্বিগুণ পাবে। আর যদি কন্যাদের সংখ্যা দুয়ের অধিক হয়, তবে তারা মোট সম্পত্তির দুই তৃতীয়াংশ পাবে। কিন্তু যদি কন্যা সংখ্যায় একজন হয়, তাহলে সে মোট সম্পত্তির অর্ধাংশ পাবে"। [সূরা আন-নিসা ৪:১১]
উদাহরণ:
১. কোনো ব্যক্তি একটি কন্যা ও চাচাকে রেখে মৃত্যুবরণ করল, তাহলে সম্পত্তি ভাগ করতে হবে ২ দ্বারা: কন্যা পাবে অর্ধেক, যার পরিমাণ এক, আর চাচা পাবে অবশিষ্ট সম্পত্তি।
২. কোনো ব্যক্তি মাতা, দুই কন্যা ও একজন দাদাকে রেখে মৃত্যুবরণ করল, তাহলে সম্পত্তি ভাগ করতে হবে ৬ দ্বারা: মাতা পাবে এক ষষ্ঠাংশ, দুই কন্যা পাবে দুই তৃতীয়াংশ, আর দাদা পাবে এক ষষ্ঠাংশ।
৩. কোনো ব্যক্তি একজন দাদী বা নানী, একটি কন্যা ও একটি পুত্রকে রেখে মৃত্যুবরণ করল, তাহলে সম্পত্তি ভাগ করতে হবে ৬ দ্বারা: দাদী বা নানী পাবে এক ষষ্ঠাংশ, যার পরিমাণ এক, আর কন্যা ও পুত্র "পুরুষ নারীর দ্বিগুণ পাবে”- এই বণ্টননীতি অনুযায়ী অবশিষ্ট সম্পত্তি পাবে।
৪. কোনো ব্যক্তি দুইটি পুত্র ও তিনটি কন্যাকে রেখে মৃত্যুবরণ করল, তাহলে সম্পত্তি ভাগ করতে হবে তাদের সংখ্যা অনুযায়ী ৭ দ্বারা (যেহেতু দুই পুত্র দ্বিগুণ পাবে, তাই তাদের সংখ্যা ৪): প্রত্যেক পুত্র পাবে দুই ভাগ করে, আর প্রত্যেক কন্যা পাবে এক ভাগ করে।
📄 ছেলের ঔরসজাত কন্যার মীরাছ
পুত্রের কন্যার মীরাছের চারটি অবস্থা:
১. পুত্রের কন্যা (পৌত্রী) মোট সম্পত্তির অর্ধেক পাবে তিনটি শর্তে:
(ক) পুত্রের কন্যাকে আছাবাকারী তার ভাই থাকা যাবে না।
(খ) পুত্রের কন্যার যৌথ অংশীদার তার বোন থাকা যাবে না।
(গ) মৃতব্যক্তির এমন কোনো অধস্তন ওয়ারিছ থাকা চলবে না, যে পুত্রের কন্যার চেয়ে উপরের স্তরের। যেমন- আপন পুত্র ও আপন কন্যা।
২. পুত্রের দুই বা ততোধিক কন্যা মোট সম্পত্তির দুই তৃতীয়াংশের ওয়ারিছ হবে তিনটি শর্তে:
(ক) পুত্রের কন্যার সংখ্যা হতে হবে দুই বা ততোধিক।
(খ) তাদেরকে আছাবাকারী ভাই থাকা যাবে না।
(গ) মৃতব্যক্তির এমন কোনো অধস্তন ওয়ারিছ থাকা চলবে না, যারা তাদের চেয়ে উপরের স্তরের। যেমন- মৃতব্যক্তির পুত্র, কন্যা।
৩. পুত্রের এক বা একাধিক কন্যা এক ষষ্ঠাংশ পাবে দু'টি শর্তে:
(ক) তাকে বা তাদেরকে আছাবাকারী ভাই থাকা যাবে না।
(খ) মৃতব্যক্তির এমন কোনো অধস্তন ওয়ারিছ থাকা চলবে না, যারা তাদের চেয়ে উপরের স্তরের। তবে এ অবস্থায় অর্ধেক সম্পত্তির ভাগীদার আপন কন্যা ব্যতীত। কারণ পুত্রের কন্যা কেবল আপন কন্যার সাথে এক ষষ্ঠাংশ পাবে। একই বিধান মৃতব্যক্তির ছেলের মেয়ের (পৌত্রীর) সাথে ছেলের ছেলের মেয়ের (প্রপৌত্রীর) ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে (অর্থাৎ পৌত্রীর উপস্থিতিতে প্রপৌত্রী এক ষষ্ঠাংশ পাবে আর পৌত্রী অর্ধেক পাবে- আছাবাকারী ভাই না থাকা ও মৃতব্যক্তির মোট সম্পত্তির অর্ধাংশের ওয়ারিছ আপন কন্যা ব্যতীত অন্যকোনো ঊর্ধ্বতন ওয়ারিছ না থাকার শর্তে)।
৪. যদি পুত্রের কন্যা (পৌত্রী) এক বা একাধিক হয় এবং তার সাথে প্রজন্মের দিক থেকে তারই সমপর্যায়ের ভাই থাকে-সে হচ্ছে পুত্রের পুত্র (পৌত্র)- আর পুত্রের কন্যার ঊর্ধ্বতন কোনো পুরুষ যদি না থাকে যেমন- আপন ছেলে, তাহলে সে আছাবার ভিত্তিতে সম্পত্তির ওয়ারিছ হবে।
উদাহরণ:
১. এক ব্যক্তি পুত্রের কন্যা (পৌত্রী) ও চাচা রেখে মৃত্যুবরণ করল, তাহলে সম্পত্তি ভাগ করতে হবে ২ দ্বারা: পুত্রের কন্যা অর্ধেক পাবে, আর চাচা অবশিষ্ট সম্পদ পাবে।
২. এক ব্যক্তি পুত্রের দুই কন্যা ও সহোদর ভাই রেখে মৃত্যুবরণ করল, তাহলে সম্পত্তি ভাগ করতে হবে ৩ দ্বারা: পুত্রের দুই কন্যা দুই তৃতীয়াংশ পাবে, আর অবশিষ্ট সম্পত্তি ভাই পাবে।
৩. এক ব্যক্তি আপন মেয়ে, ছেলের মেয়ে (পৌত্রী) ও বৈমাত্রেয় ভাই রেখে মৃত্যুবরণ করল, তাহলে সম্পত্তি ভাগ করতে হবে ৬ দ্বারা: আপন মেয়ে পাবে অর্ধেক- যার পরিমাণ তিন, পুত্রের কন্যা পাবে এক ষষ্ঠাংশ- যার পরিমাণ এক, আর অবশিষ্টাংশ পাবে ভাই।
৪. কোনো মহিলা স্বামী, পুত্রের কন্যা (পৌত্রী) ও পুত্রের পুত্র (পৌত্র) রেখে মৃত্যুবরণ করল, তাহলে সম্পত্তি ভাগ করতে হবে ৪ দ্বারা: স্বামী পাবে এক চতুর্থাংশ, যার পরিমাণ এক, আর অবশিষ্ট তিন ভাগ পুত্রের কন্যা ও পুত্রের পুত্র "পুরুষ নারীর দ্বিগুণ পাবে" এই নীতিতে পাবে।
📄 সহোদরা বোনের মীরাছ
আপন বোনের মীরাছের তিনটি অবস্থা:
১. আপন বোন চারটি শর্তে মোট সম্পত্তির অর্ধাংশের ওয়ারিছ হবে: (ক) তার সঙ্গে যৌথভাবে ওয়ারিছ হতে পারে এমন বোন থাকা যাবে না, (খ) তাকে আছাবাকারী ভাই থাকা যাবে না, (গ) (মৃতব্যক্তির) ঊর্ধ্বতন রক্তের পুরুষ যেমন- বাবা অথবা দাদা থাকা যাবে না এবং (ঘ) (মৃতব্যক্তির) অধস্তন কোনো সন্তান থাকা যাবে না।
২. আপন বোনেরা মোট সম্পত্তির দুই তৃতীয়াংশের ওয়ারিছ হবে চারটি শর্তে: (ক) আপন বোনদের সংখ্যা দুই বা ততোধিক হতে হবে, (খ) ঊর্ধ্বতন কোনো রক্তের পুরুষ থাকা যাবে না, (গ) অধস্তন কোনো ওয়ারিছ থাকা যাবে না এবং (ঘ) তাদেরকে (আপন বোনদেরকে) আছাবাকারী তাদের ভাই থাকা যাবে না।
৩. এক বা একাধিক আপন বোন আছাবার ভিত্তিতে ওয়ারিছ হবে, যদি তার সাথে বা তাদের সাথে তাদেরকে আছাবাকারী ভাই বিদ্যমান থাকে, তখন 'পুরুষ নারীর দ্বিগুণ পাবে' এই নীতিতে তারা সম্পদ পাবে, অথবা যদি তাদের (আপন বোনদের) সাথে অধস্তন কোনো নারী ওয়ারিছ যেমন- আপন কন্যাগণ থাকে।
আল্লাহ তা'আলা বলেন:
{ يَسْتَفْتُونَكَ قُلِ اللهُ يُفْتِيكُمْ فِي الْكَلَالَةِ إِنِ امْرُؤٌ هَلَكَ لَيْسَ لَهُ وَلَدٌ وَلَهُ أُخْتٌ فَلَهَا نِصْفُ مَا تَرَكَ وَهُوَ يَرِثُهَا إِنْ لَمْ يَكُنْ لَهَا وَلَدٌ فَإِنْ كَانَتَا اثْنَتَيْنِ فَلَهُمَا الثُّلُثَانِ مِمَّا تَرَكَ وَإِنْ كَانُوا إِخْوَةً رِجَالًا وَنِسَاءً فَلِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمْ أَنْ تَضِلُّوا وَاللَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ }
"তারা আপনার কাছে জানতে চায়, আপনি তাদেরকে বলুন, আল্লাহ তোমাদেরকে কালালাহ এর ব্যাপারে স্পষ্ট বিধান বলে দিচ্ছেন: যদি কোনো পুরুষ লোক মৃত্যুবরণ করে আর তার কোনো সন্তান নেই, কিন্তু এক বোন আছে, তবে সেই বোন তার (ভাইয়ের) পরিত্যক্ত সম্পত্তির অর্ধেক পাবে, আর এই ভাইও উক্ত বোনের ওয়ারিছ হবে, যদি তার (বোনের) কোনো সন্তান না থাকে। আর যদি বোনেরা সংখ্যায় দুইজন হয় (অর্থাৎ মৃত ভাইয়ের যদি কোনো সন্তান না থাকে এবং বোনদের সংখ্যা দুইজন হয়), তবে তারা পরিত্যক্ত সম্পত্তির দুই তৃতীয়াংশ ভাগ পাবে। আর যদি তার (মৃত ভাইয়ের) বোনের পাশাপাশি ভাইও থাকে, তবে পুরুষ (ভাই) নারীর (বোনের) দ্বিগুণ পাবে। আল্লাহ স্পষ্টরূপে তোমাদেরকে ব্যাখ্যা করে দিচ্ছেন, যাতে তোমরা পথভ্রষ্ট না হও, আল্লাহই একমাত্র সর্ববিষয়ে মহাজ্ঞানী”। [সুরা আন-নিসা ৪:১৭৬]।
উদাহরণ:
১. এক ব্যক্তি একজন মাতা, আপন বোন ও দুইজন বৈপিত্রেয় ভাই রেখে মৃত্যুবরণ করল, তাহলে সম্পত্তি ভাগ করতে হবে ৬ দ্বারা: মাতা পাবে এক ষষ্ঠাংশ, আপন বোন পাবে অর্ধাংশ, আর বৈপিত্রেয় দুইভাই পাবে এক তৃতীয়াংশ।
২. কোনো ব্যক্তি একজন স্ত্রী, আপন দুইবোন ও বৈমাত্রেয় ভাইয়ের পুত্র রেখে মৃত্যুবরণ করল, তাহলে সম্পত্তি ভাগ করতে হবে ১২ দ্বারা: স্ত্রী পাবে এক চতুর্থাংশ- যার পরিমান তিন, আপন দুইবোন পাবে দুই তৃতীয়াংশ- যার পরিমাণ আট আর অবশিষ্ট সম্পত্তি বৈমাত্রেয় ভাই পাবে।
৩. কোনো ব্যক্তি একজন স্ত্রী, একজন আপন বোন ও একজন আপন ভাই রেখে মারা গেল, তাহলে সম্পত্তি ভাগ করতে হবে ৪ দ্বারা: স্ত্রী পাবে এক চতুর্থাংশ, আর অবশিষ্ট সম্পত্তি ভাই ও বোন “পুরুষ নারীর দ্বিগুণ পাবে” এই নীতির ভিত্তিতে পাবে।
৪. কোনো ব্যক্তি একজন স্ত্রী, একজন কন্যা ও একজন আপন বোন রেখে মৃত্যুবরণ করল, তাহলে সম্পত্তি ভাগ করতে হবে ৮ দ্বারা: স্ত্রী পাবে এক অষ্টমাংশ- যার পরিমাণ এক, কন্যা পাবে অর্ধাংশ- যার পরিমাণ চার, আর অবশিষ্ট সম্পত্তি বোন পাবে।
📄 বৈমাত্রেয় বোন (সৎ বোন)-এর মীরাছ
বৈমাত্রেয় বোনের মীরাছের চারটি অবস্থা:
১. বৈমাত্রেয় বোন পাঁচটি শর্তে অর্ধেক সম্পদের ওয়ারিছ হবে:
(ক) তার সাথে যৌথভাবে ওয়ারিছ হতে পারে এমন বোন থাকা যাবে না
(খ) তাকে আছাবাকারী কোনো ভাই থাকা যাবে না
(গ) ঊর্ধ্বতন কোনো রক্তের পুরুষ থাকা যাবে না
(ঘ) অধস্তন কোনো ওয়ারিছ থাকা যাবে না এবং
(ঙ) আপন ভাই বা বোন থাকা যাবে না।
২. বৈমাত্রেয় বোনেরা দুই তৃতীয়াংশ পাবে পাচটি শর্তে: (ক) তাদের সংখ্যা দুই বা ততোধিক হতে হবে, (খ) তাদেরকে আছাবাকারী ভাই থাকা যাবে না, (গ) ঊর্ধ্বতন রক্তসম্পর্কীয় কোনো পুরুষ থাকা চলবে না, (ঘ) অধস্তন কোনো ওয়ারিছ থাকা যাবে না এবং (ঙ) (মৃতব্যক্তির) আপন ভাই ও বোন থাকা যাবে না।
৩. বৈমাত্রেয় এক বা একাধিক বোন এক ষষ্ঠাংশের ওয়ারিছ হবে পাচটি শর্তে: (ক) বৈমাত্রেয় বোনের সাথে নির্ধারিত অংশের ভিত্তিতে ওয়ারিছ হওয়া অবস্থায় একজন আপন বোন থাকতে হবে (কারণ আপন বোন আপন ভাইয়ের মাধ্যমে আছাবা হয়ে ওয়ারিছ হলে হবে না) (খ) তাকে (বৈমাত্রেয় বোনকে) আছাবাকারী ভাই থাকা যাবে না (গ) অধস্তন কোনো ওয়ারিছ থাকা যাবে না (ঘ) ঊর্ধ্বতন রক্তসম্পর্কীয় কোনো পুরুষ থাকা যাবে না এবং (ঙ) (মৃতব্যক্তির) এক বা একাধিক আপন ভাই থাকা যাবে না।
৪. বৈমাত্রেয় এক বা একাধিক বোন আছাবার ভিত্তিতে ওয়ারিছ হবে, যদি তার সাথে বা তাদের সাথে তাদেরকে আছাবাকারী তাদের ভাই (অর্থাৎ মৃতব্যক্তির বৈমাত্রেয় ভাই) বিদ্যমান থাকে, অথবা তাদের সঙ্গে যদি মৃতব্যক্তির অধস্তন কোনো নারী ওয়ারিছ যেমন- কন্যাগণ থাকে, তাহলে তারা (তারা সকল ভাই-বোন মিলে) সকলে আছাবা হয়ে যাবে, আর 'পুরুষ নারীর দ্বিগুণ পাবে' এই নীতির ভিত্তিতে তারা সম্পদ পাবে (অর্থাৎ নারীরা সংখ্যায় যদি দুইজন হয়, আর পুরুষ একজন হয়, তাহলে পূর্ণ সম্পত্তিকে চার ভাগে ভাগ করে একজন পুরুষকে দুই ভাগ দেয়া হবে আর দুইজন নারীকে এক ভাগ করে দেয়া হবে)।
উদাহরণ:
১. কোনো ব্যক্তি একজন মাতা, একজন বৈমাত্রেয় বোন ও দুইজন বৈপিত্রেয় ভাই রেখে মৃত্যুবরণ করল, তাহলে সম্পত্তি ভাগ করতে হবে ৬ দ্বারা: মাতা পাবে এক ষষ্ঠাংশ- যার পরিমাণ এক, বৈমাত্রেয় বোন পাবে অর্ধাংশ- যার পরিমাণ তিন, আর বৈপিত্রেয় দুইভাই পাবে এক তৃতীয়াংশ।
২. কোনো ব্যক্তি একজন স্ত্রী, বৈমাত্রেয় দুইবোন ও বৈমাত্রেয় ভাইয়ের এক পুত্রকে রেখে মৃত্যুবরণ করল, তাহলে সম্পত্তি ভাগ করতে হবে ১২ দ্বারা: স্ত্রী পাবে এক চতুর্থাংশ- যার পরিমাণ তিন, বৈমাত্রেয় দুইবোন পাবে দুই তৃতীয়াংশ আর বৈমাত্রেয় ভাইয়ের পুত্র অবশিষ্ট সম্পত্তি পাবে।
৩. কোনো ব্যক্তি একজন মাতা, বৈপিত্রেয় বোন, আপন বোন ও বৈমাত্রেয় দুই বোন রেখে মৃত্যুবরণ করল, তাহলে সম্পত্তি ভাগ করতে হবে ১২ দ্বারা: মাতা পাবে এক ষষ্ঠাংশ, বৈপিত্রেয় বোন পাবে এক ষষ্ঠাংশ, আপন বোন পাবে অর্ধাংশ আর বৈমাত্রেয় দুইবোন পাবে এক ষষ্ঠাংশ।
৪. কোনো ব্যক্তি মাতা, বৈমাত্রেয় দুইবোন ও বৈমাত্রেয় ভাই রেখে মৃত্যুবরণ করল, তাহলে সম্পত্তি ভাগ করতে হবে ৬ দ্বারা: মাতা পাবে এক ষষ্ঠাংশ- যার পরিমাণ এক আর অবশিষ্ট সম্পত্তি ভাই ও বোনেরা আছাবার ভিত্তিতে "পুরুষ নারীর দ্বিগুণ পাবে" এই নীতির আলোকে পাবে।
৫. কোনো মহিলা স্বামী, আপন কন্যা ও বৈমাত্রেয় বোন রেখে মৃত্যুবরণ করল, তাহলে সম্পত্তি ভাগ করতে হবে ৪ দ্বারা: স্বামী পাবে এক চতুর্থাংশ- যার পরিমাণ এক, কন্যা পাবে অর্ধাংশ আর বৈমাত্রেয় বোন আছাবার ভিত্তিতে অবশিষ্ট সম্পত্তি পাবে।