📘 কিতাবুল ফারায়েজ > 📄 মীরাছের উত্তরাধিকারী হওয়ার পথে অন্তরায়সমূহ

📄 মীরাছের উত্তরাধিকারী হওয়ার পথে অন্তরায়সমূহ


মীরাছের উত্তরাধিকারী হওয়ার পথে অন্তরায় হলো তিনটি বিষয়:
১. দাসত্ব (الرق): কৃতদাস কারো ওয়ারিছ হবে না এবং তারও কেউ ওয়ারিছ হতে পারবে না; কারণ সে তার মনীবের মালিকানাভুক্ত দাস।
২. অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করা (القتل بغير حق): হত্যাকারী নিহত ব্যক্তির ওয়ারিছ হবে না (যদিও উত্তরাধিকারী হয়), হত্যাকারী ইচ্ছায় অথবা ভুলক্রমে যেভাবে হত্যা করুক না কেনো।
৩. ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হওয়া (اختلاف الدين) : কোনো মুসলিম কোনো কাফেরের ওয়ারিছ হবে না, আর কোনো কাফেরও কোনো মুসলিমের ওয়ারিছ হবে না।

উসামা ইবন যায়েদ – রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা – থেকে বর্ণিত, নাবী – ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম – বলেছেন,
«لا يَرِثُ المُسْلِمُ الكَافِرَ وَلَا الكَافِرُ الْمُسْلِمَ»
“মুসলিম ব্যক্তি কোনো কাফেরের ওয়ারিছ হবে না এবং কাফেরও মুসলিমের ওয়ারিছ হবে না”।

**টিকাঃ**
[১] মুত্তাফাকুন আলাইহি, বুখারী হা/৬৭৬৪, মুসলিম হা/১৬১৪।

📘 কিতাবুল ফারায়েজ > 📄 মীরাছের উত্তরাধিকারীগণ

📄 মীরাছের উত্তরাধিকারীগণ


মীরাছের হক্কদারগণ তিন ধরনের:
১. মীরাছের নির্ধারিত অংশের অধিকারীগণ (أهل الفروض) (অর্থাৎ যাদের অংশ আল্লাহ তা’আলা কুরআনে নির্ধারণ করে দিয়েছেন)।
২. আছাবা (অনির্ধারিত অংশপ্রাপ্ত আত্মীয়গণ) (أهل التعصيب)।
৩. রক্তসম্পর্কীয় আত্মীয়গণ (ذوو الأرحام)।

📘 কিতাবুল ফারায়েজ > 📄 মীরাছের সম্পত্তি বণ্টণযোগ্য হওয়ার শর্তসমূহ

📄 মীরাছের সম্পত্তি বণ্টণযোগ্য হওয়ার শর্তসমূহ


মীরাছের সম্পত্তি বণ্টনযোগ্য হওয়ার শর্ত তিনটি:
প্রথম: মুওয়াররিছের মৃত্যু স্বচক্ষে দেখে অথবা মৃত্যুর সংবাদ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ার মাধ্যমে অথবা তার মৃত্যুর ব্যাপারে দুইজন ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তির সাক্ষ্য প্রদান করার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে।
দ্বিতীয়: মুওয়াররিছের মৃত্যুকালে ওয়ারিছের জীবিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে।
তৃতীয়: মীরাছের অংশীদার হওয়ার সঙ্গত কারণ সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে। যেমন: বংশ অথবা বিবাহ অথবা ওয়ালা।

📘 কিতাবুল ফারায়েজ > 📄 মীরাছের উত্তরাধিকারী হওয়ার ধরন

📄 মীরাছের উত্তরাধিকারী হওয়ার ধরন


মীরাছের উত্তরাধিকারী হওয়ার ধরন দুইটি:
১. মীরাছের নির্ধারিত অংশের অধিকারী হওয়া (إرث بالفرض) : এটা হলো ওয়ারিছের জন্য (মীরাছের সম্পত্তি থেকে) একটি নির্ধারিত অংশ, যা পূর্ব থেকেই (কুরআনে) ধার্য করা থাকে। যেমন- পূরো সম্পত্তির অর্ধেক অথবা এক তৃতীয়াংশ।
২. আছাবা হওয়ার কারণে মীরাছের অধিকারী হওয়া (إرث بالتعصيب) : এটা হলো ওয়ারিছের জন্য অনির্ধারিত অংশ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00