📄 কাতার সোজা করার প্রতি গুরুত্বারোপ
হযরত মালেক রা. বলেন, আমি উসমান বিন আফফান রা.-এর সঙ্গে ছিলাম। আমার জন্যে কিছু ভাড়া নির্ধারণ করার ব্যাপারে আমি তাঁর সাথে কথা বলছিলাম। ইতোমধ্যে নামাযের ইকামাত হয়ে গেল। আমি তাঁর সঙ্গে কথা বলছিলাম আর তিনি জুতা দ্বারা ছোট পাথর সমর্থন করছিলেন। (যে পাথরগুলো আরবরা কাতার সোজা করে দাঁড় করানোর জন্যে স’রিফিকভাবে বিছিয়ে রাখত।) এরপর কাতারের দায়িত্ব নিযুক্ত ব্যক্তি যখন বলল, কাতার সোজা হয়ে গেছে তখন তিনি আমাকে বললেন, তুমিও কাতারে সোজা হয়ে দাঁড়াও। এরপর তিনি তাকবীর বললেন。
টিকাঃ
৩১৩ হায়াতুন সাহাবা।
৯৩৫ জামেউল সায়ানা, ২য় খণ্ড, ১৪ পৃ.
📄 আহলে কিতাবের কাছে উসমান রা.
আমীরুল মুমিনীন ওমর বিন খাত্তাব রা.-এর সাথে এক পত্নীর দেখা হলে তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আমার সম্পর্কে কী তোমরা তোমাদেরকে কিভাবে কিছু পেয়েছ? সে বলল, আমরা তোমাদের বৈশিষ্ট্য পেয়েছি তবে নাম পাইনি। তিনি বললেন, তোমরা কী পেয়েছ? সে বলল, করমুন বিন হামীদ। সে বলল, কঠিন আমীর। তখন তিনি চিৎকার দিয়ে বললেন, আল্লাহু আকবার। আমার পরে কে? সে বলল, এক সৎ ব্যক্তি, যিনি নিকটাত্মীয়দের প্রাধান্য দিবেন। তখন ওমর রা. বললেন, আল্লাহ্ উসমানকে রহম করুন, তিনি এ কথা তিনবার বললেন。
টিকাঃ
৩১৫ আবু দাউদ শরীফ, হাদিস নং ৪৬২৩।
৯৩৬ আবু দাউদ শরীফ, হাদিস নং ৪৬৪৬।
📄 হাদিস বর্ণনায় সতর্কতা
উসমান রা. বলতেন, আমি রাসুল ﷺ-এর হাদিস বর্ণনা না করার কারণ এই নয় যে, আমি রাসুল ﷺ-এর সাহাবীদের মধ্যে হাদিস বেশি সংরক্ষণ করিনি; বরং এর কারণ হচ্ছে, আমি সাক্ষ্য দিয়ে বলছি, আমি রাসুল ﷺ-কে বলতে শুনেছি, যে কোনো খারাপ ব্যাপারে এমন কথা বলবে যা আমি বলিনি, সে যেন নিজ ঠিকানা জাহান্নামে বানিয়ে নেয়。
টিকাঃ
৩১৬ হায়াতুন সাহাবা।
৯৩৭ বুস্তানুল সাহাবা।
📄 পরামর্শ ও মতামত চাওয়ার সু অভ্যাস
তৃতীয় খলিফা আমীরুল মুমিনীন উসমান রা. যে মাসআলায় সন্দেহ হতো বা যে কোনো সমস্যায় পড়তেন, সে ব্যাপারে যদি সঠিক সিদ্ধান্ত পৌঁছতে না পারতেন, তখন তিনি সে সম্পর্কে অন্য সাহাবীদের কাছে জিজ্ঞেস করতেন এবং ৫৬৬ অন্য জ্ঞানী লোকদেরকে নির্দেশ দিতেন। একবার হজ্বের সফরে এক ব্যক্তি পাখির গোশত হাদিয়াস্বরূপ পেশ করল, যা শিকার করা হয়েছিল। যখন তিনি খাবার জন্য বললেন, তখন তাঁর মনে সন্দেহ হলো যে, ইহরাম অবস্থায় শিকার করা গোশত আহার করা জায়েজ কিনা? সে সফরে আলী রা. ও তাঁর সঙ্গর সঙ্গী ছিলেন। তখন তিনি আলী রা.-এর কাছে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলেন। আলী রা. তা নাজায়েজ বললেন। উসমান রা. তখন সে গোশত খাওয়া থেকে বিরত রইলেন。
টিকাঃ
৩১৮ মুসান্নাফাকে ইববে হাজল।
৯৩৮ মুসতাদরাকে ইবনে হাবল।