📘 খোলাফায়ে রাশেদীনের ৬০০ শিক্ষণীয় ঘটনাবলী > 📄 বৃহৎ স্বার্থের নিমিত্তে হাদিস গোপন

📄 বৃহৎ স্বার্থের নিমিত্তে হাদিস গোপন


হযরত আব্দুল্লাহ বিন ওয়াওয়াব (রহ.) বলেন, উসমান রা. আব্দুল্লাহ বিন ওমর রা.-কে বললেন, তুমি লোকদের বিচারক হয়ে লোকদের মোকদ্দমার ফায়সালা কর। ইবনে ওমর রা. বললেন, আমীরুল মুমিনীন, আপনি আমাকে এ দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিন। তিনি বললেন, না, আমি তোমাকে কসম দিয়ে বলছি, তুমি লোকদের বিচারের কাজ কর। ইবনে ওমর রা. বললেন, আপনি তাড়াহুড়া করবেন না। আপনি কী রাসুল ﷺ থেকে এ কথা শুনতে শুনেননি, যে ব্যক্তি আল্লাহ্র আশ্রয় চেয়ে চলে এল, সে অনেক দূরও চলে এল। তিনি বললেন, হ্যাঁ। ইবনে ওমর রা. বললেন, আমি বিচারক হওয়া থেকে আল্লাহ্র কাছে আশ্রয় চাই। তিনি বললেন, তুমি কেন বিচারক হবে না? অথচ তোমার বাবা বিচারক ছিলেন। ইবনে ওমর রা. বললেন, আমি নবী ﷺ-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি বিচারক হলো আর না জানার কারণে ভুল ফয়সালা করল, সে জাহান্নামী। আর যে বিচারক আলেম, সত্য ও ন্যায়-নিষ্ঠার ওপর প্রতিষ্ঠিত, এতকিছুর পরেও সেও চাইবে সে যেন আল্লাহ্র কাছে পরিত্রাণ পেয়ে যায়। অর্থাৎ পুরস্কার না পেলেও যেন শাস্তিপ্রাপ্ত না হয়। এ হাদিস শুনার পর কী আমি বিচারক হতে পারি। এ কথা শুনার পর উসমান রা. তাঁর ওপর প্রবল করলেন এবং তাঁকে বললেন, তোমাকে তো ক্ষমা করলাম, কিন্তু তুমি এ কথা কাউকে বলবে না। (কেননা তাহলে কেউই বিচারক হতে রাজি হবে না এবং মুসলমানদের বিচারকার্য পরিচালনা করা কষ্টকর হয়ে যাবে)。

টিকাঃ
৩০৭ হায়াতুন সাহাবা, ২য় খণ্ড, ৬৬৮।

📘 খোলাফায়ে রাশেদীনের ৬০০ শিক্ষণীয় ঘটনাবলী > 📄 চরম মিথ্যাবাদী মুসায়লামার দল

📄 চরম মিথ্যাবাদী মুসায়লামার দল


আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ একদম লোককে আটক করল, যারা মুসায়লামার ধর্ম প্রচার করছিল। এরপর তিনি এ খবর আমীরুল মুমিনীনদের কাছে লিখে জানালেন।
উসমান رضي الله عنه তাঁকে নির্দেশনা দিয়ে বললেন, তুমি তাদের সামনে সত্য দ্বীন ও 'আল্লাহর ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল' এ দুইটি শেখাও। তাদের মধ্যে যে তা গ্রহণ করবে তাকে ছেড়ে দিও। আর যে মুসলমানীর ধর্মে অটল থাকবে তাকে হত্যা করবে। তখন আবদুল্লাহ বিন মাসউদ তাদের কাছে ইসলাম পেশ করলেন। তাদের মধ্যে একজন ইসলাম গ্রহণ করল তিনি তাদেরকে ছেড়ে দিলেন। আর অন্যদল মুসলমানীর ধর্মে অটল থাকল তিনি তাদেরকে হত্যা করলেন。

টিকাঃ
৩১০ উবদুল আখবার, ১ম খণ্ড, ২৬৬ পৃ.।
৯৩৩ উসদুল গাবাহ, ৪য় খণ্ড, ২৯৯ পৃ.

📘 খোলাফায়ে রাশেদীনের ৬০০ শিক্ষণীয় ঘটনাবলী > 📄 রাসূল সা.-এর চাচাকে সম্মান প্রদর্শন

📄 রাসূল সা.-এর চাচাকে সম্মান প্রদর্শন


এক লোক ঝগড়া করছিল। ঝগড়া করতে গিয়ে রাসুল ﷺ-এর চাচা আব্বাস রা.-কে অন্যায় চোখে দেখল। উসমান রা. এ কথা জানতে পেয়ে লোকটিকে পিটানোর আদেশ দিলেন। তিনি তাকে বললেন, স্বয়ং রাসুল ﷺ তাঁর চাচাকে সম্মান করতেন আর তুমি তাঁকে অবজ্ঞা করছ? উসমান রা. আহলে বাইতকে খুবই সম্মান করতেন। যখন আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব রা. উসমান রা. ও ওমর রা.-এর পাশ দিয়ে যেতেন তখন তাঁরা তাঁর সম্মানে বাহন থেকে নেমে যেতেন। কীভাবে তারা আরোহী হয়ে চলবেন অথচ আব্বাস হেঁটে যাচ্ছেন。

টিকাঃ
৩১১ তাহাবী সাহাবা, ২য় খণ্ড, ৯৯ পৃ.।
৩১২ আছাদুস সাহাবা।
৯৩৪ জামেউল সায়ানা, ২য় খণ্ড, ৮ পৃ.।

📘 খোলাফায়ে রাশেদীনের ৬০০ শিক্ষণীয় ঘটনাবলী > 📄 কাতার সোজা করার প্রতি গুরুত্বারোপ

📄 কাতার সোজা করার প্রতি গুরুত্বারোপ


হযরত মালেক রা. বলেন, আমি উসমান বিন আফফান রা.-এর সঙ্গে ছিলাম। আমার জন্যে কিছু ভাড়া নির্ধারণ করার ব্যাপারে আমি তাঁর সাথে কথা বলছিলাম। ইতোমধ্যে নামাযের ইকামাত হয়ে গেল। আমি তাঁর সঙ্গে কথা বলছিলাম আর তিনি জুতা দ্বারা ছোট পাথর সমর্থন করছিলেন। (যে পাথরগুলো আরবরা কাতার সোজা করে দাঁড় করানোর জন্যে স’রিফিকভাবে বিছিয়ে রাখত।) এরপর কাতারের দায়িত্ব নিযুক্ত ব্যক্তি যখন বলল, কাতার সোজা হয়ে গেছে তখন তিনি আমাকে বললেন, তুমিও কাতারে সোজা হয়ে দাঁড়াও। এরপর তিনি তাকবীর বললেন。

টিকাঃ
৩১৩ হায়াতুন সাহাবা।
৯৩৫ জামেউল সায়ানা, ২য় খণ্ড, ১৪ পৃ.

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00