📘 খোলাফায়ে রাশেদীনের ৬০০ শিক্ষণীয় ঘটনাবলী > 📄 উসমান রা.-এর লাজুকতা

📄 উসমান রা.-এর লাজুকতা


হযরত হাসান (রা) মানুষকে উসমান (রা)-কে নিয়ে কথা শুনাচ্ছিলেন। তিনি তাঁর শিষ্টাচারিতা ও লাজুকতা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
আলোচনা করতে গিয়ে তিনি বললেন, যদি ঘরের দরজা বন্ধও থাকত তবুও গোসলের সময় বস্ত্র ব্যতীত গায়ে পানি ঢালার জন্যে তিনি তাঁর কাপড় খুলতেন না। লাজুকতাই তাঁকে কাপড়বিহীনভাবে দাঁড়াতে বাধা দিত。

টিকাঃ
১৮৯ আবু নুয়ম, দিলন ইয়াম আহলে, ১১৯।

📘 খোলাফায়ে রাশেদীনের ৬০০ শিক্ষণীয় ঘটনাবলী > 📄 কোরাইশদের মধ্যে তিনজন

📄 কোরাইশদের মধ্যে তিনজন


আবদুল্লাহ বিন ওমর (রা) একদল শিক্ষার্থীর কাছে বসে মর্যাদাবান সাহাবীদের ব্যাপারে আলোচনা করছিলেন এবং তাঁদের প্রশংসনীয় চারিত্রিক দিকগুলো বর্ণনা করছিলেন।
বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বললেন, কোরাইশদের তিনজন ব্যক্তি এমন যারা চেহারাগতভাবে ও চারিত্রিকভাবে সবার থেকে সুন্দর এবং সবার থেকে অধিক লজ্জাশীল। যদি তারা তোমাকে কোনো কথা বলেন তবে মিথ্যা বলবেন না। আর যদি তুমি তাঁদের কোনো কথা বলো তবে তোমাকে মিথ্যাবাদী বলবেন না। তাঁরা হচ্ছেন, আবু বকর সিদ্দিক (রা), উসমান বিন আফফান (রা) ও আবু উবায়দা বিন আল জাররাহ (রা)。

টিকাঃ
১৯০ আল বিদায়া, ৫২ খণ্ড, ৮৩ পৃ.। আল ইসাবা, ১৯ খণ্ড, ২৬৩ পৃ.

📘 খোলাফায়ে রাশেদীনের ৬০০ শিক্ষণীয় ঘটনাবলী > 📄 মীকাতের প্রতি লক্ষ্য রাখার তাগিদ

📄 মীকাতের প্রতি লক্ষ্য রাখার তাগিদ


হযরত আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রা) অসংখ্য বিষয়ের পথিকৃত ছিলেন। কৃতজ্ঞতাবশত তিনি উমরা করার নিয়তও করতেন। তিনি নিশাপুর (খোরাসান) থেকে ইহরাম বেঁধে মক্কা মুকাররামায় দিকে রওনা দিলেন। যখন তিনি উসমান (রা)-এর কাছে এলেন তখন উসমান (রা) তাঁকে নিশাপুর থেকে ইহরাম বাঁধার কারণে তিরস্কার করে বললেন, কত ভালো হতো, যদি তুমি সেখান থেকে ইহরাম বাঁধতে, যেখান থেকে মুসলমানগণ ইহরাম বাঁধে。

টিকাঃ
১৯১ তারীখে তাবারী, ৩য় খণ্ড, ৩১৩।

📘 খোলাফায়ে রাশেদীনের ৬০০ শিক্ষণীয় ঘটনাবলী > 📄 অভিযুক্ত মহিলা

📄 অভিযুক্ত মহিলা


উসমান (রা)-এর কাছে এক মহিলাকে আনা হয়েছে যে ছয় মাসে বাচ্চা প্রসব করেছে। তখন তিনি নিজের গবেষণায় ভুল হবে এ ভয়ে কিছু রায় দেননি।
তিনি বিচারে তাড়াহুড়া না করে মিশরে উঠে বিষয়টি সাহাবীদের কাছে পেশ করলেন। হতে পারে এতে ইলমের নতুন কোনো নুর বের হবে।
তখন ইবনে আব্বাস (রা) বললেন, আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,
وَوَصَيْنَا الْإِنْسَانَ بِوَالِدَيْهِ إِحْسَانًا حَمَلَتْهُ أُمُّهُ كُرْهًا وَوَضَعَتْهُ كُرْهًا وَحَمْلُهُ وَفِصَالُهُ ثَلَاثُونَ شَهْرًا
‘আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছি। তার মা তাকে কষ্ট করে গর্ভে ধারণ করেছে এবং কষ্ট করে প্রসব করেছে। তাকে গর্ভে ধারণ করতে ও তার দুধপান করানোরত ত্রিশ মাস লেগেছে।’ (সূরা আহকাফ : ১৫)
আল্লাহ তা'আলা আরো বলেছেন,
وَالْوَالِدَاتُ يُرْضِعْنَ أَوْلَادَهُنَّ حَوْلَيْنِ كَامِلَيْنِ لِمَنْ أَرَادَ أَنْ يُتِمَّ الرَّضَاعَةَ
‘আর সন্তানবতী নারী তাদের সন্তানদেরকে পূর্ণ দু’বছর দুধ পান করাবে, যদি তারা দুধ পান করানোর পূর্ব মেয়াদ সমাপ্ত করতে চায়।’ (সূরা বাকারা : ২৩০)
আয়াতে বলা হয়েছে মায়ের কষ্ট সর্বমোট ত্রিশ মাস। তাহলে যদি কোনো মা দুধপান পূর্ণ করে অর্থাৎ দুই বছর দুধ পান করান তাহলে গর্ভধারণের সময় বাকি থাকে ছয় মাস।
ইবনে আব্বাসের এ সিদ্ধান্তে উসমান (রা) সে মহিলাকে ছেড়ে দিয়ে দিলেন。

টিকাঃ
১৯২ তারীখুল মদীনা, ৩২ খণ্ড, ৮৫৭ পৃ.

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00