📄 তুমি ও তোমার সম্পদ সবই তোমার বাবার
হযরত আবু বকর রা. খলিফা থাকাকালীন এক লোক তাঁর কাছে খুব আফসোসের সাথে বলল, আমার বাবা তাঁর নিজের প্রয়োজনে আমার সব সম্পদ নিয়ে যেতে চাচ্ছেন। এ কথা শুনে তিনি লোকটির বাবাকে হাজির করে বললেন, তোমার চলার জন্য যতটুকু সম্পদ প্রয়োজন তোমার ছেলেকে ততটুকু সম্পদ তোমার। তখন লোকটি বলল, হে আল্লাহর রাসূলের খলিফা! রাসূল সা. কি বলেননি যে, তুমি ও তোমার সম্পদ সবই তোমার বাবার। হযরত আবু বকর রা. বললেন, হ্যাঁ বলেছেন.......তবে তিনি তা দ্বারা শুধু ভরণপোষণের পরিমাণ বুঝিয়েছেন。
টিকাঃ
১৯ আল বুখারীয়ুল আওলিয়া, ১খ খণ্ড, ৬২ পৃ.
📄 কল্যাণের পথে অগ্রগামী
হযরত আলী রা. মানুষের মাঝে বসে মর্যাদা ও কল্যাণ নিয়ে আলোচনা করছিলেন। যখন তাঁর সামনে হযরত আবু বকর রা.-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে, সাথে সাথে তিনি বললেন, তোমরা অধিক অগ্রগামীকে উল্লেখ করেছ।
তারপর তিনি তাঁর আওয়াজ উঁচু করে বললেন, যার হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ! কোনো ভালো কাজে আমাদের মধ্যে কেউই আবু বকরের এর থেকে পেতে পারেন না。
টিকাঃ
২০ তাযকিরাতুল আওলিয়া, ১খ খণ্ড, ৬৪ পৃ.।
২১ মাযমাউজ জাওয়াহিদ, ১খ, ৫৮ পৃ.
📄 তুমি কি এটি পছন্দ কর
ওমর বিন খাত্তাব রা. আমরা কঠিন গরমের সময় তাবুকের যুদ্ধে রওনা দিলাম। পথে এক জায়গায় আমরা যাত্রা বিরতি করলাম। তখন আমাদের এত বেশি পিপাসা লেগেছিল যে, মনে হচ্ছিল আমাদের শক্তি শেষ হয়ে যাবে। এ অবস্থায় দেখে আবু বকর রা. রাসূল সা.-কে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ্ তো আপনার দোয়া কবুল করেন, সুতরাং আপনি আল্লাহর কাছে দোয়া করুন। রাসূল সা. বললেন, তুমি কি এটা পছন্দ কর? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তারপর রাসূল সা. তাঁর দু'হাত তুললেন। হাত নামানোর আগেই আকাশে মেঘ দেখা দিল। তারপর বৃষ্টি হলো। সাহাবাগণ তাদের পাত্রগুলো পানি ভরে নিল。
টিকাঃ
২২ মাযমাউজ জাওয়াহিদ, ১খ, ৫৭ পৃ.
📄 শ্রবণ ও দৃষ্টি
রাসূল সা. তাঁর সাহাবীদেরকে কোরআন শিক্ষার ব্যাপারে নামিয়ে করেছালেন। তিনি বললেন, তোমরা চার ব্যক্তি থেকে কোরআন গ্রহণ কর- ইবনে উম্মে আবদ (আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ), মুয়াজ, উবাই ও সালিম মাওলা আবু হুযাইফা। আমি ইচ্ছা করেছি তাদেরকে বিভিন্ন মাসে পাচার এমনিভাবে উসা বিন মারয়াম বনু ইসরাহীদী তাঁর হাওয়ায়ীহীদেরকে প্রেরণ করেছিলেন। তখন এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আবু বকর ও ওমরের ব্যাপারে আপনার সিদ্ধান্ত কি? রাসূল সা. বললেন, আমি তাদের অমুখাপেক্ষী নই। ধর্মীয় ব্যাপারে তারা শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তির মতো。
টিকাঃ
২৩ মাযমাউজ জাওয়াহিদ, ১খ, ৫৭ পৃ.