📄 তোমার ওপর একজন নবী ও একজন সিদ্দিক রয়েছেন
রাসূল (সা.) উহুদ পাহাড়ে আরোহণ করলেন। তাঁর সাথে হযরত আবু বকর, ওমর, উসমান (রা.)-ও ছিলেন। তখন তাদেরে নিয়ে পাহাড় উঁচুও লাগল। এতে রাসূল (সা.) তাঁর পা দিয়ে পাহাড়ে আঘাত করে বললেন, স্থির হও, কেননা তোমার উপরে একজন নবী, একজন সিদ্দিক্ব ও দুইজন শহীদ রয়েছেন। এখানে সিদ্দিক্ব হচ্ছেন হযরত আবু বকর আর দুই শহীদ হচ্ছেন হযরত ওমর ও উসমান。
টিকাঃ
৭৩ সহীহ বুখারী, ৩৮৬৬ নং হাদীস।
📄 আল্লাহর নাঙ্গা তলোয়ারের ইসলাম গ্রহণ
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.) মুসলমান হওয়ার জন্য রাসূল (সা.)-এর কাছে আসার সিদ্ধান্ত নিলেন। ...এই মধ্যে একদিন তিনি স্বপ্নে দেখেন যে, তাঁর কাছে মনে হচ্ছিল তিনি একটি সঙ্কীর্ণ ভূমিতে আছেন, এরপর তিনি সে সঙ্কীর্ণ ভূমি থেকে বের হয়ে এক বিশাল সবুজ ভূমিতে চলে এসেছেন। ঘুম থেকে জেগে উঠে তিনি বললেন, এটা অবশ্যই সত্য স্বপ্ন। যখন তিনি মদিনা আসলেন তখন তিনি মনে মনে বললেন, অবশ্যই তা আমি আবু বকর (রা.)-কে বলব.......। সংকল্প মতো পরে তা তিনি হযরত আবু বকর (রা.)-এর কাছে গিয়ে বললেন। তাঁর স্বপ্ন শুনে হযরত আবু বকর (রা.) বললেন, আল্লাহ্ তোমাকে যে ইসলাম দ্বারা হেদায়েত দিয়েছেন তা হচ্ছে তোমার বের হয়ে আসা। আর সঙ্কীর্ণতা হচ্ছে তুমি যে শিরকের উপরে ছিলে。
টিকাঃ
৭৪ আল মুতাফিয়র রাশিদীন, ৪১ পৃ.।
📄 শাসনকর্তার গবেষণা
খিলাফতের দায়িত্ব হযরত আবু বকর (রা.)-কে দেওয়ার পরে তিনি তাঁর ঘরে বিষয় মনে মনে আছেন। ঠিক সেই সময়ে হযরত ওমর (রা.) তাঁর কাছে আগমন করলেন। হযরত আবু বকর (রা.) তাঁর দিকে এগিয়ে এসে বললেন, তুমি আমাকে এ কাজে নিয়োগ করেছ!
তারপর তিনি মানুষের মাঝে বিচার করার ব্যাপারে তাঁর কাছে অভিযোগ করলেন। তাঁর কথা শুনে হযরত ওমর (রা.) বললেন, আপনি কি জানেন না রাসূল (সা.) বলেছেন, শাসনকর্তা যখন গবেষণা করে, যদি তা ঠিক হয় তবে তার জন্যে দ্বিগুণ প্রতিদান আর যদি ভুল হয় তবে তার জন্যে একটি প্রতিদান。
টিকাঃ
৭৫ আল জানহ, ৫৬ পৃ. ৭৩০ পৃ.।
📄 আবু বকর রা. তাঁর জিহ্বাকে শাস্তি দিচ্ছিলেন
একদিন হযরত ওমর (রা.) হযরত আবু বকর (রা.)-এর কাছে গেলেন। তিনি যখন তাঁর বাড়িতে প্রবেশ করলেন তখন দেখতে পেলেন হযরত আবু বকর মেঝেতে বসে হাত দিয়ে নিজের জিহবাকে শাস্তি দিয়েছিলেন। হযরত ওমর (রা.) তাঁর এ কাজে আশ্চর্য হয়ে তাতে বাধা দিয়ে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূলের খলিফা! আপনি একি করছেন? আপনি কেন নিজের জিহবাকে হাতে কি দিয়েছেন? তিনি বললেন, এটাই তো আমার ধ্বংস নিয়ে আসে。
টিকাঃ
৭৬ আব্দুল লিস ইমাম আহমদ, ১১২ পৃ.।