📄 নবীর সাথে মক্কায় প্রবেশ
মক্কা বিজয়ের দিন রাসূল (সা.) মক্কা প্রবেশের সময় তাঁর সাথে হযরত আবু বকর (রা.) ছিলেন। তিনি নারীবেষ্টকদের দেখলেন তারা ঘোড়ার চেহারায় চপেটাঘাত করছে। তখন তিনি আবু বকর (রা.)-এর দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বললেন, আবু বকর! হাসসান কি বলেছে? এরপর তিনি আবৃত্তি করতে শুরু করলেন, আমাদের ঘোড়াগুলো হারিয়ে ফেলছি আমরা তাই তো তাদেরে ময়দানে বালি উড়াতে দেখছ না তোমরা! সে ঘোড়াগুলো ছিল অত্যন্ত সাহসী সামনের দিকে ছুটে যেত কাঁধে থাকত তরবারি। কিন্তু হায়! আজ তাদের অবস্থা কেন এমন নারীরা উড়না দিয়ে আঘাত করছে তাদের চেহারাঁয় এখন。
টিকাঃ
৬৯ মুস্তাদরাকে হাকিম, ৩য় খণ্ড, ৭২। ফার্মা-- ৬
📄 প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী
জ্ঞানের এক বাগানে হযরত শা’বী ইবনে আব্বাসের নিকটে গিয়ে বসলেন। তিনি ইবনে আব্বাস (রা.)-কে বললেন, ইসলামের প্রথম ব্যক্তি কে? তখন হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) বললেন, তুমি কি হাসসান বিন সাবিতের কথা শুনলি? হাসসান বিন সাবিতের কবিতা,..........
ইযাক্ব কূরুত মিন আ’ফীক্বাহ خَيْرُ الْبَرِيَّةِ أَقَالَهَا وَ أَعْدَلَهَا ওয়াল্লাযী আ’তান মু’মেরা মুহতাদেয়া وَأَوْلَى النَّاسِ مِنْهُمْ صَدَقَ الْعُلَا কিন্তু কোনো ভাইয়ের আহ্বানগুলোয় কথা মনে পড়বে যখন তোমার ভাই আবু বকর ও তার কর্ম করিত স্মরণ তখন নবীর পরেই যিনি শ্রেষ্ঠ তাকাওয়াবান ও ন্যায়বান যে দায়িত্ব হয়েছিল অর্পিত তাঁর ওপর তিনি করেছেন তা পূরণ। যিনি ছিলেন তার কর্মে প্রশংসিত ইসলামের দ্বিতীয়জন রাসূলকে সকল মানুষের আগে করিয়াছেন সত্যয়ন। হযরত শা’বী তখন বললেন, আপনি সত্য বলেছেন......আপনি সত্য বলেছেন。
টিকাঃ
৭° মাজমাউয যাওয়াঈদ, ৮ম খণ্ড, ৪৬ পৃ.।
📄 আল্লাহর পক্ষ থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত
হযরত তালহার মেয়ে আয়েশা তার মা উম্মে কুলসুমকে বলল, আমার বাবা আপনার বাবা থেকে শ্রেষ্ঠ। (অর্থাৎ, আবু বকর (রা.) থেকে তালহা শ্রেষ্ঠ) রাসূল (সা.)-এর স্ত্রী হযরত আয়েশা (রা.) বললেন, আমি তোমাদের মাঝে সমাধান করে দিব না? তারপর তিনি বললেন, আবু বকর রাসূল (সা.)-এর কাছে প্রবেশ করার পর তিনি বললেন, আবু বকর! তুমি আল্লাহ্ পক্ষ থেকে জাহান্নাম থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত। তারপর হযরত আয়েশা (রা.) বললেন, তাহলে কিয়ামতের দিন কার নাম আত্নীয় হবে? আর তালহা রাসূল (সা.)-এর নিকট গমন করার পর তিনি বললেন, তালহা! তুমি তাদের একজন যাদের জীবনকাল শেষ হয়ে গেছে。
টিকাঃ
৭১ আল মুতাফিয় আল আদিয়া, লি ইবনি হাজার, ৪র্থ খণ্ড, ৩৬ পৃ.।
📄 আবু বকর রা.-এর মতামত
রাসূল (সা.) যখন হযরত মুয়ায (রা.)-কে ইয়ামান পাঠানোর ইচ্ছা করলেন তখন তাঁর কয়েকজন সাহাবীর কাছে এ ব্যাপারে পরামর্শ চাইলেন। তাঁদের মধ্যে হযরত আবু বকর, ওমর, উসমান (রা.)-ও ছিলেন। হযরত আবু বকর (রা.) বললেন, যদি আপনি আমাদের কথার ওপর ভিত্তি করে পরামর্শ না করেন। (মেনে হয়োতো)। রাসূল (সা.) বললেন, যে বিষয়ে অগ্রহী অবতীর্ণ হয় না সে বিষয়ে আমি তোমাদের মতেই। এ কথা শুনে প্রত্যেকে পরামর্শ দিতে শুরু করলেন।
লোকদের পরামর্শ শুনে রাসূল (সা.) হযরত মুয়ায (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন তোমার অভিমত কি? তখন হযরত মুয়ায (রা.) বললেন, আবু বকরের অভিমত আমার অভিমত। তখন রাসূল (সা.) বললেন, আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর আসমানের উপর থেকেই আবু বকর ভুল করবে তা অপছন্দ করেন。
টিকাঃ
৭২ মাজমাউয যাওয়াঈদ, ৮ম খণ্ড, ৪৬ পৃ.।