📄 ৪. তাওবা ও কাফফারা
ক্যাথোলিক চার্চের ভাষ্য অনুযায়ী, বছরে একবার গোনাহের স্বীকারোক্তি করে তাওবা করা উচিত। খৃস্টানরা চার্চের ফাদারের কাছে গোনাহের স্বীকারোক্তি দেয়া আবশ্যক বলে মনে করে। এবং ফাদারের কাছেই ক্ষমা চাইতে হয়। এ সময়ে উভয়ের মাঝে পর্দা টানানো থাকে। ক্ষমা চাওয়ার বেলা পাদ্রি তাকে ভবিষ্যতের দিনগুলোতে কীভাবে চলতে হবে, সে বিষয়ে গাইড করে। এভাবে তওবা করার সময় শুধু গোনাহের স্বীকারোক্তি দেয়াই যথেষ্ট নয়; বরং মনের সমস্ত কথা ফাদারের কাছে বলতে হয়। সবশেষে ফাদার তাকে দোয়া দেয় এবং এ কথা বলে, তাওবাকারী ও গোনাহ স্বীকারকারী নিজের সমস্ত গোনাহ থেকে পবিত্রতা অর্জন করে। তওবার কারণে সকল গোনাহ থেকে সে এখন পবিত্র।
📄 ৫. রোগীদের মাসীহ
ক্যাথোলিক খৃস্টানদের নিকট এই রসম রোগীদের সাথে পালন করা হয়। বাইবেলের কিছু আয়াত পড়ে রোগীর পা থেকে মাথা পর্যন্ত যাইতুন তেল লাগানো হয়। এবং তার সুস্থতার জন্য দোয়া করা হয়। যদি রোগী পূর্বে গোনাহের স্বীকারোক্তি না করে থাকে তখন এই তেল দিয়ে রোগীকে গোনাহ থেকে পবিত্র করা হয়।
📄 ৬. বিবাহ
এটাও তাদের কাছে অনেক মূল্যবান একটা কাজ বলে মনে করা হয়। তবে বিয়ের ব্যাপারে তাদের ধারণা হলো, বিয়ে এমন একটি সম্পর্ক যা থেকে মুক্তি পাওয়া কখনও সম্ভব নয়। তাই ক্যাথোলিক খৃস্টানদের নিকটেও বিশেষ বিশেষ কারণ ছাড়া বিবিকে তালাক দেয়া বৈধ হবে না। বিবাহের সময় তারা পোপের উপস্থিতিকে জরুরী বলে মনে করে। যাতে তার দোয়ায় স্বামী- স্ত্রীর মাঝে সমতা বজায় থাকে। এমনিভাবে মৃত্যুশয্যায় শায়িত ব্যক্তির কাছেও পোপকে থাকতে হয়, যাতে সে তার শরীরে গোনাহ মাফের তেল মালিশ করতে পারে।
📄 ৭. পবিত্র নিয়ম
ক্যাথোলিকরা তাদের মধ্য হতে কোন ব্যক্তিকে পোপ বানাতে চাইলে গির্জার পোপ সেই ব্যক্তির মাথায় হাত রাখে। এবং পবিত্র গ্রন্থ থেকে কিছু আয়াত পড়ে তাকে তাদের বিধানাবলী শুনিয়ে ভবিষ্যতের কাজের ওয়াদা নেয়। এটাকে পবিত্র নিয়ম বলে।