📘 খৃষ্টধর্ম, সংক্ষিপ্ত পরিচিতি 📄 ৪. আখেরাত

📄 ৪. আখেরাত


মুসলিমদের ন্যায় খৃস্টানদেরও বিশ্বাস, মৃত্যুর পর জীবিত হয়ে আল্লাহ তাআলার দরবারে উপস্থিত হতে হবে। নিজের কৃতকর্মের হিসেব দিতে হবে। ফলশ্রুতিতে কেউ হবে জান্নাতী, কেউ হবে জাহান্নামী। এ জীবনকেই আখেরাতের জীবন বলা হয়। এবং এর উপর ঈমান আনাকেই "ঈমান বিল আখেরাত" বলে।

📘 খৃষ্টধর্ম, সংক্ষিপ্ত পরিচিতি 📄 ৫. পুনজীবন তথা মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত হওয়ার আকীদা

📄 ৫. পুনজীবন তথা মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত হওয়ার আকীদা


এটাকে "আকীদায়ে মাসলূবিয়্যত " বা ঈসা আ. কে শূলিতে চড়ানোর আকীদারই একটি অংশ বললে ভুল হবে না। এর বিস্তারিত বিবরণ এ রকম, হযরত ঈসা আ. কে শূলিতে চড়িয়ে তাঁকে দাফন করা হয়। এর তিন দিন পর তিনি পুনরায় জীবিত হয়ে হাওয়ারীদেরকে কিছু বিষয়ে নসীহত করেন। এরপর আসমানে চলে যান। তবে তিনি পুনরায় একটি বিশেষ সময়ে দুনিয়াতে অবতরণ করবেন।

📘 খৃষ্টধর্ম, সংক্ষিপ্ত পরিচিতি 📄 ৬. পবিত্র শূলী

📄 ৬. পবিত্র শূলী


যেহেতু তাদের বিশ্বাস হলো হযরত ঈসা আ. কে শূলীতে চড়ানো হয়েছে, তাই এ শূলির নিদর্শন তাদের কাছে অনেক মূল্যবান সম্পদ বলে পরিগণিত। খৃস্টানদের কোনো সূত্রে এর বিস্তর কোনো নিদর্শন দ্বিতীয় শতাব্দী পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে, পূর্ববর্তী ইতিহাস ও গবেষণা অনুযায়ী ইন্ডিয়া, ব্রিটেন, মিসর, চায়না ও মধ্য আমেরিকা সহ কোনো কোনো জায়গায় হজরত মাসীহ আ. সংক্রান্ত খুবই সামান্য ও পরিবর্তিত কিছু নিদর্শন পাওয়া যায়।

📘 খৃষ্টধর্ম, সংক্ষিপ্ত পরিচিতি 📄 ৭. কাফফারা

📄 ৭. কাফফারা


এ আকীদা খৃস্টান ধর্মের মূল ভিত মনে করা হয়। এর দ্বারা ব্যাখ্যা হলো, হযরত আদম আ. ও হাওয়া আ. নিষিদ্ধ গাছের ফল খেয়ে যে গোনাহ করেছিলেন এর বোঝা নিয়ে সকল মানবজাতি জন্মগ্রহণ করে। হযরত ঈসা আ. শূলিতে চড়ে সেই গোনাহের কাফফারা দিয়েছেন এবং পুরো মানব জাতিকে এ বোঝা থেকে মুক্তি দিয়েছেন। যা ইতিপূর্বেও উল্লেখ করা হয়েছে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px