📄 ঈশ্বর পৃথিবীর সকল কাজ শেষ করে (মানুষ) সৃষ্টি করেছে, নাকি তার আগে সৃষ্টি করেছে?
★ তাই ঈশ্বর নিজের মতোই মানুষ সৃষ্টি করলেন। মানুষ হল তাঁর ছাঁচে গড়া জীব। ঈশ্বর তাদের পুরুষ ও স্ত্রীরূপে সৃষ্টি করলেন। (আদিপুস্তক ০১/২৭)
★ ঈশ্বর যা কিছু সৃষ্টি করেছেন সেসব কিছু দেখলেন এবং ঈশ্বর দেখলেন সমস্ত সৃষ্টিই খুব ভাল হয়েছে। সন্ধ্যা হল, তারপর সকাল হল। এভাবে ষষ্ঠ দিন হল। (আদিপুস্তক ০১/৩১)
আমরা দেখতে পাচ্ছি (ঈশ্বর) ষষ্ঠ দিনে মানুষ সৃষ্টি করেছে, অর্থাৎ (ঈশ্বর) পৃথিবীর সকল কাজ শেষ করার আগে, বিশ্রাম নেওয়ার আগে মানুষ সৃষ্টি করেছে।
আবার অন্য জায়গায় বলা হচ্ছে :-
★ যে কাজ ঈশ্বর শুরু করেছিলেন তা শেষ করে সপ্তম দিনে তিনি বিশ্রাম নিলেন। (আদিপুস্তক ০২/০২)
★ তখন প্রভু ঈশ্বর মাটি থেকে ধুলো তুলে নিয়ে একজন মানুষ তৈরি করলেন এবং সেই মানুষের নাকে ফুঁ দিয়ে প্রাণবায়ু প্রবেশ করালেন এবং মানুষটি জীবন্ত হয়ে উঠল। (আদিপুস্তক ০২/০৭)
★ প্রভু ঈশ্বর মানুষটির পাঁজরের সেই হাড় দিয়ে তৈরি করলেন একজন স্ত্রী। তখন সেই স্ত্রীকে প্রভু ঈশ্বর মানুষটির সামনে নিয়ে এলেন। (আদিপুস্তক ০২/২২)
এখানে আবার (ঈশ্বর) বলছে পৃথিবীর সকল কাজ শেষ করে বিশ্রাম নেওয়ার পর মানুষ সৃষ্টি করেছে। হাস্যকর তথ্য।
আমাদের প্রশ্ন :- কোনটা সঠিক? তিনি পৃথিবীর সকল কাজ শেষ করে বিশ্রাম নেওয়ার পর মানুষ সৃষ্টি করেছে, নাকি আগে সৃষ্টি করেছে?
📄 যীশু পাহাড়ে দাড়িয়ে ভাষন দিয়েছেন, নাকি পাহাড় থেকে নেমে সমতল জায়গায় ভাষন দিয়েছেন?
★ যীশু অনেক লোকের ভিড় দেখে একটা পাহাড়ের ওপর উঠে গেলেন। তিনি সেখানে বসলে শিষ্যরা তাঁর কাছে এলেন। (মথি ০৫/০১)
★ এরপর তিনি তাঁদের কাছে শিক্ষা দিতে শুরু করলেন, বললেন। (মথি ০৫-০২)
আবার অন্য জায়গায় বলা হচ্ছে :-
★ যীশু তাঁর প্রেরিতদের সঙ্গে নিয়ে পর্বত থেকে নেমে একটা সমতল জায়গায় গিয়ে দাঁড়ালেন। সেখানে তাঁর আরো অনুগামী এসে জড়ো হয়েছিল। সমস্ত যিহূদা জেরুশালেমে এবং সোর সীদোনের সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চল থেকে বিস্তর লোক তাঁর কাছে এসে জড়ো হল। (লুক ০৬/১৭)
আমাদের প্রশ্ন :- কোনটা সঠিক? যীশু পাহাড়ে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিয়েছেন, নাকি পাহাড় থেকে নেমে সমতল জায়গায় ভাষণ দিয়েছেন?
📄 ডুমুর গাছ কখন শুকালো, তাৎক্ষনাৎ নাকি পরদিন?
★ পরদিন সকালে তিনি যখন জেরুশালেমে ফিরছিলেন, সেই সময় যীশুর খিদে পেল। (মথি ২১/১৮)
★ তিনি পথের ধারে একটি ডুমুর গাছ দেখতে পেয়ে সেই গাছটার কাছে গেলেন। কিন্তু পাতা ছাড়া তাতে কিছু দেখতে পেলেন না। তখন তিনি সেই গাছটিকে বললেন, 'তোমাতে আর কখনও ফল হবে না।' আর সেই ডুমুর গাছটি শুকিয়ে গেল। (মথি ২১/১৯)
★ এই ঘটনা দেখে শিষ্যরা আশ্চর্য হয়ে বললেন, এই ডুমুর গাছটা এত তাড়াতাড়ি কেমন করে শুকিয়ে গেল? (মথি ২১/২০)
আবার অন্য জায়গায় বলা হচ্ছে :-
★ পরের দিন বৈথনিয়া ছেড়ে আসার সময় তাঁর খিদে পেল। (মার্ক ১১/১২)
★ দূর থেকে তিনি একটি পাতায় ভরা ডুমুর গাছ দেখে তাতে কিছু ফল পাবেন ভেবে তার কাছে গেলেন, কিন্তু গাছটির কাছে গেলে পাতা ছাড়া আর কিছুই দেখতে পেলেন না; কারণ তখন ডুমুর ফলের মরশুম নয়। (মার্ক ১১/১৩)
★ তখন তিনি গাছটিকে বললেন, এখন থেকে তোমার ফল আর কেউ কোন দিন খাবে না! এই কথা তাঁর শিষ্যেরা শুনতে পেলেন। (মার্ক ১১/১৪)
★ পরের দিন সকালে যেতে যেতে তাঁরা দেখলেন, সেই ডুমুর গাছটি মূল থেকে শুকিয়ে গেছে। (মার্ক ১১/২০)
★ পিতর আগের দিনের কথা মনে করে তাঁকে বললেন, 'হে গুরু, দেখুন, আপনি যে ডুমুর গাছটিকে অভিশাপ দিয়েছিলেন সেটি শুকিয়ে গেছে।' (মার্ক ১১/২১)
আমাদের প্রশ্ন :- কোনটা সঠিক? যীশু যখন গাছটিকে অভিশাপ দিয়েছিলেন তাৎক্ষণিক গাছটি শুকিয়ে গিয়েছিল নাকি পরের দিন শুকিয়ে গিয়েছিল?
📄 নিজের বিষয়ে যীশুর সাক্ষ্য সত্য না মিথ্যা?
★ আমি যদি আমার নিজের পক্ষে সাক্ষ্য দিই তবে আমার সেই সাক্ষ্য সত্য বলে গৃহীত হবে না। (যোহন ০৫/৩১)
আবার অন্য জায়গায় বলা হয় :-
★ এর উত্তরে যীশু তাদের বললেন, 'আমি যদি নিজের পক্ষে সাক্ষ্য দিই, তবু আমার সাক্ষ্য সত্য।' (যোহন ০৮/১৪)
আমাদের প্রশ্ন কোনটা সঠিক? যীশুর নিজের পক্ষে যে সাক্ষ্য দিবেন তা সত্য নাকি মিথ্যা?