📄 বিন্যামীনের কতজন সন্তান ছিল?
★ বেলা, বেখর ও য়িদীযেল নামে বিন্যামীনের (তিন) পুত্র ছিল। (০১ বংশাবলি ০৭/০৬)
এখানে বলা হচ্ছে বিন্যামীনের (০৩) জন পুত্র।
আবার অন্য জায়গায় বলা হচ্ছে :-
★ বিন্যামীনের প্রথম পুত্র বেলা, দ্বিতীয় পুত্র অস্বেল, তৃতীয় পুত্র অহহ, চতুর্থ পুত্র নোহা আর পঞ্চম পুত্র রাফা। (০১ বংশাবলি ০৮/০১)
এখানে বলা হচ্ছে বিন্যামীনের (০৫) জন পুত্র ছিল।
আবার অন্য জায়গায় বলা হচ্ছে:-
★ বিন্যামীনের পুত্ররা হল বেলা, বেখর, অসবেল, গেরা, নামন, এহী, রোশ, মুপ্পীম, হুপ্পীম ও অর্দ। (আদিপুস্তক ৪৬/২১)
এখানে বলা হচ্ছে বিন্যামীনের পুত্র ছিল (১০) জন।
আমাদের প্রশ্ন :- কোনটা সঠিক? বিন্যামীনের কতজন সন্তান ছিল (০৩) জন, (০৫) জন নাকি (১০) জন?
★ বেলা, বেখর ও য়িদীযেল নামে বিন্যামীনের (তিন) পুত্র ছিল। (০১ বংশাবলি ০৭/০৬)
এখানে বলা হচ্ছে বিন্যামীনের (০৩) জন পুত্র।
আবার অন্য জায়গায় বলা হচ্ছে :-
★ বিন্যামীনের প্রথম পুত্র বেলা, দ্বিতীয় পুত্র অস্বেল, তৃতীয় পুত্র অহহ, চতুর্থ পুত্র নোহা আর পঞ্চম পুত্র রাফা। (০১ বংশাবলি ০৮/০১)
এখানে বলা হচ্ছে বিন্যামীনের (০৫) জন পুত্র ছিল।
আবার অন্য জায়গায় বলা হচ্ছে:-
★ বিন্যামীনের পুত্ররা হল বেলা, বেখর, অসবেল, গেরা, নামন, এহী, রোশ, মুপ্পীম, হুপ্পীম ও অর্দ। (আদিপুস্তক ৪৬/২১)
এখানে বলা হচ্ছে বিন্যামীনের পুত্র ছিল (১০) জন।
আমাদের প্রশ্ন :- কোনটা সঠিক? বিন্যামীনের কতজন সন্তান ছিল (০৩) জন, (০৫) জন নাকি (১০) জন?
📄 শেলহ কার ছেলে, কৈননের নাকি অর্ফক্ষদের?
★ শেলহ কৈননের ছেলে। (লূক ০৩/৩৬)
আবার অন্য জায়গায় বলা হচ্ছে :-
★ শেলহ অর্ফক্ষদের ছেলে। (আদিপুস্তক ১১/১২)
আমাদের প্রশ্ন :- কোনটা সঠিক? শেলহ কৈননের ছেলে, নাকি অর্ফক্ষদের ছেলে?
📄 ঈশ্বর পৃথিবীর সকল কাজ শেষ করে (মানুষ) সৃষ্টি করেছে, নাকি তার আগে সৃষ্টি করেছে?
★ তাই ঈশ্বর নিজের মতোই মানুষ সৃষ্টি করলেন। মানুষ হল তাঁর ছাঁচে গড়া জীব। ঈশ্বর তাদের পুরুষ ও স্ত্রীরূপে সৃষ্টি করলেন। (আদিপুস্তক ০১/২৭)
★ ঈশ্বর যা কিছু সৃষ্টি করেছেন সেসব কিছু দেখলেন এবং ঈশ্বর দেখলেন সমস্ত সৃষ্টিই খুব ভাল হয়েছে। সন্ধ্যা হল, তারপর সকাল হল। এভাবে ষষ্ঠ দিন হল। (আদিপুস্তক ০১/৩১)
আমরা দেখতে পাচ্ছি (ঈশ্বর) ষষ্ঠ দিনে মানুষ সৃষ্টি করেছে, অর্থাৎ (ঈশ্বর) পৃথিবীর সকল কাজ শেষ করার আগে, বিশ্রাম নেওয়ার আগে মানুষ সৃষ্টি করেছে।
আবার অন্য জায়গায় বলা হচ্ছে :-
★ যে কাজ ঈশ্বর শুরু করেছিলেন তা শেষ করে সপ্তম দিনে তিনি বিশ্রাম নিলেন। (আদিপুস্তক ০২/০২)
★ তখন প্রভু ঈশ্বর মাটি থেকে ধুলো তুলে নিয়ে একজন মানুষ তৈরি করলেন এবং সেই মানুষের নাকে ফুঁ দিয়ে প্রাণবায়ু প্রবেশ করালেন এবং মানুষটি জীবন্ত হয়ে উঠল। (আদিপুস্তক ০২/০৭)
★ প্রভু ঈশ্বর মানুষটির পাঁজরের সেই হাড় দিয়ে তৈরি করলেন একজন স্ত্রী। তখন সেই স্ত্রীকে প্রভু ঈশ্বর মানুষটির সামনে নিয়ে এলেন। (আদিপুস্তক ০২/২২)
এখানে আবার (ঈশ্বর) বলছে পৃথিবীর সকল কাজ শেষ করে বিশ্রাম নেওয়ার পর মানুষ সৃষ্টি করেছে। হাস্যকর তথ্য।
আমাদের প্রশ্ন :- কোনটা সঠিক? তিনি পৃথিবীর সকল কাজ শেষ করে বিশ্রাম নেওয়ার পর মানুষ সৃষ্টি করেছে, নাকি আগে সৃষ্টি করেছে?
📄 যীশু পাহাড়ে দাড়িয়ে ভাষন দিয়েছেন, নাকি পাহাড় থেকে নেমে সমতল জায়গায় ভাষন দিয়েছেন?
★ যীশু অনেক লোকের ভিড় দেখে একটা পাহাড়ের ওপর উঠে গেলেন। তিনি সেখানে বসলে শিষ্যরা তাঁর কাছে এলেন। (মথি ০৫/০১)
★ এরপর তিনি তাঁদের কাছে শিক্ষা দিতে শুরু করলেন, বললেন। (মথি ০৫-০২)
আবার অন্য জায়গায় বলা হচ্ছে :-
★ যীশু তাঁর প্রেরিতদের সঙ্গে নিয়ে পর্বত থেকে নেমে একটা সমতল জায়গায় গিয়ে দাঁড়ালেন। সেখানে তাঁর আরো অনুগামী এসে জড়ো হয়েছিল। সমস্ত যিহূদা জেরুশালেমে এবং সোর সীদোনের সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চল থেকে বিস্তর লোক তাঁর কাছে এসে জড়ো হল। (লুক ০৬/১৭)
আমাদের প্রশ্ন :- কোনটা সঠিক? যীশু পাহাড়ে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিয়েছেন, নাকি পাহাড় থেকে নেমে সমতল জায়গায় ভাষণ দিয়েছেন?