📄 বাইবেল অনুযায়ী কোন অজ্ঞাত ব্যাক্তির লাশ পেলে তার বিধান কি?
কোন অজ্ঞাত মৃত মানুষের লাশ পাওয়া গেলে সেক্ষেত্রে বাইবেল একটি অযৌক্তিক বিধান দিয়েছেন। যেটা বর্তমান সময়ে কখনো পালন করা কখনোই সম্ভব হবে না।
যদি কোন অজ্ঞাত মৃত মানুষের লাশ পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে কি করতে হবে বাইবেল থেকে দলিল সহকারে দেখে নেই।
প্রভ তোমাদের ঈশ্বর, তোমাদের যে দেশ দিচ্ছেন, সেখানকার ক্ষেতে যদি তোমরা কোনো মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখ, কিন্তু কে হত্যা করেছে তা যদি জানা না যায়। (দ্বিতীয় বিবরন ২১/০১)
তখন তোমাদের দলনেতারা এবং বিচারকরা সেখানে যাবে এবং নিহত ব্যক্তির চারদিকের শহরগুলোর দূরত্ব পরিমাপ করবে। (দ্বিতীয় বিবরন ২১/০২)
যখন তোমরা জানতে পারবে কোন শহরটি নিহত ব্যক্তির সবথেকে কাছে, তখন সেই শহরের দলনেতারা তাদের পশুশালা থেকে এমন একটি গোবতস নিয়ে আসবে যাকে কখনই কোন কাজে ব্যবহার করা হয় নি এবং যে যোযালি বহন করে নি। (দ্বিতীয় বিবরন ২১/০৩)
সেই শহরের দলনেতারা তখন গোবতসটিকে এমন একটি উপত্যকায় নামিয়ে আনবে যেখানে সবসময় জলের স্রোত বয়। এটিকে অবশ্যই এমন একটি উপত্যকা হতে হবে যা কখনও চাষ করা হয়নি বা যেখানে কিছু রোপণ করা হয়নি। এরপর নেতারা সেই উপত্যকায় গোবতসটির ঘাড় ভাঙ্গবে। (দ্বিতীয় বিবরন ২১/০৪)
যাজকরা, লেবীর উত্তরপুরুষরা অবশ্যই সেখানে যাবে। (প্রভু তোমাদের ঈশ্বর তাঁর সেবার জন্য এবং তাঁর নামে লোকদের আশীর্বাদ করার জন্য এই যাজকদের নির্বাচিত করেছেন। এবং সমস্ত বিবাদ ও আঘাতের বিচার তারাই করবেন)। (দ্বিতীয় বিবরন ২১/০৫)
নিহত ব্যক্তির সব থেকে কাছের শহরের সমস্ত নেতারা উপত্যকায় যে গোবতসের ঘাড় ভাঙ্গা হয়েছিল তার ওপরে অবশ্যই তাদের হাত ধোবে। (দ্বিতীয় বিবরন ২১/০৬)
এই নেতারা বলবে, আমরা এই ব্যক্তিকে হত্যা করিনি এবং আমরা এটি ঘটতেও দেখিনি। (দ্বিতীয় বিবরন ২১/০৭)
হে প্রভু, তুমি যে ইস্রায়েলকে রক্ষা করেছিলে তাদেরই শুদ্ধ করো। একজন নিরপরাধ লোককে হত্যা করার দোষ আমাদের ওপর চাপিও না। এই ভাবে একজন নিরপরাধ লোককে হত্যা করার জন্য ঐ সমস্ত লোকদের দোষ ক্ষমা করা হবে। (দ্বিতীয় বিবরন ২১/০৮)
এই ভাবে তোমরা প্রভুর চোখে যা যথার্থ তাই করবে এবং তোমাদের জাতি থেকে নিরপরাধের রক্তপাতের দোষ দূর করবে। (দ্বিতীয় বিবরন ২১/০৯)
যদি কোন অজ্ঞাত মৃত মানুষের লাশ পাওয়া সেক্ষেত্রে লাশটি যে শহরের কাছে পাওয়া যাবে সেই শহরের নেতারা গোবৎসের ঘাড় মটকাবে কেন? এসব কেমন অযৌক্তিক বিধান? বর্তমানে এসব উদ্ভট বিধান কি আদৌ সম্ভব?
এই বিধান কার্যকর করা হলে দেশে হত্যা প্রচুর পরিমাণে বেড়ে যাবে। আর হত্যাকারীও পার পেয়ে যাবে।
এখন আপনারাই বিবেচনা করেন এসব কি সব উদ্ভট বিধান দিয়েছেন রেখেছে বাইবেলের ইশ্বর। যা বর্তমান সময়ে আদৌ কার্যকর করা সম্ভব নয়!
📄 পৃথিবীর সকল কিছু সৃষ্টি করে (ঈশ্বর) ক্লান্ত হয়ে বিশ্রাম নেওয়ার পর (মানুষ) সৃষ্টি করেছে নাকি তার আগেই সৃষ্টি করেছে?
বাইবেলের ইশ্বর বলছে, তিনি পৃথিবীতে সকল প্রকার উদ্ভিদ, জন্তু জানোয়ার, পশুপাখি, চাঁদ সূর্য সৃষ্টি করে বিশ্রাম নেওয়ার আগে মানুষ সৃষ্টি করেছে! আবার পরে বলছে তিনি বিশ্রাম নেওয়ার পর মানুষ সৃষ্টি করেছে যা একটা কথার সাথে আরেকটা কথার বৈপরীত্য হয়ে যাচ্ছে।
এবার আসেন বাইবেল থেকে বিস্তারিত দেখি :-
তখন ঈশ্বর বললেন, এখন এস, আমরা মানুষ সৃষ্টি করি। আমাদের আদলে আমরা মানুষ সৃষ্টি করব। মানুষ হবে ঠিক আমাদের মত। (আদিপুস্তক ০১/২৬)
তাই ঈশ্বর নিজের মতোই মানুষ সৃষ্টি করলেন। মানুষ হল তাঁর ছাঁচে গড়া জীব। ঈশ্বর তাদের পুরুষ ও স্ত্রীরূপে সৃষ্টি করলেন। (আদিপুস্তক ০১/২৭)
ঈশ্বর যা যা তৈরি করলেন, তা তিনি দেখলেন, এবং তা খুবই ভালো হল। আর সন্ধ্যা হল ও সকাল হল এই হল ষষ্ঠ দিন। (আদিপুস্তক ০১/৩১)
এখানে (বাইবেলের ইশ্বর) বিশ্রাম নেওয়ার আগে (ষষ্ঠ দিনে) অর্থাৎ পৃথিবীতে সকল প্রকার উদ্ভিদ, জন্তু জানোয়ার, পশুপাখি, চাঁদ সূর্য সৃষ্টি করার পর (মানুষ) সৃষ্টি করেছে (স্ত্রী ও পুরুষ) রূপে! তবে বলা হয় নাই এই মানুষটি (আদম ও ইভ) কিনা। তবে আমরা ধরে নিই এই মানুষটা হল (আদম ও ইভ)।
আবার দেখেন, অন্য জায়গায় বলা হচ্ছে, (ইশ্বর) পৃথিবী ও পৃথিবীর মধ্যে যাবতীয় জিনিস সৃষ্টি করে (বিশ্রাম নেওয়ার পর) একজন (মানুষ) সৃষ্টি করার পর আরেকজন (মানুষ) সৃষ্টি করেছে। যেটা তার কথার বৈপরীত্য ও ভুল। প্রমান দেখেন, বাইবেলের ইশ্বরের বিশ্রাম নেওয়ার পরের কাহিনিতে :-
এইভাবে পৃথিবী, আকাশ এবং তাদের আভ্যন্তরীণ যাবতীয় জিনিস সম্পূর্ণ হল। (আদিপুস্তক ০২/০১)
যে কাজ ঈশ্বর শুরু করেছিলেন তা শেষ করে সপ্তম দিনে তিনি বিশ্রাম নিলেন। (আদিপুস্তক ০২/০২)
তখন প্রভু ঈশ্বর মাটি থেকে ধুলো তুলে নিয়ে একজন (মানুষ) তৈরী করলেন এবং সেই মানুষের নাকে ফুঁ দিয়ে প্রাণবায়ু প্রবেশ করালেন এবং (মানুষটি) জীবন্ত হয়ে উঠল। (আদিপুস্তক ০২/০৭)
এখানে বাইবেলের ইশ্বর একজন (মানুষ) সৃষ্টি করেছে সেটা হল (আদম) যদিও নাম বলা হয় নাই। আদমকে সৃষ্টি করার অনেক পরে এসে তিনি তার জন্য নারী সৃষ্টি করেছে অর্থাৎ (ইভকে) সৃষ্টি করেছে প্রমান দেখেন :-
প্রভু ঈশ্বর মানুষটির পাঁজরের সেই হাড় দিয়ে তৈরি করলেন একজন স্ত্রী। তখন সেই স্ত্রীকে প্রভু ঈশ্বর মানুষটির সামনে নিয়ে এলেন। (আদিপুস্তক ০২/২২)
অথছ আমরা প্রথমেই দেখেছি বাইবেলের ইশ্বর পৃথিবীর কাজ শেষ করার আগে (ষষ্ঠ) দিনে (নারী পুরুষ) সৃষ্টি করেছিলেন।
এখানে বাইবেলের ইশ্বর পৃথিবীর সকল কাজ শেষ করে বিশ্রাম নেওয়ার পর (আদিপুস্তক ০২/০৭) নং অনুচ্ছেদে এসে একজন মানুষ সৃষ্টি করার পর (আদিপুস্তক ০২/২২) নং অনুচ্ছেদে এসে বলছে, তিনি (নারী) সৃষ্টি করেছে (পুরুষটির) জন্য। হাস্যকর ব্যাপার।
এখানেও বৈপরীত্য দেখা যাচ্ছে তিনি একবার নারী সৃষ্টি করার পর আবার নারী সৃষ্টি করেছে হাস্যকর তথ্য।
এখন আপনারাই বিবেচনা করেন বাইবেলের ইশ্বর একবার বলছে তিনি সকল প্রকার উদ্ভিদ, গাছপালা, জন্তু জানোয়ার, চাঁদ সূর্য সৃষ্টি করার পর অর্থাৎ বাইবেলের (ইশ্বরের বিশ্রাম নেওয়ার) আগে তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছে! আবার পরে (দ্বিতীয় অধ্যায়ে) বলছে তার বিশ্রাম নেওয়ার পর মানুষ সৃষ্টি করেছে।
আমার প্রথম প্রশ্ন :- কোনটা বিশ্বাস করবো? তিনি তার বিশ্রাম নেওয়ার আগে মানুষ সৃষ্টি করেছে নাকি বিশ্রাম নেওয়ার পর মানুষ সৃষ্টি করেছে?
আমার দ্বিতীয় প্রশ্ন :- বাইবেলের ইশ্বর মানুষ আগে সৃষ্টি করেছে, নাকি পৃথিবী ও পৃথিবীর মধ্যে সকল প্রকার জিনিস অর্থাৎ চাঁদ, সূর্য, গাছপালা, পশুপাখি, বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ সৃষ্টি করার পর মানুষ সৃষ্টি করেছে?
আমার তৃতীয় প্রশ্ন :- বাইবেলের ইশ্বর (প্রথম অধ্যায়ের, আদিপুস্তক ০১/২৭) নং অনুচ্ছেদে (নারী ও পুরুষ) দুইজনকে একবারে সৃষ্টি করেছে, নাকি (দ্বিতীয় অধ্যায়ের আদিপুস্তক ০২/২২) নং অনুচ্ছেদে (নারী) সৃষ্টি করেছে?
আমার চতুর্থ প্রশ্ন :- আদমের জন্য বাইবেলের ইশ্বর কতজন নারীকে সৃষ্টি করেছে? এক জনকে নাকি দুই জনকে?
📄 খাদ্য নিয়ে বাইবেলের ঈশ্বরের মিথ্যাচার ও বৈজ্ঞানিক অজ্ঞাতা।
বাইবেলের ইশ্বরের অজ্ঞাতা দেখেন তিনি তার সৃষ্টি সম্পর্কে তেমন কিছুই জানেন না! তার সৃষ্টি করা মানুষ যে পৃথিবীর সকল প্রকার উদ্ভিদ খেতে পারবে না সেটা তিনি জানেন না।
এবার আসেন বাইবেল থেকে বিস্তারিত দেখি :-
ঈশ্বর বললেন, আমি তোমাদের শস্যদায়ী সমস্ত গাছ ও সমস্ত ফলদায়ী গাছপালা দিচ্ছি। ঐসব গাছ বীজযুক্ত ফল উৎপাদন করে। এই সমস্ত শস্য ও ফল হবে তোমাদের খাদ্য। (আদিপুস্তক ০১/২৯)
অতীতে তোমাদের খাদ্য হিসেবে আমি শুধু সবুজ উদ্ভিদ তোমাদের দিয়েছিলাম। এখন থেকে সমস্ত জানোয়ারই তোমাদের খাদ্য হবে। পৃথিবীর সমস্ত কিছুই আমি তোমাদের দিচ্ছি। সব কিছুই তোমাদের। (আদিপুস্তক ০৯/০৩)
আমরা জানি পৃথিবীতে অসংখ্য উদ্ভিদ আছে যেগুলো খেলে মানুষ সাথে সাথে মারা যাবে। বাইবেলের ইশ্বর কিভাবে এমন অযৌক্তিক কথা বলতে পারেন যে সমস্ত উদ্ভিদই হবে তোমাদের খাদ্য? তিনি কি জানেন না সমস্ত উদ্ভিদ খেলে মানুষরা মারা যাবে?
বাইবেলের ইশ্বরের বৈজ্ঞানিক অজ্ঞাতা তো দেখতেই পেলেন। ইশ্বর কি কখনো এমন অযৌক্তিক কথা বলতে পারে? ইশ্বর কখনো এমন অযৌক্তিক কথা বলতে পারে না! বাইবেল যে বিকৃত তা হয়তো বুঝতে আর কারো বাকি নাই।
📄 বাইবেলের (ঈশ্বর) ক্লান্ত হয়ে বিশ্রাম নেওয়ার আগে (গাছপালা) সৃষ্টি করেছে নাকি বিশ্রাম নেওয়ার পর সৃষ্টি করেছে?
বাইবেলের ইশ্বর বলছে, তিনি বিশ্রাম নেওয়ার আগে (তৃতীয়) দিনে পৃথিবীতে গাছপালা, উদ্ভিদ সৃষ্টি করেছে, আবার পরে বলছে তিনি পৃথিবীর সকল কিছু সৃষ্টি করে বিশ্রাম নেওয়ার পর গাছপালা, উদ্ভিদ সৃষ্টি করেছে। যা তার কথার বৈপরীত্য ও ভুল।
এবার আসেন বাইবেল থেকে বিস্তারিত দেখি :-
তখন ঈশ্বর বললেন, পৃথিবীতে ঘাস হোক, শস্যদায়ী গাছ ও ফলের গাছপালা হোক। ফলের গাছগুলিতে ফল আর ফলের ভেতরে বীজ হোক। প্রত্যেক উদ্ভিদ আপন আপন জাতের বীজ সৃষ্টি করুক। এইসব গাছপালা পৃথিবীতে বেড়ে উঠুক। আর তাই-ই হল। (আদিপুস্তক ০১/১১)
পৃথিবীতে ঘাস আর শস্যদায়ী উদ্ভিদ উৎপন্ন হল। আবার ফলদাযী গাছপালাও হল, ফলের ভেতরে বীজ হল। প্রত্যেক উদ্ভিদ আপন আপন জাতের বীজ সৃষ্টি করল এবং ঈশ্বর দেখলেন ব্যবস্থাটা ভাল হয়েছে। (আদিপুস্তক ০১/১২)
এখানে আমরা দেখতে পেলাম (ইশ্বর) ক্লান্ত হয়ে বিশ্রাম নেওয়ার আগেই (তৃতীয় দিনে) সকল প্রকার উদ্ভিদ, গাছপালা সৃষ্টি করেছে।
এবার দেখেন বাইবেলের ইশ্বর বলছে তিনি পৃথিবীতে সকল প্রকার জিনিস সৃষ্টি করে বিশ্রাম নেওয়ার পর পৃথিবীতে উদ্ভিদ, গালপালা সৃষ্টি করেছে।
যে কাজ ঈশ্বর শুরু করেছিলেন তা শেষ করে সপ্তম দিনে তিনি বিশ্রাম নিলেন। (আদিপুস্তক ০২/০২)
সপ্তম দিনটিকে আশীর্বাদ করে ঈশ্বর সেটিকে পবিত্র দিনে পরিণত করলেন। দিনটিকে ঈশ্বর এক বিশেষ দিনে পরিণত করলেন কারণ ঐ দিনটিতে পৃথিবী সৃষ্টির সমস্ত কাজ থেকে তিনি বিশ্রাম নিলেন। (আদিপুস্তক ০২/০৩)
এই হল আকাশ ও পৃথিবীর ইতিহাস। ঈশ্বর যখন পৃথিবী ও আকাশ সৃষ্টি করেছিলেন, তখন যা কিছু ঘটেছিল এটা তারই গল্প। (আদিপুস্তক ০২/০৪)
পৃথিবীতে তখন কোন গাছপালা ছিল না। মাঠে তখন কিছুই জন্মাতো না। কারণ প্রভু তখনও পৃথিবীতে বৃষ্টি পাঠান নি এবং ক্ষেতে চাষবাস করার জন্য তখন কেউ ছিল না। (আদিপুস্তক ০২/০৫)
পৃথিবী থেকে জলউঠে চারপাশের জমিতে ছড়িয়ে পড়ল। (আদিপুস্তক ০২/০৬)
দেখেন বাইবেলের ইশ্বর এখানে বলছে তিনি পৃথিবীর সকল কাজ শেষ করে বিশ্রাম নেওয়ার পর তিনি পৃথিবীতে গাছপালা সৃষ্টি করেছে! কারন প্রথমে বৃষ্টির পানি পৃথিবীতে পড়ে নায় তাই গাছপালাও সৃষ্টি হয় নাই।
কিন্তু আমরা প্রথমেই দেখেছি তিনি (তৃতীয় দিনে) পৃথিবীতে সকল প্রকার উদ্ভিদ ও গাছপালা সৃষ্টি করেছে এবং তা নিজ নিজ ভাবে বংশবিস্তারও করেছে।
এখানেও তার কথার বৈপরীত্য ও ভুল তথ্য দেখা যাচ্ছে। একবার বলছে তিনি বিশ্রাম নেওয়ার আগে উদ্ভিদ ও গাছপালা সৃষ্টি করেছে (তৃতীয়) দিনে! আবার এদিকে পৃথিবীর সকল কাজ শেষ করে বিশ্রাম নেওয়ার পরে বলছে, পৃথিবীতে বৃষ্টির পানি পড়ে নাই বলে তখন কোন গাছপালা জন্ম নিতে পারে নাই। অথচ তিনি (তৃতীয়) দিনে পৃথিবীতে গাছপালা, উদ্ভিদ সৃষ্টি করেছিলেন।
হতে পারে বাইবেলের ইশ্বরের মনে নেই যে, তিনি (০৬) দিনে পৃথিবী সৃষ্টির সময় তিনি (তৃতীয়) দিনে গাছপালা ও উদ্ভিদ সৃষ্টি করেছিলেন।
এখন আপনারাই বিবেচনা করেন ইশ্বর কি কখনো এমন অযৌক্তিক কথা বলতে পারে? তিনি বিশ্রাম নেওয়ার আগে (তৃতীয়) দিনে পৃথিবীতে গাছপালা, উদ্ভিদ সৃষ্টি করেছে, আবার পরে বলছে তিনি পৃথিবীর সকল কিছু সৃষ্টি করে বিশ্রাম নেওয়ার পর গাছপালা, উদ্ভিদ সৃষ্টি করেছে।