📄 বাইবেলে নারীর অধিকার।
বাইবেলে নারীদের সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষ হিসাবে তুলে ধরেছে। এমনকি তারা কোন ব্যাপারে কোন মত দিতে পারবে না। তারা তাদের (গীর্জাতে - চার্চে) কোন প্রকার কথা বলতে পারবে না। সব সময় তারা নিরবে থাকবে। কোন প্রকার ইচ্ছা স্বাধীনতা নাই তাদের।
এমনকি নারীদের গর্ভধারনকেও একটি অভিশাপ বলা হয়েছে, তাহলে চিন্তা করেন এমন ইশ্বরকে মেনে চলা কি আদৌ সম্ভব? যে কিনা নারীদের গর্ভধারনকেই একটা অভিশাপ হিসাবে তুলে ধরেছে। নারীদের এতটাই নিকৃষ্ট হিসাবে তুলে ধরেছে বাইবেলের ইশ্বর। প্রমান দেখেন:- প্রথম অধ্যায়ের ১৯ নং পরিচ্ছেদে।
আসেন দেখি বাইবেলে নারীদের কতটা সম্মান দিয়েছে?
(মণ্ডলীতে - গীর্জতে - চার্চে) স্ত্রীলোকেরা নীরব থাকুক। ঈশ্বরের লোকদের সমস্ত মণ্ডলীতে এই রীতি প্রচলিত আছে৷ স্ত্রীলোকদের কথা বলার অনুমোদন নেই। মোশির বিধি-ব্যবস্থা যেমন বলে সেইমত তারা বাধ্য হয়ে থাকুক। (০১ করন্থীয় ১৪/৩৪)
স্ত্রীলোকেরা যদি কিছু শিখতে চায় তবে তারা ঘরে নিজেদের স্বামীদের কাছে তা জিজ্ঞেস করুক, কারণ সমাবেশে কথা বলা স্ত্রীলোকের পক্ষে লজ্জার বিষয়। (০১ করন্থীয় ১৪/৩৫)
নারীরা সম্পূর্ণ বশ্যতাপূর্বক নীরবে নতনম্র হয়ে শিক্ষা গ্রহণ করুক। (০১ তিমথি ০২/১১)
আমি কোন নারীকে শিক্ষা দিতে অথবা কোন পুরুষের ওপরে কর্তৃত্ব করতে দিই না। বরং নারী নীরব থাকুক। (০১ তিমথি ০২/১২)
আমি আরো দেখেছিলাম যে নারী হল ভয়ঙ্কর এক ফাঁদের মতো, তাদের হৃদয় জালের মতো ও বাহু শিকলের মতো। এই রকম নারীর ফাঁদে পড়ার চেয়ে মৃত্যুও শ্রেয়। যে ঈশ্বরকে অনুসরণ করে সে এদের থেকে দূরে থাকবে। কিন্তু এক জন পাপী এদের হাতে ধরা পড়বে। (উপদেশক ০৭/২৬)
আপনারাই এবার বলেন এমন অমানবিক নিষ্ঠুর ইশ্বরকে বিশ্বাস করে জীবন পরিচালনা করা কতটা যৌক্তিক? কিন্তু ইসলাম নারীদের সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়েছে, প্রমান দেখেন :- প্রথম অধ্যায়ের ১৯ নং পরিচ্ছেদে।
বাইবেল অনুযায়ী নারীদের কোন সম্মান নাই। তাদের কোন প্রকার ইচ্ছা প্রকাশের স্বাধীনতা নাই। এমন অমানবিক নিষ্ঠুর ইশ্বরে বিশ্বাস না করাই ভালো সবার জন্য।
📄 বাইবেলে (জিহাদ - যুদ্ধে) নারি ধর্ষন করার বিধান।
বাইবেল অনুযায়ী (জিহাদ - যুদ্ধ) গেলে নারীদের ধর্ষন করা বৈধ। এবং যুদ্ধে মানুষদের উপর অমানবিক নিষ্ঠুর নির্যাতন করাও বৈধ।
আসুন এবার বিস্তারিত দেখি বাইবেলের ইশ্বর কিভাবে (জিহাদ - যুদ্ধ) করতে বলেছে!
যীশু তাঁদের বললেন, 'কিন্তু এখন বলছি, যার টাকার থলি বা ঝুলি আছে সে তা নিয়ে যাক, আর যার কাছে তলোয়ার নেই সে তার পোশাক বিক্রি করে একটা তলোয়ার কিনুক। (লুক ২২/৩৬)
তারা বললেন, প্রভু দেখুন দুটি তলোয়ার আছে! তিনি তাঁদের বললেন, থাক এই যথেষ্ট। (লুক ২২/৩৮)
যীশু এখানে (জিহাদ - যুদ্ধ) করার জন্য মানুষদের উৎসাহিত করেছে।
তাদের বাড়িগুলি লুণ্ঠিত হবে। তাদের স্ত্রীরা ধর্ষিত হবে। আর তাদের চোখের সামনেই তাদের ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হবে। (ইসাইয়া ১৩/১৬)
ঈশ্বর বললেন, দেখ আমি মাদীয়দের সেনা দ্বারা বাবিলকে আক্রমণ করাব। রূপো ও সোনা দেওয়া হলেও মাদীয়র সেনারা লড়াই থামাবে না। (ইসাইয়া ১৩/১৭)
তীরন্দাজরা যুবকদের হত্যা করবে। শিশুদের তারা ক্ষমা করবে না। তারা ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের প্রতিও করুণা করবে না। (ইসাইয়া ১৩/১৮)
এখন সমস্ত মিদিয়নীয় ছেলেদের হত্যা করো। সমস্ত মিদিয়নীয় স্ত্রীলোকদের হত্যা করো যাদের কোনো না কোনো পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক ছিল। (গণনা পুস্তক : ৩১/১৭)
তুমি সমস্ত যুবতী মেয়েদের বাঁচতে দিতে পারো। কিন্তু কেবল তখনই যদি তাদের সঙ্গে কোনো পুরুষের যৌন সম্পর্ক না থেকে থাকে। (গণনা পুস্তক : ৩১/১৮)
এ কেমন যুদ্ধ? যে যুদ্ধে কুমারি নারীদের ধর্ষন করার জন্য ইশ্বর আদেশ দেন? আবার যারা কোন পুরুষের সাথে যৌন সম্পর্ক করেছে তাদের হত্যা করার আদেশ দেন, আবার ধর্ষিতা নারীদের সন্তানদের তাদের সামনেই হত্যা করতে হুকুম দেন। এমন অমানবিক বিধান আর কি হতে পারে?
আবার যুদ্ধ বন্দীনি নারীদের সোজা বাসায় নিয়ে আসতে হুকুম দেয়! তারা নারীদের বাসায় নিয়ে গেলে কি করতে পারে সেটার বিষয়ে আর কিছুই বললাম না। আপনারাই বুঝে নেন। আর এমনিতেই বাইবেল অনুযায়ী নারীদের ধর্ষন করা বৈধ প্রমান দেখেন :- প্রথম অধ্যায়ের ৪৭ নং পরিচ্ছেদে।
এবং যখন শহরটিকে অধিগ্রহণ করতে প্রভু, তোমাদের ঈশ্বর, তোমাদের সাহায্য করবেন, তখন তোমরা অবশ্যই সেখানকার সমস্ত পুরুষদের হত্যা করবে। (দ্বিতীয় বিবরন ২০/১৩)
যখন কোন শহরকে তোমরা দখল করতে চাইবে তখন প্রভু তোমাদের সাহায্য করবেন.. কিন্তু তোমরা সেখানে কোন পুরুষকে জীবিত রাখবে না। (দ্বিতীয় বিবরন ২০/১৪)
কিন্তু প্রভু, তোমাদের ঈশ্বর, তোমাদের যে দেশ দিচ্ছেন তোমরা যখন সেই দেশের শহরগুলো অধিগ্রহণ করবে, তখন সেখানে শ্বাস নেয় এমন কাউকে জীবিত রাখবে না। (দ্বিতীয় বিবরন ২০/১৬)
তোমরা অবশ্যই প্রভুর আদেশ অনুসারে হিত্তীয়, ইমোরীয়, কনানীয় পরিষীয়, হিব্বীয় এবং য়িবুষীযদের পুরোপুরি ধ্বংস করবে। (দ্বিতীয় বিবরন ২০/১৭)
তোমরা তোমাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গেলে প্রভু তোমাদের ঈশ্বর তাদের পরাজিত করতে তোমাদের সাহায্য করতে পারেন এবং তোমরা তোমাদের শত্রুদের বন্দী করে আনতে পারো। (দ্বিতীয় বিবরণ ২১/১০)
বন্দীদের মধ্যে কোনো সুন্দরী স্ত্রীলোককে দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলে, তোমাদের স্ত্রী হিসেবে তোমরা তাদের চাইতে পারো। (দ্বিতীয় বিবরণ ২১/১১)
তখন তাকে তোমার বাড়ীতে নিয়ে আসবে। সে অবশ্যই তার মাথা কামাবে এবং নখ কাটবে। (দ্বিতীয় বিবরণ ২১/১২)
সে যে জামাকাপড়গুলি পরে আছে যার থেকে বোঝা যায় যে সে যুদ্ধে বন্দীনী ছিল, সেগুলি সে অবশ্যই খুলে ফেলবে। সে অবশ্যই পুরো এক মাস তোমার বাড়ীতে থাকবে এবং বাবা মাকে হারানোর জন্য বিলাপ করবে। এরপর তুমি তার কাছে যেতে পার এবং তার স্বামী হতে পার। সে তোমার স্ত্রী হবে। (দ্বিতীয় বিবরণ ২১/১৩)
যদি তুমি তার সঙ্গে সুখী না হও, তাহলে তুমি তাকে ত্যাগ করবে এবং তাকে স্বাধীনভাবে চলে যেতে দেবে। তুমি তাকে বিক্রি করতে পারবে না। তুমি কখনই তার সঙ্গে ক্রীতদাসের মতো আচরণ করবে না কারণ তার সঙ্গে তোমার যৌন সম্পর্ক ছিল। (দ্বিতীয় বিবরণ ২১/১৪)
এ বিষয়ে মহান আল্লাহ বলেন!
মুশরিকদের কেউ যদি তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে তবে তাকে আশ্রয় দাও যাতে সে আল্লাহর বাণী শোনার সুযোগ পায়। তারপর তাকে তার নিরাপদ জায়গায় পৌঁছে দাও। এটা এজন্য করতে হবে যে, এরা এমন এক সম্প্রদায় যারা (ভাল-মন্দ, সত্য-মিথ্যা সম্পর্কে) অজ্ঞ। (সূরা তওবা আয়াত : ০৬)
এখানে কোরআন বলছে মুশরিকরা যদি আশ্রয় প্রার্থনা করে তাহলে তাদের শুধুমাত্র ছেড়ে দেওয়া যাবে না বরং তাদের নিরাপদ স্থান পর্যন্ত পৌছে দিতে হবে। এমন আরো অসংখ্য বক্তব্য আছে কোরআন ও সহিহ হাদিসে।
এখন আপনারাই বিবেচনা করেন! যে ইশ্বর (জিহাদ - যুদ্ধে) নারীদের ধর্ষন করার আদেশ দেন সেই ইশ্বরকে বিশ্বাস করে জীবন পরিচালনা করা কতটা যৌক্তিক?
📄 বাইবেলে অনুযায়ী ধর্ষণ বৈধ ও ধর্ষণের শাস্তি ধর্ষকের সাথে ধর্ষিতার সারাজীবন থাকতে হবে।
আসুন দেখি বাইবেলের ইশ্বর ধর্ষন ও ধর্ষনের শাস্তির বিধান কি দিয়েছেন?
বাইবেলের আজব ও অযৌক্তিক ধর্ষনের শাস্তির বিধান দেওয়া হয়েছে! যেটা শুনে আপনিও বিচলিত হয়ে যাবেন। এবং ধর্ষনকে বৈধতা দিয়েছে এই বাইবেল। আসুন দেখি বাইবেল কি বলেঃ-
কোন লোক অপরের বাগদত্তা কোন কুমারীকে নগরের মধ্যে দেখতে পেয়ে তার সাথে যৌন সহবাসে লিপ্ত হতে পারে। (দ্বিতীয় বিবরন ২২/২৩)
এই রকম ঘটলে তুমি অবশ্যই তাদের দুজনকে নগরের দ্বারে সকলের সামনে নিয়ে এসে পাথর মেরে হত্যা করবে। লোকটিকে হত্যা করার কারণ সে অপরের স্ত্রীর সাথে যৌন পাপ করেছে! এবং মেয়েটিকে হত্যা করার কারণ সে নগরের মধ্যে থাকলেও সাহায্যের জন্য চিতকার করে নি। তোমরা অবশ্যই এই ভাবে লোকদের মধ্য হতে এই দুষ্টাচার দূর করবে। (দ্বিতীয় বিবরন ২২/২৪)
কিন্তু কোন লোক যদি বাগদত্তা স্ত্রীলোককে ক্ষেতের মধ্যে পেয়ে জোরপূর্বক তার সাথে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হয় তবে কেবল লোকটিকেই মরতে হবে। (দ্বিতীয় বিবরন ২২/২৫)
তোমরা অবশ্যই সেই মেয়েটির প্রতি কিছু করবে না। সে মৃত্যুর যোগ্য এমন কোন অপরাধ করে নি। এই ঘটনা প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে উঠে তাকে হত্যা করার মতো। (দ্বিতীয় বিবরন ২২/২৬)
লোকটি ক্ষেতে সেই বাগদত্তা মেয়েটিকে দেখে তাকে আক্রমণ করল। হয়তো মেয়েটি সাহায্যের জন্যও চিতকার করেছিল কিন্তু সাহায্যের জন্য কেউ ছিল না। সুতরাং তাকে যেন শাস্তি দেওয়া না হয়। (দ্বিতীয় বিবরন ২২/২৭)
একটা মানুষ অন্য কারো স্ত্রীকে পেয়ে ধর্ষন করলে সেই মেয়েটা যদি সাহায্যের জন্য চিতকার না করে তাহলে ওই ধর্ষকের সাথে সেই ধর্ষিতা মেয়েটাকেও মেরে ফেলতে হবে এটা কেমন বিচার বাইবেলের ইশ্বরের?
একটা লোক জোরপূর্বক একটা মেয়েকে পেয়ে ধর্ষন করলো আর মেয়েটি চিতকার করেনি বলে তাকেও মেরে ফেলতে হবে কি হাস্যকর বিধান। এমন নিকৃষ্ট বিধান আর কি হতে পারে।
এবার দেখেন বাইবেলের ইশ্বর ধর্ষনের বৈধতা কিভাবে দিচ্ছে :-
* একজন লোক হয়তো বাগদত্তা নয় এমন কোন কুমারীকে পেয়ে তার সাথে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতে পারে। যদি অন্য লোেকরা তা ঘটতে দেখে। (দ্বিতীয় বিবরন ২২/২৮)
* তাহলে সে মেয়েটির পিতাকে (২০) আউন্স রূপো দেবে এবং সেই মেয়েটি লোকটির স্ত্রী হবে। যেহেতু সে যৌন পাপ করেছিল, তাই তার জীবনকালে সে তাকে ত্যাগ করতে পারবে না। (দ্বিতীয় বিবরন ২২/২৯)
কোন ধর্ষক একটা মেয়েকে পেয়ে ধর্ষন করলে ধর্ষকের শাস্তি হিসাবে সেই ধর্ষিতার পিতাকে (২০) আউন্স রূপো দিবে এতেই ধর্ষকের শাস্তি মাপ হয়ে যাবে। আবার সেই ধর্ষিতাকে সেই ধর্ষকের সাথেই সারাজীবন অতিবাহিত করা লাগবে। এটা কেমন বিধান আমার বুঝে আসে না!
তার মানে দাড়াল কোন পুরুষের কোন মেয়েকে ভালো লাগলে তাকে যখন তখন ধর্ষন করে সেই ধর্ষিতা মেয়ের বাবাকে (২০) আউন্স রূপো দিলেই সব ঠিক হয়ে যাবে! এবং সেই ধর্ষকের সাথেই সেই ধর্ষিতাকে সারাজীবন থাকতে হবে। কি আজব বিধান। এই বিধান যদি কার্যকর করা হয় আপনারাই বিবেচনা করেন তখন পৃথিবীর অবস্থা কি হবে?
আপনারা দেখলেন বাইবেল কিভাবে ধর্ষক তৈরি করে ও ধর্ষনের শাস্তি কি অযৌক্তিক হাস্যকর বিধান দিয়েছেন! এখন আপনারাই বিবেচনা করেন এমন একটা বিকৃত বইতে বিশ্বাস করা কতটা যৌক্তিক?
📄 সমকামীতা নিয়ে বাইবেলের বিধান কি?
বাইবেল অনুযায়ী সমকামীদের হত্যা করার বিধান দেওয়া হয়েছে!
আসুন দেখি বাইবেল কি বিধান দিয়েছে সমকামীদের জন্য। এবং ইউরোপ দেশগুলোতে কত (%) বিশ্বাসী খ্রীষ্টান আছে? এবং কত (%) মানুষ বাইবেল মেনে চলে?
একজন পুরুষের অন্য একজন পুরুষের সঙ্গে স্ত্রীলোকের ন্যায় যৌন সম্পর্ক অবশ্যই থাকবে না। তা হলো ভযঙ্কর পাপ। (লেবীয় পুস্তক ১৮/২২)
যদি কোন পুরুষের অন্য এক পুরুষের সঙ্গে একজন স্ত্রীলোকের মত যৌন সম্পর্ক থাকে তবে এই দুজন পুরুষ এক ভয়ঙ্কর পাপ কার্যে লিপ্ত। তাদের অবশ্যই যেন মেরে ফেলা হয়। তারা তাদের নিজেদের মৃত্যুর জন্য দায়ী। (লেবীয় পুস্তক ২০/১৩)
লোকেরা ঐসব মন্দ কাজে লিপ্ত ছিল বলে ঈশ্বর তাদের ছেড়ে দিলেন ও তাদের লজ্জাজনক অভিলাষের পথে চলতে দিলেন৷ নারীরা পুরুষের সঙ্গে স্বাভাবিক সংসর্গ ত্যাগ করে নিজেদের মধ্যে যৌন সংসর্গে লিপ্ত হয়েছে। (রোমীয় ০১/২৬)
ঠিক একইভাবে পুরুষরাও স্ত্রীদের সঙ্গে স্বাভাবিক সংসর্গ ছেড়ে দিয়ে অপর পুরুষের জন্য লালাযিত হয়ে লজ্জাকর কাজ করেছে! আর এই পাপ কাজের শাস্তি তারা তাদের শরীরেই পেয়েছে। (রোমীয় ০১/২৭)
আমরা বাইবেলে স্পষ্ট ভাবে দেখতে পেলাম সমকামীতা অবৈধ। সমকামিতার অনুমতি বাইবেলে নেই। উল্টো বাইবেলে সমকামীদের হত্যা করতে বলা হয়েছে।
কিন্তু বর্তমানে খ্রিস্টানরা নিজেরাই তাদের বাইবেল মেনে চলে না। ইউরোপ এর অনেক খ্রিস্টান দেশেই সমকামিতা বৈধতা দিয়েছে। এছাড়াও আমেরিকা তো আছেই সমকামীতার শীর্ষে। আমেরিকাতে ক্রমশ বেড়েই যাচ্ছে সমকামিতা। নারীরা নারীদের বিবাহ করছে। পুরুষরা পুরুষদের বিবাহ করছে।
এতেই প্রমানিত হয় ইউরোপ, আমেরিকা যেগুলো খ্রীষ্টান প্রধান দেশ, যাদেরকে খ্রীষ্টানরা তাদের আইডল মনে করে থাকে সেখানেই সবচেয়ে বেশি বাইবেল অমান্য করা হয়।
এছাড়াও সমকামীদের মধ্যে বেশীরভাগই খ্রিস্টান। খ্রিস্টানরাই নিজেদের বাইবেল মানে না। সমকামী নারী নারীদের, পুরুষ পুরুষদের খ্রিস্টান রীতিতে বিবাহ করছে। মানে খ্রিস্টান পৌপদের সাক্ষী রেখেই খ্রিস্টানরা যেভাবে বিবাহ করে সমকামিরাও একই পদ্ধতিতে বিবাহ করে। আমেরিকান খ্রিস্টান পৌপরাও তাদের বাধা দিচ্ছে না।
অর্থাৎ বর্তমান খ্রিস্টানরাই চাইছে সমকামিতা বৈধ করতে৷ তারা বাইবেলের বিধান লংঘন করছে বাইবেলের বিরুদ্ধে যাচ্ছে। খ্রিস্টানরা কতটা ধার্মিক এখান থেকেই বিবেচনা করুন আপনারা?