📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 আল্লাহ প্রতিদিন শেষরাতে নিকটতম আসমানে আসেন কিভাবে? খ্রীষ্টানদের অভিযোগের জবাব।

📄 আল্লাহ প্রতিদিন শেষরাতে নিকটতম আসমানে আসেন কিভাবে? খ্রীষ্টানদের অভিযোগের জবাব।


খ্রীষ্টানরা একটা হাদিস নিয়ে অভিযোগ করে থাকে যে, আল্লাহ কিভাবে প্রতিদিন রাতের শেষ তৃতীয়াংশে নিকতম আসমানে আসতে পারে? যেহেতু পৃথিবীতে এক এক দেশে, এক এক সময় দিনরাত হয়। আসুন খ্রীষ্টানদের এই অজ্ঞতার অভিযোগের জবাব দিব ইনশাআল্লাহ।

প্রথমেই হাদিসটি দেখে নেই যে, হাদিসটা দ্বারা খ্রীষ্টানরা অভিযোগ করে থাকে।
আবু হুরায়রা (রাঃ) হ'তে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, 'প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে মহান আল্লাহ দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন এবং বলেন, কে আছ যে আমাকে ডাকবে আর আমি তার ডাকে সাড়া দিব? কে আছ যে আমার কাছে কিছু চাইবে আর আমি তাকে তা দান করব। কে আছ যে আমার কাছে ক্ষমা চাবে আর আমি তাকে ক্ষমা করে দিব। (বুখারী হাঃ নং: ১১৪৫) (মুসলিম হাঃ নং: ৭৫৮)

এই হাদিসটাকে হাতিয়ার করে খ্রীষ্টানসহ সকল অমুসলিমরা ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে থাকে! আসলে এখানে কি বোঝানো হয়েছে দেখা যাক।

এখন আমাদের বুঝতে হবে হাদিসে শেষ রাত্রিতে দুনিয়ার আকাশে বা নিকটতম আকাশে অবতরণ করা বা আসা বলতে কি বোঝানো হয়েছে।

অনেকেই ব্যাখ্যা করেছেন যে, তিনি পৃথিবীর যেখানে শেষ রাত্রি সেখানে কিভাবে আসেন তা আমরা জানি না, তিনি তাঁর মতো করে আসেন।

কিন্তু আমার ব্যাখ্যাটি আলাদা। তিনি নিকটতম আসমানে অবতরণ করেন বা আসেন বলতে বোঝানো হয়েছে তিনি বান্দার নিকটে আসেন। অর্থাৎ ওই সময় বান্দার ডাক আল্লাহ তায়ালা বেশি শুনেন বা বেশি কবুল করেন।

তিনি নিকটতম আসমানে অবতরণ করেন বলতে বোঝানো হয়নি যে তিনি প্রকৃত অর্থে আসলেই অবতরণ করেন। এটা রূপক অর্থে। এটা ভাষা বা সাহিত্যক। এরকম অনেক আয়াত বা হাদিস রয়েছে। অর্থাৎ ওই সময় বান্দার প্রতি বেশি নজর দেন বা বান্দার বেশি নিকটে আসেন।

কারণ আমরা জানি মহান আল্লাহ তায়ালা সবসময় আরশের উপরেই রয়েছেন।

আল কোরআন সূরা :- (আ'রাফ ০৭/৫৪) (ইউনুস ১০/০৩) (রা'দ ১৩/০২) (ত্ব-হা ২০/০৫) (ফুরক্বান ২৫/৫৯) (সাজদাহ ৩২/৪) (হাদীদ ৫৭/০৪)

তাই বান্দার নিকট আসা বলতে বুঝায় এই না যে সত্যিই নিজের অস্তিত্ব নিয়ে বান্দার কাছাকাছি বা দুনিয়ার আকাশে নেমে পড়েন।

যেমন, মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন,
তোমরা যেখানেই থাক না কেন- তিনি (জানার দিক দিয়ে) তোমাদের সঙ্গে আছেন, তোমরা যা কিছু কর আল্লাহ তা দেখেন। (সূরা হাদীদ ৫৭/০৪)
আমি তার ঘাড়ের শাহ রগ অপেক্ষাও নিকটতর। (সূরা ক্বাফ ৫০/১৬)
আর আমি তোমাদের অপেক্ষা তার নিকটতর, কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না। (সূরা ওয়াক্বি'আহ ৫৬/৮৫)

তুমি কি লক্ষ্য কর না, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে আল্লাহ তা জানেন? তিন ব্যক্তির মধ্যে এমন কোন গোপন পরামর্শ হয় না যাতে চতুর্থজন হিসাবে তিনি থাকেন না এবং পাঁচ ব্যক্তির মধ্যেও এমন কোন গোপন পরামর্শ হয় না, যাতে ষষ্ঠজন হিসাবে তিনি থাকেন না। তারা এতদপেক্ষা কম হোক বা বেশী হোক তারা যেখানেই থাকুক না কেন আল্লাহ (জ্ঞানের দিক দিয়ে) তাদের সাথে আছেন। অতঃপর তারা যা করে, তিনি তাদেরকে ক্বিয়ামতের দিন তা জানিয়ে দিবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক অবগত। (সূরা মুজাদালাহ ৫৮/০৭)

আল্লাহ তা'আলা স্বয়ং আরশের উপর সমাসীন, আর তাঁর জ্ঞান, ক্ষমতা, দেখা-শুনা সবার সাথে। এটাই উক্ত আয়াতগুলোর অর্থ।

একটা উদাহরন দেই তাহলে সহজেই বুঝতে পারবেন :- যেমন আমরা বলে থাকি, অমুক ভাই তুমি এগিয়ে চলো আমরা আছি তোমার সাথে। এখানে তোমার সাথে আছি বলতে বোঝায় না যে, তার সাথে ঘেষে ঘেষে আছি। বুঝাচ্ছেন তাকে আমরা সাপোর্ট করি। বিপদে এগিয়ে আসব। ইত্যাদি।

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন,
যখন আমার বান্দাগণ আমার সম্পর্কে তোমার নিকট জিজ্ঞেস করে, আমি তো (তাদের) নিকটেই, আহবানকারী যখন আমাকে আহবান করে আমি তার আবহানে সাড়া দেই; সুতরাং তাদের উচিত আমার নির্দেশ মান্য করা এবং আমার প্রতি ঈমান আনা, যাতে তারা সরলপথ প্রাপ্ত হয়। (বাকারাহ ০২/১৮৬)

অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালা সবসময় আমাদের সাথে আছেন কিন্তু সর্বত্র বিরাজমান নন বা আমাদের সাথে ঘেষে ঘেষে নন। তাঁর উপরই একমাত্র ভরসা থাকবে। তিনি আরশের উপরেই আছেন। সেখান থেকেই তিনি সবকিছু দেখেন, শুনেন এবং আমাদের সাহায্য করেন।

মহান আল্লাহ বলেন :-
আকাশ ও যমীনে তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদের গোপন ও প্রকাশ্য সব কিছু জানেন এবং তোমরা যা অর্জন কর সেটাও তিনি অবগত আছে। (সূরা আন'আম ০৬/০৩)।
তিনিই ইলাহ নভোমন্ডলে, তিনিই ইলাহ ভূতলে এবং তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ। (সূরা যুখরুফ ৪৩/৮৪)

একি রকমভাবে মহান আল্লাহ তায়ালা শেষ রাত্রিতে দুনিয়ার আকাশে বা নিকটতম আকাশে আসেন বলতে বোঝানো হয়েছে বান্দার নিকটে আসেন। আর বান্দার নিকটে আসা মানে বান্দার ডাক ওই সময় বেশি শুনেন। ওই সময়টাকে আরো জোর বা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ ওই সময় এতো গভীর রাত্রে বান্দা কষ্ট করে আল্লাহকে ডাকে এবং তাঁর কাছে দোয়া চায়।

অর্থাৎ তিনি শেষ রাত্রিতেও আরশের উপরেই থাকেন। কিন্তু পৃথিবীর যেসব স্থানে শেষ রাত্রি হয় সেখানকার মানুষদের প্রতি ওই সময় তিনি বেশি গুরুত্ব দেন এবং ডাকেন 'কে আছ যে আমাকে ডাকবে আর আমি তার ডাকে সাড়া দিব? কে আছ যে আমার কাছে কিছু চাইবে আর আমি তাকে তা দান করব। কে আছ যে আমার কাছে ক্ষমা চাবে আর আমি তাকে ক্ষমা করে দিব।

অনেকে আবার এই হাদিসটা থেকে বলে থাকে পৃথিবীতে এক জায়গায় রাত আবার আরেক জায়গায় দিন এটা আল্লাহ তায়ালা জানতেন না। (নাউযুবিল্লাহ)

এই কথাটা আসলে চরম ভুল। অথচ তিনি তা জানতেন এবং কোরআনেও তা উল্লেখ্য করেছেন।

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, তিনিই রাতকে প্রবেশ করান দিনে আর দিনকে প্রবেশ করান রাতে এবং তিনি অন্তরের বিষয়াদি সম্পর্কে সম্যক অবগত। (সূরা আল-হাদীদ ৫৭/০৬)

আর তাদের জন্য এক নিদর্শন রাত, তা থেকে আমরা দিন অপসারিত করি, তখন তারা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। (সূরা ইয়া-সীন ৩৬/৩৭)

তিনিই দিনকে রাত দিয়ে ঢেকে দেন, তাদের একে অন্যকে দ্রুতগতিতে অনুসরণ করে। (সূরা আল-আ'রাফ ০৭/৫৪)

অর্থাৎ এক জায়গায় রাত আরেক জায়গায় দিন এটা আল্লাহ জানেন এবং কোরআনেও বলে দিয়ে গেছেন যাতে আর সন্দেহই না থাকে।

মহান আল্লাহ বলেন:- এরা একটি ষড়যন্ত্র করছে এবং তাদের মুকাবেলায় আমিও একটি কৌশল করছি। কাজেই ছেড়ে দাও এই কাফেরদেরকে। ছেড়ে দাও তাদেরকে সামান্য কিছুক্ষণের জন্য। (সূরা তারিক : ১৫/১৭)

তিনিই তাঁর রাসূলকে প্রেরণ করেছেন হেদায়াত ও সত্য দ্বীনসহ সকল দ্বীনের উপর তাকে বিজয়ী করার জন্য, যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে। (সূরা সফ : ০৯) (সূরা তওবা : ৩৩)

আশা করি বুঝতে পেরেছেন। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিকভাবে বুঝার তৌফিক দান করুক। আমিন।

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেল নিজেই সাক্ষ্য দিচ্ছে সে বিকৃত কিতাব?

📄 বাইবেল নিজেই সাক্ষ্য দিচ্ছে সে বিকৃত কিতাব?


দেখেন বাইবেল নিজেই বলছে শাস্ত্রবিদরা মিথ্যা বানোয়াট কাহিনি লিখে রেখেছে বাইবেলে। এটা কোন ইশ্বরের প্রেরিত আসমানি কিতাব নয়।

এবার আসেন বাইবেল থেকেই প্রমান দেখি সে নিজেই বলছে সে বিকৃত কিতাব।
তোমরা বলে চলেছো, তোমরা প্রভুর শিক্ষায় জ্ঞানী হয়ে উঠেছ! কিন্তু তা সত্যি নয়। কারণ শাস্ত্রবিদরা মিথ্যা লিখেছিলেন। (যেরেমিয়া ০৮/০৮)

ঐ 'জ্ঞানী ব্যক্তিরা' প্রভুর শিক্ষামালা মেনে চলতে অস্বীকার করেছে। সুতরাং তারা প্রকৃতপক্ষে জ্ঞানী ব্যক্তি নয়। সেই 'জ্ঞানী ব্যক্তিদের' ফাঁদে ফেলা হয়েছিল। তারা বিহবল এবং লজ্জিত হয়েছে। (যেরেমিয়া ০৮/০৯)

বাইবেল নিজেই সাক্ষ্য দিচ্ছে সে বিকৃত কিতাব। এবং এই কিতাব কোন ইশ্বর প্রেরিত নয় আলহামদুলিল্লাহ। তাহলে এখন আপনারাই বিবেচনা করেন এমন বিকৃত কিতাবে বিশ্বাস করা কতটা যৌক্তিক?

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেলে খাৎনা করার বিধান! এবং যীশু নিজেই খাতনা করেছিলেন।

📄 বাইবেলে খাৎনা করার বিধান! এবং যীশু নিজেই খাতনা করেছিলেন।


বাইবেল অনুযায়ী যীশু খাতনা করতে বলেছেন এমনকি যীশু নিজেও খাতনা করিয়েছিলেন।

আসেন দেখি বাইবেলের খাতনা করার বিধানগুলো। যেখানে যীশু নিজেই খাতনা করেছিলেন।

এটাই চুক্তি যা তুমি মেনে চলবে। তোমার ও আমার মধ্যে এটাই হল চুক্তি। তোমার উত্তরপুরুষগণের জন্যেও এটাই চুক্তি। যত পুত্র সন্তান হবে প্রত্যেককে সুন্নত করতে হবে। (আদিপুস্তক ১৭/১০)

তোমার আর আমার মধ্যে চুক্তি যে তুমি মেনে চলবে, এই সুন্নত হবে তার প্রমাণস্বরূপ। (আদিপুস্তক ১৭/১১)

শিশু পুত্রের বয়স আট দিন হলে এই সুন্নত সম্পন্ন করবে। তোমার পরিবারে যত ছেলের এবং তোমার দাসদের মধ্যে যত ছেলের জন্ম হবে, তোমার বংশধর নয় এমন বিদেশীদের কাছ থেকে তোমার অর্থ দিয়ে তুমি যে দাসদের কিনেছিলে তাদের য়ে ছেলেরা জন্মাবে, সকলের অবশ্যই সুন্নত করা হবে। (আদিপুস্তক ১৭/১২)

সুতরাং তোমার জাতির প্রত্যেক শিশু পুত্রকে সুন্নত করা হবে। তোমার পরিবারের অথবা ক্রীতদাসের সব পুত্রদের এভাবে সুন্নত করা হবে। (আদিপুস্তক ১৭/১৩)

আব্রাহাম, তোমার ও আমার মধ্যে এটাই চুক্তি, সুন্নত করা হয়নি এমন কোন পুরুষ থাকলে সে হবে তার নিজের লোকেদের স্বজাতির থেকে বিচ্ছিন্ন। কারণ সে ব্যক্তি আমার চুক্তি ভঙ্গকারী। (আদিপুস্তক ১৭/১৪)

সারা একটি পুত্রের জন্ম দিলেন এবং আব্রাহাম তার নাম রাখলেন ইসহাক।
ইসহাকের আট দিন বয়স হলে, যেমনটি ঈশ্বর বলেছিলেন ঠিক সেইভাবে আব্রাহাম তাঁকে সুন্নত করলেন। (আদিপুস্তক ২১/০৩-০৪)

এরপর আব্রাহামের সঙ্গে ঈশ্বর এক চুক্তি করলেন। এই চুক্তির চিহ্ন হল সুন্নত সংস্কার। এরপর আব্রাহামের একটি পুত্র সন্তান হল। আট দিনের দিন তিনি তার সুন্নত করালেন, সেই পুত্রের নাম ইসহাক৷ ইসহাকের পুত্র যাকোবেরও তারা সুন্নত করলেন। (শিষ্যচরিত্র ০৭/০৮)

এখানে আমরা স্পষ্টভাবে খাতনা করার বিধান বাইবেল থেকেই দেখতে পেলাম। এবার দেখেন যীশু নিজেই খাতনা করেছিলেন।

এর আট দিন পরে সুন্নত করার সময়ে শিশুটির নাম রাখা হল যীশু। তাঁর মাতৃগর্ভে আসার আগেই স্বর্গদূত এই নাম রেখেছিলেন। (লুক ০২/২১)

এখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে যীশু ৮ম দিনে খাতনা করেছিলেন। অথচ খ্রীষ্টানরা তাকেই মেনে চলে না।

আবার এদিকে পৈল খানা করাতে নিষেধ করেছে। শোন! আমি পৌল বলছি। যদি তোমরা সুন্নতের মাধ্যমে আবার বিধি-ব্যবস্থায় ফিরে যাও, তবে তোমরা খ্রীষ্টেতে লাভবান হবে না৷ (গালাতীয় ০৫/০২)

খ্রীষ্টানরা মূলত কার অনুসারী তা হয়তো এখন আর বুঝতে কারো বাকি নাই। যেখানে যীশু নিজেই খাতনা করেছিলেন, সেখানে পল যীশুর বিরুদ্ধে বলে যে খাতনা করা যাবে না।

বাইবেল খ্রীষ্টানদের স্পষ্টভাবে খাতনা করতে বলেছে, এমনকি যীশু নিজেও খাতনা করিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান খ্রীষ্টানরা খাতনা করেন না। কারন তারা মূলত পলের অনুসারী! কারন পল খাতনা করতে নিষেধ করেছে।

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেলে নিজের সন্তানদের সিদ্ধ করে (রান্না-বান্না) করে খাওয়ার বর্ণনা।

📄 বাইবেলে নিজের সন্তানদের সিদ্ধ করে (রান্না-বান্না) করে খাওয়ার বর্ণনা।


বাইবেল অনুযায়ী (পিতা-মাতার) তার নিজের সন্তানদের সিদ্ধ করে খাওয়ার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এমন অযৌক্তিক কথা আর কি হতে পারে আপনারাই বিবেচনা করেন?

পৃথিবীর এমন কোন পাগল (পিতা-মাতা) নাই যে তাদের নিজের সন্তানদের সিদ্ধ করে (রান্না-বান্না) করে খাবে। বাইবেলের এমন সব উদ্ভট বক্তব্য কোন বুদ্ধিমান মানুষ বিশ্বাস করবে না। দেখেন বাইবেলে সন্তান খাওয়ার বর্ণনা।

এমনকি, সমস্ত সুন্দরী মায়েরা তাদের সন্তানদেরই খাদ্যের মতো রান্না করেছে। ওই শিশুগুলি তাদের মায়েদের খাদ্য হয়ে উঠেছিল। আমার লোকদের ধ্বংসের সময় এটা ঘটেছিল। (বিলাপ গাথা ০৪/১০)

তোমার সমস্যাটা কি বলো? মহিলা উত্তর দিলেন, দেখুন ঐ মহিলাটি আমায় বলেছিল, 'আজকে তোমার ছেলেটাকে দাও, মেরে খাওয়া যাক| কাল আমারটাকে খাওয়া যাবে। (০২ রাজাবলি ০৬/২৮)

তখন আমরা আমার ছেলেটাকে সেদ্ধ করে খেলাম। আর পরের দিন আমি খাবার জন্য ওর ছেলেটাকে আনতে গিয়ে দেখি, ও ওর ছেলেটাকে লুকিয়ে ফেলেছে! (০২ রাজাবলি ০৬/২৯)

চিন্তা করেন পিতামাতা তার নিজ সন্তানকে সিদ্ধ করে খেয়েছে এসব উদ্ভট কথা লিখে রেখেছে বাইবেলের ইশ্বর। কোন জ্ঞানসম্পন্ন মানুষ এসব উদ্ভট বক্তব্য থেকে কি শিক্ষা নিবে আপনারাই চিন্তা করেন।

এখন আপনারাই বিবেচনা করেন এসব হাস্যকর রূপকথার উদ্ভট গল্প থেকে মানুষ কি শিক্ষা নিবে?

ফন্ট সাইজ
15px
17px