📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বন্য প্রাণী (Snake - সাপকে) নিয়ে বাইবেলের ঈশ্বরের অজ্ঞাতা, মিথ্যাচার ও অবৈজ্ঞানিক ভুল তথ্য।

📄 বন্য প্রাণী (Snake - সাপকে) নিয়ে বাইবেলের ঈশ্বরের অজ্ঞাতা, মিথ্যাচার ও অবৈজ্ঞানিক ভুল তথ্য।


আসুন বাইবেলের ইশ্বরের (সাপকে) নিয়ে মিথ্যাচার দেখি। সাপ নাকি বন্যপ্রাণীর মধ্যে সবচেয়ে সবচেয়ে চালাক প্রানী ও সাপ নাকি ধুলা খায়? যা অবৈজ্ঞানিক ও ভুল তথ্য।

এবার আসেন বাইবেল থেকে বিস্তারিত দেখি সাপকে নিয়ে বাইবেলের ইশ্বরের অজ্ঞাতা ও মিথ্যাচার।
প্রভু ঈশ্বর যত রকম বন্য প্রাণী সৃষ্টি করেছিলেন সে সবগুলোর মধ্যে সাপ সবচেয়ে চালাক ছিল। সাপ সেই নারীর সঙ্গে একটা চালাকি করতে চাইল। একদিন সাপটা সেই নারীকে জিজ্ঞেস করল, নারী, ঈশ্বর কি বাগানের কোনও গাছের ফল না খেতে সত্যিই আদেশ দিয়েছেন? (আদিপুস্তক ০১/০১)

দেখেন বাইবেলের ইশ্বর এতটাই নির্বোধ ও অজ্ঞ যে তিনি তার সৃষ্টি সম্পর্কেই কিছু জানে না। তিনি বলেন সাপ নাকি বন্য প্রাণীর মধ্যে সবচেয়ে চালাক প্রানী অথচ আজ বিজ্ঞান বলে সাপের থেকেও অসখ্যা চালাক প্রানী আছে।

সুতরাং প্রভু ঈশ্বর সাপটাকে বললেন, তুমি ভীষণ খারাপ কাজ করেছ; তার ফলে তোমার খারাপ হবে। অন্যান্য পশুর চেয়ে তোমার পক্ষে বেশী খারাপ হবে। সমস্ত জীবন তুমি বুকে হেঁটে চলবে আর মাটির ধুলো খাবে। (জেনেসিস ০৩/১৪)

দেখেন বাইবেলের ইশ্বর বলছে, সাপ নাকি ধুলা খায়! এটা হাস্যকর কথা ছাড়া আর কিছুই না। সাপ কি খায় তা বলার ও ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন নাই কারন তা সকল মানুষই জানে। তবে সাপ যে ধুলা খায় না এটাও সবাই জানে! বাইবেলের ইশ্বর মিথ্যা কথা বলেছে এটা বুঝতে হয়তো আর কারো বাকি নাই।

এমন অবৈজ্ঞানিক মিথ্যাবাদি ইশ্বরকে বিশ্বাস করা কতটা যৌক্তিক আপনারাই বিবেচনা করেন। যে কিনা তার সৃষ্টি সম্পর্কেই জানে না।

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেলের (ঈশ্বর) যাকোবের সাথে কুস্তিউদ্ধে পরাজিত হয়ে ভয়ে পালিয়ে গেলেন।

📄 বাইবেলের (ঈশ্বর) যাকোবের সাথে কুস্তিউদ্ধে পরাজিত হয়ে ভয়ে পালিয়ে গেলেন।


দেখেন বাইবেলের ইশ্বর যাকোবের সাথে কুস্তিযুদ্ধে পরাজিত হয়ে ভয়তে সূর্য উঠার আগেই পালিয়ে গেলেন।

আসুন এবার বাইবেল থেকে বিস্তারিত দেখি ইশ্বর কিভাবে তার সৃষ্টির কাছে কুস্তিযুদ্ধে পরাজিত হয়ে ভয়ে পালিয়ে যায়।
অবশেষে যাকোব নদী পার হবার জন্য রইল। কিন্তু সে একা পার হবার আগে একজন পুরুষ এসে তার সঙ্গে মল্লযুদ্ধ করল। সূর্য ওঠার আগে পর্যন্ত সেই পুরুষটি তার সঙ্গে যুদ্ধ করলেন। (আদিপুস্তক ৩২/২৪)

পুরুষটি যখন দেখলেন তিনি যাকোবকে পরাজিত করতে পারছেন না তখন যাকোবের পায়ে আঘাত করলেন, তাতে যাকোরে পায়ের হাড় সরে গেল। (আদিপুস্তক ৩২/২৫)

তারপর সেই পুরুষটি যাকোবকে বললেন, আমায় যেতে দাও, সূর্য উঠছে। কিন্তু যাকোব বলল, আপনি আমাকে আশীর্বাদ না করলে আমি আপনাকে যেতে দেব না। (আদিপুস্তক ৩২/২৬)

সেই পুরুষটি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার নাম কি? যাকোব উত্তর দিল, আমার নাম যাকোব। (আদিপুস্তক ৩২/২৭)

তখন সেই পুরুষটি বললেন, তোমার নাম যাকোবের পরিবর্তে ইস্রায়েল হবে। আমি তোমার এই নাম রাখলাম কারণ তুমি ঈশ্বরের সঙ্গে ও মানুষের সঙ্গে যুদ্ধ করেছ কিন্তু পরাজিত হও নি। (আদিপুস্তক ৩২/২৮)

তখন যাকোব তাকে জিজ্ঞেস করল, দয়া করে বলুন আপনার নাম কি? কিন্তু সেই পুরুষটি বললেন, কি জন্য আমার নাম জিজ্ঞেস করছ? সেই সময়ই পুরুষটি যাকোবকে আশীর্বাদ করলেন। (আদিপুস্তক ৩২/২৯)

তাই যাকোব সেই জায়গার নাম পনূয়েল রাখল। যাকোব বলল, এই স্থানেই আমি ঈশ্বরকে মুখোমুখি দেখলাম কিন্তু তাও প্রাণে বাঁচলাম। (আদিপুস্তক ৩২/৩০)

এবার আপনারাই বলেন যে, ইশ্বর সাধারন মানুষের সাথে যুদ্ধ করে হেরে ভয়তে পালিয়ে যায় এমন ইশ্বরকে বিশ্বাস করা কতটা যৌক্তিক? আবার ইশ্বরকে নাকি যাকোব আটকে রাখতে চায়! এমন শক্তিহীন ইশ্বরকে বিশ্বাস করা কতটা যৌক্তিক?

আপনারা নিজেই দেখতে পেলেন বাইবেলের ইশ্বরের অবস্থা! তিনি তার সৃষ্টির কাছে কুস্তিযুদ্ধে পরাজিত হয়ে ভয়ে পালিয়ে যায়। এমন শক্তিহীন ইশ্বরকে বিশ্বাস করা কতটা যৌক্তিক?

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 আল্লাহ প্রতিদিন শেষরাতে নিকটতম আসমানে আসেন কিভাবে? খ্রীষ্টানদের অভিযোগের জবাব।

📄 আল্লাহ প্রতিদিন শেষরাতে নিকটতম আসমানে আসেন কিভাবে? খ্রীষ্টানদের অভিযোগের জবাব।


খ্রীষ্টানরা একটা হাদিস নিয়ে অভিযোগ করে থাকে যে, আল্লাহ কিভাবে প্রতিদিন রাতের শেষ তৃতীয়াংশে নিকতম আসমানে আসতে পারে? যেহেতু পৃথিবীতে এক এক দেশে, এক এক সময় দিনরাত হয়। আসুন খ্রীষ্টানদের এই অজ্ঞতার অভিযোগের জবাব দিব ইনশাআল্লাহ।

প্রথমেই হাদিসটি দেখে নেই যে, হাদিসটা দ্বারা খ্রীষ্টানরা অভিযোগ করে থাকে।
আবু হুরায়রা (রাঃ) হ'তে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, 'প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে মহান আল্লাহ দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন এবং বলেন, কে আছ যে আমাকে ডাকবে আর আমি তার ডাকে সাড়া দিব? কে আছ যে আমার কাছে কিছু চাইবে আর আমি তাকে তা দান করব। কে আছ যে আমার কাছে ক্ষমা চাবে আর আমি তাকে ক্ষমা করে দিব। (বুখারী হাঃ নং: ১১৪৫) (মুসলিম হাঃ নং: ৭৫৮)

এই হাদিসটাকে হাতিয়ার করে খ্রীষ্টানসহ সকল অমুসলিমরা ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে থাকে! আসলে এখানে কি বোঝানো হয়েছে দেখা যাক।

এখন আমাদের বুঝতে হবে হাদিসে শেষ রাত্রিতে দুনিয়ার আকাশে বা নিকটতম আকাশে অবতরণ করা বা আসা বলতে কি বোঝানো হয়েছে।

অনেকেই ব্যাখ্যা করেছেন যে, তিনি পৃথিবীর যেখানে শেষ রাত্রি সেখানে কিভাবে আসেন তা আমরা জানি না, তিনি তাঁর মতো করে আসেন।

কিন্তু আমার ব্যাখ্যাটি আলাদা। তিনি নিকটতম আসমানে অবতরণ করেন বা আসেন বলতে বোঝানো হয়েছে তিনি বান্দার নিকটে আসেন। অর্থাৎ ওই সময় বান্দার ডাক আল্লাহ তায়ালা বেশি শুনেন বা বেশি কবুল করেন।

তিনি নিকটতম আসমানে অবতরণ করেন বলতে বোঝানো হয়নি যে তিনি প্রকৃত অর্থে আসলেই অবতরণ করেন। এটা রূপক অর্থে। এটা ভাষা বা সাহিত্যক। এরকম অনেক আয়াত বা হাদিস রয়েছে। অর্থাৎ ওই সময় বান্দার প্রতি বেশি নজর দেন বা বান্দার বেশি নিকটে আসেন।

কারণ আমরা জানি মহান আল্লাহ তায়ালা সবসময় আরশের উপরেই রয়েছেন।

আল কোরআন সূরা :- (আ'রাফ ০৭/৫৪) (ইউনুস ১০/০৩) (রা'দ ১৩/০২) (ত্ব-হা ২০/০৫) (ফুরক্বান ২৫/৫৯) (সাজদাহ ৩২/৪) (হাদীদ ৫৭/০৪)

তাই বান্দার নিকট আসা বলতে বুঝায় এই না যে সত্যিই নিজের অস্তিত্ব নিয়ে বান্দার কাছাকাছি বা দুনিয়ার আকাশে নেমে পড়েন।

যেমন, মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন,
তোমরা যেখানেই থাক না কেন- তিনি (জানার দিক দিয়ে) তোমাদের সঙ্গে আছেন, তোমরা যা কিছু কর আল্লাহ তা দেখেন। (সূরা হাদীদ ৫৭/০৪)
আমি তার ঘাড়ের শাহ রগ অপেক্ষাও নিকটতর। (সূরা ক্বাফ ৫০/১৬)
আর আমি তোমাদের অপেক্ষা তার নিকটতর, কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না। (সূরা ওয়াক্বি'আহ ৫৬/৮৫)

তুমি কি লক্ষ্য কর না, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে আল্লাহ তা জানেন? তিন ব্যক্তির মধ্যে এমন কোন গোপন পরামর্শ হয় না যাতে চতুর্থজন হিসাবে তিনি থাকেন না এবং পাঁচ ব্যক্তির মধ্যেও এমন কোন গোপন পরামর্শ হয় না, যাতে ষষ্ঠজন হিসাবে তিনি থাকেন না। তারা এতদপেক্ষা কম হোক বা বেশী হোক তারা যেখানেই থাকুক না কেন আল্লাহ (জ্ঞানের দিক দিয়ে) তাদের সাথে আছেন। অতঃপর তারা যা করে, তিনি তাদেরকে ক্বিয়ামতের দিন তা জানিয়ে দিবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক অবগত। (সূরা মুজাদালাহ ৫৮/০৭)

আল্লাহ তা'আলা স্বয়ং আরশের উপর সমাসীন, আর তাঁর জ্ঞান, ক্ষমতা, দেখা-শুনা সবার সাথে। এটাই উক্ত আয়াতগুলোর অর্থ।

একটা উদাহরন দেই তাহলে সহজেই বুঝতে পারবেন :- যেমন আমরা বলে থাকি, অমুক ভাই তুমি এগিয়ে চলো আমরা আছি তোমার সাথে। এখানে তোমার সাথে আছি বলতে বোঝায় না যে, তার সাথে ঘেষে ঘেষে আছি। বুঝাচ্ছেন তাকে আমরা সাপোর্ট করি। বিপদে এগিয়ে আসব। ইত্যাদি।

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন,
যখন আমার বান্দাগণ আমার সম্পর্কে তোমার নিকট জিজ্ঞেস করে, আমি তো (তাদের) নিকটেই, আহবানকারী যখন আমাকে আহবান করে আমি তার আবহানে সাড়া দেই; সুতরাং তাদের উচিত আমার নির্দেশ মান্য করা এবং আমার প্রতি ঈমান আনা, যাতে তারা সরলপথ প্রাপ্ত হয়। (বাকারাহ ০২/১৮৬)

অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালা সবসময় আমাদের সাথে আছেন কিন্তু সর্বত্র বিরাজমান নন বা আমাদের সাথে ঘেষে ঘেষে নন। তাঁর উপরই একমাত্র ভরসা থাকবে। তিনি আরশের উপরেই আছেন। সেখান থেকেই তিনি সবকিছু দেখেন, শুনেন এবং আমাদের সাহায্য করেন।

মহান আল্লাহ বলেন :-
আকাশ ও যমীনে তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদের গোপন ও প্রকাশ্য সব কিছু জানেন এবং তোমরা যা অর্জন কর সেটাও তিনি অবগত আছে। (সূরা আন'আম ০৬/০৩)।
তিনিই ইলাহ নভোমন্ডলে, তিনিই ইলাহ ভূতলে এবং তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ। (সূরা যুখরুফ ৪৩/৮৪)

একি রকমভাবে মহান আল্লাহ তায়ালা শেষ রাত্রিতে দুনিয়ার আকাশে বা নিকটতম আকাশে আসেন বলতে বোঝানো হয়েছে বান্দার নিকটে আসেন। আর বান্দার নিকটে আসা মানে বান্দার ডাক ওই সময় বেশি শুনেন। ওই সময়টাকে আরো জোর বা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ ওই সময় এতো গভীর রাত্রে বান্দা কষ্ট করে আল্লাহকে ডাকে এবং তাঁর কাছে দোয়া চায়।

অর্থাৎ তিনি শেষ রাত্রিতেও আরশের উপরেই থাকেন। কিন্তু পৃথিবীর যেসব স্থানে শেষ রাত্রি হয় সেখানকার মানুষদের প্রতি ওই সময় তিনি বেশি গুরুত্ব দেন এবং ডাকেন 'কে আছ যে আমাকে ডাকবে আর আমি তার ডাকে সাড়া দিব? কে আছ যে আমার কাছে কিছু চাইবে আর আমি তাকে তা দান করব। কে আছ যে আমার কাছে ক্ষমা চাবে আর আমি তাকে ক্ষমা করে দিব।

অনেকে আবার এই হাদিসটা থেকে বলে থাকে পৃথিবীতে এক জায়গায় রাত আবার আরেক জায়গায় দিন এটা আল্লাহ তায়ালা জানতেন না। (নাউযুবিল্লাহ)

এই কথাটা আসলে চরম ভুল। অথচ তিনি তা জানতেন এবং কোরআনেও তা উল্লেখ্য করেছেন।

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, তিনিই রাতকে প্রবেশ করান দিনে আর দিনকে প্রবেশ করান রাতে এবং তিনি অন্তরের বিষয়াদি সম্পর্কে সম্যক অবগত। (সূরা আল-হাদীদ ৫৭/০৬)

আর তাদের জন্য এক নিদর্শন রাত, তা থেকে আমরা দিন অপসারিত করি, তখন তারা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। (সূরা ইয়া-সীন ৩৬/৩৭)

তিনিই দিনকে রাত দিয়ে ঢেকে দেন, তাদের একে অন্যকে দ্রুতগতিতে অনুসরণ করে। (সূরা আল-আ'রাফ ০৭/৫৪)

অর্থাৎ এক জায়গায় রাত আরেক জায়গায় দিন এটা আল্লাহ জানেন এবং কোরআনেও বলে দিয়ে গেছেন যাতে আর সন্দেহই না থাকে।

মহান আল্লাহ বলেন:- এরা একটি ষড়যন্ত্র করছে এবং তাদের মুকাবেলায় আমিও একটি কৌশল করছি। কাজেই ছেড়ে দাও এই কাফেরদেরকে। ছেড়ে দাও তাদেরকে সামান্য কিছুক্ষণের জন্য। (সূরা তারিক : ১৫/১৭)

তিনিই তাঁর রাসূলকে প্রেরণ করেছেন হেদায়াত ও সত্য দ্বীনসহ সকল দ্বীনের উপর তাকে বিজয়ী করার জন্য, যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে। (সূরা সফ : ০৯) (সূরা তওবা : ৩৩)

আশা করি বুঝতে পেরেছেন। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিকভাবে বুঝার তৌফিক দান করুক। আমিন।

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেল নিজেই সাক্ষ্য দিচ্ছে সে বিকৃত কিতাব?

📄 বাইবেল নিজেই সাক্ষ্য দিচ্ছে সে বিকৃত কিতাব?


দেখেন বাইবেল নিজেই বলছে শাস্ত্রবিদরা মিথ্যা বানোয়াট কাহিনি লিখে রেখেছে বাইবেলে। এটা কোন ইশ্বরের প্রেরিত আসমানি কিতাব নয়।

এবার আসেন বাইবেল থেকেই প্রমান দেখি সে নিজেই বলছে সে বিকৃত কিতাব।
তোমরা বলে চলেছো, তোমরা প্রভুর শিক্ষায় জ্ঞানী হয়ে উঠেছ! কিন্তু তা সত্যি নয়। কারণ শাস্ত্রবিদরা মিথ্যা লিখেছিলেন। (যেরেমিয়া ০৮/০৮)

ঐ 'জ্ঞানী ব্যক্তিরা' প্রভুর শিক্ষামালা মেনে চলতে অস্বীকার করেছে। সুতরাং তারা প্রকৃতপক্ষে জ্ঞানী ব্যক্তি নয়। সেই 'জ্ঞানী ব্যক্তিদের' ফাঁদে ফেলা হয়েছিল। তারা বিহবল এবং লজ্জিত হয়েছে। (যেরেমিয়া ০৮/০৯)

বাইবেল নিজেই সাক্ষ্য দিচ্ছে সে বিকৃত কিতাব। এবং এই কিতাব কোন ইশ্বর প্রেরিত নয় আলহামদুলিল্লাহ। তাহলে এখন আপনারাই বিবেচনা করেন এমন বিকৃত কিতাবে বিশ্বাস করা কতটা যৌক্তিক?

ফন্ট সাইজ
15px
17px