📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেল অনুযায়ী যীশু (পিতা ঈশ্বরের) দৌহিক সম্পর্কের পুত্র ছিল।

📄 বাইবেল অনুযায়ী যীশু (পিতা ঈশ্বরের) দৌহিক সম্পর্কের পুত্র ছিল।


দেখেন বাইবেলের (ইশ্বর) কতটা নিকৃষ্ট যে, তার সৃষ্টির সাথেই (পিতা - ইশ্বর) নিজেই যৌন সম্পর্ক করে (যীশু ও দায়ূদের) জন্ম দেয়। এবং বাইবেল থেকেই প্রমান দেখেন (যীশু ও দায়ূদ) ইশ্বরের (Begotten Son - μονογενους - মনগেনেস) দৌহিক সম্পর্কের পুত্র ছিল।

এবার আসেন বাইবেল থেকে বিস্তারিত দেখি বাইবেল কি বলে?

και ο λογος σαρξ εγενετο και εσκηνωσεν εν ημιν এবং εθεασαμεθα την δοξαν αυτου δοξαν ως (μονογενους) παρα πατρος πληρης χαριτος και αληθειας...... (গ্রীক)
And the Word was made flesh, and dwelt among us, (and we beheld his glory, the glory as of the only begotten of the Father) full of grace and truth. (John 01/14)
বাক্য মানুষের রূপ ধারণ করলেন এবং আমাদের মধ্যে বসবাস করতে লাগলেন৷ পিতা ঈশ্বরের একমাত্র পুত্র হিসাবে তাঁর যে মহিমা, সেই মহিমা আমরা দেখেছি৷ সে বাক্য অনুগ্রহ ও সত্যে পরিপূর্ণ ছিলেন। (যোহন ০১/১৪)

θεον ουδεις εωρακεν πωποτε ο (μονογενης) υιος ο ων εις τον κολπον του πατρος εκεινος εξηγησατο...... (গ্রীক)
No man hath seen God at any time; the only (begotten Son) which is in the bosom of the Father, he hath declared him. (John 01/18)
ঈশ্বরকে কেউ কখনও দেখেনি, কিন্তু একমাত্র পুত্র, যিনি পিতার কাছে থাকেন, তিনিই তাঁকে প্রকাশ করেছেন। (যোহন ০১/১৮)

আরো অনেক জায়গায় যীশুকে (পিতা ইশ্বর) তার (Begotten Son) বলেছে (মানে দৌহিক সম্পর্কের পুত্র) বলেছে, প্রমান দেখেন এই সব জায়গায়।
ওল্ড টেস্টামেন্ট - OLD TESTAMENT (আদিপুস্তক ০৫/০৩-০৪) (লেবীয় পুস্তক ১৮/১১) (গণনা পুস্তক ১১/১২) (দ্বিতীয় বিবরন ২৩/০৮) (বিচারক চরিত্র ০৮/৩০) (সামসঙ্গিত ০২/০৭) (হোসেয়া ০৫/০৭)
নিউ টেস্টামেন্ট - NEW TESTAMENT (যোহন ০৩/১৬) (যোহন ০৩/১৮) (শিষ্যচরিত্র ১৩/৩৩) (০১ করন্থীয় ০৪/১৫) (ফিলেমন ০১/১০) (হিব্রুদের কাছে পত্র ০১/০৫-০৬) (হিব্রুদের কাছে পত্র ০৫/০৫) (পিতরের ১ম পত্র ০১/০৩) (যোহনের ১ম পত্র ০৪/০৯) (যোহনের ১ম পত্র ০৫/০১- ১৮) (প্রকাশিত বাক্য ০১/০৫)

খ্রীষ্টানরা এই (Begotten Son - μονογενους - মনগেনেস) শব্দটার মানে ইশ্বরের একজাত পুত্র বলে থাকে। মানে তারা যীশুকে ইশ্বরের জাত বলে দাবি করে থাকে। যার জন্য তারা যীশুকে ইশ্বর বলে থাকে। একজাত পুত্র মানে তারা বোঝাতে চায় (ইশ্বরের জাত পুত্র / ইশ্বরের বংশের পুত্র)।

যদি খ্রীষ্টানদের কথা তর্কের খাতিরে মেনেও নেই যে (Begotten Son - μονογενους - মনগেনেস) এই শব্দটার মানে একজাত পুত্র মানে ইশ্বরের জাত পুত্র বলা হয়েছে। তাহলে এই একি কথা, একি শব্দ বাইবেলের ইশ্বর (দায়ূদ) কেও বলেছে, তাহলে সেও ইশ্বর, তাকেও তো (পিতা - ইশ্বর) তার (Begotten Son - μονογενους - মনগেনেস) বলেছে।

খ্রীষ্টানদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী দায়ূদ ও ইশ্বরের একজাত পুত্র তাহলে দায়ূদ ও ইশ্বর। অথচ তারা দায়ূদকে তারা ইশ্বরের একজাত পুত্র বলে না তাকে ইশ্বর হিসাবে মানে না।

দেখেন বাইবেলের ইশ্বর দায়ূদকে ও তার (Begotten Son - μονογενους - মনগেনেস) বলেছে।

Εγώ θα αναγγείλω το πρόσταγμα· ο Κύριος είπε σε μένα: Υιός μου είσαι εσύ· εγώ σήμερα σε (γέννησα·)...... (গ্রীক)
Ego tha anangeilo to prostagma: o Kyrios eipe se mena: Yios mou eisai esy: ego simera se (gennisa):......... (উচ্চারন)
I will declare the decree: the LORD hath said unto me, Thou art my Son; this day have I (begotten) thee. (Psalms 02/07)
এখন আমি তোমাকে প্রভুর চুক্তির কথা বলবো। প্রভু আমায় বললেন, আজ আমি তোমার পিতা হলাম! এবং তুমি আমার পুত্র। (সামসঙ্গিত ০২/০৭)

এখানে দায়ূদের সাথে (পিতা - ইশ্বরের) কথা হচ্ছে প্রমান দেখেন :- (সামসঙ্গিত ০৯/০১) (সামসঙ্গিত ১১/০১)।

এখানে (ওল্ড টেস্টামেন্টে) গ্রীকে যে শব্দটা আছে সেটা হল (Begotten Son - γέννησα - গেন্নিসা) এটা হল (Begotten Son - μονογενους - মনগেনেস) এর গ্রামার ছাড়া গ্রীক। যারা গ্রীক ভাষা জানে তারা সহজেই বুঝতে পারবে। দেখেন দুইটা শব্দের উচ্চারণই একি রকম প্রায়। হিব্রুতে (Begotten son) এর মানে যে শব্দটা আছে সেটা হল (য়ালাদ - ויולד)।

দায়ূদ যদি (পিতা ইশ্বরের) (Begotten Son - μονογενῆ - মনগেনে) এর মানে একজাত পুত্র না হয় এবং (ইশ্বর) না হয়। তাহলে যীশুও (পিতা ইশ্বরের) একজাত পুত্র না এবং (ইশ্বর) না।

যদি যীশু (Begotten Son - μονογενῆ - মনগেনে) এই শব্দটার মানে ইশ্বরের একজাত পুত্র হয়। তাহলে দায়ূদ ও (পিতা ইশ্বরের) একজাত পুত্র। কারন দুইজনেরই জন্য (পিতা ইশ্বর) একি শব্দ ব্যবহার করেছে।

এবার বাইবেল থেকেই প্রমান দেখেন (Begotten Son - μονογενῆ - মনগেনে) এই শব্দটার মানে দৌহিক সম্পর্কের পুত্র। এখন আর খ্রীষ্টানদের অস্বীকার করার জায়গা থাকবে না। কারন (পিতা ইশ্বর) নিজেই বলছে যে (Begotten Son - μονογενῆ - মনগেনে) এই শব্দটার মানে দৌহিক সম্পর্কের পুত্র। এখন আর কোন খ্রীষ্টান তাদের মনগড়া ব্যাখ্যা অনুযায়ী (Begotten Son - μονογενῆ - মনগেনে) এই শব্দটার মানে ইশ্বরের একজাত পুত্র বলতে পারবে না।

πιστει προσενηνοχεν αβρααμ τον ισαακ πειραζομενος και τον (μονογενη) προσεφερεν ο τας επαγγελιας αναδεξαμενος....... (গ্রীক)
By faith Abraham, when he was tried, offered up Isaac: and he that had received the promises offered up his only (begotten son)...... (Hebrews 11/17)
ঈশ্বর যখন আব্রাহামের বিশ্বাসের পরীক্ষা করছিলেন, আব্রাহাম তার কিছু পূর্বেই ঈশ্বরের প্রতিশ্রুতি পান তবু তিনি তাঁর পুত্র ইসহাককে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করতে নিয়ে গিয়েছিলেন। আব্রাহাম ঈশ্বরের নির্দেশ পালন করেছিলেন কারণ তাঁর বিশ্বাস ছিল। ঈশ্বর আব্রাহামকে পূর্বেই বলে রেখেছিলেন, 'ইসহাকের মাধ্যমেই তোমার বংশধররা দেখা দেবে৷ (হিব্রুদের কাছে পত্র ১১/১৭)

দেখেন এখানে (পিতা ইশ্বর) আব্রাহামকে বলছে তার ছেলে ইসহাকের মাধ্যমে তার বংশধররা আসবে। এখানে ইসহাকের বংশধর কিভাবে আসবে সেটার জন্য (পিতা ইশ্বর) (Begotten Son - μονογενῆ - মনগেনে) শব্দটা ব্যবহার করেছে। আমরা জানি ইসহাকের স্ত্রীর সাথে দৈহিক সম্পর্ক করে তার সন্তানদের জন্ম দেয়। ইসহাক দুইটি পুত্রের জন্ম দেয় প্রথম সন্তান হল (এষৌ) ও দ্বিতীয় সন্তান হল (যাকোব)। প্রমান দেখেন :- (আদিপুস্তক ২৫/২০-২৬)

আরেকটি প্রমান দেখেন, আমরা জানি (আদম ও ইভ) তারা দৈহিক সম্পর্ক করে তার সন্তানদের জন্ম দেয়। তাদের ক্ষেত্রেও (পিতা ইশ্বর) তাদের সন্তানকে (Begotten Son - γέννησα - গেন্নিসা) বলেছে। মানে (আদম ও ইভের) দৈহিক সম্পর্কের পুত্র বলা হয়েছে। প্রমান দেখেন :- (আদিপুস্তক ০৫/০৩-০৪)

ויחי אדם שלשים ומאת שנה ( ויולד ) בדמותו כצלמו ויקרא את שמו ......... (হিব্রু)
Και ο Αδάμ έζησε 130 χρόνια, και (γέννησε) γιο, σύμφωνα με την ομοίωσή του, σύμφωνα με την εικόνα του, και αποκάλεσε το όνομα του Σηθ· ....... (গ্রীক)
And Adam lived an hundred and thirty years, and (begat a son) in his own likeness, after his image; and called his name Seth:...... (ইংরেজী) (Genesis 05/03)
আদমের যখন (১৩০) বছর বয়স তখন তার আর একটি পুত্র হল। পুত্রটিকে দেখতে হুবহু আদমের মতো। আদম তার নাম রাখলেন শেথ। (আদিপুস্তক ০৫/০৩)

ויהיו ימי אדם אחרי הולידו את שת שמנה מאת שנה ( ויולד ) בנים ובנות....... (হিব্রু)
και οι ημέρες τού Αδάμ, αφού (γέννησε) τον Σηθ, έγιναν 800 χρόνια· και (γέννησε) γιους και θυγατέρες..... (গ্রীক)
And the days of Adam after he had (begotten) Seth were eight hundred years: and he begat sons and daughters:....... (ইংরেজি) (Genesis 05/04)
শেথের জন্মের পর (৮০০) বছর আদম বেঁচেছিলেন। এই সময়ের মধ্যে আদমের আরও পুত্রকন্যা হল। (আদিপুস্তক ০৫/০৪)

দৈহিক সম্পর্কের পুত্র বোঝানোর জন্য (পিতা ইশ্বর) এই সব শব্দগুলো ব্যবহার করেছে :-
গ্রীক :- (Begotten Son - μονογενῆ - মনগেনে) (Begotten Son - γέννησα - গেন্নিসা) এই দুইটাই একি শব্দ।
হিব্রু :- (Begotten son - ויולד - য়ালাদ) এই (য়ালাদ) শব্দটার গ্রীক হল (γέννησα - গেন্নিসা)।

আলহামদুলিল্লাহ বাইবেল থেকেই প্রমান করেছি বাইবেলের (ইশ্বর) তিনি তার নিজ সৃষ্টির সাথে যৌন সম্পর্ক করে (যীশু ও দায়ূদের) জন্ম দেয়। এখন আপনারাই বিবেচনা করেন বাইবেলের ইশ্বর কতটা (নিলজ্জ) সে নিজেই তার সৃষ্টির সাথে দৌহিক সম্পর্ক করে পুত্র জন্ম দেয়।

এখন আপনারাই বিবেচনা করেন এমন ইশ্বরের কথা মেনে চলা কতটা যৌক্তিক।

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 রাজা জেহোইয়াচিনকে নিয়ে বাইবেলের (ঈশ্বরের) গাণিতিক অজ্ঞতা ও বৈপরীত্য।

📄 রাজা জেহোইয়াচিনকে নিয়ে বাইবেলের (ঈশ্বরের) গাণিতিক অজ্ঞতা ও বৈপরীত্য।


বাইবেলের ইশ্বর তার স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা খুব প্রক্ষর কারন তিনি কখন কি বলেন তা নিজেই জানেন না।

বাইবেলের ইশ্বরের গাণিতিক অজ্ঞাতা ও বৈপরীত্য দেখেন :-
Jehoiachin was (eighteen) years old when he began to reign, and he reigned in Jerusalem three months. And his mother's name was Nehushta, the daughter of Elnathan of Jerusalem.
জেহোইয়াচিন ছিলেন (১৮) বছর বয়স্ক, যখন তিনি জেরুজালেম শাসন করতে শুরু করেছিলেন। তখন তিনি (০৩) মাস শাসন করেছিলেন। (০২ রাজাবলি ২৪/০৮)

এখানে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে জেহোইয়াচিন (১৮) বছর বয়সে (০৩) মাস জেরুজালেম শাসন করেছিলেন।

আবার দেখেন বাইবেলের ইশ্বর আরেক জায়গায় কি বলছে :-
Jehoiachin was (eight) years old when he began to reign, and he reigned three months and ten days in Jerusalem: and he did that which was evil in the sight of the LORD.
জেহোইয়াচিন ছিলেন (০৮) বছর বয়স্ক, যখন তিনি জেরুজালেম শাসন করতে শুরু করেছিলেন এবং তিনি (০৩ মাস ১০ দিন) শাসন করেছিলেন। (০২ বংশাবলি ৩৬/০৯)

এখানে বাইবেলের ইশ্বর বলছে, জেহোইয়াচিন (০৮) বছর বয়সে জেরুজালেম (০৩) মাস (১০) দিন শাসন করে।

এখানে আপনারা স্পষ্ট বৈপরীত্য ও বাইবেলের ইশ্বরের অজ্ঞতা দেখতে পাচ্ছেন!

এখন আমার প্রশ্ন :- জোহােইয়াচিন জেরুজালেম শাসন শুরু করেছিলেন (১৮) বছর বয়সে, নাকি (০৮) বছর বয়সে? এবং তিনি (০৩) মাস জেরুজালেম শাসন করেছিলেন? নাকি (০৩) মাস (১০) দিন?

এখানে স্পষ্ট বাইবেলের ইশ্বরের অজ্ঞতা ও বৈপরীত্যের প্রমান পাওয়া যাচ্ছে। আপনারাই বিবেচনা করেন ইশ্বর কি কখনো ভুল করতে পারেন?

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেল অনুযায়ী যীশু পৃথিবীতে শান্তি নয় বরং অশান্তি বাধাতে এসেছে।

📄 বাইবেল অনুযায়ী যীশু পৃথিবীতে শান্তি নয় বরং অশান্তি বাধাতে এসেছে।


বাইবেল অনুযায়ী ইশ্বর যীশুকে প্রেরন করেছে পৃথিবীতে অশান্তি, আগুন ও খারাপ কাজ করতে।

দেখেন যীশু নিজের মুখে সে কি বলছে! সে নাকি পৃথিবীতে শান্তি স্থাপন নয় বরং অশান্তি বাধাতে এসেছে।
একথা ভেবো না যে, আমি পৃথিবীতে শান্তি দিতে এসেছি। আমি শান্তি দিতে আসি নি কিন্তু খড়গ দিতে এসেছি। (মথি ১০/৩৪)

আমি এই ঘটনা ঘটাতে এসেছি, আমি ছেলেকে বাবার বিরুদ্ধে, মেয়েকে মায়ের বিরুদ্ধে, বৌমাকে শাশুড়ীর বিরুদ্ধে দাঁড় করাতে এসেছি। নিজের আত্মীয়েরাই হবে একজন ব্যক্তির সবচেয়ে বড় শত্রু। (মথি ১০/৩৫)

এখন সমস্ত মিদিয়নীয় ছেলেদের হত্যা করো। সমস্ত মিদিয়নীয় স্ত্রীলোকদের হত্যা করো যাদের কোনো না কোনো পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক ছিল। (গণনাপুস্তক : ৩১/১৭)

তুমি সমস্ত যুবতী মেয়েদের বাঁচতে দিতে পারো। কিন্তু কেবল তখনই যদি তাদের সঙ্গে কোনো পুরুষের যৌন সম্পর্ক না থেকে থাকে। (গণনাপুস্তক : ৩১/১৮)

আমি পৃথিবীতে আগুন নিক্ষেপ করতে এসেছি, 'আহা, যদি তা আগেই জ্বলে উঠত৷ (লুক ১২/৪৯)

তোমরা কি মনে কর এই পৃথিবীতে আমি শান্তি স্থাপন করতে এসেছি? না, আমি তোমাদের বলছি, বরং বিভেদ ঘটাতে এসেছি। (লুক ১২/৫২)

এমন জঘন্যতম কথা কি করে বলতে পারে বাইবেলের ইশ্বর আপনারাই বিবেচনা করেন। এমন ইশ্বরের বিশ্বাস করা কতটা যৌক্তিক? যে কিনা নিজেই মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করবে।

বাইবেল থেকেই প্রমানিত যে তাদের ইশ্বর নিজেই মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করবে এবং তিনি পৃথিবীতে শান্তির বদলে অশান্তি সৃষ্টি করবে।

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেলের ঈশ্বর ক্লান্ত হয়ে যেদিন বিশ্রাম নিয়েছিলেন! সেই দিনে কোন কর্ম করলেই মৃত্যুদণ্ড।

📄 বাইবেলের ঈশ্বর ক্লান্ত হয়ে যেদিন বিশ্রাম নিয়েছিলেন! সেই দিনে কোন কর্ম করলেই মৃত্যুদণ্ড।


দেখেন বাইবেলের ইশ্বরের নাকি আবার বিশ্রামের প্রয়োজন হয়! আর সে যদি বিশ্রাম নেয়! তাহলে তখন এই পৃথিবী কে পরিচালনা করেছে? সে বিশ্রাম নিলে তো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়ার কথা।

বাইবেল অনুযায়ী ইশ্বরের বিশ্রামেরও প্রয়োজন হয়! এই সব অদ্ভুদ কথাও নাকি বিশ্বাস করতে হবে মানুষদের। আসেন বাইবেলের বক্তব্য দেখি :-
কিন্তু সপ্তমদিনটি হবে অবসরের। প্রভু, তোমাদের ঈশ্বরের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের দিন। সুতরাং সেই দিনে কেউ কাজ করবে না-তুমি নয়, অথবা তোমার ছেলেরা এবং মেয়েরা, অথবা তোমার স্ত্রী, অথবা তোমার ক্রীতদাস-দাসীরা কেউ নয়। এমনকি তোমাদের গৃহপালিত পশু এবং তোমাদের শহরে বাস করা বিদেশীরাও বিশ্রামের দিনে কোন কাজ করবে না। (যাত্রাপুস্তক ২০/১০)

কারণ প্রভু সপ্তাহে ছয় দিন কাজ করে এই আকাশ, পৃথিবী, সমুদ্র এবং এর মধ্যস্থিত সব কিছু বানিয়েছেন এবং সপ্তমদিনে তিনি বিশ্রাম নিয়েছেন। এইভাবে বিশ্রামের দিনটি প্রভুর আশীর্বাদ ধন্য - ছুটির দিন। প্রভু এই দিনটিকে বিশেষ দিন হিসাবে সৃষ্টি করেছেন। (যাত্রাপুস্তক ২০/১১)

এই বিশ্রামের দিনকে একটি বিশেষ দিনের মর্যাদা দেবে। যদি কেউ এই বিশেষ বিশ্রামের দিনকে অন্য একটি সাধারণ দিনের মতো পালন করে তাহলে তাকে অবশ্যই হত্যা করতে হবে। যদি কেউ এই বিশ্রামের দিনেও কাজ করে, তাহলে তাকে তার লোকদের থেকে বিতাড়িত করতে হবে। (যাত্রাপুস্তক ৩১/১৪)

কাজ করার জন্য সপ্তাহের বাকি ছয় দিন নির্দিষ্ট থাকবে কিন্তু সপ্তম দিনটি হবে বিশেষ বিশ্রামের দিন। এই দিনটি তোলা থাকবে প্রভুর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের দিন হিসেবে। এই বিশেষ বিশ্রামের দিনে কেউ কাজ করলে তার মৃত্যু অনিবার্য। (যাত্রাপুস্তক ৩১/১৫)

তোমরা ছয়দিন ধরে কাজ করবে কিন্তু সপ্তম দিনটি হবে বিশেষভাবে বিশ্রামের জন্য থাকবে। তোমরা ঐদিন বিশ্রাম নেবে এবং এইভাবে প্রভুকে সম্মান জানাবে। যে ব্যক্তি সপ্তম দিন কাজ করবে তাকে হত্যা করা হবে। (যাত্রাপুস্তক ৩৫/০২)

ঐ বিশ্রামের দিন তোমাদের বাড়ীর কোথাও তোমরা আগুন পর্যন্ত জ্বালাবে না। (যাত্রাপুস্তক ৩৫/০৩)

যদি এই বিশ্রামের দিনে কেউ সামান্যতম কোন কাজ করে তাহলে তাকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হবে, এমন অমানবিক নিষ্ঠুর কথা কি কোন ইশ্বরের পক্ষে মানায়? এমনকি এই বিশ্রামের দিনে কোন রান্নাবান্না ও করা যাবে না।

কিন্তু দেখেন পৃথিবীর সকল খ্রীষ্টানই এই বিশ্রামের দিনে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকেন। তারা কেউ তাদের ইশ্বরের এতবড় একটা আদেশ অমান্য করে থাকেন। বাইবেলের ইশ্বর এই সামান্য বিষয়টা জানে না যে বিশ্রামের দিন যদি চুলায় আগুন না জালায় তাহলে সকলের না খেয়ে থাকতে হবে।

এ বিষয় মহান আল্লাহ বলেন :-
আল্লাহ, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোন উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সর্বদা রক্ষণাবেক্ষণকারী। তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করে না। আকাশমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, তাঁরই। কে সেই ব্যক্তি যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর নিকট সুপারিশ করে? তিনি লোকদের সমুদয় প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অবস্থা জানেন। পক্ষান্তরে মানুষ তাঁর জ্ঞানের কোনকিছুই আয়ত্ত করতে সক্ষম নয়, তিনি যে পরিমাণ ইচ্ছে করেন সেটুকু ছাড়া। তাঁর কুরসী আকাশ ও পৃথিবী পরিবেষ্টন করে আছে এবং এ দু'য়ের রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না, তিনি উচ্চ মর্যাদাশীল, মহান। (সূরা বাকারা আয়াত : ২৫৫)

আলহামদুলিল্লাহ কোরআন অনুযায়ী আল্লাহর কোন নিদ্রার ও বিশ্রামের প্রয়োজন হয় না।

বাইবেল অনুযায়ী তাদের ইশ্বর বিশ্রাম নেন এমন অযৌক্তিক কথায় বিশ্বাস করা কতটা যৌক্তিক আপনারাই বিবেচনা করেন। এমন বিকৃত বইকে বিশ্বাস না করাই ভালো।

ফন্ট সাইজ
15px
17px