📄 বাইবেলের অনুযায়ী (পিতা - ঈশ্বর) মিথ্যাবাদি।
দেখেন বাইবেলের ঈশ্বর কিভাবে মিথ্যা কথা ও মিথ্যা আশা দেয় তার অনুসারীদেরকে। বাইবেল পড়লে দেখতে পাবেন বাইবেলের ঈশ্বর এমন অনেক মিথ্যা কথা ও মিথ্যা আশা মানুষদেরকে দিয়েই থাকে।
* তখন প্রভু বললেন, “মানুষ নেহাতই রক্তমাংসের জীব মাত্র... আমি ওদের (১২০) বছর করে আয়ু দেব। (আদিপুস্তক ০৬/০৪)
দেখেন বাইবেলের ঈশ্বর মানুষদের কথা দিয়েছে তাদেরকে তিনি (১২০) বছর আয়ু দেবে। অথচ পৃথিবীর কোটি কোটি খ্রীষ্টান আছে যারা (১২০) বছরের আগেই মারা যায়। এখান থেকে প্রমানিত বাইবেলের ঈশ্বর তিনি মিথ্যাবাদি।
* কিন্তু যে বৃক্ষ ভালো আর মন্দ বিষয়ে জ্ঞান দেয় সেই বৃক্ষের ফল কখনও খেও না। যদি তুমি সেই বৃক্ষের ফল খাও, তোমার মৃত্যু হবে! (আদিপুস্তক ০২/১৮)
দেখেন এখানে আদম ও হাওয়াকে নিষিদ্ধ গাছের ফল খেতে মানা করেছিল তাদের ঈশ্বর। বাইবেলের ঈশ্বর বলছে নিষিদ্ধ গাছের ফল খেলে মারা যাবে। অথচ দেখেন আদম নিষিদ্ধ গাছের ফল খাওয়ার পরও সে মারা যায় নাই। সে বেচে ছিল। এখান থেকে প্রমান হয় যে তিনি মিথ্যাবাদি ছাড়া আর কিছুই না।
এমন মিথ্যাবাদি ঈশ্বরকে বিশ্বাস করলে স্বর্গ তো দূরের কথা উল্টো নরকে যেতে হবে। বাইবেলের ঈশ্বর যে মিথ্যাবাদি তা নিজের কথা দ্বারাই প্রমানিত হল।
দেখেন বাইবেলের ইশ্বর কিভাবে মিথ্যা কথা ও মিথ্যা আশা দেয় তার অনুসারীদেরকে।
বাইবেল পড়লে দেখতে পাবেন বাইবেলের ইশ্বর এমন অনেক মিথ্যা কথা ও মিথ্যা আশা মানুষদেরকে দিয়েই থাকে। এবার আসেন দেখি বাইবেলের ইশ্বরের কিছু মিথ্যা কথা ও মিথ্যা আশা।
তখন প্রভু বললেন, “মানুষ নেহাতই রক্তমাংসের জীব মাত্র। ওদের দ্বারা আমি আমার আত্মাকে চিরকাল পীড়িত হতে দেব না। আমি ওদের (১২০) বছর করে আয়ু দেব। (আদিপুস্তক ০৬/০৪)
দেখেন বাইবেলের ইশ্বর মানুষদের কথা দিয়েছে তাদেরকে তিনি (১২০) বছর আয়ু দেবে। অথচ পৃথিবীর কোটি কোটি খ্রীষ্টান আছে যারা (১২০) বছরের আগেই মারা যায়। এখান থেকে প্রমানিত বাইবেলের ইশ্বর তিনি মিথ্যাবাদি।
কিন্তু যে বৃক্ষ ভালো আর মন্দ বিষয়ে জ্ঞান দেয় সেই বৃক্ষের ফল কখনও খেও না। যদি তুমি সেই বৃক্ষের ফল খাও, তোমার মৃত্যু হবে! (আদিপুস্তক ০২/১৮)
দেখেন এখানে (আদম ও হাওয়াকে) নিষিদ্ধ গাছের ফল খেতে মানা করেছিল তাদের ইশ্বর। বাইবেলের ইশ্বর বলছে নিষিদ্ধ গাছের ফল খেলে মারা যাবে। অথচ দেখেন (আদম) নিষিদ্ধ গাছের ফল খাওয়ার পরও সে মারা যায় নাই। সে বেচে ছিল। এখান থেকে প্রমান হয় যে তিনি মিথ্যাবাদি ছাড়া আর কিছুই না।
এমন মিথ্যাবাদি ইশ্বরকে বিশ্বাস করলে স্বর্গ তো দূরের কথা উল্টো নরকে যেতে হবে। বাইবেলের ইশ্বর যে মিথ্যাবাদি তা নিজের কথা দ্বারাই প্রমানিত হল।
📄 যীশুর শিক্ষায় কোনো কিছু সংযোজন ও বাদ দেওয়া যাবে না! এবং তাকে বাদে অন্য কাউকে শিক্ষক হিসাবে গ্রহন করা যাবে না।
বাইবেল স্পষ্ট করে বলেছে যীশুর শিক্ষায় কোন কিছু বাদ দেওয়া যাবে না ও নতুন কিছু সংযোজনও করা যাবে না। এবং তাকে বাদে অন্য কাউকে শিক্ষক হিসেবে গ্রহন করা যাবে না।
আসুন দেখি বাইবেলে যীশু কি বলেছেন?
* আমি তোমাদের যে আদেশ দিয়েছি তার সঙ্গে তোমরা কোন কিছু যোগ কর না এবং তার থেকে কোনো কিছু বাদ দিও না। তোমরা অবশ্যই তোমাদের প্রভু, ঈশ্বরের আদেশ মান্য করবে, যা আমি তোমাদের দিয়েছি। (দ্বিতীয় বিবরন ০৪/১১)
* কেউ যেন তোমাদের শিক্ষক বলে না ডাকে, কারণ তোমাদের শিক্ষক একজনই, তিনি খ্রীষ্ট। (মথি ২৩/১০)
বাইবেল স্পষ্ট করে বলে দিয়েছে যীশুকে ছাড়া কারো শিক্ষা গ্রহন করা যাবে না এবং তার শিক্ষা ও আদেশের মধ্যে অন্য কোন মানুষের আদেশ ও শিক্ষা যেন না ঢোকানো হয়। তারপরও খ্রীষ্টানরা তাদের চার্চের শিক্ষা, সাধারণ মানুষের বানানো গল্প, পলের মত খুনির কথা মেনে চলে। খ্রীষ্টানরা যে যীশুর শিক্ষা মেনে চলে না তার প্রমান বর্তমান বিকৃত বাইবেল ও তার অনুসারীদের দেখলেই বুঝা যায়।
বাইবেল স্পষ্ট করে বলেছে যীশুর শিক্ষায় কোন কিছু বাদ দেওয়া যাবে না ও নতুন কিছু সংযোজনও করা যাবে না। এবং তাকে বাদে অন্য কাউকে শিক্ষক হিসেবে গ্রহন করা যাবে না।
আসুন দেখি বাইবেলে যীশু কি বলেছেন?
আমি তোমাদের যে আদেশ দিয়েছি তার সঙ্গে তোমরা কোন কিছু যোগ কর না এবং তার থেকে কোনো কিছু বাদ দিও না। তোমরা অবশ্যই তোমাদের প্রভু, ঈশ্বরের আদেশ মান্য করবে, যা আমি তোমাদের দিয়েছি। (দ্বিতীয় বিবরন ০৪/১১)
কেউ যেন তোমাদের শিক্ষক বলে না ডাকে, কারণ তোমাদের শিক্ষক একজনই, তিনি খ্রীষ্ট। (মথি ২৩/১০)
বাইবেল স্পষ্ট করে বলে দিয়েছে যীশুকে ছাড়া কারো শিক্ষা গ্রহন করা যাবে না এবং তার শিক্ষা ও আদেশের মধ্যে অন্য কোন মানুষের আদেশ ও শিক্ষা যেন না ঢোকানো হয়। তারপরও খ্রীষ্টানরা তাদের চার্চের শিক্ষা, সাধারণ মানুষের বানানো গল্প, পলের মত খুনির কথা মেনে চলে।
খ্রীষ্টানরা যে যীশুর শিক্ষা মেনে চলে না তার প্রমান বর্তমান বিকৃত বাইবেল ও তার অনুসারীদের দেখলেই বুঝা যায়।
📄 বাইবেল অনুযায়ী (খ্রীষ্টানরা) পরিচয়হীন জাতি! এবং তারা পরিচয়হীন ধর্মের অনুসারী।
গোটা বাইবেলে তাদের ইশ্বর কোথাও খ্রীষ্টানদেরকে খ্রীষ্টান বলে পরিচয় দিতে বলে যায় নাই। তারা কেন খ্রীষ্টান বলে তাদের পরিচয় দেয় এটা আমার বুঝে আসে না। তাদের ইশ্বর তাদের কোন পরিচয়ই দিয়ে যায় নাই তারা কোন ধর্মের বা কোন জাতির।
গোটা বাইবেলে যীশুর অনুসারীদের তিন জায়গায় খ্রীষ্টান নামে অভিহিত করা হয়েছে। তবে এই তিন জায়গার একজায়গায়ও তাদের ইশ্বর তাদরকে খ্রীষ্টান বলে নাই ও নিজেদেরকে খ্রীষ্টান বলে পরিচয় দিতে বলে যায় নাই।
সেখানে শৌলের দেখা পেয়ে তিনি তাঁকে আন্তিয়খিয়াতে নিয়ে এলেন। তাঁরা সম্পূর্ণ এক বছর বিশ্বাসী সমাবেশে থেকে বহু লোককে শিক্ষা দিলেন৷ আন্তিয়খিয়াতেই অনুগামীরা প্রথম 'খ্রীষ্টান' নামে অভিহিত হলেন৷ (শিষ্যচরিত্র ১১/২৬)
তখন আগ্রিপ্প পৌলকে বললেন, 'তুমি কি মনে করছ, আমাকে এত অল্প সময়ের মধ্যে খ্রীষ্টান করতে পারবে? (শিশ্যচরিত্র ২৬/২৮)
কিন্তু যদি কেউ খ্রীষ্টান বলে দুঃখভোগ করে, তবে সে যেন লজ্জা না পায়, কিন্তু তার সেই নাম (খ্রীষ্টান) আছে বলে সে ঈশ্বরের প্রশংসা করুক। (পিতরের ১ম পত্র ০৪/১৬)
দেখেন কোন জায়গায়ই বাইবেলের ইশ্বর তার অনুসারীদের খ্রীষ্টান বলে পরিচয় দিতে বলে নাই। সব জায়গায় অন্য সাধারণ মানুষজন খ্রীষ্টান বলে ডেকেছে।
এ বিষয় মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের মুসলিম বলে পরিচয় দিতে।
এটা তোমাদের পিতা ইবরাহীমের দীন। তিনিই তোমাদের নাম রেখেছেন 'মুসলিম' পূর্বে এবং এ কিতাবেও। যাতে রাসূল তোমাদের জন্য সাক্ষী হয় আর তোমরা মানুষের জন্য সাক্ষী হও। (সূরা হাজ্বের আয়াত : ৭৮)
আরো অসংখ্য জায়গায় পবিত্র কোরআনে আল্লাহ মুসলিমদের মুসলিম বলে পরিচয় দিতে বলেছে। (সূরা বাকারা, আয়াত-১২৮) (সূরা বাকারা, আয়াত : ১৩২) (সূরা বাকারা, আয়াত : ১৩৬) (সূরা ফুস্সিলাতের আয়াত: ৩৩) (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ৫২) (সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৬৪) (সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১০২) (সূরা আনআম, আয়াত : ১৬৩) (সূরা ইউনুস, আয়াত: ৭২) (সূরা হুদ, আয়াত: ১৪) (সূরা হিজর, আয়াত : ০২) (সূরা নামল, আয়াত: ৮১) (সূরা নামল, আয়াত : ৯১) (সূরা কাসাস, আয়াত: ৫২) (সূরা যুমার, আয়াত : ১২) (সূরা যুখরুফ, আয়াত : ৬৯) (সূরা আহকাফ, আয়াত: ১৫) (সূরা জ্বীন, আয়াত : ১৪)।
বাইবেল অনুযায়ী খ্রীষ্টানরা হল পরিচয়হীন জাতি ও পরিচয়হীন ধর্ম। যে ধর্মের পরিচয়ই নাই সেই ধর্মের অনুসরণ করা কতটা যৌক্তিক আপনারাই বিবেচনা করেন।
📄 বাইবেল অনুযায়ী (যীশু পাপি ও অভিসাপগ্রস্থ) মানুষ ছিলেন।
বাইবেল অনুযায়ী যীশু পাপি ও অভিশাপগ্রস্ত মানুষ ছিলেন! হুম এমনটাই বলছে বাইবেল।
বাইবেল স্পষ্ট করে বলছে যীশু অভিশাপগ্রস্থ একজন মানুষ ছিল এবং তিনি জন্ম থেকেই পাপি ও মন্দ স্বভাবের ছিলেন।
বিধি-ব্যবস্থা আমাদের ওপর যে অভিশাপ চাপিয়ে দিয়েছে তার থেকে খ্রীষ্ট আমাদের উদ্ধার করেছেন। খ্রীষ্ট আমাদের স্থানে দাঁড়িয়ে নিজের ওপর সেই অভিশাপ গ্রহণ করলেন। কারণ শাস্ত্র বলছে: 'যার দেহ গাছে টাঙ্গানো হয় সে অভিশাপগ্রস্থ। (গালাতিয় ০৩/১৩)
মৃত্যুদণ্ডের উপযুক্ত পাপ করেছে যে ব্যক্তি তাকে হত্যা করে তার শরীরটিকে কোন গাছের ওপরে ঝুলিয়ে দেওয়া হবে। (দ্বিতীয় বিবরন ২১/২২)
গাছে ঝোলানো মানুষ ইশ্বরের দ্বারা অভিশপ্ত। (দ্বিতীয় বিবরন ২১/২৩)
তারা তাঁকে কাঠের তৈরী এক ক্রুশে ঝুলিয়ে হত্যা করেছে। (শিষ্যচরিত্র ১০/৩৯)
বাল্যকাল থেকে মানুষ মন্দ স্বভাবের। (আদিপুস্তক ০৮/২১)
যীশু যেহেতু তার মায়ের গর্ভে জন্মগ্রহন করেছে সেহেতু সে পাপি কারন তাদের ইশ্বর বলছে মানুষ জন্মগতভাবে (খারাপ - মন্দ) স্বভাবের।
আবার দেখেন যীশুকে ইহুদিরা গাছে টানিয়েছিল মেরে ফেলার জন্য। বাইবেল বলছে যাকে গাছে টানানো হয় সে অভিশাপগ্রস্ত মানুষ এবং যীশু মৃত্যুদন্ডের মত পাপ কাজ করেছিল তাই তাকে ক্রুশে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার মানে দাড়াল যীশু পাপি ও অভিশাপগ্রস্ত মানুষ ছিলেন।
আবার দেখেন অপরদিকে বাইবেল বলছে যীশুর মুখে কখনো ছলনার কথা শোনা যায় নাই ও তিনি কোন পাপ করেন নাই। এখানেও বৈপরীত্য।
তিনি কখনও কোন পাপ করেন নি, এবং তাঁর মুখে কখনও কোন ছলনার কথা শোনা যায় নি। (পিতরের ১ম পত্র ০২/২২)
তার মৃত্যু হয়েছিল এবং ধনীদের সঙ্গে তাকে সমাহিত করা হয়েছিল। তাকে দুষ্ট লোকদের সঙ্গে সমাহিত করা হয়েছিল যদিও সে কোন হিংস্র কাজ করেনি। সে কখনও কাউকে প্রতারণা করেনি। (ইসাইয়া ৫৩/০৯)
খ্রীষ্টানদের কথা ও বাইবেল অনুযায়ী (আদম ও ইভ) পাপ করেছিল তার জন্য আমরা পাপি। আর এই পাপ থেকে মুক্তির জন্য যীশু পৃথিবীতে এসে সকলের পাপ নিয়ে মারা গেছে।
এখানে যীশু পাপি ও খারাপ মানুষ ছিল কারন (আদম ও ইভের) পাপের জন্য যদি সকল মানুষ পাপি হয় তাহলে যীশুও পাপি। যীশু কোন পাপ কাজ করে নাই। কারো সাথে প্রতারনা করে নাই সেটা বলা হয়েছে। এটা বলা হয়নি যে তিনি পাপি ছিলেন না। মূলত বাইবেল অনুযায়ী যীশু পাপি ছিল। এখন যদি খ্রীষ্টানরা বলে যীশু পাপি ছিল না তাহলে আমরা বলবো পৃথিবীর কোন মানুষই পাপি ছিল না।
বাইবেল থেকেই প্রমানিত যীশু পাপি ও মন্দ স্বভাবের ছিল। তাহলে সে কিভাবে আমাদের পাপ নিয়ে মারা যাবে? সে নিজেই তো পাপি ও খারাপ স্বভাবের ছিল।