📄 বাইবেলের ঈশ্বরের অযৌক্তিক কথা "মৃতরা মৃতদের কবর" দিবে।
বাইবেলের ঈশ্বর কতটা অযৌক্তিক কথা বলে দেখেন। এমন ঈশ্বরে বিশ্বাস করা কতটা যৌক্তিক? মৃতরা কি কখনো মৃতদের কবর দিতে পারে? হুম জানি পারে না! কিন্তু বাইবেল এমনটাই বলছে:
* তাঁর অনুগামীদের মধ্যে আর একজন বললেন, প্রভু আগে আমার বাবাকে কবর দিয়ে আসার অনুমতি দিন, তারপর আমি আপনাকে অনুসরণ করব। (মথি ০৮/২১)
* কিন্তু যীশু তাকে বললেন, তুমি আমার সঙ্গে এস, যাঁরা মৃত তারাই মৃতদের কবর দেবে। (মথি ০৮/২২)
কিছু খ্রীষ্টানরা বলে থাকে এখানে মৃতরা মৃতদের কবর দিবে এটা নাকি রূপক অর্থে বলা হয়েছে। তারা এখানে মূলত বোঝাতে চায় যাদের অন্তর মরে গেছে তাদের কথা বোঝানো হয়েছে। আচ্ছা ধরেন যীশুর এই অনুসারীর বাবার অন্তর মরে গেছে তাই বলে কি তার ছেলে তার বাবার অন্তর করব দিবে? এটা কেমন রূপক কথা?
মৃতরা কি কখনো মৃতদের কবর দিতে পারে না এটাই সত্য! মৃতরা মৃতদের কবর দিবে এমন অযৌক্তিক কথা কি কোন ঈশ্বর বলতে পারে আপনারাই বিবেচনা করেন?
বাইবেলের ইশ্বর কতটা অযৌক্তিক কথা বলে দেখেন। এমন ইশ্বরে বিশ্বাস করা কতটা যৌক্তিক?
মৃতরা কি কখনো মৃতদের কবর দিতে পারে? হুম জানি পারে না! কিন্তু বাইবেল এমনটাই বলছে যে মৃতরা মৃতদের কবর দিতে পারে কি হাস্যকর কথা।
তাঁর অনুগামীদের মধ্যে আর একজন বললেন, প্রভু আগে আমার বাবাকে কবর দিয়ে আসার অনুমতি দিন, তারপর আমি আপনাকে অনুসরণ করব। (মথি ০৮/২১)
কিন্তু যীশু তাকে বললেন, তুমি আমার সঙ্গে এস, যাঁরা মৃত তারাই মৃতদের কবর দেবে। (মথি ০৮/২২)
কিছু খ্রীষ্টানরা বলে থাকে এখানে মৃতরা মৃতদের কবর দিবে এটা নাকি রূপক অর্থে বলা হয়েছে। তারা এখানে মূলত বোঝাতে চায় যাদের অন্তর মরে গেছে তাদের কথা বোঝানো হয়েছে।
আচ্ছ ধরেন যীশুর এই অনুসারীর বাবার অন্তর মরে গেছে তাই বলে কি তার ছেলে তার বাবার অন্তর করব দিবে? এটা কেমন রূপক কথা?
মৃতরা কি কখনো মৃতদের কবর দিতে পারে না এটাই সত্য! মৃতরা মৃতদের কবর দিবে এমন অযৌক্তিক কথা কি কোন ইশ্বর বলতে পারে আপনারাই বিবেচনা করেন?
📄 বাইবেলের অনুযায়ী (পিতা - ঈশ্বর) মিথ্যাবাদি।
দেখেন বাইবেলের ঈশ্বর কিভাবে মিথ্যা কথা ও মিথ্যা আশা দেয় তার অনুসারীদেরকে। বাইবেল পড়লে দেখতে পাবেন বাইবেলের ঈশ্বর এমন অনেক মিথ্যা কথা ও মিথ্যা আশা মানুষদেরকে দিয়েই থাকে।
* তখন প্রভু বললেন, “মানুষ নেহাতই রক্তমাংসের জীব মাত্র... আমি ওদের (১২০) বছর করে আয়ু দেব। (আদিপুস্তক ০৬/০৪)
দেখেন বাইবেলের ঈশ্বর মানুষদের কথা দিয়েছে তাদেরকে তিনি (১২০) বছর আয়ু দেবে। অথচ পৃথিবীর কোটি কোটি খ্রীষ্টান আছে যারা (১২০) বছরের আগেই মারা যায়। এখান থেকে প্রমানিত বাইবেলের ঈশ্বর তিনি মিথ্যাবাদি।
* কিন্তু যে বৃক্ষ ভালো আর মন্দ বিষয়ে জ্ঞান দেয় সেই বৃক্ষের ফল কখনও খেও না। যদি তুমি সেই বৃক্ষের ফল খাও, তোমার মৃত্যু হবে! (আদিপুস্তক ০২/১৮)
দেখেন এখানে আদম ও হাওয়াকে নিষিদ্ধ গাছের ফল খেতে মানা করেছিল তাদের ঈশ্বর। বাইবেলের ঈশ্বর বলছে নিষিদ্ধ গাছের ফল খেলে মারা যাবে। অথচ দেখেন আদম নিষিদ্ধ গাছের ফল খাওয়ার পরও সে মারা যায় নাই। সে বেচে ছিল। এখান থেকে প্রমান হয় যে তিনি মিথ্যাবাদি ছাড়া আর কিছুই না।
এমন মিথ্যাবাদি ঈশ্বরকে বিশ্বাস করলে স্বর্গ তো দূরের কথা উল্টো নরকে যেতে হবে। বাইবেলের ঈশ্বর যে মিথ্যাবাদি তা নিজের কথা দ্বারাই প্রমানিত হল।
দেখেন বাইবেলের ইশ্বর কিভাবে মিথ্যা কথা ও মিথ্যা আশা দেয় তার অনুসারীদেরকে।
বাইবেল পড়লে দেখতে পাবেন বাইবেলের ইশ্বর এমন অনেক মিথ্যা কথা ও মিথ্যা আশা মানুষদেরকে দিয়েই থাকে। এবার আসেন দেখি বাইবেলের ইশ্বরের কিছু মিথ্যা কথা ও মিথ্যা আশা।
তখন প্রভু বললেন, “মানুষ নেহাতই রক্তমাংসের জীব মাত্র। ওদের দ্বারা আমি আমার আত্মাকে চিরকাল পীড়িত হতে দেব না। আমি ওদের (১২০) বছর করে আয়ু দেব। (আদিপুস্তক ০৬/০৪)
দেখেন বাইবেলের ইশ্বর মানুষদের কথা দিয়েছে তাদেরকে তিনি (১২০) বছর আয়ু দেবে। অথচ পৃথিবীর কোটি কোটি খ্রীষ্টান আছে যারা (১২০) বছরের আগেই মারা যায়। এখান থেকে প্রমানিত বাইবেলের ইশ্বর তিনি মিথ্যাবাদি।
কিন্তু যে বৃক্ষ ভালো আর মন্দ বিষয়ে জ্ঞান দেয় সেই বৃক্ষের ফল কখনও খেও না। যদি তুমি সেই বৃক্ষের ফল খাও, তোমার মৃত্যু হবে! (আদিপুস্তক ০২/১৮)
দেখেন এখানে (আদম ও হাওয়াকে) নিষিদ্ধ গাছের ফল খেতে মানা করেছিল তাদের ইশ্বর। বাইবেলের ইশ্বর বলছে নিষিদ্ধ গাছের ফল খেলে মারা যাবে। অথচ দেখেন (আদম) নিষিদ্ধ গাছের ফল খাওয়ার পরও সে মারা যায় নাই। সে বেচে ছিল। এখান থেকে প্রমান হয় যে তিনি মিথ্যাবাদি ছাড়া আর কিছুই না।
এমন মিথ্যাবাদি ইশ্বরকে বিশ্বাস করলে স্বর্গ তো দূরের কথা উল্টো নরকে যেতে হবে। বাইবেলের ইশ্বর যে মিথ্যাবাদি তা নিজের কথা দ্বারাই প্রমানিত হল।
📄 যীশুর শিক্ষায় কোনো কিছু সংযোজন ও বাদ দেওয়া যাবে না! এবং তাকে বাদে অন্য কাউকে শিক্ষক হিসাবে গ্রহন করা যাবে না।
বাইবেল স্পষ্ট করে বলেছে যীশুর শিক্ষায় কোন কিছু বাদ দেওয়া যাবে না ও নতুন কিছু সংযোজনও করা যাবে না। এবং তাকে বাদে অন্য কাউকে শিক্ষক হিসেবে গ্রহন করা যাবে না।
আসুন দেখি বাইবেলে যীশু কি বলেছেন?
* আমি তোমাদের যে আদেশ দিয়েছি তার সঙ্গে তোমরা কোন কিছু যোগ কর না এবং তার থেকে কোনো কিছু বাদ দিও না। তোমরা অবশ্যই তোমাদের প্রভু, ঈশ্বরের আদেশ মান্য করবে, যা আমি তোমাদের দিয়েছি। (দ্বিতীয় বিবরন ০৪/১১)
* কেউ যেন তোমাদের শিক্ষক বলে না ডাকে, কারণ তোমাদের শিক্ষক একজনই, তিনি খ্রীষ্ট। (মথি ২৩/১০)
বাইবেল স্পষ্ট করে বলে দিয়েছে যীশুকে ছাড়া কারো শিক্ষা গ্রহন করা যাবে না এবং তার শিক্ষা ও আদেশের মধ্যে অন্য কোন মানুষের আদেশ ও শিক্ষা যেন না ঢোকানো হয়। তারপরও খ্রীষ্টানরা তাদের চার্চের শিক্ষা, সাধারণ মানুষের বানানো গল্প, পলের মত খুনির কথা মেনে চলে। খ্রীষ্টানরা যে যীশুর শিক্ষা মেনে চলে না তার প্রমান বর্তমান বিকৃত বাইবেল ও তার অনুসারীদের দেখলেই বুঝা যায়।
বাইবেল স্পষ্ট করে বলেছে যীশুর শিক্ষায় কোন কিছু বাদ দেওয়া যাবে না ও নতুন কিছু সংযোজনও করা যাবে না। এবং তাকে বাদে অন্য কাউকে শিক্ষক হিসেবে গ্রহন করা যাবে না।
আসুন দেখি বাইবেলে যীশু কি বলেছেন?
আমি তোমাদের যে আদেশ দিয়েছি তার সঙ্গে তোমরা কোন কিছু যোগ কর না এবং তার থেকে কোনো কিছু বাদ দিও না। তোমরা অবশ্যই তোমাদের প্রভু, ঈশ্বরের আদেশ মান্য করবে, যা আমি তোমাদের দিয়েছি। (দ্বিতীয় বিবরন ০৪/১১)
কেউ যেন তোমাদের শিক্ষক বলে না ডাকে, কারণ তোমাদের শিক্ষক একজনই, তিনি খ্রীষ্ট। (মথি ২৩/১০)
বাইবেল স্পষ্ট করে বলে দিয়েছে যীশুকে ছাড়া কারো শিক্ষা গ্রহন করা যাবে না এবং তার শিক্ষা ও আদেশের মধ্যে অন্য কোন মানুষের আদেশ ও শিক্ষা যেন না ঢোকানো হয়। তারপরও খ্রীষ্টানরা তাদের চার্চের শিক্ষা, সাধারণ মানুষের বানানো গল্প, পলের মত খুনির কথা মেনে চলে।
খ্রীষ্টানরা যে যীশুর শিক্ষা মেনে চলে না তার প্রমান বর্তমান বিকৃত বাইবেল ও তার অনুসারীদের দেখলেই বুঝা যায়।
📄 বাইবেল অনুযায়ী (খ্রীষ্টানরা) পরিচয়হীন জাতি! এবং তারা পরিচয়হীন ধর্মের অনুসারী।
গোটা বাইবেলে তাদের ইশ্বর কোথাও খ্রীষ্টানদেরকে খ্রীষ্টান বলে পরিচয় দিতে বলে যায় নাই। তারা কেন খ্রীষ্টান বলে তাদের পরিচয় দেয় এটা আমার বুঝে আসে না। তাদের ইশ্বর তাদের কোন পরিচয়ই দিয়ে যায় নাই তারা কোন ধর্মের বা কোন জাতির।
গোটা বাইবেলে যীশুর অনুসারীদের তিন জায়গায় খ্রীষ্টান নামে অভিহিত করা হয়েছে। তবে এই তিন জায়গার একজায়গায়ও তাদের ইশ্বর তাদরকে খ্রীষ্টান বলে নাই ও নিজেদেরকে খ্রীষ্টান বলে পরিচয় দিতে বলে যায় নাই।
সেখানে শৌলের দেখা পেয়ে তিনি তাঁকে আন্তিয়খিয়াতে নিয়ে এলেন। তাঁরা সম্পূর্ণ এক বছর বিশ্বাসী সমাবেশে থেকে বহু লোককে শিক্ষা দিলেন৷ আন্তিয়খিয়াতেই অনুগামীরা প্রথম 'খ্রীষ্টান' নামে অভিহিত হলেন৷ (শিষ্যচরিত্র ১১/২৬)
তখন আগ্রিপ্প পৌলকে বললেন, 'তুমি কি মনে করছ, আমাকে এত অল্প সময়ের মধ্যে খ্রীষ্টান করতে পারবে? (শিশ্যচরিত্র ২৬/২৮)
কিন্তু যদি কেউ খ্রীষ্টান বলে দুঃখভোগ করে, তবে সে যেন লজ্জা না পায়, কিন্তু তার সেই নাম (খ্রীষ্টান) আছে বলে সে ঈশ্বরের প্রশংসা করুক। (পিতরের ১ম পত্র ০৪/১৬)
দেখেন কোন জায়গায়ই বাইবেলের ইশ্বর তার অনুসারীদের খ্রীষ্টান বলে পরিচয় দিতে বলে নাই। সব জায়গায় অন্য সাধারণ মানুষজন খ্রীষ্টান বলে ডেকেছে।
এ বিষয় মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের মুসলিম বলে পরিচয় দিতে।
এটা তোমাদের পিতা ইবরাহীমের দীন। তিনিই তোমাদের নাম রেখেছেন 'মুসলিম' পূর্বে এবং এ কিতাবেও। যাতে রাসূল তোমাদের জন্য সাক্ষী হয় আর তোমরা মানুষের জন্য সাক্ষী হও। (সূরা হাজ্বের আয়াত : ৭৮)
আরো অসংখ্য জায়গায় পবিত্র কোরআনে আল্লাহ মুসলিমদের মুসলিম বলে পরিচয় দিতে বলেছে। (সূরা বাকারা, আয়াত-১২৮) (সূরা বাকারা, আয়াত : ১৩২) (সূরা বাকারা, আয়াত : ১৩৬) (সূরা ফুস্সিলাতের আয়াত: ৩৩) (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ৫২) (সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৬৪) (সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১০২) (সূরা আনআম, আয়াত : ১৬৩) (সূরা ইউনুস, আয়াত: ৭২) (সূরা হুদ, আয়াত: ১৪) (সূরা হিজর, আয়াত : ০২) (সূরা নামল, আয়াত: ৮১) (সূরা নামল, আয়াত : ৯১) (সূরা কাসাস, আয়াত: ৫২) (সূরা যুমার, আয়াত : ১২) (সূরা যুখরুফ, আয়াত : ৬৯) (সূরা আহকাফ, আয়াত: ১৫) (সূরা জ্বীন, আয়াত : ১৪)।
বাইবেল অনুযায়ী খ্রীষ্টানরা হল পরিচয়হীন জাতি ও পরিচয়হীন ধর্ম। যে ধর্মের পরিচয়ই নাই সেই ধর্মের অনুসরণ করা কতটা যৌক্তিক আপনারাই বিবেচনা করেন।