📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেলের (ঈশ্বরের) গাণিতিক অজ্ঞতা পিতার চেয়ে পুত্র বয়সে বড়।

📄 বাইবেলের (ঈশ্বরের) গাণিতিক অজ্ঞতা পিতার চেয়ে পুত্র বয়সে বড়।


বাইবেলের ঈশ্বর সামান্য গণিত জানে না! সে কি করে ঈশ্বর হয় আমার বুঝে আসে না। আপনারা বাইবেল পড়লে দেখতে পাবেন তিনিও অরেক জায়গায় গণিত ভুল করে থাকে।

বাইবেলের ঈশ্বরের গাণিতিক অজ্ঞাতা সম্পর্কে ধারনা নিন এবার:
* (৩২) বছর বয়সে যিহুদার রাজা হয়ে (০৮) বছর জেরুজালেমে রাজত্ব করার পর রাজা যিহোরামের মৃত্যু হলো। (০২ বংশাবলি ২১/২০)

৩২ বছর বয়সে রাজা হয়ে ০৮ বছর পর মৃত্যুবরণ করলে মৃত্যুর সময় যিহোরামের বয়স দাঁড়ায় (৩২+০৮ = ৪০) বছর। এরপর লোকেরা যিহোরামের কনিষ্ঠ পুত্র আহাজিয়াকে নতুন রাজা নির্বাচিত করেন।

* আহাজিয়া (৪২) বছর বয়সে যিহুদায় রাজা হয়ে মাত্র (০১) বছর জেরুশালেম শাসন করেছিলেন। (০২ বংশাবলি ২২/০২)

আহাজিয়ার পিতা যিহোরামের মৃত্যু হলো ৪০ বছর বয়সে। তার মৃত্যুর পর পরই কনিষ্ঠ পুত্র আহাজিয়া সিংহাসনে বসেন। সেই সময় আহাজিয়ার বয়স ৪২ হয় কিভাবে? এখানে দেখা যাচ্ছে পিতার চেয়ে পুত্রের বয়স প্রায় (৪২-৪০)= ২ বছরের বেশি। এখান থেকে বোঝা গেল পিতার চেয়ে পুত্র বড়।

বর্তমান খ্রিস্টানরা বাংলা অনুবাদে জালিয়াতি করে ৪২ এর জায়গায় ২২ বসানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু সেই চেষ্টাও ব্যর্থ কারণ মূল হিব্রুতে 'আরবাইম শেনায়িম' (ארבעים ושתים) শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ "বিয়াল্লিশ (৪২)"। বাইবেলের সকল প্রাচীন পান্ডুলিপিতে ৪২ বছর লেখা আছে। বাইবেল যে বিকৃত হয়ে গেছে এটা সাধারণ মানুষের হাতে লেখা সেটা প্রমানিত। কারন ঈশ্বর কখনো এতবড় ভুল করতে পারে না।

বাইবেলের ইশ্বর সামান্য গণিত জানে না! সে কি করে ইশ্বর হয় আমার বুঝে আসে না। আপনারা বাইবেল পড়লে দেখতে পাবেন তিনিও অরেক জায়গায় গণিত ভুল করে থাকে।

বাইবেলের ইশ্বরের গাণিতিক অজ্ঞাতা সম্পর্কে ধারনা নেই এবার।
(৩২) বছর বয়সে যিহুদার রাজা হয়ে (০৮) বছর জেরুজালেমে রাজত্ব করার পর রাজা যিহোরামের মৃত্যু হলো। লোকেরা তাকে দায়ুদ নগরীতেই কবরস্থ করলো। (০২ বংশাবলি ২১/২০)

৩২ বছর বয়সে রাজা হয়ে ০৮ বছর পর মৃত্যুবরণ করলে মৃত্যুর সময় যিহোরামের বয়স দাঁড়ায় (৩২+০৮ = ৪০) বছর।
এরপর লোকেরা যিহোরামের কনিষ্ঠ পুত্র আহাজিয়াকে নতুন রাজা নির্বাচিত করেন।
যিহোরামের পর, লোকরা তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র আহাজিয়াকে নতুন রাজা হিসাবে নির্বাচিত করলেন। কারণ আরবদের সঙ্গে যারা প্রাসাদ আক্রমণ করেছিল তারা আহাজিয়া ছাড়া যিহোরামের আর সব পুত্রদের হত্যা করেছিল কনিষ্ঠ পুত্র হয়েও তিনি রাজত্বের দায়িত্ব পেলেন। (০২ বংশাবলি ২২/০১)

আহাজিয়া (৪২) বছর বয়সে যে যিহুদায় রাজা হয়ে মাত্র (০১) বছর জেরুশালেম শাসন করেছিলেন। (০২ বংশাবলি ২২/০২)

(আহাজিয়ার) পিতা (যিহারামের) মৃত্যু হলো (৪০) বছর বয়সে তার মৃত্যুর পর পরই কনিষ্ঠ পুত্র (আহাজিয়া) সিংহাসনে বসেন। সেই সময় (আহাজিয়ার) বয়স (৪২) হয় কিভাবে? এখানে দেখা যাচ্ছে পিতার চেয়ে পুত্রের বয়স প্রায় (৪২-৪০)= ২ বছরের বেশি। এখান থেকে বোঝা গেল পিতার চেয়ে পুত্র বড়।

বর্তমান খ্রিস্টানরা বাংলা অনুবাদে জালিয়াতি করে (৪২) এর জায়গায় (২২) বসানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু সেই চেষ্টাও ব্যর্থ কারণ মূল হিব্রুতে (আরবাইম শেনায়িম ארבעים ושתים) শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ "বিয়াল্লিশ (৪২)"। বাইবেলের সকল প্রাচীন পান্ডুলিপিতে (আরবাইম শেনায়িম - ארבעים ושתים) অর্থাৎ (৪২ - বছর) লেখা আছে।

বাইবেল যে বিকৃত হয়ে গেছে এটা সাধারণ মানুষের হাতে লেখা সেটা প্রমানিত। কারন ইশ্বর কখনো এতবড় ভুল করতে পারে না। কারন তিনি সর্ববিষয়ে জ্ঞানী।

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেল অনুযায়ী (বিশ্বাসী) খ্রীষ্টান চেনার নিদর্শন।

📄 বাইবেল অনুযায়ী (বিশ্বাসী) খ্রীষ্টান চেনার নিদর্শন।


বিশ্বাসী খ্রীষ্টান হওয়ার পরিক্ষা দিতে গেলে পৃথিবীতে কোন খ্রীষ্টানই বেচে থাকতে পারবে না সবাই মারা যাবে ও সকল খ্রীষ্টানই এই পরিক্ষায় ব্যার্থ হবে।

প্রথমে বাইবেল থেকে কিছু অনুচ্ছেদ দেখি:
* নিজেদের পরীক্ষা করে দেখ, তোমাদের বিশ্বাস আছে কি না। প্রমাণের জন্য নিজেদের যাচাই কর। (০২ করন্থীয় ১৩/০৫)
* ঈশ্বর তাঁর দূতদের আজ্ঞা দেবেন এবং তুমি যেখানেই যাবে তারা তোমায় রক্ষা করবে। (সামসঙ্গিত ৯১/১১)
* তোমার পা যাতে পাথরে হোঁচট না খায়, সেই জন্য ওদের হাত তোমায় ধরে থাকবে। (সামসঙ্গিত ৯১/১২)
* বিষধর সাপ, এমন কি সিংহের মধ্যে দিয়েও তুমি হেঁটে যেতে পারবে। (সামসঙ্গিত ৯১/১৩)

এবার দেখেন বাইবেল অনুযায়ী কে (বিশ্বাসী খ্রীষ্টান) সেটা জানতে হলে কি পরিক্ষা দিতে বলেছে:
* ছোট্ট সরষে দানার মতো এতটুকু বিশ্বাসও যদি তোমাদের থাকে, তবে তোমরা যদি এই পাহাড়কে বল, এখান থেকে সরে ওখানে যাও তবে তা সরে যাবে৷ (মথি ১৭/২১)
* আমি তোমাদের সত্যি বলছি, কেউ যদি ঐ পাহাড়কে বলে, উপরে যাও এবং সমুদ্রে গিয়ে পড়... ঈশ্বর তার জন্য তাই করবেন। (মার্ক ১১/২৩)
* যাঁরা বিশ্বাস করবে এই চিহ্নগুলি তাদের অনুবর্তী হবে৷ আমার নামে তারা ভূত তাড়াবে! নতুন নতুন ভাষায় কথা বলবে। (মার্ক ১৬/১৭)
* হাতে করে সাপ তুলবে এবং মারাত্মক কিছু খেলেও তাদের কোন ক্ষতি হবে না। আর তারা অসুস্থ লোকের ওপর হাত রাখলে তারা সুস্থ হবে। (মার্ক ১৬/১৮)

এখন যদি খ্রিষ্টানরা পাহাড় সরাতে না পাড়ে তবে যিশু মিথ্যাবাদী। আর না হয় পৃথিবীর যত খ্রীষ্টান আছে সবাই অবিশ্বাসী ভন্ড খ্রীষ্টান। হাতে করে সাপ তোলা বা বিষ খাওয়ার পরিক্ষা দিতে গেলে আর পৃথিবীতে বেচে থাকা লাগবে না। তার জন্যই কেউ এই রূপকথার গল্পের পরিক্ষা দিতে যায় নাই।

যখনই এসব পরিক্ষা দিতে বলা হয় খ্রীষ্টানদের তখনই তারা মথি ০৪/০৭ অনুচ্ছেদ দেখিয়ে বলে 'তোমার প্রভু ঈশ্বরকে তুমি পরীক্ষা করবে না'। এটি একটি খোঁড়া যুক্তি। কারন এখানে ঈশ্বরকে পরিক্ষা করা হচ্ছে না, পরিক্ষা করা হচ্ছে ইশ্বরের অনুসারীদের অর্থাৎ মানুষদের। আপনি যদি বিশ্বাসী খ্রীষ্টান হন তবে এসব অলৌকিক কাজ করতে পারবেন - এটাই বাইবেলের ঈশ্বরের প্রতিশ্রুতি। এই বিকৃত বাইবেলের বিশ্বাসী খ্রীষ্টান হওয়ার পরিক্ষা দিতে গেলে পৃথিবীতে যত খ্রীষ্টান আছে তারা সবাই ব্যার্থ হয়ে মারা যাবে।

বিশ্বাসী খ্রীষ্টান হওয়ার পরিক্ষা দিতে গেলে পৃথিবীতে কোন খ্ৰীষ্টানই বেচে থাকতে পারবে না সবাই মারা যাবে ও সকল খ্রীষ্টানই এই পরিক্ষায় ব্যার্থ হবে। আর এই মারা যাওয়া ও ব্যার্থ হওয়ার ভয়তে খ্রীষ্টানরা বাইবেলের একটি অনুচ্ছেদের যুক্তি দাড়া করাতে চায় সেটাও খন্ডন করবো ইনশাআল্লাহ।

প্রথমেই বাইবেল থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ দেখি যাতে করে কোন (খ্রীষ্টান) নিজেকে বিশ্বাসী খ্রীষ্টান হওয়ার পরিক্ষা দিতে কোন প্রকার সংকোচ বোধ না করে।
আমি আদেশ করে বলছি না! কিন্তু অন্যের আগ্রহের উদাহরণ দিয়ে তোমাদের ভালবাসা যথার্থ কিনা পরীক্ষা করতে চাই। (০২ করন্থীয় ০৮/০৮)

তোমরা সমস্ত বিষয়ে আমার বাধ্য হও কিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে আমি তোমাদের কাছে সেই চিঠিটা লিখেছিলাম। (০২ করন্থীয় ০২/০৯)

নিজেদের পরীক্ষা করে দেখ, তোমাদের বিশ্বাস আছে কি না। প্রমাণের জন্য নিজেদের যাচাই কর। তোমরা কি জান না যে খ্রীষ্ট যীশু তোমাদের মধ্যে আছেন? কিন্তু এ বিষয়ে যদি তোমাদের অন্তরে সেই প্রমাণ না পাও, তবে খ্রীষ্ট তোমাদের মধ্যে নেই। (০২ করন্থীয় ১৩/০৫)

আশাকরি তোমরা একথা স্বীকার করবে যে আমরা সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি। (০২ করন্থীয় ১৩/০৬)

আলহামদুলিল্লাহ যীশু ও (যীশুর ইশ্বর) তার অনুসারীদের পরিক্ষা দিতে আদেশ করেছে ও কোন প্রকার ভয় পেতে নিষেধ করেছে। এখন কোন খ্রীষ্টানই অন্য কোন প্রকার খোঁড়াযুক্তি দাড়া করাতে পারবে না।

বাইবেল থেকে কয়েকটা অনুচ্ছেদ দেখে নেই যে, বিশ্বাসী খ্রীষ্টানদের জন্য বাইবেলের ইশ্বর তাদের সব প্রকারের সাহায্য করবেন! তাদের কোন প্রকারের কোন ক্ষতিই হতে দিবেন না।
ঈশ্বর তাঁর দূতদের আজ্ঞা দেবেন এবং তুমি যেখানেই যাবে তারা তোমায় রক্ষা করবে। (সামসঙ্গিত ৯১/১১)

তোমার পা যাতে পাথরে হোঁচট না খায়, সেই জন্য ওদের হাত তোমায় ধরে থাকবে। (সামসঙ্গিত ৯১/১২)

বিষধর সাপ, এমন কি সিংহের মধ্যে দিয়েও তুমি হেঁটে যেতে পারবে। (সামসঙ্গিত ৯১/১৩)

প্রভু বলেন, যদি কোন ব্যক্তি আমাকে ভালবাসে এবং বিশ্বাস করে, আমি তাকে রক্ষা করবো। আমার অনুগামীরা যারা আমার নাম উপাসনা করে, তাদের আমি রক্ষা করবো। (সামসঙ্গিত ৯১/১৪)

আমার অনুগামীরা সাহায্যের জন্য আমায় ডাকবে এবং আমি তাদের সাড়া দেবো। যখন তারা সমস্যায় পড়বে তখন আমি ওদের সঙ্গে থাকবো। আমি ওদের রক্ষা করবো এবং সম্মান দেবো। (সামসঙ্গিত ৯১/১৫)

আমার অনুগামীদের আমি দীর্ঘ জীবন দেবো। আমি ওদের রক্ষা করবো। (সামসঙ্গিত ৯১/১৬)

বাইবেলের ইশ্বর স্পষ্ট করে বলেছে বিশ্বাসী খ্রীষ্টান হলে তিনি তাদের কোন প্রকারের ক্ষতিই হতে দিবেন না। এমনকি কোথাও থেকে পড়ে গেলে তিনি তার দূতদের দিয়ে তাকে আঘাত পাওয়া থেকে বাচিয়ে নিবেন।

এবার দেখেন বাইবেল অনুযায়ী কে (বিশ্বাসী খ্রীষ্টান) সেটা জানতে হলে কি পরিক্ষা দিতে বলেছে!
ছোট্ট সরষে দানার মতো এতটুকু বিশ্বাসও যদি তোমাদের থাকে, তবে তোমরা যদি এই পাহাড়কে বল, এখান থেকে সরে ওখানে যাও তবে তা সরে যাবে৷ তোমাদের পক্ষে কিছুই অসম্ভব হবে না। (মথি ১৭/২১)

তখন যীশু বললেন, ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখ! (মার্ক ১১/২২)

আমি তোমাদের সত্যি বলছি, কেউ যদি ঐ পাহাড়কে বলে, উপরে যাও এবং সমুদ্রে গিয়ে পড়, আর তার মনে কোন সন্দেহ না থাকে এবং সে যদি বিশ্বাস করে যে সে যা বলছে তা হবে, তাহলে ঈশ্বর তার জন্য তাই করবেন। (মার্ক ১১/২৩)

এখন যদি খ্রিষ্টানরা পাহাড় সরাতে না পাড়ে তাহলে যিশু মিথ্যাবাদী। আর না হয় পৃথিবীর যত খ্রীষ্টান আছে সবাই অবিশ্বাসী ভন্ড খ্রীষ্টান।
এই পরিক্ষা খ্রীষ্টানরা দিবেই বা কিভাবে কারন পৃথিবীর সকল মানুষ খুব ভালো করে জানে এটা কখনোই সম্ভব না এটা শুধুমাত্র একটা রূপকথার হাস্যকর গল্প।

যাঁরা বিশ্বাস করবে এই চিহ্নগুলি তাদের অনুবর্তী হবে৷ আমার নামে তারা ভূত তাড়াবে! নতুন নতুন ভাষায় কথা বলবে। (মার্ক ১৬/১৭)

খ্রিষ্টানরা এখন পর্যন্ত কতজন ভূত তাড়িয়েছেন ও কত রকমের ভাষা জানেন তারা? এই পরিক্ষা যদি কোন খ্রীষ্টান দিতে যায় তাহলে (১০০ - একশোর) মধ্যে (০১ - এক) ও পাবে না। কারন এই পরিক্ষাতে কখনোই কেউ পাশ করতে পারবে না আর নিজেকেও বিশ্বাসী খ্রীষ্টান বলে দাবি করতে পারবে না। তার জন্যই পৃথিবীর সকল খ্রীষ্টান এই পরিক্ষা দিতে ব্যার্থ। পৃথিবীর অধিকাংশ খ্রীষ্টানই তাদের ধর্মগ্রন্থ বাইবেল পড়তে পারে না, তারা হিব্রু, গ্রীক কোনটায় জানে না। যারা নিজেদের ধর্মগ্রন্থের ভাষায় পড়তে পারে না ও জানে না। তারা কি করে নতুন ভাষায় কথা বলবে এটা হাস্যকর তথ্য ছাড়া আর কিছুই না।

আরেকটা পরিক্ষা দেখি :-
হাতে করে সাপ তুলবে এবং মারাত্মক কিছু খেলেও তাদের কোন ক্ষতি হবে না। আর তারা অসুস্থ লোকের ওপর হাত রাখলে তারা সুস্থ হবে। (মার্ক ১৬/১৮)
বিষধর সাপ, এমন কি সিংহের মধ্যে দিয়েও তুমি হেঁটে যেতে পারবে। (সামসঙ্গিত ৯১/১৩)

হাতে করে সাপ তুলবে, সাপ ও সিংহের মধ্যে দিয়ে হেটে যাবে এবং মারাত্মক কিছু খেলেও তাদের কোন ক্ষতি হবে না এসব পরিক্ষা কয়জন খ্রিষ্টান দিয়েছে? এই পরিক্ষা দিতে গেলে আর পৃথিবীতে বেচে থাকা লাগবে না কোন খ্রীষ্টানের। তার জন্যই কেউ এই রূপকথার হাস্যকর গল্পের পরিক্ষা দিতে যায় নাই। আপনারাই চিন্তা করেন এটা কোন তথ্য হল?

যদি এমনই হত, যে বিশ্বাসী খ্রীষ্টানরা কোন অসুস্থ রুগীর শরিরে হাত রাখলেই ভালো হয়ে যাবে! তাহলে খ্রীষ্টান দেশগুলোতে কোন হাসপাতাল থাকার তো কথা ছিল না? তারা হাসপাতাল কেন তৈরি করেছে? তারা তো বাইবেল অনুযায়ীই চিকিৎসা করতে পারে।

যীশুকে সত্যবাদি প্রমান করার জন্য এখন পর্যন্ত কোন খ্রীষ্টান এগিয়ে আসলো না। তাহলে আপনারাই বিবেচনা করেন বর্তমান খ্রীষ্টানরা কতটা বিশ্বাসী?

যখনই এসব পরিক্ষা দিতে বলা হয় খ্রীষ্টানদের তখনই তারা বাইবেলের একটি অনুচ্ছেদ দিয়ে যুক্তি দেয় সেই অনুচ্ছেদটা এখন খন্ডন করবো।
আর যীশুকে বলল, 'তুমি যদি ঈশ্বরের পুত্র হও তবে লাফ দিয়ে নীচে পড়, কারণ শাস্ত্রে তো একথা লেখা আছে: 'তিনি তাঁর স্বর্গদূতদের তোমার উপর দৃষ্টি রাখতে আদেশ দেবেন আর তারা তোমাকে তুলে ধরবেন, যেন পাথরের উপর পড়ে তোমার পায়ে আঘাত না লাগে৷ (মথি ০৪/০৬)

যীশু তখন তাকে বললেন, শাস্ত্রে একথাও লেখা আছে, তোমার প্রভু ঈশ্বরকে তুমি পরীক্ষা করবে না। (মথি ০৪/০৭) (দ্বিতীয় বিবরণ ০৬/১৬)

এই অনুচ্ছেদ দুইটি দিয়ে তারা বলে থাকে যে ইশ্বরকে পরিক্ষা করবে না। তারা এটা বলে না যে মরার ভয়তে আমরা পরিক্ষা দিব না। এরা নিজেরা বাচার জন্য বাইবেলকে যেমন খুশি তেমন করে ব্যাখ্যা করে।

আসুন একটা উদাহরণ দেই মনোযোগ দিয়ে পড়বেন :-
আমরা সবাই কমবেশি পড়ালেখা করেছি স্কুল কলেজে। আচ্ছা যখন স্কুল কলেজের ফাইনাল পরিক্ষা শুরু হয় তখন কি পরিক্ষাকেন্দ্রে যেয়ে আমরা শিক্ষকদের বলে ইশ্বরের পরিক্ষা নিবেন না?

এই কথাটা বলাই অযৌক্তিক কারন আমরা সারাবছর কি পড়াশোনা করেছি সেটার পরিক্ষা দিতে যাই পরিক্ষাকেন্দ্রে। আর তখন শিক্ষকরা আমাদের পরিক্ষা নেয় আমরা কেমন পড়াশোনা করেছি সারাবছর। তখন পরিক্ষাকেন্দ্রের শিক্ষকরা ইশ্বরের পরিক্ষা নেয় না পরিক্ষা নেয় ছাত্রছাত্রীদের। আপনি যদি ভালো পড়াশোনা করেন তাহলে পাশ করবেন আর যদি ভালো পড়াশোনা না করেন তাহলে ফেল করবেন এটাই স্বাভাবিক।

এখানে যেমন স্কুল কলেজের শিক্ষকরা ইশ্বরের পরিক্ষা নেয় না, পরিক্ষা নেয় ছাত্রছাত্রীদের। ঠিক একি ভাবে বিশ্বাসী খ্রীষ্টান হওয়ার পরিক্ষাও ইশ্বরকে নেয়া হয় না, পরিক্ষা নেয়া হয় ইশ্বরের অনুসারীদের মানে মানুষদের।

আপনি যদি বিশ্বাসী খ্রীষ্টান হন তাহলে এসব অলৌকিক কাজ করতে পারবেন এটাই বাইবেলের ইশ্বর নিজেই সকল খ্রীষ্টানদের কথা দিয়েছেন। আর এই পরিক্ষাগুলো করার জন্যও আদেশ করেছেন। এখানে আমরা কখনোই ইশ্বরকে পরিক্ষা করছি না, পরিক্ষা করছি ইশ্বরের অনুসারীদের মানে মানুষদের। বিশ্বাসী খ্রীষ্টান হওয়ার পরিক্ষা দেওয়ার জন্য বাইবেলের ইশ্বরের স্পষ্ট অনুমতি আছে এবং তিনি পরিক্ষা দিতে বলেছে আমরা উপরে প্রথমেই আলোচনা করেছি এই বিষয়ে। অতএব (মথি ০৪/০৭) এই অনুচ্ছেদে যীশুর সাথে শয়তানের কথোপকথনের যুক্তি দেওয়া মোটেই গ্রহনযোগ্য নয়। এটা শুধুমাত্র একটা খোড়া যুক্তি ছাড়া আর কিছুই না।

কারন ইশ্বরের অনুসারীরা পরিক্ষা দিলে ইশ্বর কথা দিয়েছেন তাদের কোন প্রকারের ক্ষতি তিনি হতে দিবেন না। তিনি তাদের রক্ষা করবেন। প্রমান হিসাবে উপরে (সামসঙ্গিত ৯১/১১-১৬) পর্যন্ত অনুচ্ছেদ দিয়ে আলোচনা করেছি! সেখানে বাইবেলের ইশ্বর কথা দিয়েছেন তার কোন বিশ্বাসী অনুসারী কোন পরিক্ষা দিতে গেলে তিনি তাকে সেই পরিক্ষায় সাহায্য করবেন এবং সেই পরিক্ষায় কোন প্রকারের কোন ক্ষতি তিনি তাদের হতে দিবেন না।

এই বিকৃত বাইবেলের বিশ্বাসী খ্রীষ্টান হওয়ার পরিক্ষা দিতে গেলে পৃথিবীতে যত খ্ৰীষ্টান আছে তারা সবাই ব্যার্থ হয়ে মারা যাবে। তার জন্যই কোন খ্রীষ্টান এসব হাস্যকর রূপকথার গল্পের পরিক্ষা দিতে যায় না।

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেল ও কোরআন অনুযায়ী (যীশু) নিজেকে ঈশ্বর নয় শুধুমাত্র একজন (নবী) দাবি করেছে।

📄 বাইবেল ও কোরআন অনুযায়ী (যীশু) নিজেকে ঈশ্বর নয় শুধুমাত্র একজন (নবী) দাবি করেছে।


বাইবেল পড়লে দেখতে পাবেন যীশু কোথাও নিজেকে ঈশ্বর দাবি করে নাই। বরং যীশু বলেছে তার (পিতা ঈশ্বরের) আদেশ মেনে চলতে।

* যীশু চিতকার করে বললেন, 'যে আমাকে বিশ্বাস করে সে, প্রকৃতপক্ষে যিনি আমায় পাঠিয়েছেন, তাঁকেই বিশ্বাস করে। (যোহন ১২/৪৪)
* কারণ আমি নিজে থেকে একথা বলছি না, বরং পিতা যিনি আমাকে পাঠিয়েছেন তিনি আমাকে কি বলতে হবে বা কি শিক্ষা দিতে হবে তা আদেশ করেছেন। (যোহন ১২/৪৯)
* আমি জানি যে তাঁর আদেশ থেকেই অনন্ত জীবন আসে৷ আমি সেই সকল কথা বলি যা পিতা আমায় বলেছেন। (যোহন ১২/৫০)
* এর উত্তরে যীশু তাদের বললেন, 'আমি যা শিক্ষা দিই তা আমার নিজস্ব নয়। যিনি আমায় পাঠিয়েছেন এসব সেই ঈশ্বরের কাছ থেকে পাওয়া। (যোহন ০৭/১৬)
* যদি কেউ ঈশ্বরের ইচ্ছা পালন করতে চায় তাহলে সে জানবে আমি যা শিক্ষা দিই তা ঈশ্বরের কাছ থেকে এসেছে, আর আমি কোন কথা নিজে থেকে বলিনা। (যোহন ০৭/১৭)
* আমি নিজের থেকে কিছুই করতে পারি না। আমি (ঈশ্বরের কাছ থেকে) যেমন শুনি তেমনি বিচার করি; আর আমি যা বিচার করি তা ন্যায়... (যোহন ০৫/৩০)
* তুমি আমার ভ্রাতৃগণের কাছে গিয়া তাহাদিগকে বল, যিনি আমার পিতা ও তোমাদের পিতা এবং আমার ঈশ্বর ও তোমাদের ঈশ্বর, তাঁহার নিকটে আমি ঊর্ধ্বে যাইতেছি। (যোহন ২০/১৭)

এখানে দেখেন এসব অনুচ্ছেদের যীশুর প্রত্যেকটা কথা কোরআনের সাথে মিলে যায়। কারন যীশু একজন নবি। গোটা বাইবেলে কোথাও যীশু নিজেকে ঈশ্বর দাবি করে নাই বরং সে বলছে তার (পিতা ঈশ্বরের) আদেশ মেনে চলতে।

বাইবেল পড়লে দেখতে পাবেন যীশু কোথাও নিজেকে ইশ্বর দাবি করে নাই। বরং যীশু বলেছে তার (পিতা ইশ্বরের) আদেশ মেনে চলতে। ঠিক একিভাবে মোহাম্মদ (সাঃ) ও একি কথা বলেছে। কোরআনের রেফারেন্স পাশে দেওয়া হয়েছে।

যে ইশ্বরের আদেশ মেনে চলতে চাই তাকে অবশ্যই যীশুর শিক্ষা অনুসরন করতে হবে। কারন যীশুর শিক্ষা তার নিজের না তার (পিতা ইশ্বরের)। যীশু একজন ইশ্বরের প্রেরিত নবী তাই তার কথা না মানলে তার পিতার কাছে যাওয়া যাবে না।
যীশু চিৎকার করে বললেন, 'যে আমাকে বিশ্বাস করে সে, প্রকৃতপক্ষে যিনি আমায় পাঠিয়েছেন, তাঁকেই বিশ্বাস করে। (যোহন ১২/৪৪) (কোরআন সূরা নিসা আয়াত : ৮০)

কারণ আমি নিজে থেকে একথা বলছি না, বরং পিতা যিনি আমাকে পাঠিয়েছেন তিনি আমাকে কি বলতে হবে বা কি শিক্ষা দিতে হবে তা আদেশ করেছেন। (যোহন ১২/৪৯) (কোরআন সূরা নাজম আয়াত : ০৩-০৪) (কোরআন সূরা ইউনুস আয়াত : ১৫)

আমি জানি যে তাঁর আদেশ থেকেই অনন্ত জীবন আসে৷ আমি সেই সকল কথা বলি যা পিতা আমায় বলেছেন। (যোহন ১২/৫০) (কোরআন সূরা নাজম আয়াত : ০৩-০৪)

এর উত্তরে যীশু তাদের বললেন, 'আমি যা শিক্ষা দিই তা আমার নিজস্ব নয়। যিনি আমায় পাঠিয়েছেন এসব সেই ঈশ্বরের কাছ থেকে পাওয়া। (যোহন ০৭/১৬) (কোরআন সূরা নাজম আয়াত : ০৩-০৪)

যদি কেউ ঈশ্বরের ইচ্ছা পালন করতে চায় তাহলে সে জানবে আমি যা শিক্ষা দিই তা ঈশ্বরের কাছ থেকে এসেছে, আর আমি কোন কথা নিজে থেকে বলিনা। (যোহন ০৭/১৭) (কোরআন সূরা রাদ আয়াত: ৩৮) (কোরআন সূরা ইউনুস আয়াত : ১৫)

আমি নিজের থেকে কিছুই করতে পারি না। আমি (ঈশ্বরের কাছ থেকে) যেমন শুনি তেমনি বিচার করি; আর আমি যা বিচার করি তা ন্যায়, কারণ আমি আমার ইচ্ছামতো কাজ করি না, বরং যিনি (ঈশ্বর) আমাকে পাঠিয়েছেন তাঁরই ইচ্ছপূরণ করার চেষ্টা করি। (যোহন ০৫/৩০) (কোরআন সূরা ইউনুস আয়াত : ১৫) (কোরআন সূরা রাদ আয়াত : ৩৮)

তুমি আমার ভ্রাতৃগণের কাছে গিয়া তাহাদিগকে বল, যিনি আমার পিতা ও তোমাদের পিতা এবং আমার ঈশ্বর ও তোমাদের ঈশ্বর, তাঁহার নিকটে আমি ঊর্ধ্বে যাইতেছি। (যোহন ২০/১৭) (সূরা মায়ীদাহ আয়াত: ৭২)

এখানে দেখেন এসব অনুচ্ছেদের যীশুর প্রত্যেকটা কথা কোরআনের সাথে মিলে যায়। কারন যীশু একজন নবি। গোটা বাইবেলে কোথাও যীশু নিজেকে ইশ্বর দাবি করে নাই বরং সে বলছে তার (পিতা ইশ্বরের) আদেশ মেনে চলতে।

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেলের ঈশ্বরের অযৌক্তিক কথা "মৃতরা মৃতদের কবর" দিবে।

📄 বাইবেলের ঈশ্বরের অযৌক্তিক কথা "মৃতরা মৃতদের কবর" দিবে।


বাইবেলের ঈশ্বর কতটা অযৌক্তিক কথা বলে দেখেন। এমন ঈশ্বরে বিশ্বাস করা কতটা যৌক্তিক? মৃতরা কি কখনো মৃতদের কবর দিতে পারে? হুম জানি পারে না! কিন্তু বাইবেল এমনটাই বলছে:

* তাঁর অনুগামীদের মধ্যে আর একজন বললেন, প্রভু আগে আমার বাবাকে কবর দিয়ে আসার অনুমতি দিন, তারপর আমি আপনাকে অনুসরণ করব। (মথি ০৮/২১)
* কিন্তু যীশু তাকে বললেন, তুমি আমার সঙ্গে এস, যাঁরা মৃত তারাই মৃতদের কবর দেবে। (মথি ০৮/২২)

কিছু খ্রীষ্টানরা বলে থাকে এখানে মৃতরা মৃতদের কবর দিবে এটা নাকি রূপক অর্থে বলা হয়েছে। তারা এখানে মূলত বোঝাতে চায় যাদের অন্তর মরে গেছে তাদের কথা বোঝানো হয়েছে। আচ্ছা ধরেন যীশুর এই অনুসারীর বাবার অন্তর মরে গেছে তাই বলে কি তার ছেলে তার বাবার অন্তর করব দিবে? এটা কেমন রূপক কথা?

মৃতরা কি কখনো মৃতদের কবর দিতে পারে না এটাই সত্য! মৃতরা মৃতদের কবর দিবে এমন অযৌক্তিক কথা কি কোন ঈশ্বর বলতে পারে আপনারাই বিবেচনা করেন?

বাইবেলের ইশ্বর কতটা অযৌক্তিক কথা বলে দেখেন। এমন ইশ্বরে বিশ্বাস করা কতটা যৌক্তিক?

মৃতরা কি কখনো মৃতদের কবর দিতে পারে? হুম জানি পারে না! কিন্তু বাইবেল এমনটাই বলছে যে মৃতরা মৃতদের কবর দিতে পারে কি হাস্যকর কথা।
তাঁর অনুগামীদের মধ্যে আর একজন বললেন, প্রভু আগে আমার বাবাকে কবর দিয়ে আসার অনুমতি দিন, তারপর আমি আপনাকে অনুসরণ করব। (মথি ০৮/২১)

কিন্তু যীশু তাকে বললেন, তুমি আমার সঙ্গে এস, যাঁরা মৃত তারাই মৃতদের কবর দেবে। (মথি ০৮/২২)

কিছু খ্রীষ্টানরা বলে থাকে এখানে মৃতরা মৃতদের কবর দিবে এটা নাকি রূপক অর্থে বলা হয়েছে। তারা এখানে মূলত বোঝাতে চায় যাদের অন্তর মরে গেছে তাদের কথা বোঝানো হয়েছে।

আচ্ছ ধরেন যীশুর এই অনুসারীর বাবার অন্তর মরে গেছে তাই বলে কি তার ছেলে তার বাবার অন্তর করব দিবে? এটা কেমন রূপক কথা?

মৃতরা কি কখনো মৃতদের কবর দিতে পারে না এটাই সত্য! মৃতরা মৃতদের কবর দিবে এমন অযৌক্তিক কথা কি কোন ইশ্বর বলতে পারে আপনারাই বিবেচনা করেন?

ফন্ট সাইজ
15px
17px