📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেল অনুযায়ী মূর্তি তৈরি করা ও তার পূজা করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

📄 বাইবেল অনুযায়ী মূর্তি তৈরি করা ও তার পূজা করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।


আপনারা দেখে থাকবেন পৃথিবীতে যত খ্রীষ্টান আছে তারা সবাই একটা (Actor - অভিনেতার) ছবি দিয়ে মূর্তি তৈরি করে তাদের উপসনালয় গুলোতে টানিয়ে রাখে এবং তারা এসব মূর্তির সামনে মাথা নত করে শ্রদ্ধা বিনয় করে থাকে। এদেরকে যীশু পাথর দিয়ে মেরে ফেলতে বলেছে।

এবার আসেন বাইবেল কি দেখে নেই মূর্তি তৈরি করলে তার কি শাস্তি দিতে বলেছে ও তার বিধান কি দিয়েছেন বাইবেলের ইশ্বর?
আমাকে ছাড়া তোমরা আর কোনও দেবতাকে উপাসনা করবে না। (যাত্রাপুস্তক ২০/০৩)

তোমরা অবশ্যই অন্য কোন মূর্তি গড়বে না যেগুলো আকাশের, ভূমির অথবা জলের নীচের কোন প্রাণীর মত দেখতে। (যাত্রাপুস্তক ২০/০৪)

কোন মূর্তির উপাসনা বা সেবা করবে না। কারণ, আমিই প্রভু, তোমাদের ঈশ্বর। যারা অন্য দেবতার উপাসনা করবে তাদের আমি ঘৃণা করি। আমার বিরুদ্ধে যারা পাপ করবে তারা আমার শত্রুতে পরিণত হবে। এবং আমি তাদের শাস্তি দেব। আমি তাদের সন্তানসন্ততি এবং পরবর্তী প্রজন্মকেও শাস্তি দেব। (যাত্রাপুস্তক ২০/০৫)

যদি কোন ব্যক্তি মূর্ত্তিকে কিছু দেয় তবে তাকে হত্যা করবে। তোমরা অবশ্যই কেবলমাত্র প্রভুর কাছেই নৈবেদ্য উৎসর্গ করবে। (যাত্রাপুস্তক ২২/২০)

প্রভু তোমাদের ঈশ্বরকে সম্মান করো এবং কেবলমাত্র তাঁরই সেবা করো। শপথ করার সময় তোমরা কেবলমাত্র তাঁরই নাম ব্যবহার করবে, অন্য দেবতার নাম ব্যবহার করবে না। (দ্বিতীয় বিবরন ০৬/১৩)

অন্য দেবতার অনুসরণ করবে না। তোমাদের চর্তুদিকে বসবাসকারী জাতিগণের দেবতাদের তোমরা অনুসরণ করবে না। (দ্বিতীয় বিবরন ০৬/১৪)

প্রভু তোমাদের ঈশ্বর, যিনি তোমাদের সঙ্গে আছেন তিনি নিজের গৌরব রক্ষা করতে উদ্যোগ নেন, সুতরাং যদি তোমরা ঐ সকল অন্যান্য দেবতাদের পূজা করো, তাহলে প্রভু তোমাদের উপরে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হবেন। তিনি তোমাদের এই পৃথিবী থেকে ধ্বংস করে দেবেন। (দ্বিতীয় বিবরন ০৬/১৫)

এবং যারা অন্যান্য দেবতার পূজা করেছে, এও হতে পারে যে তারা সূর্য, চন্দ্র অথবা নক্ষত্রের পূজা করেছে। এগুলো প্রভুর আজ্ঞার বিরুদ্ধে যা আমি তোমাদের দিয়েছিলাম। (দ্বিতীয় বিবরন ১৭/০৩)

যদি তোমরা এই ধরণের কোনো খবর শোনো, তাহলে তোমরা অবশ্যই যত্ন সহকারে খোঁজ খবর নেবে। এই রকম সাংঘাতিক ঘটনা ইস্রায়েলে যদি সত্যিই ঘটে এবং যদি তার সত্যতা সম্পর্কে তোমরা নিশ্চিত হও। (দ্বিতীয় বিবরন ১৭/০৪)

তাহলে যে ব্যক্তি সেই খারাপ কাজ করেছিল তাকে তোমরা অবশ্যই শাস্তি দেবে। শহরের দরজার কাছে কোনো প্রকাশ্য রাস্তার সেই পুরুষ অথবা স্ত্রীলোককে তোমরা অবশ্যই নিয়ে যাবে এবং তাদের পাথর দিয়ে হত্যা করবে। (দ্বিতীয় বিবরন ১৭/০৫)

দেখেন বাইবেল স্পষ্ট করে বলেছে, ইশ্বরকে ছাড়া অন্য কারো উপসনা করা নিষেধ ও কোন প্রকার মূর্তি, ছবি বা কোন প্রানির মত দেখতে এমন কোন মূর্তি তৈরি করতে নিষেধ করেছে। অথচ খ্রীষ্টানরা তাদের ইশ্বরের ছবি আকে মূর্তি তৈরি করে তার সামনে নতজানু হয়। তাদের পূজা করে।

আবার দেখেন বাইবেল বলছে যারা মূর্তি পূজা করবে তাদেরকে শাস্তি দেবে তো দেবেই আবার তার পরবর্তী প্রজন্মকেও শাস্তি দেবে, কি নিষ্টুর ইশ্বর তাদের। পাপ করেছে এক প্রজন্ম শাস্তি দেবে আরেক প্রজন্মকে। এটা কি কোন ইশ্বরের কথা হতে পারে? এমন নিষ্ঠুর অমানবিক অযৌক্তিক ইশ্বরের উপসনা করা কতটা যৌক্তিক?
যে কেউ আমার এই সব কথা শুনে তা পালন না করে, সে একজন মূর্খ লোকের মতো। (মথি ০৭/২৬)

যারা যীশুর কথা শুনেও পালন করে না তারা মূর্খ। যীশু নিজেই তাদের মূর্খ বলেছে।

বর্তমান খ্রীষ্টানরা মূর্তি তৈরি করে তার সামনে নতজানু হয়। এরা যীশুর কথা অমান্য করেছে মূর্তি তৈরি করে। যীশুর বক্তব্য অনুযায়ী বর্তমান সকল খ্রীষ্টান মূর্খ ও মূর্তি পূজারী তাদের মেরে ফেলতে হবে।

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেল অনুযায়ী যীশু (শুকর) খেতে ও তা স্পর্শ করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন।

📄 বাইবেল অনুযায়ী যীশু (শুকর) খেতে ও তা স্পর্শ করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন।


বাইবেল অনুযায়ী শূকর খাওয়া ও তা স্পর্শ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

আসুন দেখি বাইবেল শূকর খাওয়া ও তা স্পর্শ করা সম্পর্কে কি বলে?
তোমরা অবশ্যই শুকর খাবে না। তাদের পায়ের খুরগুলো বিভক্ত, কিন্তু তারা জাবর কাটে না। সুতরাং খাদ্য হিসেবে শূকরও তোমাদের গ্রহণযোগ্য নয়। শূকরের কোনো মাংস খাবে না। এমনকি শূকরের মৃত শরীর স্পর্শ করবে না। (দ্বিতীয় বিবরণ ১৪/০৮)

অন্য কিছু জন্তুদের পায়ের খুর দু'ভাগ করা, কিন্তু তারা জাবর কাটে না, ঐসব জন্তু খাবে না। শূকর সেই ধরণের, সুতরাং তারা তোমাদের পক্ষে অশুচি। (লেবীয় পুস্তক ১১/০৭)

বাইবেল স্পষ্ট করে বলেছে শূকর খাওয়া হারাম নিষিদ্ধ তারপরও খ্রীষ্টানরা শূকর খায়। যীশু বলেছে যারা তার সব কথা শুনে মেনে চলে না তার হল মূর্খ। যীশুর কথা অনুযায়ী এই খ্রীষ্টানরা হল মূর্খ। এরা বলে আবার বিশ্বাসী খ্রীষ্টান? আপনারাই বিবেচনা করুন।

আপনারাই বিবেচনা করেন বর্তমান খ্রীষ্টানরা কি আদৌ যীশুর কথা মেনে চলছে?

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেল অনুযায়ী (যীশুই) শুধুমাত্র ঈশ্বরের সন্তান না! ঈশ্বরের সকল অনুসারীরাই তার সন্তান।

📄 বাইবেল অনুযায়ী (যীশুই) শুধুমাত্র ঈশ্বরের সন্তান না! ঈশ্বরের সকল অনুসারীরাই তার সন্তান।


খ্রীষ্টানরা দাবি করে থাকে যীশু ইশ্বরের সন্তান তাই তিনি ইশ্বর। আসুন তাদের এই যুক্তি খন্ডন করি।

আসুন বাইবেল থেকে দেখি যীশুই শুধুমাত্র ইশ্বরের সন্তান ছিল কিনা?
তোমরা তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর সন্তান। (second বিবরন ১৪/০১)
আমি বলি, তোমরা (ঈশ্বর) তোমরা সকলে পরাৎপরের সন্তান। (সামসঙ্গীত ৮২/০৬)
ঈশ্বরের প্রকৃত সন্তানরা ঈশ্বরের আত্মার দ্বারা পরিচালিত হয়। (রোমিও ০৮/১৪)
ঈশ্বরের পুত্রেরা দেখল যে তারা সুন্দরী। সুতরাং ঈশ্বরের পুত্রেরা যার যাকে পছন্দ সে তাকে বিয়ে করল। এই নারীরা সন্তানের জন্ম দিল। (আদিপুস্তক ০৬/০২)
প্রভু বলেছেন, 'ইস্রায়েল হল আমার প্রথমজাত পুত্র সন্তান। এই প্রথমজাত সন্তান একটি পরিবারে জন্মেছিল। অতীত দিনে এই প্রথমজাত সন্তানের গুরুত্ব ছিল অসীম। এবং আমি তোমাকে বলছি আমার পুত্রকে আমার উপাসনার জন্য ছেড়ে দাও। তুমি যদি ইস্রায়েলকে ছেড়ে দিতে অস্বীকার করো তাহলে আমি তোমার প্রথমজাত পুত্র সন্তানকে হত্যা করব। (যাত্রাপুস্তক ০৪/২২-২৩) (যেরমিয় ৩১/০৯)

এখানে ইয়াকুব (আ) এবং তাঁর পুত্র ইফ্রিমিয়কে আল্লাহর প্রথমজাত পুত্র বা বড় ছেলে বলা হয়েছে।

তুমি অবশ্যই আমার দাস দায়ূদকে বলবে: সর্বশক্তিমান প্রভু বলেন: যখন তুমি চারণভূমিতে মেষদের দেখাশুনা করছিলে তখন আমি তোমায় মনোনীত করেছি। সেখান থেকে তুলে এনে, আমি তোমাকে আমার সন্তান ইস্রায়েলীয়দের রাজা করেছি। (০২ সামুয়েল ০৭/০৮)

এই সমস্ত জায়গায় একি কথা বলা আছে :- (০১-রাজাবলি ০৩/০৬, ০৮/২৪, ০৮/২৫, ০৮/২৬, ১১/৩২, ১৪/০৮) (০২-রাজাবলি ১৯/৩৪, ২০/০৬) (০১- বংশাবলি ১৭/০৭) (০২-বংশাবলি ০৬/১৫, ০৬/১৬, ০৬/১৭) (গীতসংহিতা ১৩২/১০) (যিশাইয় ৩৭/৩৫) (যিহিষ্কেল ৩৪/২৩, ৩৪/২৪, ৩৭/২৫) (লুক ০১/৬৯) (প্রেরিত ০৪/২৫)।

যখন শুকতারারা একসাথে গান গেয়ে উঠলো ও ইশ্বরের সমস্ত পুত্ররা আনন্দের চিৎকার করে উঠলো। (যোব ৩৮/০৭)

প্রভু এসব দেখলেন এবং তাদের প্রতি প্রচণ্ড ক্রুদ্ধ হলেন। তাঁর পুত্র কন্যারাই তাঁকে ক্রুদ্ধ করল! (দ্বিতীয় বিবরন ৩২/১৯)

হে স্বর্গ ও মর্ত্য শোন! প্রভু কথা বলছেন। প্রভু বলেন, আমি আমার সন্তানদের জন্ম দিয়েছি। তাদের লালনপালন করেছি। কিন্তু আমার সন্তানরাই আমার বিরুদ্ধে অপরাধ করছে। (ইসাইয়া ০১/০২)

প্রভু বলেন, এরা সবাই আমার লোক। এরা সত্যই আমার শিশু। তাই প্রভু এদের রক্ষা করেছেন। (ইসাইয়া ৬৩/০৮)

ভবিষ্যতে, ইস্রায়েল জাতির লোকসংখ্যা সমুদ্রের বালির মতো অসংখ্য হবে। তুমি বালি পরিমাপ করতে পার না অথবা তার সংখ্যা গুনতেও পার না। তখন এটা যেখানে তাদের বলা হয়েছিল, তোমরা আমার লোক নও, সেই জায়গাতেই তাদের বলা হবে, তোমরা জীবন্ত ঈশ্বরের সন্তান। (হোসেয়া ০১/১০)

ধন্য তারা যাঁরা শান্তি স্থাপনের জন্য কাজ করে, কারণ তারা ঈশ্বরের সন্তানরূপে পরিচিত হবে। (মথি ০৫/০৯)

কিন্তু আমি তোমাদের বলছি, তোমাদের শত্রুদের ভালোবাসো। যাঁরা তোমাদের প্রতি নির্যাতন করে তাদের জন্য প্রার্থনা করো। যেন তোমরা স্বর্গের পিতার সন্তান হতে পার। তিনি তো ভাল মন্দ সকলের উপর সূর্যালোক দেন, ধার্মিক অধার্মিক সকলের উপর বৃষ্টি দেন। (মথি ০৫/৪৪-৪৫)

আবার বিপরীতে পাপি মানুষদের শয়তানের পুত্র বলা হয়েছে বাইবেলে।
তোমাদের পিতা যে কাজ করে, তোমরা তাই কর। তখন তারা তাঁকে বলল, আমরা জারজ সন্তান নই। ঈশ্বর হচ্ছেন আমাদের একমাত্র পিতা৷ (যোহন ০৮/৪১)
শয়তান তোমাদের পিতা এবং তোমরা তার পুত্র। তোমরা তোমাদের পিতার ইচ্ছাই পূর্ণ করতে চাও। দিয়াবল শুরু থেকেই খুনী, আর সত্যের পক্ষে সে কখনও দাঁড়ায় নি, কারণ তার মধ্যে তো সত্যের লেশমাত্র নেই। সে যখন মিথ্যা কথা বলে, তখন স্বাভাবিকভাবেই তার মধ্য থেকে তা বের হয়, কারণ সে মিথ্যাবাদী ও মিথ্যার পিতা৷ (যোহন ০৮/৪৪)

দেখেন বাইবেল স্পষ্ট করে বলেছে যারা ইশ্বরের বিধিনিষেধ মেনে চলে তারাও ইশ্বরের সন্তান। তাহলে খ্রীষ্টানদের যুক্তি অনুযায়ী যীশু ইশ্বরের পুত্র হয়ে যদি যীশু ইশ্বর হয়! তাহলে ইশ্বরের সকল অনুসারীরাই ইশ্বর তাদেরকেও তো পিতা ইশ্বর তার পুত্র বলেছে।
বাইবেল অনুযায়ী যীশুই শুধুমাত্র ইশ্বরের সন্তান নন! বরং তার সকল অনুসারীরাই তার সন্তান।

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেলের (ঈশ্বরের) গাণিতিক অজ্ঞতা পিতার চেয়ে পুত্র বয়সে বড়।

📄 বাইবেলের (ঈশ্বরের) গাণিতিক অজ্ঞতা পিতার চেয়ে পুত্র বয়সে বড়।


বাইবেলের ঈশ্বর সামান্য গণিত জানে না! সে কি করে ঈশ্বর হয় আমার বুঝে আসে না। আপনারা বাইবেল পড়লে দেখতে পাবেন তিনিও অরেক জায়গায় গণিত ভুল করে থাকে।

বাইবেলের ঈশ্বরের গাণিতিক অজ্ঞাতা সম্পর্কে ধারনা নিন এবার:
* (৩২) বছর বয়সে যিহুদার রাজা হয়ে (০৮) বছর জেরুজালেমে রাজত্ব করার পর রাজা যিহোরামের মৃত্যু হলো। (০২ বংশাবলি ২১/২০)

৩২ বছর বয়সে রাজা হয়ে ০৮ বছর পর মৃত্যুবরণ করলে মৃত্যুর সময় যিহোরামের বয়স দাঁড়ায় (৩২+০৮ = ৪০) বছর। এরপর লোকেরা যিহোরামের কনিষ্ঠ পুত্র আহাজিয়াকে নতুন রাজা নির্বাচিত করেন।

* আহাজিয়া (৪২) বছর বয়সে যিহুদায় রাজা হয়ে মাত্র (০১) বছর জেরুশালেম শাসন করেছিলেন। (০২ বংশাবলি ২২/০২)

আহাজিয়ার পিতা যিহোরামের মৃত্যু হলো ৪০ বছর বয়সে। তার মৃত্যুর পর পরই কনিষ্ঠ পুত্র আহাজিয়া সিংহাসনে বসেন। সেই সময় আহাজিয়ার বয়স ৪২ হয় কিভাবে? এখানে দেখা যাচ্ছে পিতার চেয়ে পুত্রের বয়স প্রায় (৪২-৪০)= ২ বছরের বেশি। এখান থেকে বোঝা গেল পিতার চেয়ে পুত্র বড়।

বর্তমান খ্রিস্টানরা বাংলা অনুবাদে জালিয়াতি করে ৪২ এর জায়গায় ২২ বসানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু সেই চেষ্টাও ব্যর্থ কারণ মূল হিব্রুতে 'আরবাইম শেনায়িম' (ארבעים ושתים) শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ "বিয়াল্লিশ (৪২)"। বাইবেলের সকল প্রাচীন পান্ডুলিপিতে ৪২ বছর লেখা আছে। বাইবেল যে বিকৃত হয়ে গেছে এটা সাধারণ মানুষের হাতে লেখা সেটা প্রমানিত। কারন ঈশ্বর কখনো এতবড় ভুল করতে পারে না।

বাইবেলের ইশ্বর সামান্য গণিত জানে না! সে কি করে ইশ্বর হয় আমার বুঝে আসে না। আপনারা বাইবেল পড়লে দেখতে পাবেন তিনিও অরেক জায়গায় গণিত ভুল করে থাকে।

বাইবেলের ইশ্বরের গাণিতিক অজ্ঞাতা সম্পর্কে ধারনা নেই এবার।
(৩২) বছর বয়সে যিহুদার রাজা হয়ে (০৮) বছর জেরুজালেমে রাজত্ব করার পর রাজা যিহোরামের মৃত্যু হলো। লোকেরা তাকে দায়ুদ নগরীতেই কবরস্থ করলো। (০২ বংশাবলি ২১/২০)

৩২ বছর বয়সে রাজা হয়ে ০৮ বছর পর মৃত্যুবরণ করলে মৃত্যুর সময় যিহোরামের বয়স দাঁড়ায় (৩২+০৮ = ৪০) বছর।
এরপর লোকেরা যিহোরামের কনিষ্ঠ পুত্র আহাজিয়াকে নতুন রাজা নির্বাচিত করেন।
যিহোরামের পর, লোকরা তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র আহাজিয়াকে নতুন রাজা হিসাবে নির্বাচিত করলেন। কারণ আরবদের সঙ্গে যারা প্রাসাদ আক্রমণ করেছিল তারা আহাজিয়া ছাড়া যিহোরামের আর সব পুত্রদের হত্যা করেছিল কনিষ্ঠ পুত্র হয়েও তিনি রাজত্বের দায়িত্ব পেলেন। (০২ বংশাবলি ২২/০১)

আহাজিয়া (৪২) বছর বয়সে যে যিহুদায় রাজা হয়ে মাত্র (০১) বছর জেরুশালেম শাসন করেছিলেন। (০২ বংশাবলি ২২/০২)

(আহাজিয়ার) পিতা (যিহারামের) মৃত্যু হলো (৪০) বছর বয়সে তার মৃত্যুর পর পরই কনিষ্ঠ পুত্র (আহাজিয়া) সিংহাসনে বসেন। সেই সময় (আহাজিয়ার) বয়স (৪২) হয় কিভাবে? এখানে দেখা যাচ্ছে পিতার চেয়ে পুত্রের বয়স প্রায় (৪২-৪০)= ২ বছরের বেশি। এখান থেকে বোঝা গেল পিতার চেয়ে পুত্র বড়।

বর্তমান খ্রিস্টানরা বাংলা অনুবাদে জালিয়াতি করে (৪২) এর জায়গায় (২২) বসানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু সেই চেষ্টাও ব্যর্থ কারণ মূল হিব্রুতে (আরবাইম শেনায়িম ארבעים ושתים) শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ "বিয়াল্লিশ (৪২)"। বাইবেলের সকল প্রাচীন পান্ডুলিপিতে (আরবাইম শেনায়িম - ארבעים ושתים) অর্থাৎ (৪২ - বছর) লেখা আছে।

বাইবেল যে বিকৃত হয়ে গেছে এটা সাধারণ মানুষের হাতে লেখা সেটা প্রমানিত। কারন ইশ্বর কখনো এতবড় ভুল করতে পারে না। কারন তিনি সর্ববিষয়ে জ্ঞানী।

ফন্ট সাইজ
15px
17px