📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেলের (পিতা - ঈশ্বর) নিজেই মানুষকে অন্যায় ও পাপ কাজ করতে বাধ্য করে।

📄 বাইবেলের (পিতা - ঈশ্বর) নিজেই মানুষকে অন্যায় ও পাপ কাজ করতে বাধ্য করে।


প্রথমে খ্রীষ্টানদের একটা অভিযোগের জবাব দিব তারপর তাদের বাইবেল থেকেই প্রমান করে দেখাব যে তাদের ঈশ্বরই মানুষকে পাপ কাজ করতে বাধ্য করে।

খ্রীষ্টানরা অভিযোগ করে থাকে যে, আল্লাহ মানুষের ভাগ্য আগে থেকে লিখে রেখেছে বলেই মানুষ পাপ করে। আসলে আল্লাহ আমাদের ইচ্ছাশক্তি দিয়েছেন। আল্লাহ আগে থেকে লিখে রেখেছেন তার মানে এই নয় যে তিনি আমাদের বাধ্য করছেন, বরং তিনি মহাজ্ঞানী বলে জানেন আমরা ভবিষ্যতে কি করব।

এবার আসেন বাইবেল থেকে দেখি বাইবেলের ঈশ্বর মানুষদেরকে জোর করে পাপ কাজ করতে বাধ্য করে:
* মিশরে আসার পথে প্রভু মোশির সঙ্গে কথা বলেছিলেন... কিন্তু আমি (ফরৌণকে - ফেরাউন) একগুঁয়ে এবং জেদী করে তুলব। সে লোকদের কিছুতেই ছেড়ে দেবে না। (যাত্রাপুস্তক ০৪/২১) (যাত্রাপুস্তক ০৭/০৩) (যাত্রাপুস্তক ১০/০১)

এখানে দেখেন বাইবেলের ঈশ্বর বলছে ফেরাউনকে সে একগুয়ে আর জেদি করে তুলবে। তার মানে দাড়াল ফেরাউন যে পাপ করেছিল সেটা বাইবেলের ঈশ্বরের ইচ্ছায়ই করেছিল। যার ফলে ফেরাউন নরকে গেছে বাইবেলের ঈশ্বরের জন্য।

আরেকটা প্রমান দেখেন :- যীশু যে পৃথিবীতে এসে ইহুদিদের হাতে মারা যাবে এটাও বাইবেলের ঈশ্বরই করিয়েছিলেন। এখানে তো ইহুদিদের কোন দোষ নাই কারন বাইবেলের ঈশ্বরেরই পরিকল্পনা ছিল আগে থেকে:
* ঈশ্বর জানতেন যে এসব ঘটবে, আর তাই ছিল ঈশ্বরের পরিকল্পনা, যা তিনি বহুপূর্বেই নিরূপণ করেছিলেন৷ (শিষ্যচরিত ০২/২৩)
* কারণ যেমন নির্ধারিত হয়েছে সেই অনুসারেই মানবপুত্রকে মরতে হবে, কিন্তু ধিক সেই লোককে যে তাঁকে ধরিয়ে দেবে। (লুক ২২/২২)

এখানে বাইবেলের ঈশ্বরই নির্ধারন করে রেখেছে যে যীশুকে ইহুদিরা জোর করে ক্রুশবিদ্ধ করে মেরে ফেলবে। বাইবেলের ঈশ্বর নিজেই স্বীকার করেছে এই হত্যাকান্ডের পরিকল্পনা সে নিজেই আগে থেকে করে রেখেছে। বাইবেল থেকেই প্রমানিত তাদের ঈশ্বরই মানুষকে পাপ কাজ করতে বাধ্য করে থাকে। আলহামদুলিল্লাহ।

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেল অনুযায়ী (নারীদের গর্ভধারন) একটি শাস্তি ও পাপ।

📄 বাইবেল অনুযায়ী (নারীদের গর্ভধারন) একটি শাস্তি ও পাপ।


বাইবেল অনুযায়ী নারীদের গর্ভধারণ এবং সন্তান প্রসব এক ধরণের শাস্তি ও পাপ। কারন, নিষিদ্ধ ফল খাওয়ার কারনে ইশ্বর তাদের এই শাস্তি দিয়েছিলেন আদম ও ইভকে।

এবার বাইবেল থেকেই প্রমান দেখেন বাইবেলের ইশ্বর কতটা অমানবিক নিষ্ঠুর!
প্রভু ঈশ্বর নারীকে বললেন, তুমি যখন গর্ভবতী হবে আমি সেই দশাটাকে দুঃসহ করে তুলব, তুমি অসহ্য ব্যথায় সন্তানের জন্ম দেবে। তুমি তোমার স্বামীকে আকুলভাবে কামনা করবে কিন্তু সে তোমার উপরে কর্তৃত্ব করবে। (আদিপুস্তক ০৩/১৬)
পুরুষ শিশু জন্ম দিলে মা'কে সাত দিনের জন্য অপরিষ্কার থাকতে হবে, অন্যদিকে নারী শিশু জন্ম দিলে দুই সপ্তাহ ধরে অপরিষ্কার থাকতে হবে। যতক্ষণ না তার শুচিকরণ শেষ হচ্ছে, সে অবশ্যই কোন পবিত্র স্থানে ঢুকতে পাবে না। (লেবীয় পুস্তক ১২/০২-০৫)

এটা কোন ইশ্বরের কথা হতে পারে? কোন নারী (পুরুষ সন্তান) জন্ম দিলে তাকে (০৭) দিন ও (নারী সন্তান) জন্ম দিলে তাকে (১৪) দিন অপরিষ্কার থাকতে হবে এটা বাইবেলের ইশ্বরের অমানবিক নির্যাতন ছাড়া আর কিছুই না। এমনকি কোন পবিত্র স্থানেও যেতে পারবে না। কি অমানবিক নিষ্ঠুর কথা।

পবিত্র কোরআনে গর্ভধারন সম্পর্কে যা বলেছে।
আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছি। তার মা তাকে কষ্টের পর কষ্ট সহ্য করে গর্ভে ধারণ করে। তার দুধ ছাড়ানো হয় দু'বছরে, (নির্দেশ দিচ্ছি) যে, আমার প্রতি ও তোমার পিতামাতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। (তোমাদের সকলের) প্রত্যাবর্তন তো আমারই কাছে। (সূরা লুকমান আয়াত : ১৪)

তোমার প্রতিপালক হুকুম জারি করেছেন যে, তিনি ছাড়া অন্য কারো 'ইবাদাত করো না, আর পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো। তাদের একজন বা তাদের উভয়ে যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়, তবে তাদেরকে বিরক্তি বা অবজ্ঞাসূচক কথা বলো না, আর তাদেরকে ধমক দিয়ো না। তাদের সাথে সম্মানজনক কথা বল। (সূরা : বানী ইসরাইল আয়াত : ২৩)
তাদের জন্য সদয়ভাবে নম্রতার বাহু প্রসারিত করে দাও আর বল, 'হে আমার প্রতিপালক! তাদের প্রতি দয়া কর যেমনভাবে তারা আমাকে শৈশবে লালন পালন করেছেন। (সূরা : বানী ইসরাইল আয়াত : ২৪)

আর আমি (আল্লাহ) মানবজাতিকে নির্দেশ দিয়েছি তারা যেন তাদের পিতা-মাতার সঙ্গে সুন্দর আচরণ করে; তার মা তাকে অতিকষ্টে গর্ভে ধারণ করেছেন ও অতিকষ্টে প্রসব করেছেন এবং লালন-পালন করেছেন। (সূরা আহকাফ আয়াত : ১৫)

আর তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো, তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক কোরো না এবং পিতা-মাতার সঙ্গে সুন্দর আচরণ করো। (সূরা নিসা আয়াত : ৩৬)

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে এসে জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি যুদ্ধে যাওয়ার ইচ্ছা করেছি। এখন আপনার নিকট পরামর্শ জিজ্ঞাসা করতে এসেছি। তিনি বললেনঃ তোমার মা আছেন কি? সে বললোঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তাঁর খিদমতে লেগে থাক। কেননা, জান্নাত তাঁর দু'পায়ের নিচে। (সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ৩১০৪ হাদিসের মান: হাসান সহিহ)

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করল: হে আল্লাহর রসূল! আমার নিকট কে উত্তম ব্যবহার পাওয়ার অধিক হকদার? তিনি বললেনঃ তোমার মা। লোকটি বললোঃ অতঃপর কে? নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার মা। সে বললোঃ অতঃপর কে? তিনি বললেন, তোমার মা। সে বললোঃ অতঃপর কে? তিনি বললেনঃ অতঃপর তোমার বাবা। [মুসলিম ৪৫/১, হাঃ ২৫৪৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৫৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৪৩৩) (সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৫৯৭১ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস)

আলহামদুলিল্লাহ ইসলাম নারীর গর্ভধারনকে সবচেয়ে বেশি মর্যাদা ও সম্মান দিয়েছে। বাইবেল অনুযায়ী নারীর গর্ভধারনকে সবচেয়ে নিকৃষ্ট শাস্তি ও পাপ হিসাবে তুলে ধরেছে এই বিকৃত বাইবেল। এখন আপনারাই বিবেচনা করেন কোনটা ধর্মটা নারীদের সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়েছে।

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেল অনুযায়ী (যীশু) মুসলিম ও ইসলাম ধর্মের অনুসারী ছিলেন।

📄 বাইবেল অনুযায়ী (যীশু) মুসলিম ও ইসলাম ধর্মের অনুসারী ছিলেন।


বাইবেল অনুযায়ী যীশু মুসলিম ও ইসলাম ধর্মের অনুসারী ছিলেন! কি বিশ্বাস হচ্ছে না হুম এমনটাই বাইবেল বলছে।

চলুন দেখে নেই যীশু কি আসলেই মুসলিম ও ইসলাম ধর্মের অনুসারী ছিলেন কিনা?
যীশু উত্তর দিলেন, এটাই প্রধান! শোন, হে ইস্রায়েল, আমাদের ঈশ্বর প্রভু একমাত্র প্রভু। (মার্ক ১২/২৯)

মুসলিমদের মত যীশুও এক ইশ্বরের বিশ্বাসী ছিলেন।
যিশু বিশ্বাস করতেন যে, তিনি কেবল একজন (বার্তাবাহক - নবী) বা (স্রষ্টা - ইশ্বরের) বাণী প্রচারক। তাকে ইশ্বর পাঠিয়েছিলেন। (যোহন ০৭/২৮) (যোহন ০৮/৪২) (যোহন ১৭/০৩)

মোহাম্মদ সাঃ এর মত যীশুও একজন রাসূল তিনি এটাই বিশ্বাস করতেন ও তার অনুসারীদের এই কথা বলতেন।
যে কেউ ঈশ্বরের ইচ্ছা পালন করে, সেই আমার মা, ভাই ও বোন। (মার্ক ০৩/৩১-৩৫)

মুসলিমদের মত যারা ইশ্বরের আদেশ মেনে চলে ও ইশ্বরের কাছে তাদের ইচ্ছাকে সমর্পন করে তাদেরকেই যীশু নিজের মানুষ মনে করেছে। যারা নিজের ইচ্ছাকে ইশ্বরের কাছে সমর্পন করেছে তাদেরকেই যীশু নিজের আপন মানুষ বলেছে।

এর আট দিন পরে (সুন্নত - খাতনা) করার সময়ে শিশুটির নাম রাখা হল যীশু৷ তাঁর মাতৃগর্ভে আসার আগেই স্বর্গদূত এই নাম রেখেছিলেন। (লুক ০২/২১)

মুসলিমদের মত যীশুও (খাতনা) করেছিলেন।

অন্য কিছু জন্তুদের পায়ের খুর দু'ভাগ করা, কিন্তু তারা জাবর কাটে না, ঐসব জন্তু খাবে না। শূকর সেই ধরণের, সুতরাং তারা তোমাদের পক্ষে অশুচি। (লেবীয় পুস্তক ১১/০৭)

মুসলিমদের মত যীশুও (শূকর) খেতেন না।

পরে তিনি কিছু দূরে গিয়ে মাটিতে উপুড় হয়ে পড়ে প্রার্থনা করলেন। (মথি ২৬/৩৯)

মুসলিমদের মত যীশুও মাটিতে মুখ দিয়ে ইশ্বরের প্রার্থনা করেছেন।

আমি নিজের থেকে কিছুই করতে পারি না। আমি (ঈশ্বরের কাছ থেকে) যেমন শুনি তেমনি বিচার করি; আর আমি যা বিচার করি তা ন্যায়, কারণ আমি আমার ইচ্ছামতো কাজ করি না, বরং যিনি (ঈশ্বর) আমাকে পাঠিয়েছেন তাঁরই ইচ্ছাপূরণ করার চেষ্টা করি। (যোহন ০৫/৩০)

মোহাম্মদ সাঃ এর মত যিশুও নিজের থেকে কিছুই করতে পারতেন না। (সূরা নাজম আয়াত : ০৩-০৪) (সূরা ইউনুস আয়াত: ১৫) (সূরা রাদ আয়াত : ৩৮)

হে ইহুদী ভাইয়েরা, একথা শুনুন, নাসরতীয় যীশুর দ্বারা ঈশ্বর বহু অলৌকিক ও আশ্চর্য কাজ করে আপনাদের কাছে প্রমাণ দিয়েছেন যে তিনি সেই ব্যক্তি যাকে ঈশ্বর পাঠিয়েছেন। আর আপনারা এই ঘটনাগুলি জানেন। (শিষ্যচরিত্ৰ ০২/২২)

মোহাম্মদ সাঃ এর মত যিশুও ইশ্বরের আদেশ অনুযায়ী সকল অলৌকিক কাজ করতেন। যিশুর নিজস্ব কোন অলৌকিক শক্তি নেই।

যিশু মানুষদের সালাম দিতেন! মুসলিমদের মতো আসসালামু আলাইকুম বলতেন। যিশু তার অনুসারীদেরও একই কাজ করতে বলেছেন। (যোহন ২০/১৯) (লুক ১০/০৫) (লুক ২৪/৩৬)

মুসলিমদের মত শত্রুদের জন্য যিশু তার শিষ্যদের তলোয়ার কিনতে উৎসাহ দিতেন। জিহাদ এর জন্য উৎসাহ দিতেন। (লুক ২২/৩৫-৩৮)

যীশুর এসব আচার ব্যবহার মুসলিমদের মতই ছিল! এখন হয়তো আর কারো বুঝতে বাকি নাই যীশু মুসলিম ছিল কিনা।

আলহামদুলিল্লাহ বাইবেল থেকেই প্রমানিত যীশু মুসলিম ছিল তার এসব আচার ব্যবহার মুসলিমদের মত ছিল।

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেল অনুযায়ী (যীশু) দ্বিতীয়বার পৃথিবীতে আগমনের পর খ্রীষ্টানদের উপর রাগান্বিত হয়ে যা বলবেন।

📄 বাইবেল অনুযায়ী (যীশু) দ্বিতীয়বার পৃথিবীতে আগমনের পর খ্রীষ্টানদের উপর রাগান্বিত হয়ে যা বলবেন।


বাইবেল অনুযায়ী যীশু যখন দ্বিতীয়বার পৃথিবীতে আসবেন তখন তিনি খ্রীষ্টানদের বলবেন দুষ্টের দল আমি তোমাদের চিনি না।

আসুন এবার বাইবেল থেকে বিস্তারিত দেখি।
যাঁরা আমাকে প্রভু, প্রভু বলে তাদের প্রত্যেকেই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে তা নয়। আমার স্বর্গের পিতার ইচ্ছা যে পালন করবে, কেবল সেই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে। (মথি ০৭/২১)

দেখেন এখানে যীশু স্পষ্ট করে বলেছে তার পিতার ইচ্ছা যে পালন করবে সে স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে। যীশুর ইচ্ছা পালন করলে সে স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না।

সেই দিন অনেকে আমায় বলবে, প্রভু, প্রভু আমরা কি আপনার নামে ভাববাণী বলিনি? আপনার নামে আমরা কি ভূতদের তাড়াই নি? আপনার নামে আমরা কি অনেক অলৌকিক কাজ করি নি? (মথি - ০৭/২২)

তখন আমি তাদের স্পষ্ট বলব, 'আমি তোমাদের চিনিনা দুষ্টের দল! আমার সামনে থেকে দূর হও। (মথি - ০৭/২৩)

দেখেন যীশু স্পষ্ট করে বলেছে, যারা আমার ইচ্ছা না, তার স্বর্গের পিতার ইচ্ছা পালন করবে তারাই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে।

বর্তমান যারা যীশুকে ইশ্বর ইশ্বর বলে বিশ্বাস করছে তাদেরকে যীশু দ্বিতীয়বার আগমনের পর বলবে আমি তোমাদের চিনিনা দুষ্টের দল। একথা বলবেন এ কারনে যে যীশু তার পিতার ইচ্ছা পালন করতে বলেছে, কিন্তু বর্তমান খ্রীষ্টানরা যীশুকে ইশ্বর বানিয়ে নিয়েছে।

খ্রীষ্টানরা চালাকি করে এই অনুচ্ছেদের ব্যখ্যা এভাবে বলে থাকে যে, এখানে অবিশ্বাসী খ্রীষ্টানদের এই কথা বলা হয়েছে। যারা যীশুকে ইশ্বর হিসাবে মেনে নেন নাই, তাদেরকে বলবেন আমি তোমাদের চিনিনা দুষ্টের দল।

কিন্তু দেখেন এই অনুচ্ছেদগুলোতে কোথাও অবিশ্বাসী খ্রীষ্টানদের কথা বলা হয় নাই। যীশুকে ইশ্বর হিসাবে মেনে নেওয়ার প্রশ্নই আসে না, কারন যীশু বলছে তার (পিতা - ইশ্বরের) ইচ্ছা যে পালন না করবে সে স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না। তাহলে এখানে অবিশ্বাসী খ্রীষ্টানদের ব্যাখ্যা দেওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না।

প্রত্যেক খ্রীষ্টানই বিশ্বাস করে যীশু তাদের পাপ নিয়ে ক্রুশে মারা গেছে তাহলে এখানে অবিশ্বাসের কি আছে? সবাইতো বিশ্বাসী খ্রীষ্টান, আর বাইবেল ও খ্রীষ্টানদের বিশ্বাস হল যীশু তাদের পাপ নিয়ে ক্রুশে মারা গেছে এটা বিশ্বাস করলেই পাপ মুক্তি হয়ে যাবে।

মজার বিষয় হল তারা, কোন অবিশ্বাসী খ্রীষ্টানদের কথা বলে তারা নিজেরাই জানে না।

যীশু এমন কথা তো আর মুসলিমদের বলবে না। যে তোমরা দুষ্টের দল আমি তোমাদের চিনিনা এই কথা খ্রীষ্টানদেরকেই বলবে। কারন মুসলিমরা তো আর যীশুর কাছে যে যেয়ে একথা বলবে না যে, (আপনার নামে আমরা কি ভূতদের তাড়াই নি? আপনার নামে আমরা কি অনেক অলৌকিক কাজ করি নি?) কারন মুসলিমরা কখনোই যীশুর নামে কিছুই করে না এসব সকল ভন্ডামি থেকে মুসলিমরা পবিত্র।

খ্রীষ্টানদের সকল মনগড়া ব্যাখ্যার জালিয়াতি যীশু নিজেই উন্মোচন করেছে আলহামদুলিল্লাহ।

ফন্ট সাইজ
15px
17px