📄 বাইবেল অনুযায়ী পৃথিবী ধ্বংস হবে নাকি চিরকাল থাকবে?
বাইবেল অনুযায়ী পৃথিবী চিরকাল থাকবে! আবার ধ্বংসও হবে বলা হয়েছে। এখন এই দুইটার মধ্যে আসল সত্য কোনটা বৈজ্ঞানিকভাবে জেনে নিব আমরা।
বাইবেল একবার বলছে পৃথিবী ধ্বংস হবে! আবার বলছে পৃথিবী কখনো ধ্বংস হবে না। আসুন বাইবেল থেকে বিস্তারিত দেখি।
* মহাবিশ্ব এবং পৃথিবী ধ্বংস হবে, কিন্তু তোমরা (মানুষ) চিরকাল থাকবে। (হিব্রুদের কাছে পত্র ০১/১১)
* এই বিশ্ব, এই আকাশ একদিন শেষ হয়ে যাবে। (সামসঙ্গীত ১০২/২৬)
আবার অপরদিকে বলছে:-
* যুগ যাবে যুগ আসবে, কিন্তু পৃথিবী চিরকাল থাকবে। (উপদেশক ০১/০৪)
* পৃথিবীর মত তিনি তাঁর মন্দির চিরকালের জন্য স্থাপন করলেন। (সামসঙ্গীত ৭৮/৬৯)
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, পৃথিবী কি চিরকাল থাকবে নাকি একদিন ধ্বংস হবে? বিজ্ঞান বলে পৃথিবী এক দিন ধ্বংস হবে। এমন অযৌক্তিক ঈশ্বরের বানিতে বিশ্বাস করা কতটা যৌক্তিক আপনারাই বিবেচনা করে।
📄 বাইবেল থেকেই প্রমানিত, (পিতা ঈশ্বর) পৃথিবী সৃষ্টি করেছে (২৪ ঘন্টার, ছয় দিনে) যা অবৈজ্ঞানিক ও ভুল তথ্য।
বাইবেল থেকেই প্রমান করবো বাইবেলের ঈশ্বর পৃথিবী সৃষ্টি করেছে (২৪) ঘন্টার সময়ের (০৬) দিনে! যা অবৈজ্ঞানিক ও ভুল তথ্য। কারন বর্তমান বিজ্ঞান বলে পৃথিবী কখনোই (২৪) ঘন্টার (০৬) দিনে সৃষ্টি করা সম্ভব নয়।
আসুন দেখি বাইবেলে (ইয়ম - יום) শব্দটা দ্বারা একটা সময়কাল বোঝানো হয়েছে, নাকি (২৪ ঘন্টার দিনরাত) বোঝানো হয়েছে।
প্রথমেই বলে রাখি (ইয়ম - יום) শব্দটার দুইটা অর্থ :-
০১/ একটা হল (২৪ ঘন্টার দিন)।
০২/ আরেকটা হল (একটা সময়কাল)।
আমরা বাইবেল থেকেই প্রমান করবো যে (ইয়ম - יום) শব্দটা দ্বারা বাইবেলে (দিনরাত ২৪ ঘন্টার) কথা বোঝানো হয়েছে।
* তারপর ঈশ্বর বললেন, “আলো ফুটুক” তখনই আলো ফুটতে শুরু করল। (আদিপুস্তক ০১/০৩)
দেখেন বাইবেল স্পষ্ট করে বলেছে প্রথম দিন আলো সৃষ্টি করা হয়েছে। ধরে নিলাম সূর্য সৃষ্টি করেছে। যখনই (আলো অর্থাৎ সূর্য) সৃষ্টি হবে, তখন আর (ইয়ম - יום) শব্দটা দ্বারা একটা সময়কাল বোঝানো হয় না। কারন যখন (সূর্য / আলো) সৃষ্টি হয় তখন (২৪ ঘন্টার দিনরাত) হয়ে যায়। আজ বিজ্ঞান বলে (২৪ ঘন্টায় একদিন) হয়।
নোট করেন :- তারপরও যদি (একটা সময়কাল) ধরেন তাহলে বিজ্ঞানের সাথে বাইবেল সাংঘর্ষিক হয়ে যাবে, বাইবেল অবৈজ্ঞানিক হয়ে যাবে। কারন বিজ্ঞান দ্বারা প্রমানিত (সূর্য - আলো) সৃষ্টির ফলে (দিনরাত হয় ২৪ ঘন্টায়)।
* তখন ঈশ্বর বললেন, পৃথিবীতে ঘাস হোক, শস্যদায়ী গাছ ও ফলের গাছপালা হোক। ফলের গাছগুলিতে ফল আর ফলের ভেতরে বীজ হোক। প্রত্যেক উদ্ভিদ আপন আপন জাতের বীজ সৃষ্টি করুক। এইসব গাছপালা পৃথিবীতে বেড়ে উঠুক। আর তাই-ই হল। (আদিপুস্তক ০১/১১)
* পৃথিবীতে ঘাস আর শস্যদায়ী উদ্ভিদ উৎপন্ন হল। আবার ফলদায়ী গাছপালাও হল, ফলের ভেতরে বীজ হল। প্রত্যেক উদ্ভিদ আপন আপন জাতের বীজ সৃষ্টি করল এবং ঈশ্বর দেখলেন ব্যবস্থাটা ভাল হয়েছে। (আদিপুস্তক ০১/১২)
* সন্ধ্যা হল এবং সকাল হল। এভাবে হল তৃতীয় দিন। (আদিপুস্তক ০১/১৩)
এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি ঈশ্বর (তৃতীয়) দিনে সকল প্রকার উদ্ভিদ, গাছপালা সৃষ্টি করেছে।
* তারপর ঈশ্বর বললেন, আকাশে আলো ফুটুক। এই আলো দিন থেকে রাত্রিকে পৃথক করবে। এই আলোগুলি বিশেষ সভাশুরু করার বিশেষ বিশেষ সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত হবে। আর দিন ও বছর বোঝাবার জন্য এই আলোগুলি ব্যবহৃত হবে। (আদিপুস্তক ০১/১৪)
* পৃথিবীতে আলো দেওয়ার জন্য এই আলোগুলি আকাশে থাকবে। এবং তা-ই হল। (আদিপুস্তক ০১/১৫)
* তখন ঈশ্বর দুটি মহাজ্যোতি বানালেন। ঈশ্বর বড়টি বানালেন দিনের বেলা রাজত্ব করার জন্য আর ছোটটি বানালেন রাত্রিবেলা রাজত্ব করার জন্য। ঈশ্বর তারকারাজিও সৃষ্টি করলেন। (আদিপুস্তক ০১/১৬)
* পৃথিবীকে আলো দেওয়ার জন্য ঈশ্বর এই আলোগুলিকে আকাশে স্থাপন করলেন। (আদিপুস্তক ০১/১৭)
* দিন ও রাত্রিকে কর্তৃত্ব দেবার জন্য ঈশ্বর এই আলোগুলিকে আকাশে সাজালেন। এই আলোগুলি আলো আর অন্ধকারকে পৃথক করে দিল এবং ঈশ্বর দেখলেন ব্যবস্থাটা ভাল হয়েছে। (আদিপুস্তক ০১/১৮)
* সন্ধ্যা হল এবং সকাল হল। এভাবে চতুর্থ দিন হল। (আদিপুস্তক ০১/১৯)
এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি (ঈশ্বর) চতুর্থ দিনে পৃথিবীকে আলো দেওয়ার জন্য সূর্য ও চাঁদকে আকাশে স্থাপন করেছে। খ্রীষ্টানরা (আদিপুস্তক ০১/০২) এই অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যা করেছে এভাবে, (ঈশ্বর) যখন (প্রথম) দিনেই আলো সৃষ্টি করেছে, তখন সেই আলো পৃথিবীর মধ্যে প্রবেশ করতো পারতো না! কারন পৃথিবী সৃষ্টিকালে সেখানে গ্যাসীয় পদার্থ ছিল! যার জন্য সূর্যের আলো পৃথিবীতে প্রবেশ করতো পারতো না। তার জন্য পরে (ঈশ্বর) চতুর্থ দিনে (আদিপুস্তক ০১/১৬-১৭) এই অনুচ্ছেদে পৃথিবীতে যাতে সূর্যের আলো প্রবেশ করতে পারে সেই ব্যবস্থা করেছে।
নোট করেন :- দেখেন পৃথিবীতে যদি সূর্যের আলো প্রবেশ করতে নাই পারে তাহলে প্রথম দিনে, (দিনরাত) হয় কি করে? আলো পৃথিবীর মধ্যে প্রবেশ করতে না পারলে পৃথিবীর অবস্থা একই রকম থাকবে, কারন আলোর জন্যই পৃথিবীতে দিনরাত সৃষ্টি হয়।
প্রমান দেখুন (আদিপুস্তক ০১/০৫) প্রথম দিন, (দিনরাত) হয়েছে। এখান থেকে প্রমান হয় যে বাইবেল বিকৃত। কারন যখন (সূর্য / আলো) সৃষ্টি হয় তখন ২৪ ঘন্টার দিনরাত হয় তখন (ইয়ম - יום) শব্দটা দ্বারা (একটা সময়কাল) বোঝানো সম্ভব না।
আবার দেখেন (আদিপুস্তক ০১/১১-১২) (তৃতীয় দিনে) গাছপালা সৃষ্টি হয়েছে, সূর্যের আলো পৃথিবীতে প্রবেশ করার আগেই পৃথিবীতে গাছপালা জন্ম নিয়ে নিছে সাথে সাথে উদ্ভিদগুলো নিজে নিজে তার বংশবিস্তার করেছে। হাস্যকর তথ্য। সূর্যের আলো ছাড়া গাছপালা বংশবিস্তার করতে পারে না এটা বাইবেলের (ঈশ্বর) জানে না।
বাইবেলে (ইয়ম - יום) শব্দটা দ্বারা ২৪ ঘন্টার দিনরাত বোঝানো হয়েছে, এবার আরো স্পষ্ট করবো বাইবেল থেকেই। খ্রীষ্টানদের অস্বীকার করার জায়গা থাকবে না, খ্রীষ্টানদের আর কোন (মনগড়া যুক্তি) ব্যাখ্যা কাজে আসবে না। হিব্রু মূলে ইষ্টের ০৪/১৬ এবং লেবীয় পুস্তক ১২/০২-০৫ এর দিনরাত বোঝাতে একি শব্দ (ইয়ম - יום) ব্যবহার হয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ বাইবেল থেকেই প্রমান করেছি (ইয়ম - יום) শব্দটা মানে বাইবেল (২৪ ঘন্টার দিনরাত) বুঝানো হয়েছে এখান থেকেই প্রমানিত বাইবেল বিকৃত ও অবৈজ্ঞানিক।
মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন:
"আল্লাহ্, যিনি আসমানসমূহ, যমীন ও এ দু'য়ের অন্তর্বর্তী সব কিছু সৃষ্টি করেছেন ছয় দিনে।" (সূরা আস সাজদাহ আয়াত: ০৪) (সূরা ফুসসিলাত আয়াত : ০৯-১২)
এই আয়াতে ছয়টি (ইয়ম - يَوْمَ) অর্থাৎ (ছয়টি সময়কালে) পৃথিবী সৃষ্টি করা হয়েছে। হাদিসেও একি কথা বলা হয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ বাইবেল থেকেই প্রমান করেছি, বাইবেলের ঈশ্বর পৃথিবী সৃষ্টি করেছে (২৪ ঘন্টার সময়ে) যা অবৈজ্ঞানিক ও ভুল তথ্য। বাইবেল যে বিকৃত হয়ে গেছে তা আর বুঝতে হয়তো কারো বাকি নেই।
📄 বাইবেল থেকেই প্রমানিত, যীশু সমগ্র মানুষের জন্য নয়! যীশু শুধুমাত্র তার সম্প্রদায়ের ও গোত্রের জন্য এসেছিলেন?
বাইবেল থেকেই প্রমান করবো যীশু শুধুমাত্র তার গোত্র ও তার সম্প্রদায়ের জন্য এসেছিলেন। এমনকি বাইবেলে যীশু নিজের মুখেই বলেছে সে শুধুমাত্র তার সম্প্রদায়ের জন্য এসেছিলেন।
খ্রীষ্টানরা বাইবেলের একটি অনুচ্ছেদ দেখি বলে থাকে যে যীশু সমর্গ মানবজাতির জন্য এসেছিলেন। প্রথমে এই অনুচ্ছেদটা খণ্ডন করবো তারপর বাইবেল থেকেই প্রমান করবো যীশু ও তার (পিতা ঈশ্বরের) বক্তব্য থেকে যীশু শুধুমাত্র তার গোত্র ও (সম্প্রদায় ইসরায়েলের) জন্য এসেছিলেন ইনশাআল্লাহ।
* তিনি তাঁদের বললেন, তোমরা সমস্ত জগতে যাও ও সমস্ত সৃষ্টির কাছে সুসমাচার প্রচার করো। (মার্ক ১৬/১৫)
এটা হল খ্রীষ্টানদের সেই অনুচ্ছেদটা যেটা দেখিয়ে খ্রীষ্টানরা দাবি করে থাকে যীশু সমর্গ মানবজাতির জন্য এসেছিলেন। এবার এটা খন্ডন করবো। দেখেন এই অনুচ্ছেদে বাইবেলের ঈশ্বর সকল সৃষ্টির কাছে সুমাচার প্রচার করতে বলেছে। তাহলে গাছপালা, পশুপাখি, নদিনালা, পাহাড় পর্বত, চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র এসব সকল কিছুই ঈশ্বরের সৃষ্টি। এসব সৃষ্টির কাছে কোন খ্রীষ্টান কেন সুমাচার প্রচার করে নাই? এখান থেকেই বোঝা গেল যে তাদের ঈশ্বর মিথ্যা বলেছে! কারন সকল প্রানীর কাছে সকল সৃষ্টির কাছে সুমাচার প্রচার করা সম্ভব না। এখান থেকেই প্রমান হয় যে বাইবেল বিকৃত। কারন ঈশ্বর কখনো ভুল বা মিথ্যা কথা বলতে পারে না।
আর এই (মার্ক ১৬/১৫) অনুচ্ছেদটি প্রাচীন কোন বাইবেলে নাই। (প্রাচীন / পুরনো) বাইবেলে (মার্ক ১৬/০৮) অনুচ্ছেদ পর্যন্ত আছে। বাকি ১২ টা অনুচ্ছেদ খ্রীষ্টানদের নিজের বানানো, বাকি (মার্ক ১৬/৯-২০) অনুচ্ছেদগুলো জালিয়াতি করে বানানো হয়েছে।
এবার দেখেন যীশুকে নিয়ে বাইবেলের (ঈশ্বরের) বক্তব্য! যীশুকে যে শুধুমাত্র তার (সম্প্রদায় - ইস্রাইলের) জন্য পাঠানো হয়েছে:
"কারণ তুমি গর্ভবতী হবে এবং একটি পুত্রের জন্ম দেবে... সে-ই পলেষ্টীয়দের হাত থেকে ইস্রায়েলীয়দের রক্ষা করবে।"
এখানে (পিতা - ঈশ্বর) স্পষ্ট করে বলেছে যীশুকে পাঠানো হয়েছে, পলেষ্টীয়দের হাত থেকে শুধুমাত্র ইস্রায়েলীয়দের রক্ষা করার জন্য।
এবার বাইবেল থেকে প্রমান দেখেন যীশু নিজের মুখে বলেছে সে ইসরায়েল বাসির কাছে এসেছে এবং তার শিশ্যদেরকেও শুধুমাত্র ইসরায়েল বাসির কাছে সুমাচার প্রচার করতে বলেছে:
* এর উত্তরে যীশু বললেন, 'সকলের কাছে নয়, কেবল ইস্রায়েলের হারানো মেষদের কাছে আমাকে পাঠানো হয়েছে। (মথি ১৫/২৪)
* এই বারো জনকে যীশু এই নির্দেশ দিয়ে পাঠালেন, 'তোমরা অইহুদীদের অঞ্চলে বা শমরীয়দের কোন নগরে যেও না। বরং ইস্রায়েল জাতির হারানো মেষদের কাছে যেও। (মথি ১০/০৫-০৬)
আলহামদুলিল্লাহ বাইবেল থেকেই যীশুর বক্তব্য অনুযায়ী প্রমানিত যে, যীশু শুধুমাত্র তার সম্প্রদায়ের জন্য এসেছিলেন।
হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন :-
"হে নবী (সা.)! আমি আপনাকে বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি।" (সুরা আল আম্বিয়া, আয়াত: ১০৭) (সুরা আস সাবা, আয়াত: ২৮)
আলহামদুলিল্লাহ বাইবেল থেকেই প্রমান করেছি, যীশু শুধুমাত্র তার গোত্র ও সম্প্রদায়ের জন্য এসেছিলেন। এবং হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) সমগ্র মানবজাতির জন্য এসেছিলেন।
📄 বাইবেল অনুযায়ী পৃথিবী (স্তম্ভ - পিলার) এর উপর দাঁড়িয়ে আছে! যা অবৈজ্ঞানিক ও ভুল তথ্য।
দেখেন বাইবেল বলছে পৃথিবী (পিলার - স্তম্ভ) এর উপর দাড়িয়ে আছে। অথচ বিজ্ঞান বলে পৃথিবী শূন্যে ভাসমান। পৃথিবীর কোন (পিলার বা স্তম্ভ) নাই।
আসুন এবার বাইবেল থেকে বিস্তারিত দেখি।
* The (pillars) of heaven tremble and are astonished at his reproof. (Job 26/11)
* ভূগর্ভস্থ (থামগুলি / পিলার / স্তম্ভ) যা আকাশকে ধারন করে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। (যোব ২৬/১১) (০১ সামুয়েল ০২/০৮)
বিজ্ঞান বলে, মহাকাশের কোন পিলার নেই মহাকাশ শূন্যে ভাসমান।
এই বিষয়ে মহান আল্লাহ বলেন :-
"আল্লাহ, যিনি খুঁটি ছাড়া আসমানসমূহ উঁচু করেছেন যা তোমরা দেখছ।" (সূরা রাদ, ১৩:২)
"তিনি খুঁটি ব্যতীত আকাশমন্ডলী সৃষ্টি করেছেন; তোমরা তা দেখছ।" (সূরা লোকমান, ৩১: ১০)
কোরআন স্পষ্ট করে বলেছে কোন খুটি ব্যাতিত মহাকাশ সৃষ্টি করেছে, আর বর্তমান বিজ্ঞানও বলে কোন খুটি ব্যাতিত শূন্যের উপর মহাকাস ও পৃথিবী দাড়িয়ে আছে। বাইবেল অবৈজ্ঞানিক ও বিকৃত তা প্রমানিত আলহামদুলিল্লাহ।