📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেলের ঈশ্বরের (অমানবিক নিষ্ঠুর) বিধান।

📄 বাইবেলের ঈশ্বরের (অমানবিক নিষ্ঠুর) বিধান।


বাইবেলের ইশ্বর এতটাই নিষ্ঠুর ও অমানবিক তার বিধান দেখলেই বুঝতে পারবেন।

> বাইবেলের ইশ্বরের অমানবিক হাস্যকর বিধান দেখেন :-
* তাই তোমার হাত কিংবা পা যদি তোমার প্রলোভনে পড়ার কারণ স্বরূপ হয়, তবে তা কেটে ফেল। (মথি ১৮/০৮)
* তোমার চোখ যদি তোমাকে প্রলোভনের পথে টেনে নিয়ে যায়, তবে তা উপড়ে ফেলে দিও। (মথি ১৮/০৯)

> এটা বাইবেলের ইশ্বরের কেমন বিধান? কোন সুস্থ জ্ঞানী মানুষ কখনো এসব আজব কথায় বিশ্বাস করবে না! কারন শয়তান সব সময়ই চায় যে মানুষ খারাপ কাজ করুক। শয়তান তো মানুষকে প্রলোভন দেখাবেই আর প্রলোভনে পড়ে মানুষ অনেক খারাপ কাজ করে থাকে তাই বলে কি হাত, পা, চোখ উপড়ে ফেলতে হবে? এমন অযৌক্তিক কথা কোন জ্ঞানসম্পন্ন মানুষ মেনে চালবে না।

> যদি বাইবেলের এই অযৌক্তিক বিধানটা কার্যকর করা হয় তাহলে পৃথিবীতে হয়তো কোন খ্রীষ্টানকে খুজে পাওয়া যাবে না।
* তাদের বাড়িগুলি লুণ্ঠিত হবে। তাদের স্ত্রীরা ধর্ষিত হবে। আর তাদের চোখের সামনেই তাদের ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হবে। (ইসাইয়া ১৩/১৬)
* তীরন্দাজরা যুবকদের হত্যা করবে। শিশুদের তারা ক্ষমা করবে না। তারা ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের প্রতিও করুণা করবে না। (ইসাইয়া ১৩/১৮)
* বাল্যকাল থেকে মানুষের স্বভাব মন্দ। (আদিপুস্তক ০৮/২১)
শমরিয়া অবশ্যই শাস্তি পাবে। কারণ সে তার ঈশ্বরের বিরুদ্ধে গেছে। ইস্রায়েল জাতি তরবারির সাহায্যেই নিহত হবে। তাদের সন্তানদের টুকরো টুকরো করে ছিন্ন করে দেওয়া হবে। তাদের গর্ভবতী মেয়েদের ছিঁড়ে ফেলা হবে। (হোসেয়া ১৩/১৬)
* তোমরা তাদের রক্তের ওপর দিয়ে হাঁটতে পারবে। তোমাদের কুকুর ওদের রক্ত চেটে খাবে। (সামসঙ্গীত ৬৮/২৩)

এমন অমানবিক নিষ্ঠুর কথা কি কোন ইশ্বরের পক্ষে মানায় আপনারাই বিবেচনা করেন?
বাল্যকাল থেকেই মানুষ কেন মন্দ স্বভাবের হবে? তারা তো আর কোন পাপ করে নাই।
ঈশ্বর মানুষকে বাল্যকাল থেকেই পাপি বানিয়ে দিছে তাহলে মানুষ পাপ কাজ করবে এটাই স্বাভাবিক, এটাই যদি হয়ে থাকে তাহলে মানুষ সৃষ্টি করার কি প্রযোজন ছিল বাইবেলের ইশ্বরের?

এ বিষয়ে মহান আল্লাহ বলেন :-
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, প্রতিটি নবজাতক স্বভাবজাত ইসলাম নিয়ে জন্মলাভ করে। অতঃপর তার বাবা-মা তাকে ইয়াহূদী বানিয়ে দেয়, খ্রীষ্টান বানিয়ে দেয় এবং আগুনপূজারী বানিয়ে দেয়, যেমন চতুষ্পদ প্রাণী পূর্ণাঙ্গ চতুষ্পদ বাচ্চা জন্ম দেয় তোমরা কি তাতে কোন অঙ্গ কর্তিত বাচ্চা উপলব্ধি করছ? তারপর আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, ইচ্ছা করলে তোমরা এ আয়াতটি পাঠ করতে পারঃ “আল্লাহর ফিত্রাতে যার উপর তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নেই”- (সূরাহ রূম আয়াত : ৩০)
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং: ৬৬৪৮। হাদিসের মান: সহিহ হাদিস।

এবার আপনারাই বিবেচনা করেন বাইবেলের ইশ্বরের এমন অমানবিক নিষ্ঠুর বিধান অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা আদো কি সম্ভব?

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেলের ঈশ্বর (রেগে) গেলে উদ্ভট হাস্যকর পাগলামিতে লিপ্ত হয়।

📄 বাইবেলের ঈশ্বর (রেগে) গেলে উদ্ভট হাস্যকর পাগলামিতে লিপ্ত হয়।


বাইবেলের ঈশ্বর (রেগে) গেলে তার নাক, মুখ, শরির থেকে আগুন ও ধোঁয়া বের হয়। এবং তিনি বিভিন্ন রকম পাগলামিতে লিপ্ত হয় সেসব দেখা যাক।

এবার আসেন বাইবেল থেকে বিস্তারিত দেখি বাইবেলের ঈশ্বর (রেগে) গেলে কি পাগলামিতে লিপ্ত হয়!
* সারা পৃথিবী কেঁপে উঠলো, পর্বত্তের ভিতগুলো পর্যন্ত নড়ে উঠেছিল। কেন? কারণ প্রভু ক্রুদ্ধ হয়েছিলেন! (সামসংঙ্গীত ১৮/০৭)
* ঈশ্বরের নাক দিয়ে ধোঁয়া বেরিয়ে এলো। ঈশ্বরের মুখ থেকে বেরিয়ে এলো জ্বলন্ত অগ্নিশিখা। তাঁর দেহ থেকে জ্বলন্ত আগুন বিচ্ছুরিত হতে লাগলো। (সামসংঙ্গীত ১৮/০৮)
* আকাশমণ্ডল বিদীর্ণ করে প্রভু নীচে নেমে এলেন! একটি ঘন কালো মেঘের ওপর তিনি দাঁড়িয়েছিলেন। (সামসংঙ্গীত ১৮/০৯)
* বাতাসের পাখায় চড়ে তিনি আকাশের এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তে উড়ে বেড়াচ্ছিলেন। বাতাসের ওপর ভর করে, তিনি সুদূর শূন্যে ভেসে বেড়াচ্ছিলেন। (সামসংঙ্গীত ১৮/১০)
* প্রভু একটা ঘন কালো মেঘের মধ্যে লুকিয়েছিলেন, সেই মেঘ তাঁকে তাঁবুর মত ঘিরেছিল। তিনি ঘন বজ্রময় মেঘের মধ্যে লুকিয়েছিলেন (সামসংঙ্গীত ১৮/১১)
* তারপর মেঘ ভেদ করে ঈশ্বরের আলোকময় ঔজ্জ্বল্য বেরিয়ে এলো। সেখানে বজ্রসহ শিলাবৃষ্টি এবং বিদ্যুতের ঝলকানি দেখা দিল। (সামসংঙ্গীত ১৮/১২)
* তোমার আদেশে, হে সদাপ্রভু, তোমার নাকের নিঃশ্বাসের বিস্ফোরণে, সাগরের তলদেশ উন্মুক্ত হল, আর পৃথিবীর ভিত্তিমূল অনাবৃত হল। (সামসংঙ্গীত ১৮/১৫)

দেখলেন তো বাইবেলের ঈশ্বরের পাগলামি! তিনি রেখে গেলে নাক থেকে ধোঁয়া বের হয়, মুখ থেকে আগুন বের হয়, তার শরীর থেকে আগুন বের হতে থাকে। তিনি রেগে গেলে আকাশ বিদীর্ণ করে মেঘের উপর এসে দাড়িয়ে থাকেন! বাতাসের পাখায় করে পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে উড়ে বেড়ান। তিনি বাতাসের উপর ভর করে শূন্যে ভেসে বেড়ায়। তিনি কালো মেঘের তাবুর মধ্যে লুকিয়ে থাকেন। তার নাকের নিশ্বাসে বিস্ফোরণ হয়ে সাগরের তলদেশ উন্মুক্ত হয়, পৃথিবীর ভিত্তিমূল অনাবৃত হয়। কতসব উদ্ভট হাস্যকর কাজকর্ম করতে থাকেন তিনি। এসব উদ্ভট কাজকর্ম করে কি লাভ? আর এসব কাজকর্ম কি কোন ঈশ্বরের পক্ষে মানায়?

এখন আপনারাই বলেন বাইবেলের ঈশ্বরের এসব উদ্ভট হাস্যকর কাজকর্ম কি কোন ঈশ্বরের পক্ষে মানায়? কি সব উদ্ভট বক্তব্য লিখে রেখেছেন তিনি! এতে কি তার সম্মান বাড়ে না কমে যায় তিনি কি বুঝতে পারেন না?

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেল অনুযায়ী পৃথিবী ধ্বংস হবে নাকি চিরকাল থাকবে?

📄 বাইবেল অনুযায়ী পৃথিবী ধ্বংস হবে নাকি চিরকাল থাকবে?


বাইবেল অনুযায়ী পৃথিবী চিরকাল থাকবে! আবার ধ্বংসও হবে বলা হয়েছে। এখন এই দুইটার মধ্যে আসল সত্য কোনটা বৈজ্ঞানিকভাবে জেনে নিব আমরা।

বাইবেল একবার বলছে পৃথিবী ধ্বংস হবে! আবার বলছে পৃথিবী কখনো ধ্বংস হবে না। আসুন বাইবেল থেকে বিস্তারিত দেখি।
* মহাবিশ্ব এবং পৃথিবী ধ্বংস হবে, কিন্তু তোমরা (মানুষ) চিরকাল থাকবে। (হিব্রুদের কাছে পত্র ০১/১১)
* এই বিশ্ব, এই আকাশ একদিন শেষ হয়ে যাবে। (সামসঙ্গীত ১০২/২৬)

আবার অপরদিকে বলছে:-
* যুগ যাবে যুগ আসবে, কিন্তু পৃথিবী চিরকাল থাকবে। (উপদেশক ০১/০৪)
* পৃথিবীর মত তিনি তাঁর মন্দির চিরকালের জন্য স্থাপন করলেন। (সামসঙ্গীত ৭৮/৬৯)

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, পৃথিবী কি চিরকাল থাকবে নাকি একদিন ধ্বংস হবে? বিজ্ঞান বলে পৃথিবী এক দিন ধ্বংস হবে। এমন অযৌক্তিক ঈশ্বরের বানিতে বিশ্বাস করা কতটা যৌক্তিক আপনারাই বিবেচনা করে।

📘 খ্রিস্টান ধর্ম খন্ডন রদ্দে ক্রিশ্চিয়ানিটি 📄 বাইবেল থেকেই প্রমানিত, (পিতা ঈশ্বর) পৃথিবী সৃষ্টি করেছে (২৪ ঘন্টার, ছয় দিনে) যা অবৈজ্ঞানিক ও ভুল তথ্য।

📄 বাইবেল থেকেই প্রমানিত, (পিতা ঈশ্বর) পৃথিবী সৃষ্টি করেছে (২৪ ঘন্টার, ছয় দিনে) যা অবৈজ্ঞানিক ও ভুল তথ্য।


বাইবেল থেকেই প্রমান করবো বাইবেলের ঈশ্বর পৃথিবী সৃষ্টি করেছে (২৪) ঘন্টার সময়ের (০৬) দিনে! যা অবৈজ্ঞানিক ও ভুল তথ্য। কারন বর্তমান বিজ্ঞান বলে পৃথিবী কখনোই (২৪) ঘন্টার (০৬) দিনে সৃষ্টি করা সম্ভব নয়।

আসুন দেখি বাইবেলে (ইয়ম - יום) শব্দটা দ্বারা একটা সময়কাল বোঝানো হয়েছে, নাকি (২৪ ঘন্টার দিনরাত) বোঝানো হয়েছে।

প্রথমেই বলে রাখি (ইয়ম - יום) শব্দটার দুইটা অর্থ :-
০১/ একটা হল (২৪ ঘন্টার দিন)।
০২/ আরেকটা হল (একটা সময়কাল)।

আমরা বাইবেল থেকেই প্রমান করবো যে (ইয়ম - יום) শব্দটা দ্বারা বাইবেলে (দিনরাত ২৪ ঘন্টার) কথা বোঝানো হয়েছে।
* তারপর ঈশ্বর বললেন, “আলো ফুটুক” তখনই আলো ফুটতে শুরু করল। (আদিপুস্তক ০১/০৩)
দেখেন বাইবেল স্পষ্ট করে বলেছে প্রথম দিন আলো সৃষ্টি করা হয়েছে। ধরে নিলাম সূর্য সৃষ্টি করেছে। যখনই (আলো অর্থাৎ সূর্য) সৃষ্টি হবে, তখন আর (ইয়ম - יום) শব্দটা দ্বারা একটা সময়কাল বোঝানো হয় না। কারন যখন (সূর্য / আলো) সৃষ্টি হয় তখন (২৪ ঘন্টার দিনরাত) হয়ে যায়। আজ বিজ্ঞান বলে (২৪ ঘন্টায় একদিন) হয়।

নোট করেন :- তারপরও যদি (একটা সময়কাল) ধরেন তাহলে বিজ্ঞানের সাথে বাইবেল সাংঘর্ষিক হয়ে যাবে, বাইবেল অবৈজ্ঞানিক হয়ে যাবে। কারন বিজ্ঞান দ্বারা প্রমানিত (সূর্য - আলো) সৃষ্টির ফলে (দিনরাত হয় ২৪ ঘন্টায়)।

* তখন ঈশ্বর বললেন, পৃথিবীতে ঘাস হোক, শস্যদায়ী গাছ ও ফলের গাছপালা হোক। ফলের গাছগুলিতে ফল আর ফলের ভেতরে বীজ হোক। প্রত্যেক উদ্ভিদ আপন আপন জাতের বীজ সৃষ্টি করুক। এইসব গাছপালা পৃথিবীতে বেড়ে উঠুক। আর তাই-ই হল। (আদিপুস্তক ০১/১১)
* পৃথিবীতে ঘাস আর শস্যদায়ী উদ্ভিদ উৎপন্ন হল। আবার ফলদায়ী গাছপালাও হল, ফলের ভেতরে বীজ হল। প্রত্যেক উদ্ভিদ আপন আপন জাতের বীজ সৃষ্টি করল এবং ঈশ্বর দেখলেন ব্যবস্থাটা ভাল হয়েছে। (আদিপুস্তক ০১/১২)
* সন্ধ্যা হল এবং সকাল হল। এভাবে হল তৃতীয় দিন। (আদিপুস্তক ০১/১৩)

এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি ঈশ্বর (তৃতীয়) দিনে সকল প্রকার উদ্ভিদ, গাছপালা সৃষ্টি করেছে।

* তারপর ঈশ্বর বললেন, আকাশে আলো ফুটুক। এই আলো দিন থেকে রাত্রিকে পৃথক করবে। এই আলোগুলি বিশেষ সভাশুরু করার বিশেষ বিশেষ সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত হবে। আর দিন ও বছর বোঝাবার জন্য এই আলোগুলি ব্যবহৃত হবে। (আদিপুস্তক ০১/১৪)
* পৃথিবীতে আলো দেওয়ার জন্য এই আলোগুলি আকাশে থাকবে। এবং তা-ই হল। (আদিপুস্তক ০১/১৫)
* তখন ঈশ্বর দুটি মহাজ্যোতি বানালেন। ঈশ্বর বড়টি বানালেন দিনের বেলা রাজত্ব করার জন্য আর ছোটটি বানালেন রাত্রিবেলা রাজত্ব করার জন্য। ঈশ্বর তারকারাজিও সৃষ্টি করলেন। (আদিপুস্তক ০১/১৬)
* পৃথিবীকে আলো দেওয়ার জন্য ঈশ্বর এই আলোগুলিকে আকাশে স্থাপন করলেন। (আদিপুস্তক ০১/১৭)
* দিন ও রাত্রিকে কর্তৃত্ব দেবার জন্য ঈশ্বর এই আলোগুলিকে আকাশে সাজালেন। এই আলোগুলি আলো আর অন্ধকারকে পৃথক করে দিল এবং ঈশ্বর দেখলেন ব্যবস্থাটা ভাল হয়েছে। (আদিপুস্তক ০১/১৮)
* সন্ধ্যা হল এবং সকাল হল। এভাবে চতুর্থ দিন হল। (আদিপুস্তক ০১/১৯)

এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি (ঈশ্বর) চতুর্থ দিনে পৃথিবীকে আলো দেওয়ার জন্য সূর্য ও চাঁদকে আকাশে স্থাপন করেছে। খ্রীষ্টানরা (আদিপুস্তক ০১/০২) এই অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যা করেছে এভাবে, (ঈশ্বর) যখন (প্রথম) দিনেই আলো সৃষ্টি করেছে, তখন সেই আলো পৃথিবীর মধ্যে প্রবেশ করতো পারতো না! কারন পৃথিবী সৃষ্টিকালে সেখানে গ্যাসীয় পদার্থ ছিল! যার জন্য সূর্যের আলো পৃথিবীতে প্রবেশ করতো পারতো না। তার জন্য পরে (ঈশ্বর) চতুর্থ দিনে (আদিপুস্তক ০১/১৬-১৭) এই অনুচ্ছেদে পৃথিবীতে যাতে সূর্যের আলো প্রবেশ করতে পারে সেই ব্যবস্থা করেছে।

নোট করেন :- দেখেন পৃথিবীতে যদি সূর্যের আলো প্রবেশ করতে নাই পারে তাহলে প্রথম দিনে, (দিনরাত) হয় কি করে? আলো পৃথিবীর মধ্যে প্রবেশ করতে না পারলে পৃথিবীর অবস্থা একই রকম থাকবে, কারন আলোর জন্যই পৃথিবীতে দিনরাত সৃষ্টি হয়।

প্রমান দেখুন (আদিপুস্তক ০১/০৫) প্রথম দিন, (দিনরাত) হয়েছে। এখান থেকে প্রমান হয় যে বাইবেল বিকৃত। কারন যখন (সূর্য / আলো) সৃষ্টি হয় তখন ২৪ ঘন্টার দিনরাত হয় তখন (ইয়ম - יום) শব্দটা দ্বারা (একটা সময়কাল) বোঝানো সম্ভব না।
আবার দেখেন (আদিপুস্তক ০১/১১-১২) (তৃতীয় দিনে) গাছপালা সৃষ্টি হয়েছে, সূর্যের আলো পৃথিবীতে প্রবেশ করার আগেই পৃথিবীতে গাছপালা জন্ম নিয়ে নিছে সাথে সাথে উদ্ভিদগুলো নিজে নিজে তার বংশবিস্তার করেছে। হাস্যকর তথ্য। সূর্যের আলো ছাড়া গাছপালা বংশবিস্তার করতে পারে না এটা বাইবেলের (ঈশ্বর) জানে না।

বাইবেলে (ইয়ম - יום) শব্দটা দ্বারা ২৪ ঘন্টার দিনরাত বোঝানো হয়েছে, এবার আরো স্পষ্ট করবো বাইবেল থেকেই। খ্রীষ্টানদের অস্বীকার করার জায়গা থাকবে না, খ্রীষ্টানদের আর কোন (মনগড়া যুক্তি) ব্যাখ্যা কাজে আসবে না। হিব্রু মূলে ইষ্টের ০৪/১৬ এবং লেবীয় পুস্তক ১২/০২-০৫ এর দিনরাত বোঝাতে একি শব্দ (ইয়ম - יום) ব্যবহার হয়েছে।

আলহামদুলিল্লাহ বাইবেল থেকেই প্রমান করেছি (ইয়ম - יום) শব্দটা মানে বাইবেল (২৪ ঘন্টার দিনরাত) বুঝানো হয়েছে এখান থেকেই প্রমানিত বাইবেল বিকৃত ও অবৈজ্ঞানিক।

মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন:
"আল্লাহ্, যিনি আসমানসমূহ, যমীন ও এ দু'য়ের অন্তর্বর্তী সব কিছু সৃষ্টি করেছেন ছয় দিনে।" (সূরা আস সাজদাহ আয়াত: ০৪) (সূরা ফুসসিলাত আয়াত : ০৯-১২)
এই আয়াতে ছয়টি (ইয়ম - يَوْمَ) অর্থাৎ (ছয়টি সময়কালে) পৃথিবী সৃষ্টি করা হয়েছে। হাদিসেও একি কথা বলা হয়েছে।

আলহামদুলিল্লাহ বাইবেল থেকেই প্রমান করেছি, বাইবেলের ঈশ্বর পৃথিবী সৃষ্টি করেছে (২৪ ঘন্টার সময়ে) যা অবৈজ্ঞানিক ও ভুল তথ্য। বাইবেল যে বিকৃত হয়ে গেছে তা আর বুঝতে হয়তো কারো বাকি নেই।

ফন্ট সাইজ
15px
17px