📘 খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ রা: > 📄 খালিদের ফাজিলত

📄 খালিদের ফাজিলত


রাসুল নানা প্রসঙ্গে একাধিকবার তাঁর প্রশংসা করেছেন। মক্কাবিজয়ের সময় একদিন কিছু দূরে খালিদকে দেখা গেলে রাসুল আবু হুরায়রাকে বলেন, 'দেখো তো কে?' তিনি বললেন, 'খালিদ'। রাসুল বললেন, 'আল্লাহর এ বান্দা কতই-না ভালো। 'রাসুল একবার সাহাবিদের উদ্দেশ করে বলেন', তোমরা খালিদকে কষ্ট দেবে না। কারণ, সে কাফিরদের বিরুদ্ধে চালিত আল্লাহর তরবারি।'

একবার আম্মার ইবনু ইয়াসির রা. ও তাঁর মধ্যে ঝগড়া হয়। খালিদ তাঁকে কিছু কটুকথা বলে ফেলেন। আম্মার রা. তখন নবিজির কাছে বিচার দেন। সব শুনে নবিজি বলেন, 'যে আম্মারের সঙ্গে হিংসা ও শত্রুতা রাখে, সে আল্লাহর সঙ্গে হিংসা ও শত্রুতা রাখে।' নবিজির এ কথায় খালিদের ওপর এমন প্রতিক্রিয়া হয় যে, তিনি তখনই আম্মারের কাছে ছুটে যান এবং তাঁকে খুশি করিয়ে নেন। খালিদ রা. নিজেই বলেছেন, 'রাসুল -এর কাছ থেকে ওঠার পর আম্মারের সন্তুষ্টি অর্জন করা ছাড়া আমার কাছে অধিক প্রিয় আর কোনো জিনিস ছিল না।'

খালিদ ইবনুল ওয়ালিদের হৃদয়ে রাসুল -এর প্রতি ভক্তি ও ভালোবাসা এত তীব্র ছিল যে, রাসুলের শানে কেউ সামান্য অমার্জিত কোনো কথা বললে তিনি সহ্য করতে পারতেন না। বলতেন, 'ইয়া রাসুলুল্লাহ, অনুমতি দিন, ওর গর্দান উড়িয়ে দিই।'

রাসুল নানা প্রসঙ্গে একাধিকবার তাঁর প্রশংসা করেছেন। মক্কাবিজয়ের সময় একদিন কিছু দূরে খালিদকে দেখা গেলে রাসুল আবু হুরায়রাকে বলেন, 'দেখো তো কে?' তিনি বললেন, 'খালিদ'। রাসুল বললেন, 'আল্লাহর এ বান্দা কতই-না ভালো। 'রাসুল একবার সাহাবিদের উদ্দেশ করে বলেন', তোমরা খালিদকে কষ্ট দেবে না। কারণ, সে কাফিরদের বিরুদ্ধে চালিত আল্লাহর তরবারি।'

একবার আম্মার ইবনু ইয়াসির রা. ও তাঁর মধ্যে ঝগড়া হয়। খালিদ তাঁকে কিছু কটুকথা বলে ফেলেন। আম্মার রা. তখন নবিজির কাছে বিচার দেন। সব শুনে নবিজি বলেন, 'যে আম্মারের সঙ্গে হিংসা ও শত্রুতা রাখে, সে আল্লাহর সঙ্গে হিংসা ও শত্রুতা রাখে।' নবিজির এ কথায় খালিদের ওপর এমন প্রতিক্রিয়া হয় যে, তিনি তখনই আম্মারের কাছে ছুটে যান এবং তাঁকে খুশি করিয়ে নেন। খালিদ রা. নিজেই বলেছেন, 'রাসুল -এর কাছ থেকে ওঠার পর আম্মারের সন্তুষ্টি অর্জন করা ছাড়া আমার কাছে অধিক প্রিয় আর কোনো জিনিস ছিল না।'

খালিদ ইবনুল ওয়ালিদের হৃদয়ে রাসুল -এর প্রতি ভক্তি ও ভালোবাসা এত তীব্র ছিল যে, রাসুলের শানে কেউ সামান্য অমার্জিত কোনো কথা বললে তিনি সহ্য করতে পারতেন না। বলতেন, 'ইয়া রাসুলুল্লাহ, অনুমতি দিন, ওর গর্দান উড়িয়ে দিই।'

রাসুল নানা প্রসঙ্গে একাধিকবার তাঁর প্রশংসা করেছেন। মক্কাবিজয়ের সময় একদিন কিছু দূরে খালিদকে দেখা গেলে রাসুল আবু হুরায়রাকে বলেন, 'দেখো তো কে?' তিনি বললেন, 'খালিদ'। রাসুল বললেন, 'আল্লাহর এ বান্দা কতই-না ভালো। 'রাসুল একবার সাহাবিদের উদ্দেশ করে বলেন', তোমরা খালিদকে কষ্ট দেবে না। কারণ, সে কাফিরদের বিরুদ্ধে চালিত আল্লাহর তরবারি।'

একবার আম্মার ইবনু ইয়াসির রা. ও তাঁর মধ্যে ঝগড়া হয়। খালিদ তাঁকে কিছু কটুকথা বলে ফেলেন। আম্মার রা. তখন নবিজির কাছে বিচার দেন। সব শুনে নবিজি বলেন, 'যে আম্মারের সঙ্গে হিংসা ও শত্রুতা রাখে, সে আল্লাহর সঙ্গে হিংসা ও শত্রুতা রাখে।' নবিজির এ কথায় খালিদের ওপর এমন প্রতিক্রিয়া হয় যে, তিনি তখনই আম্মারের কাছে ছুটে যান এবং তাঁকে খুশি করিয়ে নেন। খালিদ রা. নিজেই বলেছেন, 'রাসুল -এর কাছ থেকে ওঠার পর আম্মারের সন্তুষ্টি অর্জন করা ছাড়া আমার কাছে অধিক প্রিয় আর কোনো জিনিস ছিল না।'

খালিদ ইবনুল ওয়ালিদের হৃদয়ে রাসুল -এর প্রতি ভক্তি ও ভালোবাসা এত তীব্র ছিল যে, রাসুলের শানে কেউ সামান্য অমার্জিত কোনো কথা বললে তিনি সহ্য করতে পারতেন না। বলতেন, 'ইয়া রাসুলুল্লাহ, অনুমতি দিন, ওর গর্দান উড়িয়ে দিই।'

📘 খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ রা: > 📄 দ্বীনের সফল দায়ি

📄 দ্বীনের সফল দায়ি


উম্মাহর গর্ব খালিদ রা. কেবল একজন সেনা-ই ছিলেন না; দক্ষ দায়িও ছিলেন। বনু জুজায়মা ও মালিক ইবন নুওয়াইরার ব্যাপারে ত্বরিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে যে ক্ষতি হয়, তা লক্ষ করে রাসুল পরবর্তী সময়ে তাঁকে কোথাও পাঠানোর সময় উপদেশ দিতেন— 'শুধু ইসলামের দাওয়াত দেবে, তরবারি ওঠাবে না।' তেমনিভাবে ইয়ামেনে পাঠানোর সময়ও নির্দেশ দেন, 'তোমার পক্ষ থেকে যেন যুদ্ধের সূচনা না হয়।'

এ হিদায়াত লাভের পর যত যুদ্ধে তিনি অংশ নিয়েছেন, কোথাও কোনো প্রকার বাড়াবাড়ি হয়েছে বলে জানা যায়নি। রাসুলের জীবদ্দশায় এবং তাঁর ইনতিকালের পরেও তিনি দীনের দাওয়াতের কাজ আনজাম দিয়েছেন। মক্কাবিজয়ের পর রাসুল- এর নির্দেশে ইসলামপ্রচারের জন্য বিভিন্ন এলাকায় যান এবং তাঁর প্রচেষ্টায় অনেকেই ইসলামগ্রহণ করেন। ইয়ামেনের দাওয়াতি কাজে তিনি আলির রা.-এর সহযোগী ছিলেন। তাঁরই চেষ্টায় মিথ্যা নবুওয়াতের দাবিদার ভণ্ড তুলায়হা আসাদির সহযোগী বনু হাওয়াজিন, সুলাইম ও আমির পুনরায় ইসলামে ফিরে আসে। এ ছাড়া অসংখ্য লোক বিভিন্ন সময় তাঁর দাওয়াতে সাড়া দিয়ে ইসলাম কবুল করে।

প্রতিটা যুদ্ধ শুরুর আগে ইসলামের নিয়মানুযায়ী প্রতিপক্ষকে সবসময় তিনি ইসলামের দাওয়াত দিয়েছেন। ময়দানে প্রচন্ড যুদ্ধের মধ্যেও সফল একজন দায়ির ভূমিকা পালন করেছেন। ইয়ারমুকের রোমান সেনা জারজাহ এর জ্বলন্ত প্রমাণ।

উম্মাহর গর্ব খালিদ রা. কেবল একজন সেনা-ই ছিলেন না; দক্ষ দায়িও ছিলেন। বনু জুজায়মা ও মালিক ইবন নুওয়াইরার ব্যাপারে ত্বরিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে যে ক্ষতি হয়, তা লক্ষ করে রাসুল পরবর্তী সময়ে তাঁকে কোথাও পাঠানোর সময় উপদেশ দিতেন— 'শুধু ইসলামের দাওয়াত দেবে, তরবারি ওঠাবে না।' তেমনিভাবে ইয়ামেনে পাঠানোর সময়ও নির্দেশ দেন, 'তোমার পক্ষ থেকে যেন যুদ্ধের সূচনা না হয়।'

এ হিদায়াত লাভের পর যত যুদ্ধে তিনি অংশ নিয়েছেন, কোথাও কোনো প্রকার বাড়াবাড়ি হয়েছে বলে জানা যায়নি। রাসুলের জীবদ্দশায় এবং তাঁর ইনতিকালের পরেও তিনি দীনের দাওয়াতের কাজ আনজাম দিয়েছেন। মক্কাবিজয়ের পর রাসুল- এর নির্দেশে ইসলামপ্রচারের জন্য বিভিন্ন এলাকায় যান এবং তাঁর প্রচেষ্টায় অনেকেই ইসলামগ্রহণ করেন। ইয়ামেনের দাওয়াতি কাজে তিনি আলির রা.-এর সহযোগী ছিলেন। তাঁরই চেষ্টায় মিথ্যা নবুওয়াতের দাবিদার ভণ্ড তুলায়হা আসাদির সহযোগী বনু হাওয়াজিন, সুলাইম ও আমির পুনরায় ইসলামে ফিরে আসে। এ ছাড়া অসংখ্য লোক বিভিন্ন সময় তাঁর দাওয়াতে সাড়া দিয়ে ইসলাম কবুল করে।

প্রতিটা যুদ্ধ শুরুর আগে ইসলামের নিয়মানুযায়ী প্রতিপক্ষকে সবসময় তিনি ইসলামের দাওয়াত দিয়েছেন। ময়দানে প্রচন্ড যুদ্ধের মধ্যেও সফল একজন দায়ির ভূমিকা পালন করেছেন। ইয়ারমুকের রোমান সেনা জারজাহ এর জ্বলন্ত প্রমাণ।

উম্মাহর গর্ব খালিদ রা. কেবল একজন সেনা-ই ছিলেন না; দক্ষ দায়িও ছিলেন। বনু জুজায়মা ও মালিক ইবন নুওয়াইরার ব্যাপারে ত্বরিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে যে ক্ষতি হয়, তা লক্ষ করে রাসুল পরবর্তী সময়ে তাঁকে কোথাও পাঠানোর সময় উপদেশ দিতেন— 'শুধু ইসলামের দাওয়াত দেবে, তরবারি ওঠাবে না।' তেমনিভাবে ইয়ামেনে পাঠানোর সময়ও নির্দেশ দেন, 'তোমার পক্ষ থেকে যেন যুদ্ধের সূচনা না হয়।'

এ হিদায়াত লাভের পর যত যুদ্ধে তিনি অংশ নিয়েছেন, কোথাও কোনো প্রকার বাড়াবাড়ি হয়েছে বলে জানা যায়নি। রাসুলের জীবদ্দশায় এবং তাঁর ইনতিকালের পরেও তিনি দীনের দাওয়াতের কাজ আনজাম দিয়েছেন। মক্কাবিজয়ের পর রাসুল- এর নির্দেশে ইসলামপ্রচারের জন্য বিভিন্ন এলাকায় যান এবং তাঁর প্রচেষ্টায় অনেকেই ইসলামগ্রহণ করেন। ইয়ামেনের দাওয়াতি কাজে তিনি আলির রা.-এর সহযোগী ছিলেন। তাঁরই চেষ্টায় মিথ্যা নবুওয়াতের দাবিদার ভণ্ড তুলায়হা আসাদির সহযোগী বনু হাওয়াজিন, সুলাইম ও আমির পুনরায় ইসলামে ফিরে আসে। এ ছাড়া অসংখ্য লোক বিভিন্ন সময় তাঁর দাওয়াতে সাড়া দিয়ে ইসলাম কবুল করে।

প্রতিটা যুদ্ধ শুরুর আগে ইসলামের নিয়মানুযায়ী প্রতিপক্ষকে সবসময় তিনি ইসলামের দাওয়াত দিয়েছেন। ময়দানে প্রচন্ড যুদ্ধের মধ্যেও সফল একজন দায়ির ভূমিকা পালন করেছেন। ইয়ারমুকের রোমান সেনা জারজাহ এর জ্বলন্ত প্রমাণ।

📘 খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ রা: > 📄 শেষকথা

📄 শেষকথা


খালিদ রা. ইসলামের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ বীরের আসনে সমাসীন। সামরিক ক্ষেত্র ও রণাঙ্গনে তাঁর যে অবদান, তা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল ঘটনা। পাশাপাশি এ কথাও স্পষ্টত যে, তিনি একজন যোগ্য শাসক ছিলেন।

আল্লাহ তাআলা খালিদ রা.-এর ওপর রহমত ও বরকত অবতীর্ণ করেছেন। তিনি ইসলাম প্রতিষ্ঠায় যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা অনন্য। সুতরাং আমাদের উচিত, আমরা যেন তাঁর জীবনের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে চিন্তা করি এবং নিজেদের মধ্যে তাঁর গুণাবলির সমাবেশ ঘটানোর চেষ্টা করি। কারণ, তাঁর গুণাবলি অবলম্বনেই মুসলিম জাতির যথার্থ কল্যাণ নিহিত। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দিন। আমিন।

খালিদ রা. ইসলামের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ বীরের আসনে সমাসীন। সামরিক ক্ষেত্র ও রণাঙ্গনে তাঁর যে অবদান, তা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল ঘটনা। পাশাপাশি এ কথাও স্পষ্টত যে, তিনি একজন যোগ্য শাসক ছিলেন।

আল্লাহ তাআলা খালিদ রা.-এর ওপর রহমত ও বরকত অবতীর্ণ করেছেন। তিনি ইসলাম প্রতিষ্ঠায় যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা অনন্য। সুতরাং আমাদের উচিত, আমরা যেন তাঁর জীবনের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে চিন্তা করি এবং নিজেদের মধ্যে তাঁর গুণাবলির সমাবেশ ঘটানোর চেষ্টা করি। কারণ, তাঁর গুণাবলি অবলম্বনেই মুসলিম জাতির যথার্থ কল্যাণ নিহিত। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দিন। আমিন।

খালিদ রা. ইসলামের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ বীরের আসনে সমাসীন। সামরিক ক্ষেত্র ও রণাঙ্গনে তাঁর যে অবদান, তা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল ঘটনা। পাশাপাশি এ কথাও স্পষ্টত যে, তিনি একজন যোগ্য শাসক ছিলেন।

আল্লাহ তাআলা খালিদ রা.-এর ওপর রহমত ও বরকত অবতীর্ণ করেছেন। তিনি ইসলাম প্রতিষ্ঠায় যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা অনন্য। সুতরাং আমাদের উচিত, আমরা যেন তাঁর জীবনের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে চিন্তা করি এবং নিজেদের মধ্যে তাঁর গুণাবলির সমাবেশ ঘটানোর চেষ্টা করি। কারণ, তাঁর গুণাবলি অবলম্বনেই মুসলিম জাতির যথার্থ কল্যাণ নিহিত। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দিন। আমিন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00