📘 কেন ইসলাম গ্রহণ করছে পশ্চিমারা 📄 আল-কুরআন বিজ্ঞানের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছে

📄 আল-কুরআন বিজ্ঞানের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছে


আরেকটা কারণ হলো- পশ্চিমারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অনেক উন্নত। আর বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের মতে, "ধর্ম ছাড়া বিজ্ঞান পঙ্গু এবং বিজ্ঞান ছাড়া ধর্ম অন্ধ।" আর পশ্চিমারা মনে করেন, কোনো কিছুকে বিচার বিশ্লেষণ করার সবচেয়ে বড় মানদণ্ড হলো বিজ্ঞান। আলহামদুলিল্লাহ, পবিত্র আল-কুরআন অনেক জায়গায় বিজ্ঞানের কথা বলেছে। যদিও এটি কোনো বিষয় ভিত্তিক সাইন্সের ওপর কোনো গ্রন্থ নয়। আল-কুরআনে রয়েছে সাইন বা নিদর্শন বা চিহ্ন। ছয় হাজারেরও বেশি সাইন বা আয়াত রয়েছে আল-কুরআনে। যার মধ্যে হাজারেরও বেশি আয়াত বিজ্ঞানের কথা বলেছে।

আমার 'আল-কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান মানানসই নাকি বেমানান' অথবা 'আল-কুরআন ও বিজ্ঞানের বিরোধ এবং নিষ্পত্তি' বিষয়ক বক্তৃতাগুলোতে আমি প্রমাণ করেছিলাম যে, আল-কুরআন বিজ্ঞানের চেয়ে অনেক এগিয়ে। তাহলে পশ্চিমাদের মানদণ্ড ব্যবহার করে আমরা প্রমাণ করতে পারি, আমাদের মানদণ্ড অর্থাৎ আল-কুরআন বিজ্ঞানের চেয়ে অনেক এগিয়ে। তারা আজ যা বলছে, আল-কুরআন সেটা বলেছে ১৪০০ বছর আগে। তারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অনেক উন্নত। আমরা যদি তাদের সাথে কথা বলি হিকমা দিয়ে, আলহামদুলিল্লাহ, তারা বুঝবে আল-কুরআন বিজ্ঞানের চেয়ে অনেক এগিয়ে। আর তাদের মধ্যে অনেকেই ইসলাম গ্রহণ করবে।

তৃতীয়ত, পশ্চিমের মানুষেরা যুক্তি দিয়ে বুঝতে চায়। তারা অন্ধের মতো কিছু মানতে চায় না। তারা যুক্তি দিয়ে বুঝবে, তদন্ত করবে তারপরই কোনো কিছু মেনে নেবে। তারা যুক্তিশীল, কুসংস্কারে বিশ্বাস করে না। পবিত্র আল-কুরআনে সূরা নাহলের ১২৫ নং আয়াতে 'দাওয়াতের' ব্যাপারে যুক্তির কথা বলা হয়েছে এভাবে-

أدْعُ إِلَى سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ وَجَادِلْهُمْ بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنَ .

অর্থ: তোমরা আল্লাহর পথের দিকে দাওয়াত দাও হিকমত ও উত্তম নসীহতের সাহায্যে। আর লোকদের সাথে বিতর্ক কর উত্তম পন্থায়।

আল-কুরআন যুক্তির কথা বলে। সূরা বাকারার ২৪২ নং আয়াতে বলা হয়েছে- كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللهُ لَكُمُ ايته لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ . অর্থ: এভাবে আল্লাহ তায়ালা তোমাদের জন্য তার বিধানসমূহ বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা বুঝতে পার। আল্লাহ চান মানুষ যেন আল-কুরআন বুঝতে পারে এবং তারপর মেনে নেয়।

সূরা ইব্রাহীমের ৫২ নং আয়াতে আল্লাহ বলছেন-

هُذَا بَلَغَ لِلنَّاسِ وَلِيُنْذَرُوا بِهِ وَلِيَعْلَمُوا أَنَّمَا هُوَ إِلَهُ وَاحِدٌ وَلِيَذَّকَّরَ أُولُوا الأَلْبَابِ .

বস্তুত এ একটি পয়গাম (সংবাদ) যা মানুষের জন্য। আর পাঠানো হয়েছে এ জন্য যে, এ দ্বারা তাদেরকে সাবধান করে দেয়া হচ্ছে এবং তারা জেনে নেবে যে, প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ শুধু একজন, আর বুদ্ধিমান লোকেরা এ ব্যাপারে সচেতন হবে।

📘 কেন ইসলাম গ্রহণ করছে পশ্চিমারা 📄 ফলসিফিকেশন টেস্ট

📄 ফলসিফিকেশন টেস্ট


কুরআন বলছে, তারা বুঝে শুনে বিশ্বাস করুক। আর আলহামদুলিল্লাহ, পশ্চিমের অধিকাংশ লোক বুঝে শুনে কাজ করে এবং তারা প্রশ্ন করে থাকে। প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত তারা সেটা মানবে না। কুরআনের মধ্যেও প্রশ্ন-উত্তর আছে। আপনি কুরআন পড়লে দেখবেন, সেখানে 'তায়ালু' বা 'তারা প্রশ্ন করে' আছে ৩৩২ বার। আবার ৩৩২ বার বলা হয়েছে 'কুল' বা বল। পশ্চিমারা মদ আর জুয়া নিয়ে প্রশ্ন করে কুরআন তার উত্তর দিচ্ছে। কুরআন বুদ্ধিমান মানুষকে সন্তুষ্ট করে।

আজকের দিনের বিশেষ করে পশ্চিমা বিশ্বের মানুষ খুবই ব্যস্ত থাকে। সব সময় নতুন দার্শনিক তত্ত্ব আর নতুন জিনিস আসছে। সব কিছু পরীক্ষা করার সময় আমাদের হাতে নেই। এখন আপনি যদি নতুন কোনো ফিলসফি কিংবা থিউরি নিয়ে আসেন, তাহলে তারা দেখবে যে, এটাকে ভুল প্রমাণ করা যায় কি-না। এটাকে বলে “ফলসিফিকেশন টেস্ট।" পশ্চিমারা ফলসিফিকেশন টেস্টে বিশ্বাস করে। প্রতিদিন মানুষ হাজার হাজার থিউরি আনছে। সবকিছু পরীক্ষা করার সময় কোথায়। যদি কোনোভাবে থিউরিকে ভুল প্রমাণ করা যায়, তাহলে সেটাকে আমরা ভুল বলব। যদি ভুল প্রমাণ করতে না পারি তাহলে মেনে নেব। এ কারণেই আইনস্টাইন যখন "থিউরি অব রিলেটিভিটি" বা আপেক্ষিকতা তত্ত্ব আবিষ্কার করলেন, তখন বলেছিলেন, আমার থিউরি ভুল প্রমাণ করতে পারলে মানতে হবে না। তাই ছয় বছর ধরে তারা পরীক্ষা করল এবং মেনে নিল। আর স্বাভাবিকভাবেই তিনি নোবেল পুরস্কার পেলেন।

কুরআনই একমাত্র ধর্মগ্রন্থ আর ইসলামই একমাত্র ধর্ম যেখানে 'ফলসিফিকেশন টেস্ট' আছে। আর আমি অনেক ফলসিফিকেশন টেস্টের কথা বলছি "কুরআন কি আল্লাহর বাণী" নামের ক্যাসেটে। আমি তার মধ্য থেকে একটি বলব যেটা পশ্চিমাদেরও সন্তুষ্ট করবে। পবিত্র কুরআনের সূরা নিসার ৮২ নং আয়াতে বলা হয়েছে-

أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ وَلَوْ كَانَ مِنْ عِنْدِ غَيْرِ اللَّهِ لَوَجَدُوا فِيهِ اخْتِلَافًا كَثِيرًا .

অর্থ: তবে কি তারা কুরআন সম্বন্ধে অনুধাবন করে না? যদি কুরআন আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কাছ থেকে আসত, তাহলে সেখানে অনেক অসামঞ্জস্য থাকত।

তাই কুরআনকে ভুল প্রমাণ করতে চাইলে শুধুমাত্র একটা অসামঞ্জস্য খুঁজে বের করুন। কোন অসামঞ্জস্য বের না করা পর্যন্ত কুরআন ভুল প্রমাণিত হবে না। পরস্পর বিরোধী কিছু বের করুন, কুরআন ভুল প্রমাণিত হবে। কুরআনেই ফলসিফিকেশন টেস্ট আছে। বিভিন্ন সময়ে কুরআনের ফলসিফিকেশন টেস্ট হয়েছে। তবে আজকের দিনে এই টেস্টটা আরো যথার্থ। কারণ এটা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগ। আগের সময় ছিল সাহিত্য, কবিতার যুগ সে সময় অন্যরকম ফলসিফিকেশন টেস্ট ছিল।

ইসলাম সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক ভুলের যে অভিযোগগুলো এসেছে সেগুলো মিথ্যা ছাড়া আর কিছুই নয়। আপনি যদি বিজ্ঞান সম্পর্কে জানেন, ফ্রান্সিস বেকন বলেছিলেন, "বিজ্ঞান সম্পর্কে অল্প জানলে আপনি হবেন নাস্তিক; কিন্তু বিজ্ঞান সম্পর্কে অনেক জানলে আপনি হবেন ঈশ্বরে বিশ্বাসী।" এ কারণেই আজকে পশ্চিমা বিশ্ব সৃষ্টিকর্তার প্রচলিত ধারণার বিরোধিতা করছে; কিন্তু তারা স্রষ্টার বিরোধিতা করছে না।

আগেও বলেছিলাম পশ্চিমাদের সমস্যার সমাধান ইসলামে আছে। আমাদের হাতে সব সমস্যা ও তার সমাধান ব্যাখ্যা করার সময় নেই। আমরা কয়েকটি সমস্যার কথা বলব এবং তার সমাধান নিয়ে আলোচনা করব। আমি বলেছিলাম পশ্চিমা বিশ্ব বস্তুবাদের ভেতর ডুবে আছে। এটা একটা বস্তুবাদী পৃথিবী। যেখানে শারীরিক সুখ শান্তির দিকে বেশি নজর দেয়া হয়।

📘 কেন ইসলাম গ্রহণ করছে পশ্চিমারা 📄 বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ব ও শ্রদ্ধাবোধহীনতার সমস্যা

📄 বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ব ও শ্রদ্ধাবোধহীনতার সমস্যা


এছাড়াও পশ্চিমা বিশ্বকে লক্ষ করলে দেখবেন যে, লোকজন বিশেষ করে বাচ্চারা, বাবা-মা'কে শ্রদ্ধা করে না। প্রাচ্যের চেয়ে পশ্চিমা বিশ্বে এ ব্যাপারটা বেশি দেখা যায়। আধুনিক বিশ্বে আপনি দেখবেন 'স্পেশাল শিশু নির্যাতন সেল'। পশ্চিমা বিশ্বে, আমেরিকা ও অন্যান্য ইউরোপিয়ান দেশে। ছেলে-মেয়েরা পুলিশকে ফোন করতে পারেন, স্পেশাল শিশু নির্যাতন সেলে। তারা বাবা-মাকেও হুমকি দিতে পারে। বাবা-মাকে বলতে পারে সাবধান হয়ে যাও, নয়তো পুলিশে ফোন করব।

ইসলামে সবাইকে ভারসাম্যপূর্ণ অধিকার দেয়া হয়েছে। সন্তানের অধিকার আছে ইসলামে যা সর্বোচ্চ। স্বভাবতই শিশুদেরকে রক্ষা করতে হবে। তবে রক্ষার নামে এখন যেটা হয়, সন্তানেরা, বাবা মাকে হুমকি দেয়। অনেক জায়গায় আল-কুরআন বলেছে যে, বাবা-মাকে শ্রদ্ধা করা উচিত। সূরা লুকমান-এর ১৪ নং আয়াতে, সূরা আল আহকাফ-এর ১৫ নং আয়াতে, সূরা আল আনআমের ১৫১ নং আয়াতে ... অনেক জায়গায়। তবে বিশেষ করে আল-কুরআনে সূরা বনী ইসরাঈলের ২৩ ও ২৪ নং আয়াতে বলা হয়েছে-

وَقَضَى رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِنْدَكَ الْكিবَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلُهُمَا فَلَا تَقُل لَّهُمَا أَن وَلَا تَنْهَرْهُمَا وَقُلْ لَّهُمَا قَوْلاً كَرِيمًا ، وَاخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ الذُّلِّ مِنَ الرَّحْمَةِ وَقُلْ رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيْنِي صَغِيرًا .

অর্থ: আল্লাহ তোমাকে আদেশ দিচ্ছেন, আমাকে ছাড়া অন্য কারো উপাসনা করো না। আর তোমার বাবা-মার প্রতি সদয় হও। যদি তাদের মধ্যে কেউ অথবা দুজনই বৃদ্ধ হয়ে তোমার কাছে পৌঁছে, তাদের অবজ্ঞা করে কোনো কথা বলো না। এমনকি 'উহ' শব্দটিও বলো না; বরং তাদের সাথে বিনয় ও সম্মানের সাথে ব্যবহার কর এবং আল্লাহর কাছে প্রার্থনা কর যে, হে আল্লাহ; তুমি তাদের দয়া কর যেভাবে তারা আমাদের ছোটবেলায় লালন-পালন করেছেন।

পশ্চিমা বিশ্বে বাবা-মা যখন বৃদ্ধ হয়ে যায়; তাদেরকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দেয়া হয়। ইসলামে বৃদ্ধাশ্রম বলতে কিছু নেই। বয়স্ক লোকদের দেখাশোনা করা সন্তান ও আত্মীয়-স্বজনের দায়িত্ব। তাদেরকে সম্মান করতে হবে, ভালোবাসতে হবে এবং সহানুভূতিশীল হতে হবে।

📘 কেন ইসলাম গ্রহণ করছে পশ্চিমারা 📄 পশ্চিমাদের অবাধ যৌনার : সমাধান ইসলাম

📄 পশ্চিমাদের অবাধ যৌনার : সমাধান ইসলাম


পশ্চিমা বিশ্বের আরেকটা সমস্যা হলো ব্যভিচার, অবাধ যৌনাচার। পবিত্র কুরআনের বনী ইসরাঈলের ৩২ নং আয়াতে আছে-

وَلَا تَقْرَبُو الزَّنِّي إِنَّهُ كَانَ فَاحِشَةً وَسَاءَ سَبِيلاً .

অর্থ: ব্যভিচারের কাছেও যেও না, কারণ এটা অশ্লীল এবং মন্দ আচরণ।

ব্যভিচার ক্ষতিকর ও অন্যান্য ক্ষতিকর জিনিসেরও পথ খুলে দেয়। তাই বলে ইসলামে সন্যাসব্রত বা চিরকুমার থাকার নিয়ম নেই। ইসলামে বিয়ে করা বাধ্যতামূলক। হযরত মুহাম্মদ (স) বলেছেন, (সহীহ বুখারী ৭ নং খণ্ড, কিতাবুল্লাহ, ৩ নং হাদিস-এ)-

অর্থ: "হে যুবক ও যুবতীরা! যাদের বিয়ে করার সামর্থ্য আছে, তাদের বিয়ে করা উচিত। যে বিয়ে করে, সে দ্বীনের অর্ধেক পূরণ করে।"

দ্বীনের অর্ধেক পূরণ করা বলতে তিনি বুঝিয়েছেন। বিয়ে আপনাকে অবাধ যৌনাচার, সমকামিতা, ব্যভিচার ইত্যাদি পাপ কাজ থেকে বিরত রাখবে। কেবল বিয়ে করলেই স্বামী-স্ত্রী হিসেবে আপনার দায়িত্ব থাকবে। আর ইসলামে এই দায়িত্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সূরা নিসার ২১ নং আয়াতে আছে-

وَكَيْفَ تَأْخُذُونَهُ وَقَدْ أَفْضَى بَعْضُكُمْ إِلَى بَعْضٍ وَأَخَذْنَ مِنْكُمْ مِيثَاقًا غَلِيظًا

অর্থ: প্রকাশ্য পাপাচার হওয়া সত্ত্বেও তোমরা এটা কি করে গ্রহণ করবে? অথচ তোমরা একে অন্যের সাথে অবাধ মেলামেশা করছো? সূরা রূমের ২১ নং আয়াতে বলা হয়েছে-

وَمِنْ أَيْتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُمْ مِّنْ أَنْفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِتَسْكُنُوا إِليتها وَجَعَلَ بَيْنَكُمْ مَوَدَّةً وَرَحْمَةً إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَتِ لِقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ .

অর্থ: তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে এটাও (একটি) যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদেরই মধ্য হতে স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যেন তোমরা তাদের নিকট পরম প্রশান্তি লাভ করতে পারো। আর তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও সহৃদয়তার সৃষ্টি করে দিয়েছেন। নিঃসন্দেহে এতে বিপুল নিদর্শন রয়েছে সে লোকদের জন্য যারা চিন্তা-ভাবনা করে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px