📄 জীবনবৃত্তান্ত
যাকারিয়া আ.-এর পবিত্র জীবনের বিশদ বিবরণ জানা যায় না। এরপরও কুরআনুল কারিম, সিরাত ও ইতিহাসের নির্ভরযোগ্য বর্ণনাসমূহ থেকে যতটুকু জানা যায়, তা এমন: ইতোপূর্বে আমরা আলোচনা করেছি যে, বনি ইসরাইলে 'কাহিন' ছিলো একটি সম্মানিত ধর্মীয় পদবি। যিনি এই পদে অধিষ্ঠিত হতেন তার দায়িত্ব হতো, তিনি উপসনাগৃহ তথা সখরায়ে বাইতুল মুকাদ্দাসের পবিত্র সংস্কারসমূহ পালন করাতেন। এর জন্য বিভিন্ন গোত্র থেকে ভিন্ন 'কাহেন' নির্বাচিত হতেন এবং তারা নিজেদের পালা এলে এই খেদমত আঞ্জাম দিতেন।
হযরত যাকারিয়া আ. ছিলেন বনি ইসরাইলের একজন সম্মানিত কাহিন। তিনি ছিলেন তাদের মহান নবী। পবিত্র কুরআন তাকে নবীদের তালিকায় গণনাও করে ইরশাদ করেছে—
وَزَكَرِيَّا وَيَحْyَى وَعِيسَى وَإِلْيَاسَ كُلٌّ مِنَ الصَّالِحِينَ 'এবং যাকারিয়া, ইয়াহ্ইয়া, ঈসা ও ইলয়াসকেও সৎপথে পরিচালিত করেছিলাম। এরা সকলই সজ্জনদের অন্তর্ভুক্ত।'
লুকা-এর ইঞ্জিলে তাঁকে 'কাহিন” বলা হয়েছে— 'ইহুদিদের রাজা হিরোদেসের যুগে 'আবইয়াহ' দলে যাকারিয়া নামের এক কাহিন ছিলেন। তাঁর স্ত্রী ছিলেন হারুন আ.-এর একজন বংশধর। নাম আইয়াশা। স্বামী-স্ত্রী দু-জনই ছিলেন আল্লাহ তাআলার সদা যিকিরকারী, সত্যপরায়ণ। তারা খোদাওয়ান্দের সকল নির্দেশ ও বিধান ত্রুটিহীনভাবে মেনে চলতেন।'২৮
কিন্তু বার্নাবার ইঞ্জিলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি আল্লাহর নবী ছিলেন। যেমন, হযরত মাসিহ আ. ইহুদিদেরকে সম্বোধন করে বললেন— সেই সময় অত্যাসন্ন যখন তোমাদের ওপর সেই নবীদের অভিশাপ নেমে আসবে যাদেরকে তোমরা যাকারিয়া আ.-এর যুগ পর্যন্ত হত্যা করেছিলে। আর যাকারিয়া আ.-কে উপাসনাগৃহ ও কুরবানির স্থলের মধ্যবর্তী জায়গায় হত্যা করা হয়। ২৯
যাকারিয়া আ. ছিলেন হযরত দাউদ আ.-এর বংশধর। আর তাঁর পুণ্যবতী স্ত্রী ঈশা বা আল-ইয়াশা ছিলেন হযরত হারুন আ.-এর বংশধর। ৩০ ইতোপূর্বে আমরা আলোচনা করেছি যে, পৃথিবীর ইতিহাসে যত নবী অতিবাহিত হয়েছেন, ব্যক্তিজীবনে তারা রাজা, ক্ষমতাবান বা অন্য যা কিছু হোন না কেনো; প্রত্যেকেই নিজের হাতের উপার্জন দিয়ে জীবন ধারণ করেন। তাঁরা কারো কাঁধের বোঝা হতেন না। এ কারণে প্রত্যেক নবী যখন তাঁর উম্মতের মধ্যে হেদায়েতের তাবলিগ করতেন, সঙ্গে সঙ্গে ঘোষণা করতেন—
وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ
'আমি এই তাবলিগের জন্য তোমাদের কাছ থেকে কোনো প্রতিদান চাই না। মহান আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কাছে আমাদের প্রতিদান নেই।'
যেমন, হযরত যাকারিয়া আ. জীবিকা নির্বাহের জন্য করাতির কাজ করতেন। এ সম্পর্কে মুসলিম, ইবনে মাজাহ ও মুসনাদে আহমদে স্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে—
عن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال : كان زكريا نجارا .
'হযরত আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, যাকারিয়া ছিলেন কাঠমিস্ত্রি।' ৩১ হযরত যাকারিয়া আ.-এর বংশে (অর্থাৎ হযরত সুলাইমান বিন দাউদ আ.- এর বংশে) ইমরান বিন না-কি ও তাঁর স্ত্রী হান্নাহ বিনতে ফাকুদ ছিলেন অত্যন্ত সৎকর্মপরায়ণ। ৩২ তারা দরবেশি জীবন কাটাতেন। তবে নিঃসন্তান ছিলেন। হযরত ঈসা আ.-এর জীবনীতে আসবে যে, হান্নাহ-এর দোয়ার বদৌলতে তাঁর ঘরে একজন মেয়েশিশু জন্মগ্রহণ করে। তারা মেয়েটির নাম রাখেন, মারইয়াম। হান্নাহ তাঁর মান্নত অনুসারে মারইয়াম আলাইহাস সালামকে বাইতুল মুকাদ্দাসের জন্য উৎসর্গ করলেন। তখন প্রশ্ন উঠলো, এই ছোট্ট মেয়ের প্রতিপালন, অভিভাবকত্ব ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কাকে দেয়া যায়? আল্লাহর এই মকবুল মান্নত নিয়ে কাহিনদের মধ্যে বাদানুবাদ সৃষ্টি হলো। অবশেষে লটারি হয়। সেখানে হযরত যাকারিয়া আ.-এর নাম বেরিয়ে আসে। তিনিই মারইয়ামের অভিভাবক নিযুক্ত হন। ইরশাদ হয়েছে- وَكَفَلَهَا زَكَرِيَّا 'আর তাঁকে যাকারিয়ার তত্ত্বাবধানে সমর্পণ করলেন।'
সুরা আলে ইমরানে এসেছে—
وَمَا كُنْتَ لَدَيْهِمْ إِذْ يُلْقُونَ أَقْلَامَهُمْ أَيُّهُمْ يَكْفُلُ مَرْيَمَ وَمَا كُنْتَ لَدَيْهِمْ إِذْ يَخْتَصِمُونَ
'মারইয়ামের তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব তাদের মধ্য হতে কে গ্রহণ করবে এর জন্য যখন তারা তাদের কলম নিক্ষেপ করছিলো আপনি তখন তাদের নিকট ছিলেন না এবং তারা যখন বাদানুবাদ করছিলো তখনও আপনি তাদের নিকট ছিলেন না।' [সুরা আলে ইমরান: আয়াত ৪৪]
সিরাত ও ইতিহাসের সংকলকগণ লিখেছেন, হযরত যাকারিয়া আ. এমনিতেই হযরত মারইয়াম আলাইহাস সালামের প্রতিপালনের হকদার ছিলেন। কারণ হলো, বশির বিন ইসহাক 'আল মুবতাদা' গ্রন্থে নকল করেছেন যে, হযরত যাকারিয়া আ.-এর স্ত্রী ঈশা আর হযরত মারইয়ামের জননী হান্নাহ ছিলেন সহোদরা বোন।৩৩ আর খালা হয়ে থাকেন মায়ের সমমর্যাদার। যেমনটি খোদ নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হামযা রা.-এর মেয়ে আম্মারাহ সম্পর্কে বলেছিলেন যে, জাফরের স্ত্রী তাঁর লালন-পালন করবে। কেননা, সে আম্মারার খালা। আর খালা হন মায়ের সমতুল্য।৩৪
যখন হযরত মারইয়াম আলাইহাস সালাম প্রাপ্তবয়স্কা হন, তখন যাকারিয়া আ. তাঁর জন্য হায়কালের কাছাকাছি একটি নির্জন কক্ষের ব্যবস্থা করে দেন। সেখানে তিনি দিনের বেলা আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন থাকতেন আর রাতে আপন খালার কাছে এসে রাত্রিযাপন করতেন।
হযরত যাকারিয়া আ. যখনই হযরত মারইয়ামের কক্ষে প্রবেশ করতেন তখন দেখতে পেতেন যে, তার কাছে নানা জাতের অমৌসুমি ফল রয়েছে। একদিন তিনি বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, মারইয়াম, তোমার কাছে এগুলো কোথেকে আসে? মারইয়াম আলাইহাস সালাম বললেন, এগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে। নিঃসন্দেহে আল্লাহ যাকে চান, অগুনতি রিযিক দান করেন। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে-
كُلَّمَا دَخَلَ عَلَيْهَا زَكَرِيَّا الْمِحْرَابَ وَجَدَ عِنْدَهَا رِزْقًا قَالَ يَا مَرْيَمُ أَنَّى لَكِ هَذَا قَالَتْ هُوَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يَرْزُقُ مَنْ يَشَاءُ بِغَيْرِ حِسَابٍ
'যখনই যাকারিয়া মেহরাবের মধ্যে তাঁর কাছে আসতেন তখনই কিছু খাবার দেখতে পেতেন। জিজ্ঞেস করতেন- 'মারইয়াম, কোথা থেকে এসব তোমার কাছে এলো? তিনি বলতেন, 'এসব আল্লাহর নিকট থেকে আসে। আল্লাহ যাকে ইচ্ছে বেহিসেব রিযিক দান করেন।' [সুরা আলে ইমরান: আয়াত ৩৭]
মুজাহিদ, ইকরামা, সাঈদ বিন যুবায়ের, দহহাক, কাতাদাহ, ইবরাহিম নাখয়ি রহ. উল্লিখিত আয়াতের ; শব্দের তাফসিরে বলেছেন, যাকারিয়া আ. মারইয়াম আলাইহাস সালামের কাছে অমৌসুমি ফল রাখা পেতেন।
যাকারিয়া আ.-এর কোনো সন্তান ছিলো না। তিনি অনুভব করতেন যে, আমি সন্তানের দৌলত থেকে বঞ্চিত; কিন্তু তিনি এর চেয়ে বেশি চিন্তা করতেন এ নিয়ে যে, আমার পরিবার ও সুহৃদদের মধ্যে এমন যোগ্য কেউ নেই, যে আমার পরে বনি ইসরাইলের পথ দেখানোর দায়িত্ব পালন করতে সমর্থ হবে। সুতরাং আল্লাহ যদি আমার ঔরসে এমন কোনো নেককার সৎ ছেলে সৃষ্টি করতেন তাহলে আমি প্রশান্তি বোধ করতাম যে, আমার পরে বনি ইসরাইলের পথপ্রদর্শনের দায়িত্ব পালন করার মতো যোগ্য উত্তরসূরি আছে।
কিন্তু যেহেতু তাঁর বয়স ইবনে কাসির রহ.-এর বর্ণনা অনুযায়ী ৭৭ বছর, সা'লাবির বর্ণনা অনুসারে ৯০ বা ৯২ অথবা ১২০ বছর হয়ে গেছে,৩৭ অপরদিকে তাঁর স্ত্রী বন্ধ্যাত্বের শিকার, এ কারণে বাহ্যিক উপকরণের দিকে তাকিয়ে তিনি নিরাশ হয়ে পড়েছিলেন যে, এখন আর সন্তান জন্ম নেয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
কিন্তু যখন তিনি মারইয়াম আলাইহাস সালামের কাছে অমৌসুমি ফল দেখলেন আর তিনি এ কথা জানতেন যে, এগুলো হলো মারইয়ামের প্রতি মহান আল্লাহর দয়া ও অনুকম্পা তখন সঙ্গে সঙ্গে তার মনের ভেতর এ আবেগ উথলে উঠলো যে, মারইয়ামকে যে মহান সত্তা এভাবে বিনা মৌসুমে ফল দিতে পারেন, তিনি কি আমাকে বর্তমান হতাশাব্যঞ্জক অবস্থায় জীবনের ফল (সন্তান) দিতে পারেন না? কাজেই আমার হতাশা সম্পূর্ণ ভুল। নিঃসন্দেহে যে মহান সত্তা মারইয়ামের ওপর দয়া ও অনুগ্রহ করেছেন তিনি অবশ্যই আমার ওপরও দয়া ও অনুগ্রহ করবেন। তাই তিনি মহান আল্লাহর কাছে মিনতিভরা প্রার্থনা করলেন, 'হে আমার প্রভু, আমি একা। আমার উত্তরসূরির মুখাপেক্ষী। যদিও আপনার মহান সত্তা-ই আমার প্রকৃত ওয়ারিস। হে আমার প্রভু, আমাকে পবিত্র সন্তান দান করুন। আমি বিশ্বাস করি যে, আপনি মুখাপেক্ষীর দোয়া অবশ্যই কবুল করে থাকেন।'
একজন নবীর দোয়া তাও আবার নিজের ব্যক্তিগত কোনো প্রয়োজন নিয়ে নয়; বরং স্বজাতির হেদায়েতের প্রয়োজনে হাত তুলেছেন- সঙ্গে সঙ্গে মঞ্জুর হয়ে গেলো। হযরত যাকারিয়া যখন হাইকালে (উপাসনাগৃহ) ইবাদতে নিমগ্ন তখন আল্লাহর এক ফেরেশতা তার সামনে হাজির হলেন। তিনি সুসংবাদ দিলেন, তোমার এক ছেলে হবে। তার নাম রাখবে, ইয়াহইয়া।
সুসংবাদটি শুনে হযরত যাকারিয়া আ. খুবই খুশি হলেন। তিনি বিস্ময়ভরে জিজ্ঞেস করলেন, এ সুসংবাদ কীকরে পূর্ণ হবে? অর্থাৎ আমি কি যৌবন ফিরে পাবো না-কি আমার স্ত্রীর বন্ধ্যাত্ব দূর হয়ে যাবে। ফেরেশতা উত্তরে বললেন, আমি আপনাকে শুধু এতটুকুই বলতে পারবো যে, অবস্থা যা-ই হোক না কেনো; আপনার অবশ্যই ছেলে হবে। কেননা, আল্লাহর সিদ্ধান্তে নড়চড় হয় না। আপনার আল্লাহ বলেছেন, এটি তার পক্ষে খুবই সহজ। অর্থাৎ আমি এর জন্য আমার ইচ্ছেমাফিক যে কোনো পথই অবলম্বন করতে পারি। আমি কি তোমাকে শূন্য থেকে সৃষ্টি করি নি?
তখন যাকারিয়া আ. আল্লাহর দরবারে নিবেদন করলেন, হে আল্লাহ, আমাকে এমন কোনো নিদর্শন প্রদান করুন, যার মাধ্যমে অবগতি লাভ করা যাবে যে, সুসংবাদটি অস্তিত্বের আকার ধারণ করেছে। আল্লাহ বললেন, আলামত হলো, যখন তুমি দেখবে যে, তিন দিন পর্যন্ত কথা বলতে পারছো না, সবকাজ ইঙ্গিতে আদায় করতে হচ্ছে তখন তুমি বুঝে নেবে যে, তোমার সুসংবাদ অস্তিত্বের দিকে পথ ধরেছে। কিন্তু সেই দিনগুলোতে তুমি আল্লাহর তাসবিহ, তাহলিলে খুব বেশি মগ্ন থাকবে। যখন ওই সময় ঘনিয়ে এলো তখন হযরত যাকারিয়া আ. আল্লাহর স্মরণে আরো বেশি নিমগ্ন হয়ে পড়লেন। এর কারণ হলো, হযরত ইয়াহইয়া আ.-এর জন্মের সুসংবাদ পেয়ে যেভাবে হযরত যাকারিয়া আ. খুবই উৎফুল্ল ও উল্লসিত হয়েছিলেন তেমনি এটি বনি ইসরাইলিদের জন্যও নিয়ে এসেছিলো ভীষণ আনন্দের উপলক্ষ্য। এভাবে যে, হযরত যাকারিয়া আ. এতদিনে সত্যিকার অর্থে একজন উপযুক্ত স্থলাভিষিক্ত এবং তাঁর জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও নবুওতের প্রকৃত উত্তরসূরি পেতে চলেছেন।
এতটুকু ঘটনাই পবিত্র কুরআন ও বিশুদ্ধ হাদিসসমূহের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি। কাজেই শুধু এতটুকুর ওপরই আস্থা রাখা যায়। এর বাইরে আরো দু-ধরনের তথ্যের উৎস রয়েছে। একটি হলো, ইসরাইলি রেওয়ায়েত, যা অধিকাংশ ক্ষেত্রে যদিও কুরআন ও হাদিসের ভাষ্যের সঙ্গে সহমত থেকেছে, তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তার ভাষ্য সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যাত। আর দ্বিতীয়টি হলো, কতিপয় মনীষার বাণী। যেগুলো রেওয়ায়েত ও দিরায়াত (সনদের মান ও ভাষ্যের মান) উভয় বিচারেই প্রমাণযোগ্য নয়। এগুলোর কোনো সহিহ সনদও নেই। সুরা মারইয়ামে ইরশাদ হয়েছে-
টিকাঃ
২৭. ইসলামের প্রথম যুগে আরবসমাজে যারা কাহিন তথা জ্যোতিষী হতেন এবং ভবিষ্যতের সংবাদ বলতেন, যাদের কথার ওপর ঈমান আনাকে ইসলামের সঙ্গে কুফরি করার নামান্তর বলা হয়েছে, সেই কাহিন আর বনি ইসরাইলিদের কাহিন এক নয়।
২৮. অধ্যায়: ১, আয়াত: ৫-৬
২৯. প্রসিদ্ধ চারটি ইঞ্জিল থেকে এটি সম্পূর্ণ আলাদা পঞ্চম ইঞ্জিল। হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম-এর প্রখ্যাত সহচর বারনাবা কর্তৃক সংকলিত। এটি রোমার পোপ সেকটাসের লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত ছিলো। সেখানকার জনৈক পণ্ডিত গোপনে এটি সংগ্রহ করে মুদ্রণ করে ছড়িয়ে দেন। পরবর্তীকালে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। কেননা তার মাঝে নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অভ্যুদয় সম্পর্কে স্ফটিকের মতো স্বচ্ছ বর্ণনা ও সাক্ষ্য রয়েছে।
*. ফাতহুল বারি, খণ্ড: ৬। তারিখে ইবনে কাসির, খণ্ড: ২
৩১. কিতাবুল আম্বিয়া
৩২. ফাতহুল বারি: ৬/৩৬৪
৩৩. ফাতহুল বারি: ৬/৩৬৪
৩৪. বুখারি, বাবুল হিদানাহ
*. তাফসিরে ইবনে কাসির: ২/৩৬০
০৬. ফাতহুল বারি: ৬/৩৬৪
৩৭. আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া: ২/৪৯