📘 কাসাসুল কুরআন > 📄 ইন্তিকাল

📄 ইন্তিকাল


হযরত শাহ আবদুল কাদির রহ. বলেন, হযরত ইউনুস আ.-কে যে নগরীতে প্রেরণ করা হয়েছিলো, সেখানেই তিনি ইন্তিকাল করেছিলেন। অর্থাৎ নিনাওয়া নগরীতে। সেখানে তাকে সমাহিতও করা হয়।
আবদুল ওয়াহহাব নাজ্জার বলেন, ফিলিস্তিনে 'খলিল' নামে একটি প্রসিদ্ধ নগরী রয়েছে। তার কাছাকাছি একটি জনপদ 'হুলহুল' নামে পরিচিত। সেখানকার একটি কবরকে হযরত ইউনুস আ.-এর কবর বলা হয়ে থাকে। তার কাছাকাছি আবেকটি কবর রয়েছে। জনশ্রুতি রয়েছে যে, এটি হযরত ইউনুসের জনক মাত্তার সমাধি।
আমাদের অভিমত হলো, হযরত শাহ সাহেবের কথাই সঠিক। কারণ হলো, হযরত ইউনুস আ. সম্পর্কে আমরা যেসব ঘটনা পেয়েছি, তার সবকটি এ বিষয়ে একমত যে, হযরত ইউনুস দ্বিতীয়বার সেই নিনাওয়া নগরীতেই ফিরে গিয়েছিলেন। তিনি তাঁর জাতির মধ্যে জীবন অতিক্রান্ত করেছিলেন। কাজেই যথাসম্ভব সত্য এটাই যে, তাঁর ইন্তিকাল নিনাওয়া নগরীতেই হয়েছিলো। তিনি সেখানেই সমাহিত হয়ে থাকবেন, যা নিনাওয়া নগরী ধ্বংস হওয়ার পর অজ্ঞাত হয়ে যায়। পরবর্তীকালে হয়তো সুধারণার ভিত্তিতে হুলহুল নগরীর দুটি অজ্ঞাত সমাধিকে হযরত ইউনুস আ. ও তাঁর জনকের নামে রটিয়ে দেয়া হয়েছে। বর্তমানেও দেখা যায় যে, আল্লাহর কিছু কিছু প্রসিদ্ধ বুযুর্গদের একজনেরই একাধিক কবর পাওয়া যায়। আর প্রায়শই দেখা যায় যে, নিজেদের দুনিয়াবি স্বার্থ হাসিল করার জন্য অপরিচিত কোনো বুযুর্গের নামে বিভিন্ন কবরের নামকরণ করে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে।

হযরত শাহ আবদুল কাদির রহ. বলেন, হযরত ইউনুস আ.-কে যে নগরীতে প্রেরণ করা হয়েছিলো, সেখানেই তিনি ইন্তিকাল করেছিলেন। অর্থাৎ নিনাওয়া নগরীতে। সেখানে তাকে সমাহিতও করা হয়।
আবদুল ওয়াহহাব নাজ্জার বলেন, ফিলিস্তিনে 'খলিল' নামে একটি প্রসিদ্ধ নগরী রয়েছে। তার কাছাকাছি একটি জনপদ 'হুলহুল' নামে পরিচিত। সেখানকার একটি কবরকে হযরত ইউনুস আ.-এর কবর বলা হয়ে থাকে। তার কাছাকাছি আবেকটি কবর রয়েছে। জনশ্রুতি রয়েছে যে, এটি হযরত ইউনুসের জনক মাত্তার সমাধি।
আমাদের অভিমত হলো, হযরত শাহ সাহেবের কথাই সঠিক। কারণ হলো, হযরত ইউনুস আ. সম্পর্কে আমরা যেসব ঘটনা পেয়েছি, তার সবকটি এ বিষয়ে একমত যে, হযরত ইউনুস দ্বিতীয়বার সেই নিনাওয়া নগরীতেই ফিরে গিয়েছিলেন। তিনি তাঁর জাতির মধ্যে জীবন অতিক্রান্ত করেছিলেন। কাজেই যথাসম্ভব সত্য এটাই যে, তাঁর ইন্তিকাল নিনাওয়া নগরীতেই হয়েছিলো। তিনি সেখানেই সমাহিত হয়ে থাকবেন, যা নিনাওয়া নগরী ধ্বংস হওয়ার পর অজ্ঞাত হয়ে যায়। পরবর্তীকালে হয়তো সুধারণার ভিত্তিতে হুলহুল নগরীর দুটি অজ্ঞাত সমাধিকে হযরত ইউনুস আ. ও তাঁর জনকের নামে রটিয়ে দেয়া হয়েছে। বর্তমানেও দেখা যায় যে, আল্লাহর কিছু কিছু প্রসিদ্ধ বুযুর্গদের একজনেরই একাধিক কবর পাওয়া যায়। আর প্রায়শই দেখা যায় যে, নিজেদের দুনিয়াবি স্বার্থ হাসিল করার জন্য অপরিচিত কোনো বুযুর্গের নামে বিভিন্ন কবরের নামকরণ করে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে।

হযরত শাহ আবদুল কাদির রহ. বলেন, হযরত ইউনুস আ.-কে যে নগরীতে প্রেরণ করা হয়েছিলো, সেখানেই তিনি ইন্তিকাল করেছিলেন। অর্থাৎ নিনাওয়া নগরীতে। সেখানে তাকে সমাহিতও করা হয়।
আবদুল ওয়াহহাব নাজ্জার বলেন, ফিলিস্তিনে 'খলিল' নামে একটি প্রসিদ্ধ নগরী রয়েছে। তার কাছাকাছি একটি জনপদ 'হুলহুল' নামে পরিচিত। সেখানকার একটি কবরকে হযরত ইউনুস আ.-এর কবর বলা হয়ে থাকে। তার কাছাকাছি আবেকটি কবর রয়েছে। জনশ্রুতি রয়েছে যে, এটি হযরত ইউনুসের জনক মাত্তার সমাধি।
আমাদের অভিমত হলো, হযরত শাহ সাহেবের কথাই সঠিক। কারণ হলো, হযরত ইউনুস আ. সম্পর্কে আমরা যেসব ঘটনা পেয়েছি, তার সবকটি এ বিষয়ে একমত যে, হযরত ইউনুস দ্বিতীয়বার সেই নিনাওয়া নগরীতেই ফিরে গিয়েছিলেন। তিনি তাঁর জাতির মধ্যে জীবন অতিক্রান্ত করেছিলেন। কাজেই যথাসম্ভব সত্য এটাই যে, তাঁর ইন্তিকাল নিনাওয়া নগরীতেই হয়েছিলো। তিনি সেখানেই সমাহিত হয়ে থাকবেন, যা নিনাওয়া নগরী ধ্বংস হওয়ার পর অজ্ঞাত হয়ে যায়। পরবর্তীকালে হয়তো সুধারণার ভিত্তিতে হুলহুল নগরীর দুটি অজ্ঞাত সমাধিকে হযরত ইউনুস আ. ও তাঁর জনকের নামে রটিয়ে দেয়া হয়েছে। বর্তমানেও দেখা যায় যে, আল্লাহর কিছু কিছু প্রসিদ্ধ বুযুর্গদের একজনেরই একাধিক কবর পাওয়া যায়। আর প্রায়শই দেখা যায় যে, নিজেদের দুনিয়াবি স্বার্থ হাসিল করার জন্য অপরিচিত কোনো বুযুর্গের নামে বিভিন্ন কবরের নামকরণ করে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00