📘 কাসাসুল কুরআন > 📄 দাওয়াতের স্থান

📄 দাওয়াতের স্থান


ইরাকের একটি প্রসিদ্ধ ও সুপরিচিত জনপদ হচ্ছে নিনাওয়া। সেই এলাকার লোকদের হেদায়েতের জন্য তাঁকে মনোনীত করা হয়েছিলো। নিনাওয়া হচ্ছে আশুরি প্রশাসনের জায়গীরভুক্ত ও মূসেল অঞ্চলের কেন্দ্রীয় নগরী।
যে যুগে হযরত ইউনুস আ. নিনাওয়া অধিবাসীদের হেদায়েতের উদ্দেশে প্রেরিত হন, সে সময়টি ছিলো আশুরি রাজত্বের উত্থানকাল। কিন্তু তাদের শাসনপদ্ধতি ছিলো গোত্রভিত্তিক। প্রতিটি গোত্রের জন্য ভিন্ন ভিন্ন শাসক ও রাজা হতো। সেই গোত্র শাসিত প্রশাসনগুলোর জায়গিরসমূহে নিনাওয়ার অবস্থান ছিলো কেন্দ্রীয় নগরী হিসেবে। এ কারণে তার উত্থান প্রসিদ্ধি লাভ করেছিলো।
পবিত্র কুরআনে নিনাওয়ার লোকসংখ্যা এক লাখেরও বেশি বলা হয়েছে। ইমাম তিরমিযি রহ. গরিব সনদে একটি মারফু হাদিস নকল করেছেন যে, সেই এলাকায় এক লক্ষ বিশ হাজার জনগণের বসতি ছিলো। তাওরাত-সমষ্টিতে যে সহিফাটির নামকরণ করা হয়েছে হযরত ইউনুস আ.-এর নামে; তাতেও এই সংখ্যাই বলা হয়েছে। কিন্তু হযরত ইবনে আব্বাস রা. সাঈদ বিন যুবায়ের ও মাকহুল প্রমুখ থেকে أَوْ يَزِيدُونَ এর তাফসির ১০ হাজার থেকে ৭০ হাজার পর্যন্ত বর্ণিত রয়েছে। আমাদের মতে প্রথম অভিমতটিই প্রাধান্য পাবে।

ইরাকের একটি প্রসিদ্ধ ও সুপরিচিত জনপদ হচ্ছে নিনাওয়া। সেই এলাকার লোকদের হেদায়েতের জন্য তাঁকে মনোনীত করা হয়েছিলো। নিনাওয়া হচ্ছে আশুরি প্রশাসনের জায়গীরভুক্ত ও মূসেল অঞ্চলের কেন্দ্রীয় নগরী।
যে যুগে হযরত ইউনুস আ. নিনাওয়া অধিবাসীদের হেদায়েতের উদ্দেশে প্রেরিত হন, সে সময়টি ছিলো আশুরি রাজত্বের উত্থানকাল। কিন্তু তাদের শাসনপদ্ধতি ছিলো গোত্রভিত্তিক। প্রতিটি গোত্রের জন্য ভিন্ন ভিন্ন শাসক ও রাজা হতো। সেই গোত্র শাসিত প্রশাসনগুলোর জায়গিরসমূহে নিনাওয়ার অবস্থান ছিলো কেন্দ্রীয় নগরী হিসেবে। এ কারণে তার উত্থান প্রসিদ্ধি লাভ করেছিলো।
পবিত্র কুরআনে নিনাওয়ার লোকসংখ্যা এক লাখেরও বেশি বলা হয়েছে। ইমাম তিরমিযি রহ. গরিব সনদে একটি মারফু হাদিস নকল করেছেন যে, সেই এলাকায় এক লক্ষ বিশ হাজার জনগণের বসতি ছিলো। তাওরাত-সমষ্টিতে যে সহিফাটির নামকরণ করা হয়েছে হযরত ইউনুস আ.-এর নামে; তাতেও এই সংখ্যাই বলা হয়েছে। কিন্তু হযরত ইবনে আব্বাস রা. সাঈদ বিন যুবায়ের ও মাকহুল প্রমুখ থেকে أَوْ يَزِيدُونَ এর তাফসির ১০ হাজার থেকে ৭০ হাজার পর্যন্ত বর্ণিত রয়েছে। আমাদের মতে প্রথম অভিমতটিই প্রাধান্য পাবে।

ইরাকের একটি প্রসিদ্ধ ও সুপরিচিত জনপদ হচ্ছে নিনাওয়া। সেই এলাকার লোকদের হেদায়েতের জন্য তাঁকে মনোনীত করা হয়েছিলো। নিনাওয়া হচ্ছে আশুরি প্রশাসনের জায়গীরভুক্ত ও মূসেল অঞ্চলের কেন্দ্রীয় নগরী।
যে যুগে হযরত ইউনুস আ. নিনাওয়া অধিবাসীদের হেদায়েতের উদ্দেশে প্রেরিত হন, সে সময়টি ছিলো আশুরি রাজত্বের উত্থানকাল। কিন্তু তাদের শাসনপদ্ধতি ছিলো গোত্রভিত্তিক। প্রতিটি গোত্রের জন্য ভিন্ন ভিন্ন শাসক ও রাজা হতো। সেই গোত্র শাসিত প্রশাসনগুলোর জায়গিরসমূহে নিনাওয়ার অবস্থান ছিলো কেন্দ্রীয় নগরী হিসেবে। এ কারণে তার উত্থান প্রসিদ্ধি লাভ করেছিলো।
পবিত্র কুরআনে নিনাওয়ার লোকসংখ্যা এক লাখেরও বেশি বলা হয়েছে। ইমাম তিরমিযি রহ. গরিব সনদে একটি মারফু হাদিস নকল করেছেন যে, সেই এলাকায় এক লক্ষ বিশ হাজার জনগণের বসতি ছিলো। তাওরাত-সমষ্টিতে যে সহিফাটির নামকরণ করা হয়েছে হযরত ইউনুস আ.-এর নামে; তাতেও এই সংখ্যাই বলা হয়েছে। কিন্তু হযরত ইবনে আব্বাস রা. সাঈদ বিন যুবায়ের ও মাকহুল প্রমুখ থেকে أَوْ يَزِيدُونَ এর তাফসির ১০ হাজার থেকে ৭০ হাজার পর্যন্ত বর্ণিত রয়েছে। আমাদের মতে প্রথম অভিমতটিই প্রাধান্য পাবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00