📘 কাসাসুল কুরআন > 📄 সময়কাল

📄 সময়কাল


হাফেয ইবনে হাজার রহ. বলেন, ইতিহাসের আলোকে হযরত ইউনুস আ.-এর সময়কাল নির্ধারণ করা খুব কঠিন।² অবশ্য কতিপয় ঐতিহাসিক বলেন, যখন ইরান (পারস্য)-এ বিদ্রোহ ও বিশৃঙ্খল রাজত্বের যুগ চলছিলো সেসময় নিনাওয়া অঞ্চলে হযরত ইউনুস আ.-এর আবির্ভাব ঘটে।
আধুনিক গবেষকগণ পারস্যশাসনকে তিনটি পর্বে ভাগ করে থাকেন। একটি হলো, আলেকজান্ডারের আক্রমণের পূর্বযুগ। দ্বিতীয়টি হলো, পারথবি শাসনকার অর্থাৎ বিদ্রোহ ও বিশৃঙ্খলার যুগ। আর তৃতীয়টি হলো, সাসানি শাসনামল।
প্রথমপর্বটিকে তাদের উত্থান যুগ মনে করা হয়। এটির সূচনা ঘটেছে আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৫৫৯ সন থেকে। যা আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৭২ সনে অর্থাৎ দুই শতাব্দীর মাথায় এসে শেষ হয়। দ্বিতীয় পর্বটি আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৭২ সন থেকে শুরু হয়ে ১৫০ ঈসাব্দে এসে শেষ হয়েছে। এটিকেই 'বিদ্রোহ ও বিশৃঙ্খলার যুগ' বলা হয়ে থাকে। এরপর থেকে শুরু হয়েছে সাসানি শাসনামল।*
উল্লিখিত তথ্যের প্রেক্ষিতে হাফেয ইবনে হাজার রহ.-এর বর্ণনা অনুসারে হযরত ইউনুস আ.-এর যুগ খ্রিস্টপূর্ব ৩৭২ থেকে শুরু করে হযরত ঈসা আ.-এর জন্মের মধ্যবর্তী সময়কালে হওয়া উচিত। কিন্তু ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে উল্লিখিত কথাটি ভুল প্রমাণিত হয়। কারণ, ঐতিহাসিকগণ এর ওপর একমত যে, আশুরিদের এই বিখ্যাত নগরী (নিনাওয়া) বাবেলিদের হাতে খ্রিস্টপূর্ব ৬১২ সনে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছিলো। এছাড়াও আহলে কিতাবদের বিভিন্ন রেওয়ায়েত এ সাক্ষ্যে প্রদান করে যে, হযরত ইউনুস আ.- এর যুগ শেষে খ্রিস্টপূর্ব ৬৯০ সনে যখন নিনাওয়াবাসী দ্বিতীয়বার কুফর- শিরকি ও জুলুম-অত্যাচার শুরু করে দিয়েছিলো এবং তাদের অবাধ্যতার প্রকোপ মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গিয়েছিল তখন একজন ইসরাইলি নবী-যার নাম নাহুম- তাদেরকে পুনরায় বুঝিয়ে-শুনিয়ে হেদায়েতের দাওয়াত প্রদান করেন। যখন নিনাওয়াবাসী তাঁর কথায় কর্ণপাত করলো না তখন তিনি তাদেরকে ধ্বংস হওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। এর ৭০ বছর খ্রিস্টপূর্ব ৬১২ সনে নিনাওয়া এলাকা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছিল। কাজেই হযরত ইউনুস আ.-এর যুগ অবশ্যই খ্রিস্টপূর্ব ৬৯০ সন থেকেও পুরোনো হতে হবে।
সম্ভবত শাহ আবদুল কাদির রহ.-এর এ অভিমতটি সঠিক যে, হযরত ইউনুস আ. হযরত হিযকিল আ.-এর সমসাময়িক ছিলেন। তিনি লিখেছেন 'তিনি হিযকিলের অন্যতম সুহৃদ ছিলেন। হযরত ইউনুস আ. প্রচণ্ড উদ্দীপনা সহকারে ইবাদত করতেন। দুনিয়া থেকে নিজেকে আলাদা করে রাখতেন। অবশেষে নির্দেশ হলো, আপনাকে নিনাওয়া শহরের উদ্দেশে পাঠানো হলো। সেখানকার লোকদেরকে মূর্তিপূজা থেকে বারণ করতে হবে।'¹
কিন্তু এখানে হিযকিল নামের ক্ষেত্রে আরব ঐতিহাসিকগণ ভুলের শিকার হয়েছেন। তারা মনে করেছেন, তিনি হলেন, হিযকিল বাদশাহ। অথচ বনি ইসরাইলে এ নামে কোনো বাদশাহ অতিক্রান্ত হন নি। প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন প্রখ্যাত নবী হযরত হিযকিল আ.।
এই বিশ্লেষণে স্পষ্ট হলো যে, হযরত ইউনুস আ. ছিলেন একজন ইসরাইলি নবী। ইমাম বুখারি রহ. কিতাবুল আম্বিয়ায় নবীদের আলোচনা করার সময় তাঁর অনুসন্ধান অনুসারে যে ক্রমবিন্যাস তৈরি করেছেন, সেখানে তিনি হযরত ইউনুস আ.-এর আলোচনা এনেছেন হযরত মুসা ও শুয়াইব আলাইহিমাস সালাম এবং হযরত দাউদ আ.-এর মাঝখানে।

টিকাঃ
২. ফাতহুল বারি: ৬/৪৫০
*. আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া : ২/১৮৩; এ যুগটি ইরদুশির বিন বাবকান-এ এসে শেষ হয়েছে। ইরদুশির হলেন প্রথম সাসানি রাজ।
১. মুদিহুল কুরআন, সুরা আম্বিয়া

হাফেয ইবনে হাজার রহ. বলেন, ইতিহাসের আলোকে হযরত ইউনুস আ.-এর সময়কাল নির্ধারণ করা খুব কঠিন।² অবশ্য কতিপয় ঐতিহাসিক বলেন, যখন ইরান (পারস্য)-এ বিদ্রোহ ও বিশৃঙ্খল রাজত্বের যুগ চলছিলো সেসময় নিনাওয়া অঞ্চলে হযরত ইউনুস আ.-এর আবির্ভাব ঘটে।
আধুনিক গবেষকগণ পারস্যশাসনকে তিনটি পর্বে ভাগ করে থাকেন। একটি হলো, আলেকজান্ডারের আক্রমণের পূর্বযুগ। দ্বিতীয়টি হলো, পারথবি শাসনকার অর্থাৎ বিদ্রোহ ও বিশৃঙ্খলার যুগ। আর তৃতীয়টি হলো, সাসানি শাসনামল।
প্রথমপর্বটিকে তাদের উত্থান যুগ মনে করা হয়। এটির সূচনা ঘটেছে আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৫৫৯ সন থেকে। যা আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৭২ সনে অর্থাৎ দুই শতাব্দীর মাথায় এসে শেষ হয়। দ্বিতীয় পর্বটি আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৭২ সন থেকে শুরু হয়ে ১৫০ ঈসাব্দে এসে শেষ হয়েছে। এটিকেই 'বিদ্রোহ ও বিশৃঙ্খলার যুগ' বলা হয়ে থাকে। এরপর থেকে শুরু হয়েছে সাসানি শাসনামল।*
উল্লিখিত তথ্যের প্রেক্ষিতে হাফেয ইবনে হাজার রহ.-এর বর্ণনা অনুসারে হযরত ইউনুস আ.-এর যুগ খ্রিস্টপূর্ব ৩৭২ থেকে শুরু করে হযরত ঈসা আ.-এর জন্মের মধ্যবর্তী সময়কালে হওয়া উচিত। কিন্তু ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে উল্লিখিত কথাটি ভুল প্রমাণিত হয়। কারণ, ঐতিহাসিকগণ এর ওপর একমত যে, আশুরিদের এই বিখ্যাত নগরী (নিনাওয়া) বাবেলিদের হাতে খ্রিস্টপূর্ব ৬১২ সনে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছিলো। এছাড়াও আহলে কিতাবদের বিভিন্ন রেওয়ায়েত এ সাক্ষ্যে প্রদান করে যে, হযরত ইউনুস আ.- এর যুগ শেষে খ্রিস্টপূর্ব ৬৯০ সনে যখন নিনাওয়াবাসী দ্বিতীয়বার কুফর- শিরকি ও জুলুম-অত্যাচার শুরু করে দিয়েছিলো এবং তাদের অবাধ্যতার প্রকোপ মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গিয়েছিল তখন একজন ইসরাইলি নবী-যার নাম নাহুম- তাদেরকে পুনরায় বুঝিয়ে-শুনিয়ে হেদায়েতের দাওয়াত প্রদান করেন। যখন নিনাওয়াবাসী তাঁর কথায় কর্ণপাত করলো না তখন তিনি তাদেরকে ধ্বংস হওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। এর ৭০ বছর খ্রিস্টপূর্ব ৬১২ সনে নিনাওয়া এলাকা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছিল। কাজেই হযরত ইউনুস আ.-এর যুগ অবশ্যই খ্রিস্টপূর্ব ৬৯০ সন থেকেও পুরোনো হতে হবে।
সম্ভবত শাহ আবদুল কাদির রহ.-এর এ অভিমতটি সঠিক যে, হযরত ইউনুস আ. হযরত হিযকিল আ.-এর সমসাময়িক ছিলেন। তিনি লিখেছেন 'তিনি হিযকিলের অন্যতম সুহৃদ ছিলেন। হযরত ইউনুস আ. প্রচণ্ড উদ্দীপনা সহকারে ইবাদত করতেন। দুনিয়া থেকে নিজেকে আলাদা করে রাখতেন। অবশেষে নির্দেশ হলো, আপনাকে নিনাওয়া শহরের উদ্দেশে পাঠানো হলো। সেখানকার লোকদেরকে মূর্তিপূজা থেকে বারণ করতে হবে।'¹
কিন্তু এখানে হিযকিল নামের ক্ষেত্রে আরব ঐতিহাসিকগণ ভুলের শিকার হয়েছেন। তারা মনে করেছেন, তিনি হলেন, হিযকিল বাদশাহ। অথচ বনি ইসরাইলে এ নামে কোনো বাদশাহ অতিক্রান্ত হন নি। প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন প্রখ্যাত নবী হযরত হিযকিল আ.।
এই বিশ্লেষণে স্পষ্ট হলো যে, হযরত ইউনুস আ. ছিলেন একজন ইসরাইলি নবী। ইমাম বুখারি রহ. কিতাবুল আম্বিয়ায় নবীদের আলোচনা করার সময় তাঁর অনুসন্ধান অনুসারে যে ক্রমবিন্যাস তৈরি করেছেন, সেখানে তিনি হযরত ইউনুস আ.-এর আলোচনা এনেছেন হযরত মুসা ও শুয়াইব আলাইহিমাস সালাম এবং হযরত দাউদ আ.-এর মাঝখানে।

টিকাঃ
২. ফাতহুল বারি: ৬/৪৫০
*. আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া : ২/১৮৩; এ যুগটি ইরদুশির বিন বাবকান-এ এসে শেষ হয়েছে। ইরদুশির হলেন প্রথম সাসানি রাজ।
১. মুদিহুল কুরআন, সুরা আম্বিয়া

হাফেয ইবনে হাজার রহ. বলেন, ইতিহাসের আলোকে হযরত ইউনুস আ.-এর সময়কাল নির্ধারণ করা খুব কঠিন।² অবশ্য কতিপয় ঐতিহাসিক বলেন, যখন ইরান (পারস্য)-এ বিদ্রোহ ও বিশৃঙ্খল রাজত্বের যুগ চলছিলো সেসময় নিনাওয়া অঞ্চলে হযরত ইউনুস আ.-এর আবির্ভাব ঘটে।
আধুনিক গবেষকগণ পারস্যশাসনকে তিনটি পর্বে ভাগ করে থাকেন। একটি হলো, আলেকজান্ডারের আক্রমণের পূর্বযুগ। দ্বিতীয়টি হলো, পারথবি শাসনকার অর্থাৎ বিদ্রোহ ও বিশৃঙ্খলার যুগ। আর তৃতীয়টি হলো, সাসানি শাসনামল।
প্রথমপর্বটিকে তাদের উত্থান যুগ মনে করা হয়। এটির সূচনা ঘটেছে আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৫৫৯ সন থেকে। যা আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৭২ সনে অর্থাৎ দুই শতাব্দীর মাথায় এসে শেষ হয়। দ্বিতীয় পর্বটি আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৭২ সন থেকে শুরু হয়ে ১৫০ ঈসাব্দে এসে শেষ হয়েছে। এটিকেই 'বিদ্রোহ ও বিশৃঙ্খলার যুগ' বলা হয়ে থাকে। এরপর থেকে শুরু হয়েছে সাসানি শাসনামল।*
উল্লিখিত তথ্যের প্রেক্ষিতে হাফেয ইবনে হাজার রহ.-এর বর্ণনা অনুসারে হযরত ইউনুস আ.-এর যুগ খ্রিস্টপূর্ব ৩৭২ থেকে শুরু করে হযরত ঈসা আ.-এর জন্মের মধ্যবর্তী সময়কালে হওয়া উচিত। কিন্তু ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে উল্লিখিত কথাটি ভুল প্রমাণিত হয়। কারণ, ঐতিহাসিকগণ এর ওপর একমত যে, আশুরিদের এই বিখ্যাত নগরী (নিনাওয়া) বাবেলিদের হাতে খ্রিস্টপূর্ব ৬১২ সনে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছিলো। এছাড়াও আহলে কিতাবদের বিভিন্ন রেওয়ায়েত এ সাক্ষ্যে প্রদান করে যে, হযরত ইউনুস আ.- এর যুগ শেষে খ্রিস্টপূর্ব ৬৯০ সনে যখন নিনাওয়াবাসী দ্বিতীয়বার কুফর- শিরকি ও জুলুম-অত্যাচার শুরু করে দিয়েছিলো এবং তাদের অবাধ্যতার প্রকোপ মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গিয়েছিল তখন একজন ইসরাইলি নবী-যার নাম নাহুম- তাদেরকে পুনরায় বুঝিয়ে-শুনিয়ে হেদায়েতের দাওয়াত প্রদান করেন। যখন নিনাওয়াবাসী তাঁর কথায় কর্ণপাত করলো না তখন তিনি তাদেরকে ধ্বংস হওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। এর ৭০ বছর খ্রিস্টপূর্ব ৬১২ সনে নিনাওয়া এলাকা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছিল। কাজেই হযরত ইউনুস আ.-এর যুগ অবশ্যই খ্রিস্টপূর্ব ৬৯০ সন থেকেও পুরোনো হতে হবে।
সম্ভবত শাহ আবদুল কাদির রহ.-এর এ অভিমতটি সঠিক যে, হযরত ইউনুস আ. হযরত হিযকিল আ.-এর সমসাময়িক ছিলেন। তিনি লিখেছেন 'তিনি হিযকিলের অন্যতম সুহৃদ ছিলেন। হযরত ইউনুস আ. প্রচণ্ড উদ্দীপনা সহকারে ইবাদত করতেন। দুনিয়া থেকে নিজেকে আলাদা করে রাখতেন। অবশেষে নির্দেশ হলো, আপনাকে নিনাওয়া শহরের উদ্দেশে পাঠানো হলো। সেখানকার লোকদেরকে মূর্তিপূজা থেকে বারণ করতে হবে।'¹
কিন্তু এখানে হিযকিল নামের ক্ষেত্রে আরব ঐতিহাসিকগণ ভুলের শিকার হয়েছেন। তারা মনে করেছেন, তিনি হলেন, হিযকিল বাদশাহ। অথচ বনি ইসরাইলে এ নামে কোনো বাদশাহ অতিক্রান্ত হন নি। প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন প্রখ্যাত নবী হযরত হিযকিল আ.।
এই বিশ্লেষণে স্পষ্ট হলো যে, হযরত ইউনুস আ. ছিলেন একজন ইসরাইলি নবী। ইমাম বুখারি রহ. কিতাবুল আম্বিয়ায় নবীদের আলোচনা করার সময় তাঁর অনুসন্ধান অনুসারে যে ক্রমবিন্যাস তৈরি করেছেন, সেখানে তিনি হযরত ইউনুস আ.-এর আলোচনা এনেছেন হযরত মুসা ও শুয়াইব আলাইহিমাস সালাম এবং হযরত দাউদ আ.-এর মাঝখানে।

টিকাঃ
২. ফাতহুল বারি: ৬/৪৫০
*. আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া : ২/১৮৩; এ যুগটি ইরদুশির বিন বাবকান-এ এসে শেষ হয়েছে। ইরদুশির হলেন প্রথম সাসানি রাজ।
১. মুদিহুল কুরআন, সুরা আম্বিয়া

📘 কাসাসুল কুরআন > 📄 দাওয়াতের স্থান

📄 দাওয়াতের স্থান


ইরাকের একটি প্রসিদ্ধ ও সুপরিচিত জনপদ হচ্ছে নিনাওয়া। সেই এলাকার লোকদের হেদায়েতের জন্য তাঁকে মনোনীত করা হয়েছিলো। নিনাওয়া হচ্ছে আশুরি প্রশাসনের জায়গীরভুক্ত ও মূসেল অঞ্চলের কেন্দ্রীয় নগরী।
যে যুগে হযরত ইউনুস আ. নিনাওয়া অধিবাসীদের হেদায়েতের উদ্দেশে প্রেরিত হন, সে সময়টি ছিলো আশুরি রাজত্বের উত্থানকাল। কিন্তু তাদের শাসনপদ্ধতি ছিলো গোত্রভিত্তিক। প্রতিটি গোত্রের জন্য ভিন্ন ভিন্ন শাসক ও রাজা হতো। সেই গোত্র শাসিত প্রশাসনগুলোর জায়গিরসমূহে নিনাওয়ার অবস্থান ছিলো কেন্দ্রীয় নগরী হিসেবে। এ কারণে তার উত্থান প্রসিদ্ধি লাভ করেছিলো।
পবিত্র কুরআনে নিনাওয়ার লোকসংখ্যা এক লাখেরও বেশি বলা হয়েছে। ইমাম তিরমিযি রহ. গরিব সনদে একটি মারফু হাদিস নকল করেছেন যে, সেই এলাকায় এক লক্ষ বিশ হাজার জনগণের বসতি ছিলো। তাওরাত-সমষ্টিতে যে সহিফাটির নামকরণ করা হয়েছে হযরত ইউনুস আ.-এর নামে; তাতেও এই সংখ্যাই বলা হয়েছে। কিন্তু হযরত ইবনে আব্বাস রা. সাঈদ বিন যুবায়ের ও মাকহুল প্রমুখ থেকে أَوْ يَزِيدُونَ এর তাফসির ১০ হাজার থেকে ৭০ হাজার পর্যন্ত বর্ণিত রয়েছে। আমাদের মতে প্রথম অভিমতটিই প্রাধান্য পাবে।

ইরাকের একটি প্রসিদ্ধ ও সুপরিচিত জনপদ হচ্ছে নিনাওয়া। সেই এলাকার লোকদের হেদায়েতের জন্য তাঁকে মনোনীত করা হয়েছিলো। নিনাওয়া হচ্ছে আশুরি প্রশাসনের জায়গীরভুক্ত ও মূসেল অঞ্চলের কেন্দ্রীয় নগরী।
যে যুগে হযরত ইউনুস আ. নিনাওয়া অধিবাসীদের হেদায়েতের উদ্দেশে প্রেরিত হন, সে সময়টি ছিলো আশুরি রাজত্বের উত্থানকাল। কিন্তু তাদের শাসনপদ্ধতি ছিলো গোত্রভিত্তিক। প্রতিটি গোত্রের জন্য ভিন্ন ভিন্ন শাসক ও রাজা হতো। সেই গোত্র শাসিত প্রশাসনগুলোর জায়গিরসমূহে নিনাওয়ার অবস্থান ছিলো কেন্দ্রীয় নগরী হিসেবে। এ কারণে তার উত্থান প্রসিদ্ধি লাভ করেছিলো।
পবিত্র কুরআনে নিনাওয়ার লোকসংখ্যা এক লাখেরও বেশি বলা হয়েছে। ইমাম তিরমিযি রহ. গরিব সনদে একটি মারফু হাদিস নকল করেছেন যে, সেই এলাকায় এক লক্ষ বিশ হাজার জনগণের বসতি ছিলো। তাওরাত-সমষ্টিতে যে সহিফাটির নামকরণ করা হয়েছে হযরত ইউনুস আ.-এর নামে; তাতেও এই সংখ্যাই বলা হয়েছে। কিন্তু হযরত ইবনে আব্বাস রা. সাঈদ বিন যুবায়ের ও মাকহুল প্রমুখ থেকে أَوْ يَزِيدُونَ এর তাফসির ১০ হাজার থেকে ৭০ হাজার পর্যন্ত বর্ণিত রয়েছে। আমাদের মতে প্রথম অভিমতটিই প্রাধান্য পাবে।

ইরাকের একটি প্রসিদ্ধ ও সুপরিচিত জনপদ হচ্ছে নিনাওয়া। সেই এলাকার লোকদের হেদায়েতের জন্য তাঁকে মনোনীত করা হয়েছিলো। নিনাওয়া হচ্ছে আশুরি প্রশাসনের জায়গীরভুক্ত ও মূসেল অঞ্চলের কেন্দ্রীয় নগরী।
যে যুগে হযরত ইউনুস আ. নিনাওয়া অধিবাসীদের হেদায়েতের উদ্দেশে প্রেরিত হন, সে সময়টি ছিলো আশুরি রাজত্বের উত্থানকাল। কিন্তু তাদের শাসনপদ্ধতি ছিলো গোত্রভিত্তিক। প্রতিটি গোত্রের জন্য ভিন্ন ভিন্ন শাসক ও রাজা হতো। সেই গোত্র শাসিত প্রশাসনগুলোর জায়গিরসমূহে নিনাওয়ার অবস্থান ছিলো কেন্দ্রীয় নগরী হিসেবে। এ কারণে তার উত্থান প্রসিদ্ধি লাভ করেছিলো।
পবিত্র কুরআনে নিনাওয়ার লোকসংখ্যা এক লাখেরও বেশি বলা হয়েছে। ইমাম তিরমিযি রহ. গরিব সনদে একটি মারফু হাদিস নকল করেছেন যে, সেই এলাকায় এক লক্ষ বিশ হাজার জনগণের বসতি ছিলো। তাওরাত-সমষ্টিতে যে সহিফাটির নামকরণ করা হয়েছে হযরত ইউনুস আ.-এর নামে; তাতেও এই সংখ্যাই বলা হয়েছে। কিন্তু হযরত ইবনে আব্বাস রা. সাঈদ বিন যুবায়ের ও মাকহুল প্রমুখ থেকে أَوْ يَزِيدُونَ এর তাফসির ১০ হাজার থেকে ৭০ হাজার পর্যন্ত বর্ণিত রয়েছে। আমাদের মতে প্রথম অভিমতটিই প্রাধান্য পাবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00