📄 পাখিদের সঙ্গে কথা বলা
হযরত দাউদ আ. ও তাঁর পুত্র হযরত সুলাইমান আ.-কে মহান আল্লাহ এ মহাসম্মান প্রদান করেছিলেন যে, তারা দু'জনই পাখিদের ভাষা জানতেন। যেভাবে একজন মানুষ অন্য মানুষের কথাবার্তা বুঝতে পারে, তদ্রূপ তাঁরাও পাখিদের কথাবার্তা বুঝতে পারতেন।
পাখিদের কথাবার্তা কী এবং হযরত দাউদ ও সুলাইমান আলাইহিমাস সালাম পাখিদের ভাষা সম্পর্কে কী ধরনের জ্ঞান রাখতেন, এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হযরত সুলাইমান আ.-এর জীবনীতে উল্লেখ করবো। তবে এতটুকু কথা নিশ্চিত প্রমাণিত যে, বর্তমান যুগের প্রাণীবিদগণ অনুমান ও ধারণানির্ভর জ্ঞান প্রয়োগ করে যে শাস্ত্র আবিষ্কার করেছেন, বিজ্ঞানের পরিভাষায় যাকে প্রাণিবিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা মনে করা হয়, তাঁদের জ্ঞান ছিলো তার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। যা ছিলো মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের ওপর একটি বিশেষ দান।
📄 যাবুর তেলাওয়াত
পূর্বেই আলোচিত হয়েছে যে, যখন হযরত দাউদ আ. ঘোড়ার ওপর জিন লাগাতে শুরু করে তা শেষ করার সঙ্গে সঙ্গে পূর্ণ যাবুর তেলাওয়াত করে ফেলতেন। এটি ছিলো হযরত দাউদ আ.-এর জিহার দ্রুত স্পন্দনের মুজিযার সঙ্গে সম্পর্কিত। যেনো মহান আল্লাহ হযরত দাউদ আ.-এর জন্য সময়কে উল্লিখিত মেয়াদের ভেতর এমনভাবে প্রবিষ্ট করে দিয়েছিলেন যে, সাধারণ সময়ে যা হতো কয়েক ঘণ্টার ব্যাপার। অথবা তিনি তাঁকে দ্রুত শব্দ উচ্চারণের এমন শক্তি দান করেছিলেন যে, যে কথা বলতে অন্যদের কয়েক ঘণ্টা লাগতো, তা হযরত দাউদ আ. বুখারির বর্ণিত হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী মাত্র কয়েক মুহূর্তেই বলতে সক্ষম ছিলেন।
আর এ কথা আজো স্বীকৃত যে, দ্রুত স্পন্দনের জন্য কোনো সীমারেখা নির্দিষ্ট করা যায় না।