📘 কাসাসুল কুরআন > 📄 নাম ও বংশ

📄 নাম ও বংশ


ওয়াহাব ইবনে মুনাবিহ রহ. কর্তৃক বর্ণিত একটি ইসরাইলি রেওয়ায়েতে রয়েছে যে, তাঁর নাম আল-ইয়াসাআ। তিনি ছিলেন খুতুব-এর পুত্র। ইবনে ইসহাক রহ.-ও এ রেওয়ায়েতকে প্রাধান্য দিয়েছেন। ইতিহাসের কিতাবে বর্ণিত রয়েছে যে, হযরত আল-ইয়াসাআ আ. ছিলেন হযরত ইলয়াস আ.-এর চাচাতো ভাই।

ইবনে আসাকির রহ. তাঁর ইতিহাসগ্রন্থে তাঁর বংশপরম্পরার বৃত্তান্ত আলোচনা করে লিখেছেন যে, তিনি ছিলেন হযরত ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আলাইহিমাস সালামের বংশধর।

তাঁর বংশপরম্পরা হলো : আল-ইয়াসাআ বিন আদি বিন শাওতাম বিন ইফরাইম বিন ইউসুফ বিন ইয়াকুব বিন ইসহাক বিন ইবরাহিম আলাইহিমুস সালাম। যদি তাওরাতের [ইয়ায়াহ] নবী আর হযরত আল-ইয়াসাআ আ. একই ব্যক্তি হয়ে থাকেন, তাহলে তাওরাতের ভাষ্যমতে তাঁর পিতার নাম আমুস।

ওয়াহাব ইবনে মুনাবিহ রহ. কর্তৃক বর্ণিত একটি ইসরাইলি রেওয়ায়েতে রয়েছে যে, তাঁর নাম আল-ইয়াসাআ। তিনি ছিলেন খুতুব-এর পুত্র। ইবনে ইসহাক রহ.-ও এ রেওয়ায়েতকে প্রাধান্য দিয়েছেন। ইতিহাসের কিতাবে বর্ণিত রয়েছে যে, হযরত আল-ইয়াসাআ আ. ছিলেন হযরত ইলয়াস আ.-এর চাচাতো ভাই।

ইবনে আসাকির রহ. তাঁর ইতিহাসগ্রন্থে তাঁর বংশপরম্পরার বৃত্তান্ত আলোচনা করে লিখেছেন যে, তিনি ছিলেন হযরত ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আলাইহিমাস সালামের বংশধর।

তাঁর বংশপরম্পরা হলো : আল-ইয়াসাআ বিন আদি বিন শাওতাম বিন ইফরাইম বিন ইউসুফ বিন ইয়াকুব বিন ইসহাক বিন ইবরাহিম আলাইহিমুস সালাম। যদি তাওরাতের [ইয়ায়াহ] নবী আর হযরত আল-ইয়াসাআ আ. একই ব্যক্তি হয়ে থাকেন, তাহলে তাওরাতের ভাষ্যমতে তাঁর পিতার নাম আমুস।

📘 কাসাসুল কুরআন > 📄 নবুয়তলাভ

📄 নবুয়তলাভ


হযরত আল-ইয়াসাআ আ. হযরত ইলয়াস আ.-এর পরলোকগমনের পর তাঁর প্রতিনিধি ও খলিফা হয়েছিলেন।

প্রথম জীবনে তিনি তাঁর সংস্পর্শে থাকতেন। তাঁর ইন্তিকালের পর মহান আল্লাহ বনি ইসরাইলের হেদায়েতের জন্য হযরত আল-ইয়াসাআ আ.-কে নবুয়ত প্রদান করেন। তিনি হযরত ইলয়াস আ.-এর তরিকা অনুযায়ী বনি ইসরাইলের পথপ্রদর্শন করেন। তবে হযরত আল-ইয়াসাআ আ. কত বছর হায়াত পেয়েছিলেন এবং তিনি বনি ইসরাইলে কত দিন তাবলিগের দায়িত্ব পালন করেছেন, এ বিষয়ে ইতিহাসে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই।

হযরত আল-ইয়াসাআ আ. হযরত ইলয়াস আ.-এর পরলোকগমনের পর তাঁর প্রতিনিধি ও খলিফা হয়েছিলেন।

প্রথম জীবনে তিনি তাঁর সংস্পর্শে থাকতেন। তাঁর ইন্তিকালের পর মহান আল্লাহ বনি ইসরাইলের হেদায়েতের জন্য হযরত আল-ইয়াসাআ আ.-কে নবুয়ত প্রদান করেন। তিনি হযরত ইলয়াস আ.-এর তরিকা অনুযায়ী বনি ইসরাইলের পথপ্রদর্শন করেন। তবে হযরত আল-ইয়াসাআ আ. কত বছর হায়াত পেয়েছিলেন এবং তিনি বনি ইসরাইলে কত দিন তাবলিগের দায়িত্ব পালন করেছেন, এ বিষয়ে ইতিহাসে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই।

📘 কাসাসুল কুরআন > 📄 কুরআনুল কারিমে হযরত আল-ইয়াসাআ আলাইহিস সালাম-এর আলোচনা

📄 কুরআনুল কারিমে হযরত আল-ইয়াসাআ আলাইহিস সালাম-এর আলোচনা


কুরআনুল কারিম তাঁর জীবনবৃত্তান্তের ওপর তেমন একটা আলোকপাত করে নি। সুরা আনআম ও সুরা সাদে শুধু তাঁর নামের উল্লেখ পাওয়া যায়।

وَاسْمُعِيلَ وَ الْيَسَعَ وَيُونُسَ وَلُوطًا وَكُلًّا فَضَّلْنَا عَلَى الْعُلَمِينَ 'আরও সৎপথে পরিচালিত করেছিলাম ইসমাইল, আল্-ইয়াসাআ, ইউনুস ও লুতকে; এবং শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছিলাম বিশ্বজগতের ওপর প্রত্যেককে।' [সুরা আনআম: আয়াত ৮৬]

وَاذْكُرْ اسْمَعِيلَ وَالْيَسَعَ وَذَا الْكِفْلِ وَكُلٌّ مِنَ الْأَخْيَارِ 'স্মরণ করো, ইসমাইল, আল-ইয়াসাআ ও যুল-কিফলের কথা, এরা প্রত্যেকেই ছিলেন সজ্জন।' [সুরা সাদ: আয়াত ৪৮]

কুরআনুল কারিম তাঁর জীবনবৃত্তান্তের ওপর তেমন একটা আলোকপাত করে নি। সুরা আনআম ও সুরা সাদে শুধু তাঁর নামের উল্লেখ পাওয়া যায়।

وَاسْمُعِيلَ وَ الْيَسَعَ وَيُونُسَ وَلُوطًا وَكُلًّا فَضَّلْنَا عَلَى الْعُلَمِينَ 'আরও সৎপথে পরিচালিত করেছিলাম ইসমাইল, আল্-ইয়াসাআ, ইউনুস ও লুতকে; এবং শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছিলাম বিশ্বজগতের ওপর প্রত্যেককে।' [সুরা আনআম: আয়াত ৮৬]

وَاذْكُرْ اسْمَعِيلَ وَالْيَسَعَ وَذَا الْكِفْلِ وَكُلٌّ مِنَ الْأَخْيَارِ 'স্মরণ করো, ইসমাইল, আল-ইয়াসাআ ও যুল-কিফলের কথা, এরা প্রত্যেকেই ছিলেন সজ্জন।' [সুরা সাদ: আয়াত ৪৮]

📘 কাসাসুল কুরআন > 📄 শিক্ষা ও উপদেশ

📄 শিক্ষা ও উপদেশ


বনি ইসরাইলের যেসকল নবী আল্লাহর অতিমহান নবী-রাসুলদের সাহচর্য লাভ করেছেন এবং তাঁদের সাহচর্যের বদৌলতে ও একনিষ্ঠ আনুগত্যের কল্যাণে পরবর্তীকালে খেলাফত লাভ করার পর নবুওতের সুমহান মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হতে পেরেছিলেন, তাঁদের জীবনের ঘটনাপ্রবাহ থেকে এ শিক্ষা লাভ করা যায় যে, সৎ লোকদের সাহচর্য কল্যাণ অর্জনের মহৌষধ। হযরত রূমি রহ. চমৎকার বলেছেন- یک زمانه صحبت با اولیا بهتر از صد سال طاعت بے ریا আওলিয়া কেরামের সঙ্গে তোমার মুহূর্তকালের সাহচর্য একশো বছর খাঁটি ইবাদতের চেয়ে উত্তম।'

যদি কোনো কামেল ব্যক্তিত্বের সাহচর্য ছাড়া কোনো ব্যক্তি হাজার বছর তপস্যা ও সাধনা করেও যায়, তাহলেও এটি অনেক বড় শূন্যতা, যা কেবল কামেল ব্যক্তিত্বের সাহচর্য দ্বারাই পূর্ণ হতে পারে। কাজেই সৎ লোকদের সঙ্গে থাকার অনিবার্যতা এড়িয়ে যাওয়ার কোনো উপায় নেই।

বনি ইসরাইলের যেসকল নবী আল্লাহর অতিমহান নবী-রাসুলদের সাহচর্য লাভ করেছেন এবং তাঁদের সাহচর্যের বদৌলতে ও একনিষ্ঠ আনুগত্যের কল্যাণে পরবর্তীকালে খেলাফত লাভ করার পর নবুওতের সুমহান মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হতে পেরেছিলেন, তাঁদের জীবনের ঘটনাপ্রবাহ থেকে এ শিক্ষা লাভ করা যায় যে, সৎ লোকদের সাহচর্য কল্যাণ অর্জনের মহৌষধ। হযরত রূমি রহ. চমৎকার বলেছেন- یک زمانه صحبت با اولیا بهتر از صد سال طاعت بے ریا আওলিয়া কেরামের সঙ্গে তোমার মুহূর্তকালের সাহচর্য একশো বছর খাঁটি ইবাদতের চেয়ে উত্তম।'

যদি কোনো কামেল ব্যক্তিত্বের সাহচর্য ছাড়া কোনো ব্যক্তি হাজার বছর তপস্যা ও সাধনা করেও যায়, তাহলেও এটি অনেক বড় শূন্যতা, যা কেবল কামেল ব্যক্তিত্বের সাহচর্য দ্বারাই পূর্ণ হতে পারে। কাজেই সৎ লোকদের সঙ্গে থাকার অনিবার্যতা এড়িয়ে যাওয়ার কোনো উপায় নেই।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00